(৫৮) ভালো শহরে এর প্রভুর অনুমতিক্রমে ফসল উৎপন্ন হয়। আর যা মন্দ শহর, তাতে কঠোর পরিশ্রম ছাড়া ফসল উৎপন্ন হয় না। এইভাবে আমি ঐ জাতির জন্যে নিদর্শন সমূহ বিশদ ভাবে বর্ণনা করি, যারা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। (৭. আল আরাফ : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
(৫৯) অবশ্যই আমি নূহকে তাঁর জাতির কাছে প্রেরণ করেছিলাম। নূহ তাঁর জাতিকে বলেছিলেন, “হে আমার জাতি! তোমরা আল্লাহর উপাসনা করো, তিনি ছাড়া তোমাদের জন্যে অন্য কোনো উপাস্য নেই। নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্যে এক মহা দিনের শাস্তির আশঙ্কা করছি।” (৭. আল আরাফ : ৫৯)
- ব্যাখ্যা
(৬১) নূহ বললেন, “হে আমার জাতি! আমার মধ্যে কোনো পথভ্রষ্টতা নেই, বরং আমি হচ্ছি বিশ্বজগতের প্রভু আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রসূল। (৭. আল আরাফ : ৬১)
- ব্যাখ্যা
(৬২) আমি তোমাদের কাছে আমার প্রভুর বাণী সমূহ পৌঁছে দেই এবং আমি তোমাদেরকে সৎউপদেশ দেই। আর আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে যা জানি, তোমরা তা জানো না। (৭. আল আরাফ : ৬২)
- ব্যাখ্যা
(৬৩) তবে কি তোমরা আশ্চর্য হচ্ছো যে, তোমাদের কাছে তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত একজন মানুষের মাধ্যমে উপদেশ এসেছে। যেনো তিনি তোমাদেরকে আল্লাহর শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করেন, যেনো তোমরা আল্লাহকে ভয় করো আর যেনো তোমাদেরকে দয়া করা হয়?” (৭. আল আরাফ : ৬৩)
- ব্যাখ্যা
(৬৪) কিন্তু তারা নূহকে মিথ্যাবাদী বললো। সুতরাং আমি তাঁকে ও তাঁর সঙ্গে যারা জাহাজে ছিলো, তাদেরকে উদ্ধার করেছিলাম। আর যারা আমার নিদর্শন সমূহকে মিথ্যা বলেছিলো, আমি তাদেরকে ডুবিয়ে দিয়েছিলাম। নিশ্চয় তারা এক অন্ধ জাতি ছিলো। (৭. আল আরাফ : ৬৪)
- ব্যাখ্যা
(৬৫) আমি আদ জাতির কাছে তাদের ভাই হূদকে প্রেরণ করেছি। হূদ বলেছিলেন, “হে আমার জাতি! তোমরা আল্লাহর উপাসনা করো, তোমাদের জন্যে তিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। সুতরাং তোমরা কি আল্লাহকে ভয় করবে না?” (৭. আল আরাফ : ৬৫)
- ব্যাখ্যা
(৬৬) হূদের জাতির মধ্যে যারা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করেছিলো, তাদের মধ্যে প্রধানরা বললো, “নিশ্চয় আমরা তোমাকে নির্বুদ্ধিতার মধ্যে দেখতে পাচ্ছি। আর নিশ্চয় আমরা তোমাকে মিথ্যাবাদী মনে করি।” (৭. আল আরাফ : ৬৬)
- ব্যাখ্যা