(৪৪) বেহেশত বাসীরা দোযখ বাসীদেরকে ডেকে বলবে যে, “আমরা অবশ্যই তা সত্য পেয়েছি, আমাদের প্রভু যা আমাদের কাছে অঙ্গীকার করেছিলেন। তবে কি তোমরাও তা সত্য পেয়েছো, তোমাদের প্রভু যা তোমাদের কাছে অঙ্গীকার করেছিলেন?” দোযখ বাসীরা বলবে, “হাঁ”। তখন একজন ঘোষক তাদের মধ্যে ঘোষণা করবে যে, “আল্লাহর অভিশাপ ঐ সকল অত্যাচারীদের উপরে বর্ষিত হোক, (৭. আল আরাফ : ৪৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৬) বেহেশ ও দোযখের মাঝখানে একটি প্রাচীর থাকবে। ঐ প্রাচীরের উঁচু স্থানের উপরে অনেক মানুষ থাকবে, তারা প্রত্যেকে তাদের পরস্পরের চিহ্ন দ্বারা চিনে নিবে। আরাফ বাসীরা বেহেশত বাসীদেরকে ডেকে বলবে যে, “তোমাদের উপরে আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হোক।” আরাফ বাসীরা বেহেশতে প্রবেশ করেনি, কিন্তু তারা প্রবেশ করার ব্যাপারে আগ্রহী হবে। (৭. আল আরাফ : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
(৪৭) যখন আরাফ বাসীদের দৃষ্টি দোযখ বাসীদের দিকে ফিরানো হবে, তখন তারা বলবে, “হে আমাদের প্রভু! আমাদেরকে অন্যায়কারী জাতির সঙ্গে দোযখ বাসী করবেন না।” (৭. আল আরাফ : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) আরাফ বাসীরা দোযখ বাসীদেরকে ডাকবে, যাদেরকে তারা ওদের চিহ্ন দ্বারা চিনতে পারবে, আরাফ বাসীরা বলবে, “তোমাদের সঞ্চয় ও যে অংশীদারগণকে তোমরা বড় মনে করতে, ঐ অংশীদাররা তোমাদের জন্যে কোনো উপকারে এলো না! (৭. আল আরাফ : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
(৪৯) এরাই কি তারা, যে বেহেশত বাসীদের সম্পর্কে তোমরা শপথ করেছিলে যে, আল্লাহ তাদেরকে স্বীয় দয়ার দ্বারা বেহেশতে পৌঁছাবেন না? অথচ আল্লাহ তাদেরকে বলে দিয়েছেন যে, ‘তোমরা বেহেশতে প্রবেশ করো, তোমাদের উপরে কোনো ভয় নেই, আর তোমরা অনুতাপও করবে না’।” (৭. আল আরাফ : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
(৫০) দোযখ বাসীরা বেহেশত বাসীদেরকে ডেকে বলবে যে, “আমাদের উপরে কিছু পানি ঢেলে দাও, অথবা আল্লাহ তোমাদেরকে যে জীবিকা দিয়েছেন, তা থেকে আমাদেরকে কিছু দাও।” বেহেশত বাসীরা বলবে, “নিশ্চয় আল্লাহ অবিশ্বাসীদের উপরে বেহেশতের পানি ও খাদ্য এ দুটোই নিষিদ্ধ করেছেন।” (৭. আল আরাফ : ৫০)
- ব্যাখ্যা
(৫১) এ অবিশ্বাসীরা হচ্ছে ঐ সকল লোক, যারা তাদের ধর্মকে তামাশা ও খেলা হিসেবে গ্রহণ করেছিলো আর পার্থিব জীবন যাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে ভুলিয়ে ছিলো। সুতরাং আজ আমি আল্লাহ তাদেরকে ভুলে গিয়েছি, যেমন তারা তাদের এই বিচার দিনটির সঙ্গে মিলিত হওয়ার ব্যাপারে ভুলে গিয়েছিলো। আর যেহেতু তারা আমার নিদর্শন সমূহকে প্রত্যাখ্যান করেছিলো। (৭. আল আরাফ : ৫১)
- ব্যাখ্যা