(৩৮) সেই দিন আল্লাহ অবিশ্বাসীদেরকে বলবেন, “তোমরা আগুনের মধ্যে ঐ জাতির সঙ্গে প্রবেশ করো, জ্বিন ও মানুষের মধ্যে থেকে তোমাদের আগে ইতিপূর্বে যারা গত হয়ে গেছে। যখনি আগুনের মধ্যে এক জাতি প্রবেশ করবে, সেই জাতি অপর জাতিকে অভিশাপ দিবে। এমনকি যখন তারা সবাই আগুনের মধ্যে পতিত হবে, তখন তাদের পরবর্তীরা তাদের অগ্রগামীদের সম্পর্কে বলবে, “হে আমাদের প্রভু! এরাই আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিলো। সুতরাং আপনি তাদেরকে আগুনের মধ্যে দ্বিগুণ শাস্তি প্রদান করুন।” আল্লাহ বলবেন, “প্রত্যেকের জন্যে দ্বিগুণ শাস্তি রয়েছে, কিন্তু তোমরা এই বিষয়টি জানো না।” (৭. আল আরাফ : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
(৩৯) আর অগ্রগামীরা তাদের পরবর্তীদেরকে বলবে, “সুতরাং আজকের দিনে আমাদের উপরে তোমাদের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। সুতরাং তোমরাও আমাদের মতো শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করো, যেহেতু তোমরা পাপ অর্জন করেছিলে।” (৭. আল আরাফ : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) নিশ্চয় যারা আমার নির্দেশ সমূহকে মিথ্যা বলে আর এ নির্দেশ সমূহ থেকে অহঙ্কার করে, তাদের জন্যে আকাশের দরজা সমূহ খোলা হবে না আর তারা বেহেশতেও প্রবেশ করতে পারবে না, যে পর্যন্ত না, সূঁচের ছিদ্রের মধ্যে দিয়ে উট প্রবেশ করে। এইভাবেই আমি অপরাধীদেরকে প্রতিফল দিয়ে থাকি। (৭. আল আরাফ : ৪০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪১) অপরাধীদের জন্যে দোযখের মধ্যে আগুনের বিছানা থাকবে আর তাদের উপর দিক থেকে আগুনের চাদর থাকবে। এইভাবে আমি অন্যায়কারীদেরকে প্রতিফল দিয়ে থাকি। (৭. আল আরাফ : ৪১)
- ব্যাখ্যা
(৪২) আর যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, এমন লোকদের জন্যে আমি কাউকে তার সামর্থ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব ভার দেই না। এরাই হচ্ছে বেহেশতের অধিবাসী আর তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। (৭. আল আরাফ : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৩) বিশ্বাসীদের বুকের ভিতরে কোনো কষ্ট থাকলে, আমি পরকালে তা দূর করে দিবো। তাদের পায়ের নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হবে। সেইদিন বিশ্বাসীরা বলবে, “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যেই, যিনি আমাদেরকে সরল পথ দেখিয়েছেন। যদি আল্লাহ আমাদেরকে পথ না দেখাতেন, তবে আমরা নিজেরা কখনোই সুপথ পেতাম না। অবশ্যই আমাদের প্রভুর রসূলগণ সত্য নিয়ে এসেছিলেন।” তাদের কাছে ঘোষণা করা হবে যে, “এই সেই প্রতিশ্রুত বেহেশত, তোমরা এ বেহেশতের উত্তরাধিকারী হলে, যেহেতু তোমরা ভালো কাজ করেছিলে।” (৭. আল আরাফ : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস