(২৩) আদম ও হাওয়া উভয়ে বললো, “হে আমাদের প্রভু! আমরা আমাদের নিজেদের প্রতি অন্যায় করেছি। আপনি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন ও আমাদেরকে আপনি দয়া না করেন, তাহলে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবো।” (৭. আল আরাফ : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৪) আল্লাহ বললেন, “তোমরা সবাই বেহেশত থেকে নেমে যাও। তোমরা একে অপরের শত্রু হবে। তোমাদের জন্যে পৃথিবীর মধ্যে নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত বাসস্থান ও জীবিকা থাকবে।” (৭. আল আরাফ : ২৪)
- ব্যাখ্যা
(২৫) আল্লাহ বললেন, “পৃথিবীর মধ্যে তোমরা জীবন যাপন করবে। সেখানেই তোমরা মৃত্যু বরণ করবে। আর সেখান থেকেই তোমাদেরকে পুনরায় জীবিত করা হবে।” (৭. আল আরাফ : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৬) হে আদমের সন্তানগণ! অবশ্যই আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করতে ও সাজ সজ্জার জন্যে পোশাক পাঠিয়েছি। বস্তুত পরহেযগারীতার পোশাকই হচ্ছে সর্বোত্তম পোশাক। পোশাক হচ্ছে আল্লাহর মহান নিদর্শনের মধ্যে একটি অন্যতম নিদর্শন, যেনো সকল মানুষ আল্লাহর নিদর্শন সম্পর্কে চিন্তা ভাবনা করে। (৭. আল আরাফ : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৭) হে আদমের সন্তানগণ! শয়তান যেনো তোমাদেরকে কিছুতেই বিভ্রান্ত না করে, যেমন সে তোমাদের পিতা-মাতাকে তাদের উভয়ের দেহ থেকে তাদের পোশাককে ছিন্ন করে বেহেশত থেকে বের করে দিয়েছিলো। যেনো সে তাদের উভয়ের লজ্জাস্থানকে তাদেরকে দেখাতে পারে। নিশ্চয় শয়তান ও তার বাহিনী তোমাদেরকে এমন জায়গা থেকে দেখে, যেখান থেকে তোমরা তাদেরকে দেখতে পাও না। নিশ্চয় যারা আমার নিদর্শন সমূহ বিশ্বাস করে না, আমি শয়তানদেরকে তাদের বন্ধু বানিয়ে দিয়েছি। (৭. আল আরাফ : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) যখন অবিশ্বাসীরা কোনো মন্দ কাজ করে, তখন তারা বলে, “আমরা আমাদের পিতৃ-পুরুষদেরকে এই কাজের উপরেই পেয়েছি। আল্লাহ আমাদেরকে এই কাজের প্রতিই আদেশ করেছেন।” আপনি বলুন, “নিশ্চয় আল্লাহ কোনো মন্দ কাজের আদেশ করেন না। তোমরা কি আল্লাহর বিরুদ্ধে এমন কথা বলছো, যা তোমরা জানো না?” (৭. আল আরাফ : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(২৯) আপনি বলুন, “আমার প্রভু নির্দেশ দিয়েছেন ন্যায় বিচারের করতে, নামাযের সময় প্রত্যেক সেজদার স্থানে মুখ সোজা রাখতে আর ধর্মে তাঁর প্রতি একনিষ্ঠ ভাবে তাঁকে ডাকতে।” তোমাদেরকে আল্লাহ প্রথমে যেভাবে সৃষ্টি করেছিলেন, সেইভাবে তোমরা আল্লাহ কাছে ফিরে যাবে। (৭. আল আরাফ : ২৯)
- ব্যাখ্যা
(৩০) তোমাদের মধ্যে থেকে এক দলকে তিনি পথ প্রদর্শন করেছেন আর আরেক দলের উপরে পথভ্রষ্টতা অবধারিত হয়ে গেছে। নিশ্চয় তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে শয়তানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করেছে। তারা মনে করে যে, তারা সৎপথে রয়েছে। (৭. আল আরাফ : ৩০)
- ব্যাখ্যা