(১২) আল্লাহ ইবলীসকে বললেন, “যখন আমি তোকে আদেশ করলাম আদমকে সেজদা করতে, তখন কি তোকে বাধা দিয়েছিলো, যে কারণে তুই আদমকে সেজদা করলি না?” ইবলীস বললো, “আমি তার চাইতে শ্রেষ্ঠ। আমাকে আপনি আগুন থেকে সৃষ্টি করেছেন আর তাকে আপনি কাদা মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন।” (৭. আল আরাফ : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) আল্লাহ ইবলীসকে বললেন, “সুতরাং তুই এখান থেকে বের হয়ে যা, তোর কোনো অধিকার নেই যে, তুই এখানে অহঙ্কার করবি। সুতরাং তুই এখান থেকে বের হয়ে যা। নিশ্চয় তুই অধমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছিস।” (৭. আল আরাফ : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(১৭) তারপর অবশ্যই আমি তাদের সামনের দিক, পিছনের দিক, ডান দিক ও বাম দিক থেকে তাদের কাছে আসবো। আর আপনি তাদের অধিকাংশকে আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ পাবেন না।” (৭. আল আরাফ : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) আল্লাহ ইবলীসকে বললেন, “তুই অপমানিত ও বিতাড়িত অবস্থায় এখান থেকে বের হয়ে যা। অবশ্যই মানুষ ও জ্বিনদের মধ্যে যে ব্যক্তি তোর অনুসরণ করবে, আমি তোদের সবাইকে দিয়ে দোযখকে পূর্ণ করবো।” (৭. আল আরাফ : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) আল্লাহ বললেন, “হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী এই বাগানে বসবাস করো। তোমরা উভয়ে যেখান থেকে ইচ্ছা খাও। কিন্তু তোমরা উভয়ে এই গাছের কাছেও যেও না, তাহলে তোমরা উভয়ে অন্যায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।” (৭. আল আরাফ : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২০) তারপর শয়তান তাদের উভয়কে কুমন্ত্রণা দিলো, যেনো সে তাদের উভয়ের লজ্জাস্থান তাদের কাছে প্রকাশ করতে পারে, যা তাদের উভয়ের কাছে গোপন ছিলো। তাই শয়তান তাদেরকে বললো, “তোমাদের প্রভু এই গাছ সম্পর্কে তোমাদেরকে কেবল মাত্র এই উদ্দেশ্য নিষেধ করেছেন, যেনো তোমরা উভয়ে ফেরেশতা হয়ে যাও কিংবা তোমরা উভয়ে বেহেশতে চিরকাল বসবাস করো।” (৭. আল আরাফ : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২২) সুতরাং শয়তান তাদের উভয়কে প্রতারণার দ্বারা পৃথিবীতে নামিয়ে দিলো। তারপর তারা যখন গাছের ফলের স্বাদ গ্রহণ করলো, তখন তাদের উভয়ের কাছে তাদের লজ্জাস্থান প্রকাশ হয়ে পড়লো। তারা তাদের উভয়ের দেহের উপর ঐ বাগানের পাতা দিয়ে আবৃত করতে লাগলো। তাদের প্রভু তাদেরকে ডেকে বললেন, “আমি কি তোমাদের উভয়কে এই গাছ সম্পর্কে নিষেধ করিনি? আর আমি কি তোমাদের উভয়কে বলিনি যে, নিশ্চয় শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু?” (৭. আল আরাফ : ২২)
- ব্যাখ্যা