(২) কুরআন হচ্ছে এমন একটি গ্রন্থ যা আপনার কাছে কল্যাণময় হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছে, যেনো আপনি এ কুরআনের দ্বারা মানুষকে সতর্ক করতে পারেন। সুতরাং কুরআনকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে আপনার অন্তরের মধ্যে কোনো রূপ সংকীর্ণতা থাকা উচিত নয়। কুরআন হচ্ছে বিশ্বাসীদের জন্যে উপদেশ স্বরূপ। (৭. আল আরাফ : ২)
- ব্যাখ্যা
(৩) হে মানব জাতি! তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে যে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, তোমরা ঐ কুরআনকে অনুসরণ করো। তোমরা তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো অভিভাবক অনুসরণ করো না। তোমরা অল্পই উপদেশ গ্রহণ করো। (৭. আল আরাফ : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৫) তাদের কাছে যখন আমার শাস্তি এসে পড়েছিলো, তখন তাদের অজুহাত অন্য কিছুই ছিলো না, এই বলা ছাড়া যে, “নিশ্চয় আমরা অত্যাচারী ছিলাম।” (৭. আল আরাফ : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) সুতরাং যাদের কাছে আমার রসূলগনকে প্রেরণ করা হয়েছিলো, আমি পরকালে তাদেরকে অবশ্যই প্রশ্ন করবো আর আমি অবশ্যই প্রেরিত রসূলগনকেও প্রশ্ন করবো। (৭. আল আরাফ : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৯) আর যাদের পাল্লা হাল্কা হবে, সুতরাং এরাই তাদের নিজেদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কেননা তারা আমার নিদর্শন সমূহের প্রতি জুলুম করেছিলো। (৭. আল আরাফ : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পৃথিবীর মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করেছি। আমি তোমাদের জন্যে পৃথিবীর মধ্যে জীবিকার ব্যবস্থা করেছি। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা স্বীকার করো। (৭. আল আরাফ : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) আমি অবশ্যই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, তারপর আমি তোমাদেরকে রূপদান করেছি। তারপর আমি ফেরেশতাদেরকে বললাম, “তোমরা আদমকে সেজদা করো।” সুতরাং তারা সবাই সেজদা করলো, কিন্তু ইবলীস ব্যতীত, সে সেজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হলো না। (৭. আল আরাফ : ১১)
- ব্যাখ্যা