(১৫৮) তবে কি তারা এ ব্যতীত অন্য কিছুর অপেক্ষা করছে যে, তাদের কাছে ফেরেশতারা আসবে, অথবা আপনার প্রভু আসবেন, অথবা আপনার প্রভুর কোনো নিদর্শন আসবে? যেদিন আপনার প্রভুর কোনো নিদর্শন মানুষের কাছে আসবে, সেদিন এমন ব্যক্তির ঈমান তার কোনো কাজে আসবে না, যে ব্যক্তি ইতিপূর্বে ঈমান আনেনি কিংবা নিজ ঈমানের সাথে কোনো সৎকর্ম অর্জন করেনি। আপনি বলুন, “তোমরা নিদর্শন আসার জন্যে অপেক্ষা করো, নিশ্চয় আমরাও তোমাদের সাথে অপেক্ষা করছি।” (৬. আল আন-আম : ১৫৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৫৯) হে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! নিশ্চয় যারা তাদের ধর্মকে বিভক্ত করেছে এবং বিভিন্ন দল হয়ে গেছে, তাদের সাথে আপনার কোনো সম্পর্ক নেই। কেবল মাত্র তাদের ব্যাপারটা আল্লাহর কাছে রয়েছে। তারপর আল্লাহ তাদেরকে ঐ সব ব্যাপারে জানাবেন, যা কিছু তারা করেছিলো। (৬. আল আন-আম : ১৫৯)
- ব্যাখ্যা
(১৬০) যে ব্যক্তি একটি ভালো কাজ নিয়ে আসবে, তবে ঐ ব্যক্তির জন্যে ঐ ভালো কাজের অনুরূপ দশ গুণ পুরস্কার দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি একটি মন্দ কাজ নিয়ে আসবে, তবে ঐ ব্যক্তিকে ঐ মন্দ কাজের সমান প্রতিদান দেওয়া হবে। বস্তুত তাদের প্রতি কোনো রূপ অন্যায় করা হবে না। (৬. আল আন-আম : ১৬০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৬১) আপনি বলুন, “নিশ্চয় আমার প্রভু আমাকে সরল পথের দিকে, এক সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্মের দিকে ও একনিষ্ঠ ইব্রাহীমের ধর্মের দিকে পথ প্রদর্শন করেছেন। আর ইব্রাহীম অংশীবাদীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।” (৬. আল আন-আম : ১৬১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৬৪) আপনি বলুন, “তোমরা আমাকে কী বলছো! আমি কি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো প্রভু খুজঁবো, অথচ আল্লাহই সব কিছুর প্রভু?” প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজ কৃতকর্মের জন্যে দায়ী আর কোনো ভারবাহক অন্যের বোঝা বহন করবে না। তারপর তোমাদের প্রভুর দিকেই তোমাদেরকে ফিরে যেতে হবে, তখন তিনি তোমাদেরকে সেই সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন, যে সম্পর্কে তোমরা মতভেদ করছিলে। (৬. আল আন-আম : ১৬৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৬৫) তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদেরকে পৃথিবীতে তাঁর প্রতিনিধি বানিয়েছেন। তোমাদের কাউকে অপরের উপরে মর্যাদায় উন্নত করেছেন, যেনো তিনি তোমাদেরকে যা কিছু দিয়েছেন, তা দ্বারা তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে পারেন। নিশ্চয় আপনার প্রভু শাস্তি দানের ব্যাপারে দ্রুত এবং নিশ্চয় তিনি অতি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (৬. আল আন-আম : ১৬৫)
- ব্যাখ্যা