(৯৪) আপনি বলুন, “হে ইহুদীরা! যদি অন্য সকল লোকদের বাদ দিয়ে আল্লাহর নিকট পরকালের ঘর কেবল মাত্র তোমাদের জন্যেই বরাদ্দ হয়ে থাকে, তবে তোমরা মৃত্যু কামনা করো, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।” (২. আল বাক্বারাহ : ৯৪)
- ব্যাখ্যা
(৯৫) কিন্তু ইহুদীরা কখনোই মৃত্যু কামনা করবে না, তাদের ঐসব পাপের কারণে, যা তাদের দুই হাত ইতিপূর্বে পাঠিয়েছে। বস্তুত আল্লাহ অন্যায়কারীদের সম্পর্কে সর্বজ্ঞ। (২. আল বাক্বারাহ : ৯৫)
- ব্যাখ্যা
(৯৬) যারা আল্লাহর সাথে অন্যকে অংশীদার করে এদের চাইতেও আপনি ইহুদীদেরকে জীবনের প্রতি সবচাইতে লোভী পাবেন। ওদের একেক জন কামনা করে যে, তাকে যেনো হাজার বছরের বয়স দেওয়া হয়। কিন্তু যদিও তাকে দীর্ঘ বয়স দেওয়া হয়, তবুও এ দীর্ঘ বয়স তাকে আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারবে না। বস্তুত আল্লাহ তা ভালো ভাবেই দেখেন, যা তারা করে। (২. আল বাক্বারাহ : ৯৬)
- ব্যাখ্যা
(৯৭) যেহেতু জিবরিল আল্লাহর অনুমতিক্রমে নিশ্চয় এ কুরআনকে আপনার হৃদয়ের মাঝে অবতীর্ণ করেছেন, আর এ কুরআন সত্যায়নকারী তার যা এসেছিলো এর আগে এবং বিশ্বাসীদের জন্যে পথ প্রদর্শক ও সুসংবাদ, সুতরাং আপনি বলুন, “যে কেউ জিবরিলের শত্রু হয় (২. আল বাক্বারাহ : ৯৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৯৮) আর যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাদের ও তাঁর রসূলদের ও জিবরিলের ও মিকাঈলের শত্রু হয়, সুতরাং নিশ্চয় আল্লাহ ঐসব অবিশ্বাসীদের শত্রু।” (২. আল বাক্বারাহ : ৯৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৯৯) নিশ্চয় আমি আপনার কাছে সুস্পষ্ট বাণী সমূহ অবতীর্ণ করেছি আর অবাধ্যরা ব্যতীত অন্য কেউ এ কুরআনের প্রতি অবিশ্বাস করে না। (২. আল বাক্বারাহ : ৯৯)
- ব্যাখ্যা
(১০০) কি ব্যাপার! যখনই এই ইহুদীরা কোনো অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়েছে, তাদের মধ্যে এক দল তা প্রত্যাখ্যান করেছে। বরং, তাদের অধিকাংশই আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে না। (২. আল বাক্বারাহ : ১০০)
- ব্যাখ্যা
(১০১) যাদেরকে ইতিপূর্বে গ্রন্থ দেওয়া হয়েছিলো, যখনই তাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসলেন, যিনি ঐ তাওরাতকে সত্যায়ন করছিলেন, যা তাদের কাছে আছে, তখনই তাদের মধ্যে থেকে এক দল আল্লাহর গ্রন্থ তাওরাত ও ইঞ্জীলকে তাদের পিঠের পিছনে ফেলে রাখলো, যেনো তারা মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে কিছুই জানে না। (২. আল বাক্বারাহ : ১০১)
- ব্যাখ্যা