(১৫২) যা উত্তম, তেমন উদ্দেশ্য ব্যতীত তোমরা পৃতিহীনদের সম্পদের ধারের কাছেও যেও না, যে পর্যন্ত না, সে তার প্রাপ্তবয়সে পৌঁছে। তোমরা ন্যায় সহকারে ওজন ও মাপ পূর্ণ করো।” আমি কাউকে তার সামর্থ্যের অতিরিক্ত কষ্ট দেই না। আপনি বলুন, “যখন তোমরা কথা বলো, তখন ন্যায্য কথা বলবে, যদিও তা নিকট আত্মীয়ের ব্যাপারে হয়। তোমরা আল্লাহর অঙ্গীকার পূর্ণ করো। এইসব কুরআনের বাণী দিয়ে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন, যেনো তোমরা উপদেশ গ্রহণ করো।” (৬. আল আন-আম : ১৫২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৫৩) তোমরা স্মরণ রেখো যে, এটিই আমার সরল পথ। সুতরাং তোমরা এ পথেরই অনুসরণ করো। তোমরা অন্য কোনো পথ অনুসরণ করো না, কেননা ঐ সব পথ তোমাদেরকে আল্লাহর সরল পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিবে। এইসব কুরআনের বাণী দিয়ে তিনি তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন, যেনো তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। (৬. আল আন-আম : ১৫৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৫৪) তারপর সৎকর্মীদের প্রতি আমার নেয়ামত পূর্ণ করার জন্যে আমি মূসাকে গ্রন্থ দিয়েছিলাম। যা ছিলো সব কিছুর বিশদ বিবরণ, মানুষের জন্যে পথ-নির্দেশ ও আল্লাহর পক্ষ থেকে করুণা, যেনো তারা তাদের প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারে বিশ্বাস করে। (৬. আল আন-আম : ১৫৪)
- ব্যাখ্যা
(১৫৫) এ কুরআন এমন একটি গ্রন্থ, যা আমি কল্যাণময় করে অবতীর্ণ করেছি। সুতরাং তোমরা এ কুরআনের অনুসরণ করো ও তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যেনো তোমরা করুণা প্রাপ্ত হও। (৬. আল আন-আম : ১৫৫)
- ব্যাখ্যা
(১৫৬) আর যেনো তোমরা না বলো যে, “গ্রন্থ কেবল মাত্র আমাদের আগে ইহুদী ও খ্রীষ্টানদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছিলো। আমরা তো ইহুদী ও খ্রীষ্টানদের ধর্ম গ্রন্থ পাঠ সম্পর্কে সম্পূর্ণ রূপে অজ্ঞাত ছিলাম।” (৬. আল আন-আম : ১৫৬)
- ব্যাখ্যা
(১৫৭) অথবা তোমরা যেনো না বলো যে, “যদি আমাদের প্রতি গ্রন্থ অবতীর্ণ হতো, তবে অবশ্যই আমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদের চাইতে অধিক পথপ্রাপ্ত হতাম।” এখন নিশ্চয় তোমাদের কাছে তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে স্পষ্ট প্রমাণ, পথ-নির্দেশ ও করুণা স্বরূপ কুরআন এসেছে। সুতরাং তার চাইতে কে বেশি অন্যায়কারী, যে আল্লাহর নিদর্শন সমূহকে মিথ্যা বলে ও এই নিদর্শন সমূহ থেকে অবিশ্বাসের দিকে ফিরে যায়? যারা আমার নিদর্শন সমূহ থেকে ফিরে যায়, আমি তাদেরকে শীঘ্রই নিকৃষ্ট শাস্তি দিয়ে প্রতিফল দিবো, যেহেতু তারা আমার নিদর্শন সমূহ থেকে ফিরে যেতো। (৬. আল আন-আম : ১৫৭)
- ব্যাখ্যা