(১৪৭) সুতরাং তারা যদি আপনাকে মিথ্যবাদী বলে, তবে আপনি তাদেরকে বলে দিন যে, “তোমাদের প্রভু আল্লাহ সুপ্রশস্ত দয়ার মালিক এবং তাঁর শাস্তিকে অপরাধী জাতি থেকে ফিরানো যায় না।” (৬. আল আন-আম : ১৪৭)
- ব্যাখ্যা
(১৪৮) যারা আল্লাহর সাথে অংশীদার করে, তারা শীঘ্রই বলবে যে, “আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তবে আমরা এবং আমাদের পিতৃ-পুরুষরা আল্লাহর সাথে অংশীদার করতাম না। আর আমরা কোনো কিছু নিষিদ্ধ করতাম না।” এইভাবে এদের পূর্বে যারা ছিলো তারাও মিথ্যা বলেছে, যে পর্যন্ত না, তারা আমার শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করেছিলো! আপনি তাদেরকে বলুন, “তোমাদের কাছে কি কোনো সত্যের জ্ঞান ও প্রমাণ আছে? সুতরাং যদি তোমাদের কাছে কোনো প্রমাণ থাকে, তাহলে তা আমাদের কাছে উপস্থিত করো। তোমরা কেবল কল্পনারই অনুসরণ করো এবং শুধু আনুমানিক কথাই বলো।” (৬. আল আন-আম : ১৪৮)
- ব্যাখ্যা
(১৪৯) আপনি বলুন, “সুতরাং চূড়ান্ত যুক্তি ও প্রমাণ আল্লাহর কাছেই রয়েছে। সুতরাং তিনি যদি ইচ্ছা করতেন, অবশ্যই তোমাদের সবাইকে পথ প্রদর্শন করতেন।” (৬. আল আন-আম : ১৪৯)
- ব্যাখ্যা
(১৫০) আপনি বলুন, “তোমরা তোমাদের সাক্ষীদেরকে আমাদের কাছে উপস্থিত করো, যারা সাক্ষ্য দিতে পারে যে, আল্লাহ এসব জন্তু নিষিদ্ধ করেছেন।” সুতরাং যদি তারা সাক্ষ্য দেয়, তবে আপনি তাদের সঙ্গে সাক্ষ্য দিবেন না। আর যারা আমার বাণী সমূহকে মিথ্যা বলে ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস করে না আর তাদের প্রভু আল্লাহর সাথে সমকক্ষ স্থির করে, আপনি তাদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করবেন না। (৬. আল আন-আম : ১৫০)
- ব্যাখ্যা
(১৫১) আপনি বলুন, “তোমরা আমার কাছে এসো, আমি তোমাদেরকে কুরআন পাঠ করে শুনিয়ে দেই যে, তোমাদের প্রভু তোমাদের উপরে কি নিষিদ্ধ করেছেন। তা হলো এই যে, তোমরা তাঁর সঙ্গে কোনো কিছুকে অংশীদার করো না, পিতা-মাতার প্রতি সৎব্যবহার করো, দরিদ্রতার কারণে তোমাদের সন্তানদেরকে হত্যা করো না।” আমি আল্লাহই তোমাদেরকে ও তাদেরকে জীবিকা দিই। আপনি বলুন, “তোমরা প্রকাশ্য ও গোপন অশ্লিলতার ধারের কাছেও যেও না। যাকে আল্লাহ হত্যা করা নিষিদ্ধ করেছেন, তোমরা এমন কোনো মানুষকে ন্যায় সঙ্গত কারণ ব্যতীত হত্যা করো না। এইসব কুরআনের বাণী দিয়ে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন, যেনো তোমরা সত্যকে বুঝতে পারো। (৬. আল আন-আম : ১৫১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস