(১৩২) আল্লাহর কাছে প্রত্যেকের জন্যে তাদের কৃতকর্ম অনুসারে মর্যাদার স্তর রয়েছে। তারা যা করে, ঐ সম্পর্কে আপনার প্রভু অমনোযোগী নন। (৬. আল আন-আম : ১৩২)
- ব্যাখ্যা
(১৩৩) আপনার প্রভু হচ্ছেন অমুখাপেক্ষী ও দয়ার অধিকারী। তিনি যদি ইচ্ছা করেন, তবে তিনি তোমাদেরকে সরিয়ে দিতে পারেন এবং তোমাদের পরে তিনি যাদেরকে চান, তাদেরকে স্থলাভিষিক্ত করতে পারেন। যেমন তিনি তোমাদেরকে অন্য এক জাতির বংশ থেকে সৃষ্টি করেছেন। (৬. আল আন-আম : ১৩৩)
- ব্যাখ্যা
(১৩৪) নিশ্চয় তোমাদের কাছে যে কিয়ামতের অঙ্গীকার করা হয়েছে, অবশ্যই তা আগমন করবে। তোমরা আল্লাহকে এ ব্যাপারে অক্ষম করতে পারবে না। (৬. আল আন-আম : ১৩৪)
- ব্যাখ্যা
(১৩৫) আপনি বলুন, “হে আমার জাতি! তোমরা তোমাদের স্থানে কাজ করে যাও, নিশ্চয় আমিও আমার স্থানে কাজ করছি। তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে যে, কার জন্যে পরিণাম গৃহ জান্নাত রয়েছে। নিশ্চয় অন্যায়কারীগণ কখনোই সফল হবে না।” (৬. আল আন-আম : ১৩৫)
- ব্যাখ্যা
(১৩৬) যা আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন, ঐ সব শস্যক্ষেত্র ও জীবজন্তুর মধ্যে অংশীবাদীরা আল্লাহর জন্যে একটি অংশ নির্দিষ্ট করে। আর তাদের ধারণা অনুযায়ী তারা বলে, “এই অংশ হচ্ছে আল্লাহর জন্যে ও এই অংশ হচ্ছে আমাদের অংশী দেবতাদের জন্যে।” তারপর যে অংশ তাদের অংশী দেবতাদের জন্যে, সেই অংশ আল্লাহর কাছে পৌঁছে না। আর যে অংশ আল্লাহর জন্যে, সেই অংশ তাদের অংশী দেবতাদের কাছে পৌঁছে যায়। তাদের বিচার কতই না মন্দ! (৬. আল আন-আম : ১৩৬)
- ব্যাখ্যা
(১৩৭) এইভাবে, তাদের অংশী দেবতারা অংশীবাদীদের মধ্যে অধিকাংশের জন্যে তাদের সন্তানদেরকে হত্যা করা সুশোভিত করে দিয়েছে, যেনো দেবতারা অংশীবাদীদেরকে ধ্বংস করতে পারে। আর দেবতারা অংশীবাদীদের জন্যে তাদের ধর্মকে বিভ্রান্তিকর করতে পারে। আল্লাহ যদি ইচ্ছে করতেন, তবে তারা এ কাজ করতো না। সুতরাং আপনি তাদেরকে এবং তারা যা কিছু রচনা করে তাদের এমন মনগড়া বাক্যকে পরিত্যাগ করুন। (৬. আল আন-আম : ১৩৭)
- ব্যাখ্যা