(১১১) আমি যদি তাদের প্রতি ফেরেশতাদেরকে অবতীর্ণ করতাম আর যদি মৃতরা তাদের সঙ্গে কথা বলতো আর যদি আমি তাদের চোখের সামনে তাদের দাবী অনুযায়ী সব কিছুকেই উপস্থিত করতাম, তবুও তারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করতো না, যদি না আল্লাহ অন্য কিছু ইচ্ছা করতেন। বস্তুত তাদের অধিকাংশই অজ্ঞতা দেখায়। (৬. আল আন-আম : ১১১)
- ব্যাখ্যা
(১১২) এইভাবে আমি প্রত্যেক নবীর জন্যে মানুষ ও জ্বিনদের মধ্যে থেকে শয়তানদেরকে শত্রু হিসেবে সৃষ্টি করেছি। শয়তানরা ধোঁকা দেওয়ার উদ্দেশ্যে একে অন্যকে চমকপ্রদ কথাবার্তা শিক্ষা দেয়। আপনার প্রভু যদি ইচ্ছা করতেন, তবে তারা এ কাজ করতো না। সুতরাং আপনি তাদেরকে তাদের এ মিথ্যা রচনা করতে ছেড়ে দিন। (৬. আল আন-আম : ১১২)
- ব্যাখ্যা
(১১৩) আর যারা পরকালের প্রতি বিশ্বাস করে না, আপনি তাদেরকে ছেড়ে দিন, যেনো তাদের অন্তর সেই পাপের দিকে ঝুঁকে পড়ে যে পাপের মধ্যে তারা রয়েছে। আর যেনো তারা এ পাপের প্রতি সন্তুষ্ট থাকে। আর যেনো তারা সেই পাপকাজ করতে থাকে, যে পাপকাজ তারা করে চলেছে। (৬. আল আন-আম : ১১৩)
- ব্যাখ্যা
(১১৪) আপনি বলুন, “তবে কি আমি আল্লাহ ছাড়া অন্যকে বিচারক খুজঁবো, যখন তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদের কাছে ধর্ম গ্রন্থ রূপে কুরআনকে অবতীর্ণ করেছেন আর কুরআনের মধ্যে সকল বিষয় বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে?” যাদেরকে আমি গ্রন্থ দিয়েছিলাম, তারা জানে যে, এ কুরআন আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে সত্যের সাথে অবতীর্ণ হয়েছে। সুতরাং আপনি সন্দেহকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না। (৬. আল আন-আম : ১১৪)
- ব্যাখ্যা
(১১৫) আপনার প্রভুর বাণী সত্য ও ন্যায়ের দিক থেকে পরিপূর্ণ হয়েছে। তাঁর বাণী সমূহকে পরিবর্তনকারী কেউ নেই। তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (৬. আল আন-আম : ১১৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১১৬) আপনি যদি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের আনুগত্য করেন, তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করবে। তারা কল্পনা ব্যতীত অন্য কিছুর অনুসরণ করে না আর তারা পরকালের ব্যাপারে অনুমান ব্যতীত কোনো কিছুই বলতে সক্ষম না। (৬. আল আন-আম : ১১৬)
- ব্যাখ্যা
(১১৮) সুতরাং যদি তোমরা তাঁর নিদর্শন সমূহের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাকো, তবে যে প্রাণীর উপরে যবেহ করার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারিত হয়েছে, তোমরা তা থেকে আহার করো। (৬. আল আন-আম : ১১৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস