শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


ذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبُّكُمۡۖ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَۖ خَٰلِقُ كُلِّ شَيۡءٖ فَٱعۡبُدُوهُۚ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ وَكِيلٞ ١٠٢
(১০২) আল্লাহ তোমাদের প্রভু। তিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। তিনি সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা, সুতরাং তোমরা তাঁরই উপাসনা করো। তিনি সব কিছুর উপরে অভিভাবক। (৬. আল আন-আম : ১০২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

لَّا تُدۡرِكُهُ ٱلۡأَبۡصَٰرُ وَهُوَ يُدۡرِكُ ٱلۡأَبۡصَٰرَۖ وَهُوَ ٱللَّطِيفُ ٱلۡخَبِيرُ ١٠٣
(১০৩) দৃষ্টিশক্তি তাঁকে দেখতে পায় না, অবশ্য আল্লাহ দৃষ্টিশক্তিকে দেখতে পান আর তিনি সুক্ষদর্শী, পূর্ণ অবগত। (৬. আল আন-আম : ১০৩) - ব্যাখ্যা , হাদিস
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা , হাদিস

قَدۡ جَآءَكُم بَصَآئِرُ مِن رَّبِّكُمۡۖ فَمَنۡ أَبۡصَرَ فَلِنَفۡسِهِۦۖ وَمَنۡ عَمِيَ فَعَلَيۡهَاۚ وَمَآ أَنَا۠ عَلَيۡكُم بِحَفِيظٖ ١٠٤
(১০৪) আপনি বলুন, “অবশ্যই তোমাদের কাছে তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণের উপকরণ স্বরূপ নিদর্শন সমূহ এসেছে। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শন সমূহকে দেখতে পায়, তবে তা তার নিজের আ‌ত্মার জন্যে মঙ্গলজনক। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শন সমূহ সম্পর্কে অন্ধ হবে, তবে তা তার নিজের আ‌ত্মার বিরুদ্ধে যাবে। আমি তোমাদের উপরে রক্ষাকারী হিসেবে নিযুক্ত হয়নি।” (৬. আল আন-আম : ১০৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَكَذَٰلِكَ نُصَرِّفُ ٱلۡأٓيَٰتِ وَلِيَقُولُواْ دَرَسۡتَ وَلِنُبَيِّنَهُۥ لِقَوۡمٖ يَعۡلَمُونَ ١٠٥
(১০৫) এইভাবে আমি আমার বাণী সমূহকে বিভিন্ন ভাবে বর্ণনা করি, যেনো আমি এ কুরআনকে এমন জাতির জন্যে সুস্পষ্ট করতে পারি, যারা আল্লাহর গ্রন্থ সম্পর্কে জ্ঞান রাখে। অথচ অবিশ্বাসীরা বলে যে, “আপনি এ কুরআন আল্লাহ ছাড়া অন্য করো কাছ থেকে শিক্ষা লাভ করেছেন।” (৬. আল আন-আম : ১০৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ٱتَّبِعۡ مَآ أُوحِيَ إِلَيۡكَ مِن رَّبِّكَۖ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَۖ وَأَعۡرِضۡ عَنِ ٱلۡمُشۡرِكِينَ ١٠٦
(১০৬) আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে যে কুরআন আপনার কাছে প্রত্যাদেশ দেওয়া হয়েছে, আপনি ঐ কুরআনকে অনুসরণ করুন। তিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। আপনি অংশীবাদীদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। (৬. আল আন-আম : ১০৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَلَوۡ شَآءَ ٱللَّهُ مَآ أَشۡرَكُواْۗ وَمَا جَعَلۡنَٰكَ عَلَيۡهِمۡ حَفِيظٗاۖ وَمَآ أَنتَ عَلَيۡهِم بِوَكِيلٖ ١٠٧
(১০৭) আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তবে তারা আল্লাহর সাথে অংশীদার করতো না। আমি আপনাকে তাদের উপরে রক্ষাকারী হিসেবে নিযুক্ত করিনি আর আপনি তাদের উপরে অভিভাবক নন। (৬. আল আন-আম : ১০৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَلَا تَسُبُّواْ ٱلَّذِينَ يَدۡعُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ فَيَسُبُّواْ ٱللَّهَ عَدۡوَۢا بِغَيۡرِ عِلۡمٖۗ كَذَٰلِكَ زَيَّنَّا لِكُلِّ أُمَّةٍ عَمَلَهُمۡ ثُمَّ إِلَىٰ رَبِّهِم مَّرۡجِعُهُمۡ فَيُنَبِّئُهُم بِمَا كَانُواْ يَعۡمَلُونَ ١٠٨
(১০৮) হে বিশ্বাসীগণ! তারা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে যাদেরকে উপাসনা করে, তোমরা তাদেরকে গালি দিও না, তাহলে তারাও অজ্ঞতাবশত শত্রুতার কারণে আল্লাহকে গালি দিবে। এইভাবে আমি প্রত্যেক জাতির জন্যে তাদের কাজকে সুশোভিত করে দিয়েছি। তারপর তাদের প্রভু আল্লাহর দিকেই তাদেরকে ফিরে যেতে হবে, তখন আল্লাহ তাদেরকে ঐ কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন, যা কিছু তারা করছিলো। (৬. আল আন-আম : ১০৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَأَقۡسَمُواْ بِٱللَّهِ جَهۡدَ أَيۡمَٰنِهِمۡ لَئِن جَآءَتۡهُمۡ ءَايَةٞ لَّيُؤۡمِنُنَّ بِهَاۚ قُلۡ إِنَّمَا ٱلۡأٓيَٰتُ عِندَ ٱللَّهِۖ وَمَا يُشۡعِرُكُمۡ أَنَّهَآ إِذَا جَآءَتۡ لَا يُؤۡمِنُونَ ١٠٩
(১০৯) তারা তাদের জোরালো শপথের দ্বারা আল্লাহর নামে শপথ করে যে, যদি তাদের কাছে তাদের দাবী অনুযায়ী কোনো নিদর্শন আসতো, তবে তারা অবশ্যই ঐ নিদর্শনের প্রতি বিশ্বাস করতো। আপনি বলুন, “কেবল মাত্র নিদর্শন সমূহ আল্লাহর কাছেই রয়েছে।” আর হে বিশ্বাসীগণ! তোমাদেরকে কি ভাবে এ বিষয়টা জানানো যাবে যে, যখন কোনো নিদর্শন তাদের কাছে আসবে, তখন তারা ঐ নিদর্শনের প্রতি বিশ্বাস করবে না? (৬. আল আন-আম : ১০৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَنُقَلِّبُ أَفۡـِٔدَتَهُمۡ وَأَبۡصَٰرَهُمۡ كَمَا لَمۡ يُؤۡمِنُواْ بِهِۦٓ أَوَّلَ مَرَّةٖ وَنَذَرُهُمۡ فِي طُغۡيَٰنِهِمۡ يَعۡمَهُونَ ١١٠
(১১০) যখন নিদর্শন তাদের কাছে আসবে, তখন আমি তাদের অন্তর সমূহকে ও তাদের দৃষ্টি সমূহকে ঘুরিয়ে দিবো, যেমন তারা প্রথমবার এ কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করেনি আর তখন আমি তাদেরকে তাদের অবাধ্যতার মধ্যে উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরে বেড়াতে ছেড়ে দিবো। (৬. আল আন-আম : ১১০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা