(১০২) আল্লাহ তোমাদের প্রভু। তিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। তিনি সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা, সুতরাং তোমরা তাঁরই উপাসনা করো। তিনি সব কিছুর উপরে অভিভাবক। (৬. আল আন-আম : ১০২)
- ব্যাখ্যা
(১০৪) আপনি বলুন, “অবশ্যই তোমাদের কাছে তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণের উপকরণ স্বরূপ নিদর্শন সমূহ এসেছে। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শন সমূহকে দেখতে পায়, তবে তা তার নিজের আত্মার জন্যে মঙ্গলজনক। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শন সমূহ সম্পর্কে অন্ধ হবে, তবে তা তার নিজের আত্মার বিরুদ্ধে যাবে। আমি তোমাদের উপরে রক্ষাকারী হিসেবে নিযুক্ত হয়নি।” (৬. আল আন-আম : ১০৪)
- ব্যাখ্যা
(১০৫) এইভাবে আমি আমার বাণী সমূহকে বিভিন্ন ভাবে বর্ণনা করি, যেনো আমি এ কুরআনকে এমন জাতির জন্যে সুস্পষ্ট করতে পারি, যারা আল্লাহর গ্রন্থ সম্পর্কে জ্ঞান রাখে। অথচ অবিশ্বাসীরা বলে যে, “আপনি এ কুরআন আল্লাহ ছাড়া অন্য করো কাছ থেকে শিক্ষা লাভ করেছেন।” (৬. আল আন-আম : ১০৫)
- ব্যাখ্যা
(১০৬) আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে যে কুরআন আপনার কাছে প্রত্যাদেশ দেওয়া হয়েছে, আপনি ঐ কুরআনকে অনুসরণ করুন। তিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। আপনি অংশীবাদীদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। (৬. আল আন-আম : ১০৬)
- ব্যাখ্যা
(১০৭) আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তবে তারা আল্লাহর সাথে অংশীদার করতো না। আমি আপনাকে তাদের উপরে রক্ষাকারী হিসেবে নিযুক্ত করিনি আর আপনি তাদের উপরে অভিভাবক নন। (৬. আল আন-আম : ১০৭)
- ব্যাখ্যা
(১০৮) হে বিশ্বাসীগণ! তারা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে যাদেরকে উপাসনা করে, তোমরা তাদেরকে গালি দিও না, তাহলে তারাও অজ্ঞতাবশত শত্রুতার কারণে আল্লাহকে গালি দিবে। এইভাবে আমি প্রত্যেক জাতির জন্যে তাদের কাজকে সুশোভিত করে দিয়েছি। তারপর তাদের প্রভু আল্লাহর দিকেই তাদেরকে ফিরে যেতে হবে, তখন আল্লাহ তাদেরকে ঐ কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন, যা কিছু তারা করছিলো। (৬. আল আন-আম : ১০৮)
- ব্যাখ্যা
(১০৯) তারা তাদের জোরালো শপথের দ্বারা আল্লাহর নামে শপথ করে যে, যদি তাদের কাছে তাদের দাবী অনুযায়ী কোনো নিদর্শন আসতো, তবে তারা অবশ্যই ঐ নিদর্শনের প্রতি বিশ্বাস করতো। আপনি বলুন, “কেবল মাত্র নিদর্শন সমূহ আল্লাহর কাছেই রয়েছে।” আর হে বিশ্বাসীগণ! তোমাদেরকে কি ভাবে এ বিষয়টা জানানো যাবে যে, যখন কোনো নিদর্শন তাদের কাছে আসবে, তখন তারা ঐ নিদর্শনের প্রতি বিশ্বাস করবে না? (৬. আল আন-আম : ১০৯)
- ব্যাখ্যা
(১১০) যখন নিদর্শন তাদের কাছে আসবে, তখন আমি তাদের অন্তর সমূহকে ও তাদের দৃষ্টি সমূহকে ঘুরিয়ে দিবো, যেমন তারা প্রথমবার এ কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করেনি আর তখন আমি তাদেরকে তাদের অবাধ্যতার মধ্যে উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরে বেড়াতে ছেড়ে দিবো। (৬. আল আন-আম : ১১০)
- ব্যাখ্যা