(৬৯) আর যারা আল্লাহকে ভয় করে, এমন বিশ্বাসীদের উপরে অবিশ্বাসীদের হিসাবের সামান্যতম কোনো দায়িত্ব নেই। তবে এতটুকু দায়িত্ব আছে যে, আল্লাহর বাণীকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া, যেনো অবিশ্বাসীরাও আল্লাহকে ভয় করে। (৬. আল আন-আম : ৬৯)
- ব্যাখ্যা
(৭০) যারা তাদের ধর্মকে খেলা ও কৌতুক হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলে রেখেছে, আপনি তাদেরকে পরিত্যাগ করুন। আর এ কুরআন দ্বারা আপনি তাদেরকে উপদেশ দান করুন, যেনো কেউ তার কৃতকর্মের কারণে গ্রেফতার না হয়। তার জন্যে আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো অভিভাবক ও কোনো সুপারিশকারী থাকবে না। যদি তারা সব রকমের ক্ষতিপূরণ দিয়ে ক্ষতিপূরণ দিতে চায়, তবুও তাদের থেকে ঐ ক্ষতিপূরণকে গ্রহণ করা হবে না। এরাই তারা, যাদেরকে তাদের কৃতকর্মের কারণে গ্রেফতার করা হবে। তাদের জন্যে পানীয় হিসেবে ফুটন্ত পানি থাকবে ও বেদনাদায়ক শাস্তি থাকবে, যেহেতু তারা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করেছিলো। (৬. আল আন-আম : ৭০)
- ব্যাখ্যা
(৭১) আপনি বলুন, “আমরা কি আল্লাহকে বাদ দিয়ে তাকে ডাকবো, যে আমাদের কোনো উপকার ও কোনো ক্ষতি করতে পারে না? আমরা কি এর পরেও আমাদের গোড়ালির উপরে মোড় ফিরিয়ে নিবো, যখন আল্লাহ আমাদেরকে সুপথ দেখিয়েছেন? আমরা কি তার মতো মোড় ফিরাবো, যাকে শয়তানরা বিপথগামী করে দিয়েছে, ফলে সে পৃথিবীর মধ্যে উদভ্রান্ত হয়ে ঘোরাফেরা করে? শয়তানের সহচরগণ তাকে ভ্রান্ত পথ-নির্দেশের দিকে আহবান করে, এই বলে যে, ‘তুমি আমাদের দিকে এসো’।” আপনি বলুন, “নিশ্চয় আল্লাহ যে পথ-নির্দেশ দান করেন, তাই হচ্ছে সত্য ও সঠিক পথ-নির্দেশ। আর আমাদেরকে আদেশ দেওয়া হয়েছে যে, আমরা যেনো বিশ্বজগতের প্রভু আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করি। (৬. আল আন-আম : ৭১)
- ব্যাখ্যা
(৭২) আর আমাদেরকে আদেশ দেওয়া হয়েছে যে, নামায প্রতিষ্ঠিত করতে ও তাঁকে ভয় করতে। বস্তুত তিনিই আল্লাহ যাঁর কাছে তোমাদের সবাইকে সমবেত করা হবে।” (৬. আল আন-আম : ৭২)
- ব্যাখ্যা
(৭৩) তিনিই আল্লাহ, যিনি সত্যের সাথে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলকে সৃষ্টি করেছেন। যেদিন তিনি বলবেন, “তোমরা উভয়ে ধ্বংস হও”, তখনই নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল ধ্বংস হয়ে যাবে। তাঁর কথাই সত্য। যেদিন শিঙ্গার মধ্যে ফুঁ দেওয়া হবে, সেই দিন তাঁর জন্যেই সকল আধিপত্য হবে। আল্লাহ অদৃশ্য ও প্রকাশ্য সকল বিষয় জানেন। তিনি প্রজ্ঞাময়, পূর্ণ অবগত। (৬. আল আন-আম : ৭৩)
- ব্যাখ্যা