(৬০) তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদের আত্মাকে রাতের বেলায় তোমাদের ঘুমের মাঝে গ্রহণ করেন। তিনি তা জানেন, যা তোমরা দিনের বেলায় করো। তারপর তিনি দিনের মধ্যে তোমাদেরকে জাগরিত করেন, যেনো তোমাদের নির্ধারিত সময় পূর্ণ হয়। তারপর তাঁর কাছেই তোমাদেরকে ফিরে যেতে হবে, তখন তিনি তোমাদেরকে ঐ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন, যা তোমরা করছিলে। (৬. আল আন-আম : ৬০)
- ব্যাখ্যা
(৬১) আল্লাহ তাঁর স্বীয় বান্দাদের উপরে প্রভাবশালী। আল্লাহ তোমাদের উপরে রক্ষক ফেরেশতা প্রেরণ করেন। এমন কি, যখন তোমাদের কারো কাছে মৃত্যু আসে, তখন আমার ফেরেশতারা ঐ আত্মাকে গ্রহণ করে। আর ফেরেশতারা এ ব্যাপারে কোনো অবহেলা করে না। (৬. আল আন-আম : ৬১)
- ব্যাখ্যা
(৬২) তারপর তাদের প্রকৃত প্রভু আল্লাহর কাছে তাদেরকে ফিরিয়ে আনা হবে। তোমরা জেনে রেখো, নিশ্চয় কর্তৃত্ব কেবল মাত্র তাঁর জন্যেই আর তিনি সর্বাপেক্ষা দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী। (৬. আল আন-আম : ৬২)
- ব্যাখ্যা
(৬৩) আপনি বলুন, “স্থলের ও সমুদ্রের অন্ধকারের বিপদ থেকে কে তোমাদেরকে উদ্ধার করেন, যখন তোমরা বিনীত ভাবে ও গোপনে তাঁকে ডাকো, এই বলে যে, ‘যদি আপনি আমাদেরকে এ বিপদ থেকে উদ্ধার করেন, তবে অবশ্যই আমরা কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হবো’?” (৬. আল আন-আম : ৬৩)
- ব্যাখ্যা
(৬৪) আপনি বলুন, “তোমাদেরকে ঐ বিপদ থেকে ও প্রত্যেকটি দুঃখ-কষ্ট থেকে আল্লাহই উদ্ধার করেন। তারপরও তোমরা আল্লাহর সাথে অংশীদার করো।” (৬. আল আন-আম : ৬৪)
- ব্যাখ্যা
(৬৫) আপনি বলুন, “আল্লাহ এর উপরে ক্ষমতাশীল যে, তোমাদের মাথার উপরে আকাশ থেকে অথবা তোমাদের পায়ের নিচে মাটি থেকে তোমাদের উপরে শাস্তি প্রদান করতে। অথবা তোমাদেরকে দলে উপদলে বিভক্ত করে সবাইকে মুখোমুখী করে দিবেন এবং তোমাদের এক দলকে অন্য দলের দ্বারা শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করাতে পারেন।” আপনি দেখুন, কিভাবে আমি আমার বাণী সমূহ বিভিন্ন ভাবে বর্ণনা করি, যেনো তারা বুঝতে পারে! (৬. আল আন-আম : ৬৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৬৮) যারা আমার বাণী সমূহ সম্পর্কে উপহাসে লিপ্ত হয়, যখন আপনি তাদেরকে দেখেন, তখন আপনি তাদের থেকে সরে যান, যে পর্যন্ত না, তারা এ ছাড়া অন্য কোনো আলোচনায় লিপ্ত হয়। যদি শয়তান আপনাকে ভুলিয়ে দেয়, তবে মনে পড়ার পরে, অন্যায়কারী জাতির সঙ্গে আপনি বসে থাকবেন না। (৬. আল আন-আম : ৬৮)
- ব্যাখ্যা