(৫৩) এইভাবে আমি তাদের এক দলকে অন্য দলের দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি, যেনো অবিশ্বাসীরা বলে যে, “এরাই কি ঐ সকল গরীব বিশ্বাসীগণ, যাদেরকে আমাদের মধ্যে থেকে আল্লাহ অনুগ্রহ করলেন?” তাহলে তাদের ধারনা কি এই যে, আল্লাহ কৃতজ্ঞদের সম্পর্কে ভালো জানেন না? (৬. আল আন-আম : ৫৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৪) যারা আমার বাণী সমূহের প্রতি বিশ্বাস করে, তারা যখন আপনার কাছে আসে, তখন আপনি তাদেরকে বলুন, “তোমাদের উপরে শান্তি বর্ষিত হোক। তোমাদের প্রভু তোমাদের প্রতি করুণা করাকে, তাঁর নিজের উপরে লিখে নিয়েছেন; যে ব্যক্তি তোমাদের মধ্যে অজ্ঞতার কারনে পাপ কাজ করে, তারপর ঐ পাপ কাজ করার পরে তওবা করে নেয় ও সৎকাজ করে, তবে আল্লাহ তো তোমাদের প্রতি ক্ষমাশীল, করুণাময়।” (৬. আল আন-আম : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৬) আপনি বলুন, “আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে তোমরা উপাসনা করো, নিশ্চয় তাদেরকে উপাসনা করতে আমাকে নিষেধ করা হয়েছে।” আপনি বলুন, “আমি তোমাদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করি না, কেননা তখন আমি অবশ্যই পথভ্রষ্ট হবো ও আমি সুপথগামীদের অন্তর্ভুক্ত থাকবো না।” (৬. আল আন-আম : ৫৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৭) আপনি বলুন, “নিশ্চয় আমি আমার প্রভুর পক্ষ থেকে স্পষ্ট প্রমাণের উপরে রয়েছি, অথচ তোমরা সেই বিষয়কে মিথ্যা বলছো। আমার কাছে ঐ শাস্তি নেই, যে শাস্তি তোমরা দ্রুত ঘটাতে চাচ্ছো। নিশ্চয় সিদ্ধান্ত কেবল মাত্র আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো অধিকারে নয়। আল্লাহ সত্য বর্ণনা করেন আর তিনিই শ্রেষ্ঠ মীমাংসাকারী।” (৬. আল আন-আম : ৫৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৮) আপনি বলুন, “যদি এমন হতো যে, আমার কাছে ঐ শাস্তি থাকতো, যা তোমরা দ্রুত ঘটাতে চাচ্ছো, তাহলে অবশ্যই আমার মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে সব বিষয়ের মীমাংসা হয়ে যেতো। আল্লাহ অন্যায়কারীদের সম্পর্কে ভালোই জানেন।” (৬. আল আন-আম : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫৯) অদৃশ্যের চাবি তাঁর কাছেই রয়েছে, তিনি ছাড়া কেউ এ অদৃশ্য সম্পর্কে জানে না। স্থলে ও সমুদ্রে যা কিছু আছে, তিনি তা জানেন। গাছের কোনো একটি পাতাও পড়ে না, যা তিনি জানেন না। মাটির অন্ধকারের মধ্যে একটি শস্যকণা, কোনো আর্দ্র দ্রব্য ও কোনো শুস্ক দ্রব্য এমন নেই যে, তা সুস্পষ্ট গ্রন্থের মধ্যে লিখিত নেই। (৬. আল আন-আম : ৫৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস