(৪৫) সুতরাং যারা অন্যায় করেছিলো ঐসব জাতির শিকড় কঠিন ভাবে কাটা হয়েছিলো। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে, যিনি বিশ্বজগতের প্রভু। (৬. আল আন-আম : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
(৪৬) আপনি বলুন, “তোমরা কি ভেবে দেখেছো যে, আল্লাহ যদি তোমাদের শ্রবণশক্তি ও তোমাদের দৃষ্টিশক্তি কেড়ে নেন আর তোমাদের হৃদয়ের উপরে মোহর মেরে দেন, তবে আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো উপাস্য আছে কি, যে তোমাদেরকে ঐগুলোকে ফিরিয়ে দিবে?” আপনি দেখুন, কিভাবে আমি আমার বাণী সমূহকে বিভিন্ন ভাবে বর্ণনা করি, তথাপি তারা বিমুখ হচ্ছে! (৬. আল আন-আম : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
(৪৭) আপনি বলুন, “তোমরা ভেবে দেখেছো কি, যদি তোমাদের উপরে আল্লাহর শাস্তি হঠাৎ করে এসে পড়ে অথবা প্রকাশ্য ভাবে এসে পড়ে, তবে অত্যাচারি জাতি ছাড়া আর কাউকে কি ধ্বংস করা হবে?” (৬. আল আন-আম : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) আমি রসূলগণকে সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারী রূপে প্রেরণ করে থাকি। সুতরাং যে কেউ বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, তবে তাদের উপরে কোনো ভয় থাকবে না আর তারা অনুতাপও করবে না। (৬. আল আন-আম : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
(৫০) আপনি বলুন, “আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ধনভান্ডার রয়েছে। আর আমি তোমাদেরকে বলি না যে, অদৃশ্য সম্পর্কে আমি জানি। আর আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমি একজন ফেরেশতা। যা আমার কাছে ওহী করা হয়, তা ব্যতীত আমি অন্য কিছুই অনুসরণ করি না।” আপনি বলুন, “অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি এক সমান? তোমরা কি তবুও চিন্তা করবে না?” (৬. আল আন-আম : ৫০)
- ব্যাখ্যা
(৫১) আপনি এ কুরআনের দ্বারা তাদেরকে সতর্ক করুন, যারা ভয় করে যে, তাদেরকে তাদের প্রভুর কাছে সমবেত করা হবে। তাদের জন্যে তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো অভিভাবক ও কোনো সুপারিশকারী নেই। সুতরাং তারা যেনো আল্লাহকে ভয় করে। (৬. আল আন-আম : ৫১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫২) যারা তাদের প্রভুর সন্তুষ্টি পাওয়ার জন্যে সকালে ও সন্ধ্যায় তাঁকে ডাকে, আপনি তাদেরকে তাড়িয়ে দিবেন না। আপনার উপরে তাদের হিসাবের সামান্যতম কোনো দায়িত্ব নেই। আর তাদের উপরেও আপনার হিসাবের সামান্যতম কোনো দায়িত্ব নেই। সুতরাং আপনি যদি তাদেরকে তাড়িয়ে দেন, তবে আপনি অন্যায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন। (৬. আল আন-আম : ৫২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস