(২৮) বরং তারা ইতিপূর্বে মানুষের কাছে যা গোপন করেছিলো, সেই দিন তা তাদের কাছে প্রকাশ হয়ে যাবে। আর যদিও তাদেরকে পৃথিবীতে পুনরায় ফেরত পাঠানো হয়, তারা ঐ দিকেই ফিরে যেতো, যা থেকে তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিলো। নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী। (৬. আল আন-আম : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(৩০) যদি আপনি ঐ সময় তাদেরকে দেখতে পেতেন, যখন তাদেরকে তাদের প্রভুর সামনে দাঁড় করানো হবে, আল্লাহ বলবেন, “এই দ্বিতীয় জীবন কি সত্য নয়?” তারা বলবে, “হাঁ অবশ্যই সত্য, আমাদের প্রভুর শপথ!” আল্লাহ বলবেন, “তবে তোমাদের অবিশ্বাসের কারণে তোমরা শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করো।” (৬. আল আন-আম : ৩০)
- ব্যাখ্যা
(৩১) যারা আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ হওয়াকে অস্বীকার করে, তারা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত। এমনকি যখন তাদের কাছে হঠাৎ করে কিয়ামত এসে যাবে, তখন তারা বলবে, “হায় আমাদের আফসোস! এ বিষয়ে আমরা কতই না অবহেলা করেছি!” তারা তাদের বোঝা তাদের পিঠে বহন করবে। সাবধান! তারা যা বহন করবে, তা অবশ্যই অতি নিকৃষ্ট বোঝা। (৬. আল আন-আম : ৩১)
- ব্যাখ্যা
(৩২) পার্থিব জীবন ক্রীড়া ও কৌতুক ব্যতীত অন্য কিছুই নয়। আর যারা আল্লাহকে ভয় করে, তাদের জন্যে পরকালের আবাসই শ্রেষ্ঠ। তবে কি তোমরা কুরআনকে বুঝো না? (৬. আল আন-আম : ৩২)
- ব্যাখ্যা
(৩৩) আমি অবশ্যই জানি যে, তারা যা বলে, নিশ্চয় তা আপনাকে কষ্ট দেয়। সুতরাং নিশ্চয় তারা আপনাকে মিথ্যাবাদী বলে না, বরং এই অন্যায়কারীরা আল্লাহর বাণী সমূহকেই অস্বীকার করে। (৬. আল আন-আম : ৩৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৪) অবশ্যই আপনার পূর্বেও বহু রসূলকে মিথ্যাবাদী বলা হয়েছে। কিন্তু যে সকল কারণে তাদেরকে মিথ্যাবাদী বলা হয়েছিলো ও তাদেরকে যন্ত্রণা দেওয়া হয়েছিলো, তাঁরা ওর উপরে ধৈর্য্যধারণ করেছিলেন, যে পর্যন্ত না, আমার সাহায্য তাদের কাছে এসেছিলো। আল্লাহর বাণী সমূহকে কেউ পরিবর্তন করতে পারে না। অবশ্যই আপনার কাছে প্রেরিত রসূলদের সম্পর্কে সত্য সংবাদ এসেছে। (৬. আল আন-আম : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
(৩৫) যদি তাদের ফিরে যাওয়া আপনার কাছে কষ্টকর মনে হয়, তবে আপনি যদি সমর্থ হন যে, ভূগর্ভের মধ্যে একটি সুড়ঙ্গ পথ অনুসন্ধান করতে অথবা আকাশের মধ্যে একটি সিড়ি অনুসন্ধান করতে, তাহলে সেখান থেকে আপনি তাদের কাছে কোনো নিদর্শন নিয়ে আসুন! আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তবে অবশ্যই তিনি তাদের সবাইকে সরল পথের উপর সমবেত করতেন। সুতরাং আপনি অজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না। (৬. আল আন-আম : ৩৫)
- ব্যাখ্যা