(৯) আমি যদি কোনো ফেরেশতাকে রসূল বানাতাম ও মানুষের নিকট প্রেরণ করতাম, তবে অবশ্যই আমি তাকে পুরুষের আকারেই বানাতাম। আর আমি অবিশ্বাসীদের জন্যে ঐ বিষয়কে সন্দেহযুক্ত করতাম, যে বিষয়ে তারা এখনো সন্দেহ করছে। (৬. আল আন-আম : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) অবশ্যই আপনার পূর্বেও রসূলগণকে উপহাস করা হয়েছিলো। সুতরাং তাদের মধ্যে যারা উপহাস করেছিলো, তাদেরকে ঐ শাস্তি বেষ্টন করে নিলো, যা নিয়ে তারা উপহাস করেছিলো। (৬. আল আন-আম : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) আপনি বলুন, “তোমরা পৃথিবীর মধ্যে পরিভ্রমণ করো, তারপর তোমরা চেয়ে দেখো, রসূলদের প্রতি মিথ্যা আরোপকারীদের পরিণাম কেমন হয়েছিলো।” (৬. আল আন-আম : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) আপনি বলুন, “নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, এইসব কার জন্যে?” আপনি বলুন, “এইসব কিছুই আল্লাহর জন্যে।” আল্লাহ মানুষের উপরে করুণা করাকে নিজের উপরে লিপিবদ্ধ করে নিয়েছেন। তিনি অবশ্যই কিয়ামতের দিনে তোমাদের সবাইকে একত্রিত করবেন, এর মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই। সুতরাং যারা তাদের নিজেদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তারা এই সত্যের প্রতি বিশ্বাস করবে না। (৬. আল আন-আম : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) রাতের মধ্যে ও দিনের বেলায় যা কিছু বিশ্বজগতে শান্তিতে বসবাস করে, সব কিছুই তাঁর অধিকার-ভুক্ত। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (৬. আল আন-আম : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(১৪) আপনি বলুন, “আমি কি আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করবো? অথচ তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের আদি স্রষ্টা। আর তিনি সকল প্রাণীকে খাওয়ান, অথচ তাঁকে খাওয়ানো হয় না।” আপনি বলুন, “নিশ্চয় আমি আদিষ্ট হয়েছি যে, যারা আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ করে, আমি তাদের মধ্যে অগ্রগামী হয়ে যাই।” আমাকে আরো বলা হয়েছে যে, “আপনি অংশীবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।” (৬. আল আন-আম : ১৪)
- ব্যাখ্যা
(১৭) আল্লাহ যদি আপনাকে কষ্ট দান করেন, তবে ঐ কষ্টকে অপসারণকারী তিনি ব্যতীত আর অন্য কেউ নেই। আর যদি তিনি আপনাকে কল্যাণ দান করেন, তবে তিনিই তো সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। (৬. আল আন-আম : ১৭)
- ব্যাখ্যা