(১) সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে, যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছেন আর যিনি অন্ধকার ও আলো তৈরী করেছেন। তবুও যারা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করে, তারা তাদের প্রভুর সাথে সমকক্ষ দাঁড় করায়। (৬. আল আন-আম : ১)
- ব্যাখ্যা
(২) তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদেরকে কাদা মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনি তোমাদের জীবনের জন্যে একটি মেয়াদ নির্ধারণ করেছেন। আর তাঁর নিকট তোমাদেরকে পুনরায় জীবিত হয়ে ফিরে যাওয়ার জন্যে, অপর একটি মেয়াদ নির্ধারিত রয়েছে। তবুও তোমরা আল্লাহর প্রতি সন্দেহ করো! (৬. আল আন-আম : ২)
- ব্যাখ্যা
(৩) নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের মধ্যে তিনিই একমাত্র আল্লাহ। তোমাদের গোপনীয় বিষয়, তোমাদের প্রকাশ্য বিষয় আর তোমরা যা কিছু অর্জন করো, সব কিছুই তিনি জানেন। (৬. আল আন-আম : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৫) তারপর যখনই সত্য তাদের কাছে আসলো, তখনই তারা সত্যকে প্রত্যাখ্যান করলো। সুতরাং তাদের কাছে শীঘ্রই ঐ শাস্তির সংবাদ আসবে, যা নিয়ে তারা উপহাস করছে। (৬. আল আন-আম : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) তারা কি দেখে না যে, তাদের আগে কত জাতিকে আমি ধ্বংস করেছি, যাদেরকে আমি পৃথিবীর মধ্যে এমন ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম, যেমন ভাবে আমি তোমাদেরকেও প্রতিষ্ঠিত করিনি? আমি তাদের উপরে অজস্র বৃষ্টিপাত করতে মেঘমালা পাঠিয়ে ছিলাম। আমি তাদের পায়ের নিচে ঝর্ণা প্রবাহিত করেছিলাম। তারপর তাদের অপরাধের কারণে আমি তাদেরকে ধ্বংস করেছিলাম। আর তাদের পরে অন্য এক জাতিকে আমি সৃষ্টি করেছিলাম। (৬. আল আন-আম : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) আমি যদি আপনার কাছে কাগজের মধ্যে গ্রন্থ অবতীর্ণ করতাম, তারপর তাদের হাত দিয়ে তারা তা স্পর্শও করতো, তবুও যারা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করে, তারা অবশ্যই বলতো যে, “এ প্রকাশ্য জাদু ব্যতীত অন্য কিছুই নয়।” (৬. আল আন-আম : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৮) তারা বলে, “একজন ফেরেশতাকে কেনো মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে প্রেরণ করা হয় না?” আমি যদি একজন ফেরেশতাকে প্রেরণ করতাম, তাহলে অবশ্যই সব বিষয়ের মীমাংসা হয়ে যেতো, তখন তাদেরকে অবকাশ দেওয়া হতো না। (৬. আল আন-আম : ৮)
- ব্যাখ্যা