(৮৩) যখন বিশ্বাসীরা কুরআনকে শুনে, যা রসূলের কাছে অবতীর্ণ হয়েছে, তখন আপনি দেখবেন তাদের চোখ সমূহ অশ্রু দিয়ে প্লাবিত হয়েছে, এ কারণে যে, তারা সত্যকে চিনে নিয়েছে। তারা বলে, “হে আমাদের প্রভু! আমরা আপনার প্রতি বিশ্বাস করি, তাই আপনি আমাদের নামকে সাক্ষ্য দাতাদের সঙ্গে লিখে রাখুন। (৫. আল মায়েদাহ : ৮৩)
- ব্যাখ্যা
(৮৪) আমাদের জন্যে কি কারণ থাকতে পারে যে, আল্লাহর প্রতি ও যে সত্য কুরআন আমাদের কাছে এসেছে, ঐ কুরআনের প্রতি আমরা বিশ্বাস করবো না, যখন আমরা আশা করি যে, আমাদের প্রভু আমাদেরকে সৎলোকদের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করবেন?” (৫. আল মায়েদাহ : ৮৪)
- ব্যাখ্যা
(৮৫) সুতরাং বিশ্বাসীরা যা বলে, সেই জন্যে আল্লাহ বিশ্বাসীদেরকে এমন বেহেশতের মাধ্যমে পুরস্কৃত করবেন, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। বস্তুত বেহেশত হচ্ছে সৎকর্মশীলদের জন্যে উত্তম প্রতিদান। (৫. আল মায়েদাহ : ৮৫)
- ব্যাখ্যা
(৮৭) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা ঐ সব ভালো বিষয়গুলো নিষিদ্ধ করো না, যা আল্লাহ তোমাদের জন্যে বৈধ করেছেন এবং তোমরা সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সীমালঙ্ঘন-কারীদেরকে ভালোবাসেন না। (৫. আল মায়েদাহ : ৮৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮৮) আল্লাহ তোমাদেরকে যা বৈধ ও পবিত্র বস্তু জীবিকা হিসেবে দিয়েছেন, ঐ জীবিকা থেকে তোমরা আহার করো আর তোমরা ঐ আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর প্রতি তোমরা বিশ্বাসী হয়েছো। (৫. আল মায়েদাহ : ৮৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮৯) আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের অনর্থক শপথগুলোর জন্যে পাকড়াও করবেন না। কিন্তু তিনি তোমাদের ঐ সব শপথের জন্যে পাকড়াও করবেন, যা তোমরা মজবুত করে বাঁধো। সুতরাং এর প্রায়শ্চিত্ত হচ্ছে দশজন দরিদ্রকে খাওয়ানো। সেই রকম সাধারণ ধরনের খাওয়ানো, যা তোমরা তোমাদের পরিবারকে খাওয়াও। অথবা দরিদ্রকে বস্ত্র প্রদান করা অথবা একজন দাসকে মুক্ত করা। কিন্তু যে ব্যক্তি এসব করতে কোনো সম্পদ পায় না, তবে সে তিন দিন রোযা রাখবে। এ হচ্ছে তোমাদের শপথের প্রায়শ্চিত্ত, যখন তোমরা মজবুত করে শপথ করো ও ভঙ্গ করো। তোমরা তোমাদের শপথ রক্ষা করো। এইভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্যে তাঁর স্বীয় বাণী সমূহ সুস্পষ্ট করছেন, যেনো তোমরা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো। (৫. আল মায়েদাহ : ৮৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস