(৬৫) যদি এমন হতো যে, গ্রন্থপ্রাপ্তরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করতো এবং আল্লাহকে ভয় করতো, তবে অবশ্যই আমি তাদের থেকে তাদের দোষ ত্রুটি সমূহ মুছে দিতাম। আর অবশ্যই আমি তাদেরকে অনুগ্রহপূর্ণ বেহেশতে প্রবেশ করাতাম। (৫. আল মায়েদাহ : ৬৫)
- ব্যাখ্যা
(৬৬) তারা যদি তাওরাত ও ইঞ্জীল আর তাদের কাছে তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে যে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, এসকল গ্রন্থ সমূহ প্রতিষ্ঠিত রাখতো, তবে তারা অবশ্যই তাদের মাথার উপর আকাশ থেকে ও তাদের পায়ের নিচে ভূমি থেকে আহার করতো। তাদের মধ্যে একটি মধ্যপন্থী সরল পথের অনুসারী দল রয়েছে, কিন্তু তাদের মধ্যে অধিকাংশের ক্ষেত্রেই, তারা যা করে তা হচ্ছে অতি মন্দ কাজ। (৫. আল মায়েদাহ : ৬৬)
- ব্যাখ্যা
(৬৭) হে প্রিয় রসূল! আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে যে কুরআন আপনার কাছে অবতীর্ণ হয়েছে, ঐ কুরআনকে আপনি মানুষের কাছে পৌঁছে দিন। আপনি যদি তা না করেন, তবে তাঁর বার্তা আপনি মানুষের কাছে পৌঁছালেন না। আল্লাহ মানুষের ষড়যন্ত্র থেকে আপনাকে রক্ষা করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ অবিশ্বাসী জাতিকে পথ প্রদর্শন করেন না। (৫. আল মায়েদাহ : ৬৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৬৮) আপনি বলুন, “হে গ্রন্থপ্রাপ্তরা! তোমরা কোনো ভিত্তির উপরেই নও, যে পর্যন্ত না, তাওরাত ও ইঞ্জীল আর যে কুরআন তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে অবতীর্ণ হয়েছে, এসকল গ্রন্থ সমূহ তোমরা প্রতিষ্ঠিত রাখো।” আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে যে কুরআন আপনার কাছে অবতীর্ণ হয়েছে, ঐ কুরআন অবশ্যই তাদের অধিকাংশের অবাধ্যতা ও অবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। সুতরাং আপনি অবিশ্বাসী জাতির জন্যে দুঃখ করবেন না। (৫. আল মায়েদাহ : ৬৮)
- ব্যাখ্যা
(৬৯) নিশ্চয় যারা মুসলিম, যারা ইহুদী, যারা তারকা পূজারী ও যারা খ্রীষ্টান, এদের মধ্যে থেকে যারাই আল্লাহ ও শেষদিনের প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, তাহলে পরকালে তাদের উপরে কোনো ভয় নেই আর তারা অনুতাপও করবে না। (৫. আল মায়েদাহ : ৬৯)
- ব্যাখ্যা
(৭০) অবশ্যই আমি ইসরাঈলের সন্তানদের থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলাম। আমি তাদের কাছে রসূলগণকে পাঠিয়ে ছিলাম। যখনই তাদের কাছে এমন নির্দেশ নিয়ে কোনো রসূল এসেছেন, যা তাদের মন চাইতো না, তখনই তারা এক দল রসূলের প্রতি মিথ্যা আরোপ করতো আর এক দল রসূলকে তারা হত্যা করতো। (৫. আল মায়েদাহ : ৭০)
- ব্যাখ্যা