(৪৬) নবীগণের পরে আমি মারইয়ামের পুত্র ঈসাকে পাঠিয়ে ছিলাম, ঈসার পূর্বে তাওরাতের মধ্যে যা ছিলো তার সত্যায়নকারী রূপে। তাঁকে আমি ইঞ্জীল দিয়েছিলাম, যার মধ্যে পথ প্রদর্শন ও আলো ছিলো। ইঞ্জীল ছিলো এমন যে, এর পূর্বে তাওরাতের সত্যায়নকারী আর পরহেযগারদের জন্যে পথ প্রদর্শন ও উপদেশ স্বরূপ। (৫. আল মায়েদাহ : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৭) যারা ইঞ্জীলের অধিকারী তাদের উচিত যে, আল্লাহ ইঞ্জীলের মধ্যে যে বিধান অবতীর্ণ করেছেন, ঐ বিধান দ্বারা তারা যেনো মানুষের মধ্যে বিচার করে। আল্লাহ যে বিধান অবতীর্ণ করেছেন, ঐ বিধান দ্বারা যে ব্যক্তি মানুষের মধ্যে বিচার করে না, তাহলে এরাই হচ্ছে আল্লাহর প্রতি অবাধ্য। (৫. আল মায়েদাহ : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৮) আমি আপনার কাছে সত্যের সাথে ধর্ম গ্রন্থ রূপে কুরআন অবতীর্ণ করেছি। এর পূর্ববর্তী ধর্ম গ্রন্থে যা আছে, তার সত্যায়নকারী রূপে ও সেগুলোর রক্ষণা-বেক্ষণকারী হিসেবে। সুতরাং আল্লাহ যে বিধান অবতীর্ণ করেছেন, ঐ বিধান দ্বারা আপনি তাদের মধ্যে বিচার করুন। আপনার কাছে সত্য হতে যে কুরআন এসেছে, আপনি ঐ কুরআনের প্রতি বিমুখ হয়ে তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না। তোমাদের মধ্যে প্রত্যেকের জন্যে আমি এক একটি পৃথক শরীয়ত ও কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছি। আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তবে তিনি তোমাদেরকে একই জাতি বানাতেন। কিন্তু তিনি তোমাদেরকে এজন্যেই বিভিন্ন জাতি বানিয়েছেন, যেনো তোমাদেরকে যে বিধান দিয়েছেন, ঐসকল বিধানের দ্বারা তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে পারেন। সুতরাং তোমরা ভালো কাজে প্রতিযোগিতা করো। আল্লাহর কাছে তোমাদের সকলকেই ফিরে যেতে হবে। তখন তিনি তোমাদেরকে ঐবিষয়ে জানিয়ে দিবেন, যে বিষয়ে তোমরা মতভেদ করতে। (৫. আল মায়েদাহ : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৯) আল্লাহ যে কুরআন অবতীর্ণ করেছেন, আপনি ঐ বিধান দ্বারা তাদের মধ্যে বিচার করুন। আপনি তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না। আপনি তাদের থেকে সতর্ক থাকুন, যেনো তারা আপনাকে ঐ কুরআনের কোনো অংশ থেকে বিচ্যুত না করে, যে কুরআন আল্লাহ আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছেন। সুতরাং যদি তারা আপনার কাছ থেকে ফিরে যায়, তাহলে আপনি জেনে রাখুন যে, আল্লাহ তাদের কিছু সংখ্যক অপরাধের কারণে তাদেরকে শাস্তি দিতে চান। নিশ্চয় মানুষের মধ্যে অধিকাংশ মানুষই আল্লাহর নির্দেশ অমান্যকারী। (৫. আল মায়েদাহ : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
(৫০) তবে কি তারা অজ্ঞতা যুগের বিচার ব্যবস্থা কামনা করে? যারা আল্লাহর প্রতি সুনিশ্চিত বিশ্বাসী, এমন জাতির জন্যে বিচার ব্যবস্থায় আল্লাহর চাইতে কে বেশি উত্তম? (৫. আল মায়েদাহ : ৫০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস