(২৪) তারা বললো, “হে মূসা! আমরা নিশ্চয় কখনো ঐ শহরে প্রবেশ করবো না, যে পর্যন্ত না, তারা সেখানে অবস্থান করে। সুতরাং আপনি ও আপনার প্রভু এগিয়ে যান এবং আপনারা দুজনে যুদ্ধ করুন, নিশ্চয় আমরা এখানেই বসে পড়লাম।” (৫. আল মায়েদাহ : ২৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৫) মূসা বললেন, “হে আমার প্রভু! নিশ্চয় আমি আমার নিজের ও আমার ভাইয়ের উপরে ছাড়া, অন্য করো উপরে কর্তৃত্ব রাখি না। সুতরাং আপনি আমাদের মধ্যে ও এই অবাধ্য জাতির মধ্যে মীমাংসা করে দিন।” (৫. আল মায়েদাহ : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৬) আল্লাহ বললেন, “সুতরাং এ শহর তাদের উপরে চল্লিশ বছর নিষিদ্ধ করা হলো। তারা পৃথিবীর মধ্যে উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরে বেড়াবে। সুতরাং আপনি এই অবাধ্য জাতির জন্যে দুঃখ করবেন না।” (৫. আল মায়েদাহ : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৭) আপনি তাদের কাছে আদমের দুই পুত্রের কাহিনী সঠিক ভাবে পাঠ করে শুনান। যখন তারা উভয়ে কিছু উৎসর্গ বস্তু আল্লাহর প্রতি উৎসর্গ করেছিলো। কিন্তু হাবীলের কাছ থেকে উৎসর্গ গ্রহণ করা হলো। আর কাবীলের কাছ থেকে উৎসর্গ গ্রহণ করা হলো না। কাবীল বললো, “অবশ্যই আমি তোমাকে হত্যা করবো।” হাবীল বললো, “নিশ্চয় আল্লাহ কেবল মাত্র পরহেযগারদের পক্ষ থেকেই উৎসর্গ গ্রহণ করে থাকেন। (৫. আল মায়েদাহ : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(২৮) তুমি যদি আমাকে হত্যা করার জন্যে, আমার দিকে তোমার হাত বাড়াও, তবুও আমি তোমাকে হত্যা করার জন্যে, তোমার দিকে আমার হাত বাড়াবো না। কেননা নিশ্চয় আমি সমগ্র বিশ্বজগতের প্রভু আল্লাহকে ভয় করি। (৫. আল মায়েদাহ : ২৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৯) আমি চাই যে, তুমি আমার পাপ ও তোমার পাপ বহন করো। তারপর তুমি আগুনের বাসিন্দাদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাও। আর এটাই অন্যায়কারীদের প্রতিফল।” (৫. আল মায়েদাহ : ২৯)
- ব্যাখ্যা
(৩০) কিন্তু কাবীলের মন তাকে তার ভাই হাবীলকে হত্যা করতে উত্তেজিত করলো। তাই কাবীল হাবীলকে হত্যা করলো। সুতরাং কাবীল ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেলো। (৫. আল মায়েদাহ : ৩০)
- ব্যাখ্যা
(৩১) তারপর আল্লাহ মাটি খনন করার জন্যে একটি কাক প্রেরণ করলেন। যেনো কাবীলকে দেখানো যায়, কেমন করে সে তার ভাইয়ের মৃতদেহ ঢাকবে। কাবীল বললো, “হায় দুর্ভাগ্য! আমি কি এতই দুর্বল হয়ে গেছি যে, এই কাকের মতো হতে পারলাম না, যেনো আমি আমার ভাইয়ের মৃতদেহ ঢাকতে পারি?” ফলে কাবীল অনুতপ্তদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেলো। (৫. আল মায়েদাহ : ৩১)
- ব্যাখ্যা