(১৮) ইহুদী ও খ্রীষ্টানরা বলে, “আমরা আল্লাহর সন্তান ও তাঁর প্রিয়পাত্র।” আপনি বলুন, “তবে কেনো তোমাদের অপরাধের জন্যে তিনি তোমাদেরকে শাস্তি দেন? বরং যাদেরকে তিনি সৃষ্টি করেছেন, তোমরা তাদেরই অন্তর্ভুক্ত সাধারণ মানুষ।” তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল এবং এই দুইয়ের মাঝে যা কিছু আছে, সব কিছুর রাজত্ব আল্লাহর জন্যেই। তাঁর দিকেই তোমাদের সবাইকে ফিরে যেতে হবে। (৫. আল মায়েদাহ : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) হে গ্রন্থপ্রাপ্তরা! রসূলদের এক বিরতির পরে গ্রন্থ সুস্পষ্ট ভাবে বর্ণনা করতে তোমাদের কাছে আমার রসূল এসেছেন। যেনো তোমরা না বলো যে, “আমাদের কাছে কোনো সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারী আসেনি।” সুতরাং এখন তোমাদের কাছে একজন সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারী এসেছেন। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। (৫. আল মায়েদাহ : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২০) (তোমরা স্মরণ করো,) যখন মূসা তাঁর জাতিকে বললেন যে, “হে আমার জাতি! তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহকে স্মরণ করো, যখন তিনি তোমাদের মধ্যে নবীদেরকে নিযুক্ত করেছিলেন ও তোমাদেরকে রাজক্ষমতার অধিকারী করেছিলেন। আর তোমাদেরকে এমন অনুগ্রহ দিয়েছিলেন, যা তিনি বিশ্বজগতের মধ্যে অন্য কাউকে দেননি। (৫. আল মায়েদাহ : ২০)
- ব্যাখ্যা
(২১) হে আমার জাতি! তোমরা ঐ পবিত্র ভূমি ফিলিস্তিনে প্রবেশ করো, যা আল্লাহ তোমাদের জন্যে তোমাদের ভাগ্যে লিখে দিয়েছেন। আর তোমরা তোমাদের পিছন দিকে ফিরে যেয়ো না। যদি তোমরা পিছন দিকে ফিরো, তাহলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে।” (৫. আল মায়েদাহ : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) তারা বললো, “হে মূসা! নিশ্চয় সেখানে এক প্রবল পরাক্রান্ত জাতি রয়েছে। নিশ্চয় আমরা কখনো সেখানে প্রবেশ করবো না, যে পর্যন্ত না, তারা সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। সুতরাং তারা যদি সেখান থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে আমরা অবশ্যই সেখানে প্রবেশ করবো।” (৫. আল মায়েদাহ : ২২)
- ব্যাখ্যা
(২৩) যারা আল্লাহকে ভয় করতো, তাদের মধ্যে থেকে দুইজন ব্যক্তি ইয়ূশা ও কালিব এমন ছিলেন যে, তাদের উভয়ের উপরে আল্লাহ অনুগ্রহ করেছিলেন, তারা উভয়ে বললেন, “তোমরা তাদের উপরে আক্রমনের জন্যে শহরের প্রধান দরজা দিয়ে প্রবেশ করো, তোমরা যখন শহরে প্রবেশ করবে, তখন নিশ্চয় তোমরাই বিজয়ী হবে। সুতরাং তোমরা আল্লাহর উপরেই নির্ভর করো, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাকো।” (৫. আল মায়েদাহ : ২৩)
- ব্যাখ্যা