শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


وَقَالَتِ ٱلۡيَهُودُ وَٱلنَّصَٰرَىٰ نَحۡنُ أَبۡنَٰٓؤُاْ ٱللَّهِ وَأَحِبَّٰٓؤُهُۥۚ قُلۡ فَلِمَ يُعَذِّبُكُم بِذُنُوبِكُمۖ بَلۡ أَنتُم بَشَرٞ مِّمَّنۡ خَلَقَۚ يَغۡفِرُ لِمَن يَشَآءُ وَيُعَذِّبُ مَن يَشَآءُۚ وَلِلَّهِ مُلۡكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ وَمَا بَيۡنَهُمَاۖ وَإِلَيۡهِ ٱلۡمَصِيرُ ١٨
(১৮) ইহুদী ও খ্রীষ্টানরা বলে, “আমরা আল্লাহর সন্তান ও তাঁর প্রিয়পাত্র।” আপনি বলুন, “তবে কেনো তোমাদের অপরাধের জন্যে তিনি তোমাদেরকে শাস্তি দেন? বরং যাদেরকে তিনি সৃষ্টি করেছেন, তোমরা তাদেরই অন্তর্ভুক্ত সাধারণ মানুষ।” তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল এবং এই দুইয়ের মাঝে যা কিছু আছে, সব কিছুর রাজত্ব আল্লাহর জন্যেই। তাঁর দিকেই তোমাদের সবাইকে ফিরে যেতে হবে। (৫. আল মায়েদাহ : ১৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

يَٰٓأَهۡلَ ٱلۡكِتَٰبِ قَدۡ جَآءَكُمۡ رَسُولُنَا يُبَيِّنُ لَكُمۡ عَلَىٰ فَتۡرَةٖ مِّنَ ٱلرُّسُلِ أَن تَقُولُواْ مَا جَآءَنَا مِنۢ بَشِيرٖ وَلَا نَذِيرٖۖ فَقَدۡ جَآءَكُم بَشِيرٞ وَنَذِيرٞۗ وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ قَدِيرٞ ١٩
(১৯) হে গ্রন্থপ্রাপ্তরা! রসূলদের এক বিরতির পরে গ্রন্থ সুস্পষ্ট ভাবে বর্ণনা করতে তোমাদের কাছে আমার রসূল এসেছেন। যেনো তোমরা না বলো যে, “আমাদের কাছে কোনো সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারী আসেনি।” সুতরাং এখন তোমাদের কাছে একজন সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারী এসেছেন। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। (৫. আল মায়েদাহ : ১৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَإِذۡ قَالَ مُوسَىٰ لِقَوۡمِهِۦ يَٰقَوۡمِ ٱذۡكُرُواْ نِعۡمَةَ ٱللَّهِ عَلَيۡكُمۡ إِذۡ جَعَلَ فِيكُمۡ أَنۢبِيَآءَ وَجَعَلَكُم مُّلُوكٗا وَءَاتَىٰكُم مَّا لَمۡ يُؤۡتِ أَحَدٗا مِّنَ ٱلۡعَٰلَمِينَ ٢٠
(২০) (তোমরা স্মরণ করো,) যখন মূসা তাঁর জাতিকে বললেন যে, “হে আমার জাতি! তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহকে স্মরণ করো, যখন তিনি তোমাদের মধ্যে নবীদেরকে নিযুক্ত করেছিলেন ও তোমাদেরকে রাজক্ষমতার অধিকারী করেছিলেন। আর তোমাদেরকে এমন অনুগ্রহ দিয়েছিলেন, যা তিনি বিশ্বজগতের মধ্যে অন্য কাউকে দেননি। (৫. আল মায়েদাহ : ২০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

يَٰقَوۡمِ ٱدۡخُلُواْ ٱلۡأَرۡضَ ٱلۡمُقَدَّسَةَ ٱلَّتِي كَتَبَ ٱللَّهُ لَكُمۡ وَلَا تَرۡتَدُّواْ عَلَىٰٓ أَدۡبَارِكُمۡ فَتَنقَلِبُواْ خَٰسِرِينَ ٢١
(২১) হে আমার জাতি! তোমরা ঐ পবিত্র ভূমি ফিলিস্তিনে প্রবেশ করো, যা আল্লাহ তোমাদের জন্যে তোমাদের ভাগ্যে লিখে দিয়েছেন। আর তোমরা তোমাদের পিছন দিকে ফিরে যেয়ো না। যদি তোমরা পিছন দিকে ফিরো, তাহলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে।” (৫. আল মায়েদাহ : ২১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالُواْ يَٰمُوسَىٰٓ إِنَّ فِيهَا قَوۡمٗا جَبَّارِينَ وَإِنَّا لَن نَّدۡخُلَهَا حَتَّىٰ يَخۡرُجُواْ مِنۡهَا فَإِن يَخۡرُجُواْ مِنۡهَا فَإِنَّا دَٰخِلُونَ ٢٢
(২২) তারা বললো, “হে মূসা! নিশ্চয় সেখানে এক প্রবল পরাক্রান্ত জাতি রয়েছে। নিশ্চয় আমরা কখনো সেখানে প্রবেশ করবো না, যে পর্যন্ত না, তারা সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। সুতরাং তারা যদি সেখান থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে আমরা অবশ্যই সেখানে প্রবেশ করবো।” (৫. আল মায়েদাহ : ২২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالَ رَجُلَانِ مِنَ ٱلَّذِينَ يَخَافُونَ أَنۡعَمَ ٱللَّهُ عَلَيۡهِمَا ٱدۡخُلُواْ عَلَيۡهِمُ ٱلۡبَابَ فَإِذَا دَخَلۡتُمُوهُ فَإِنَّكُمۡ غَٰلِبُونَۚ وَعَلَى ٱللَّهِ فَتَوَكَّلُوٓاْ إِن كُنتُم مُّؤۡمِنِينَ ٢٣
(২৩) যারা আল্লাহকে ভয় করতো, তাদের মধ্যে থেকে দুইজন ব্যক্তি ইয়ূশা ও কালিব এমন ছিলেন যে, তাদের উভয়ের উপরে আল্লাহ অনুগ্রহ করেছিলেন, তারা উভয়ে বললেন, “তোমরা তাদের উপরে আক্রমনের জন্যে শহরের প্রধান দরজা দিয়ে প্রবেশ করো, তোমরা যখন শহরে প্রবেশ করবে, তখন নিশ্চয় তোমরাই বিজয়ী হবে। সুতরাং তোমরা আল্লাহর উপরেই নির্ভর করো, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাকো।” (৫. আল মায়েদাহ : ২৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা