(১৭১) হে গ্রন্থপ্রাপ্তরা! তোমরা তোমাদের ধর্মের মধ্যে বাড়াবাড়ি করো না আর তোমরা আল্লাহ সম্পর্কে সত্য ছাড়া মিথ্যা কথা বলো না। নিশ্চয় মারইয়ামের পুত্র ঈসা মসীহ হচ্ছেন আল্লাহর একজন সম্মানিত রসূল আর তাঁর বাণী, যা তিনি মারইয়ামের কাছে পাঠিয়েছিলেন আর তাঁর পক্ষ থেকে আসা পবিত্র আত্মা। সুতরাং তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলগণের প্রতি বিশ্বাস করো। আর তোমরা বলো না যে, “আল্লাহ তিন জনের মধ্যে একজন”, তোমরা একথা বলা বন্ধ করো, তোমাদের জন্যে তা মঙ্গল হবে। নিশ্চয় কেবল মাত্র আল্লাহ হচ্ছেন একক উপাস্য। সমস্ত পবিত্রতা তাঁরই যে, তাঁর কোনো পুত্র থাকবে! নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সব কিছুই তাঁর জন্যে। আর অভিভাবক হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। (৪. আন নিসা : ১৭১)
- ব্যাখ্যা
(১৭২) আল্লাহর দাস হওয়ার ব্যাপারে ঈসা মসীহ কখনোই লজ্জাবোধ করে না আর আল্লাহর সান্নিধ্যে থাকা ফেরেশতারাও আল্লাহর দাস হওয়ার ব্যাপারে লজ্জাবোধ করে না। আর যে কেউ আল্লাহর উপাসনা করার ব্যাপারে লজ্জাবোধ করে ও অহঙ্কার করে, সুতরাং তার জেনে রাখা উচিত যে, আল্লাহ তাদের সবাইকে তাঁর নিজের দিকে একত্রিত করবেন। (৪. আন নিসা : ১৭২)
- ব্যাখ্যা
(১৭৩) সুতরাং তাদের ক্ষেত্রে, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, তাহলে আল্লাহ তাদেরকে তাদের প্রাপ্য পুরোপুরি দিবেন এবং তাঁর স্বীয় অনুগ্রহ থেকে তাদেরকে আরো বাড়িয়ে দিবেন। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে, যারা আল্লাহর দাস হওয়ার ব্যাপারে লজ্জাবোধ করে ও অহঙ্কার করে, সুতরাং আল্লাহ তাদেরকে বেদনাদায়ক শাস্তি দিবেন আর তারা আল্লাহ ব্যতীত তাদের জন্যে কোনো অভিভাবক ও কোনো সাহায্যকারী পাবে না। (৪. আন নিসা : ১৭৩)
- ব্যাখ্যা
(১৭৪) ওহে মানব জাতি! তোমাদের কাছে তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে অবশ্যই স্পষ্ট প্রমাণ রূপে কুরআন এসে গেছে। বস্তুত আমি তোমাদের কাছে এক উজ্জ্বল জ্যোতি রূপে কুরআনকে পাঠিয়েছি। (৪. আন নিসা : ১৭৪)
- ব্যাখ্যা
(১৭৫) সুতরাং তাদের ক্ষেত্রে, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও তাঁকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে, তবে আল্লাহ শীঘ্রই তাদেরকে স্বীয় দয়া ও অনুগ্রহের মধ্যে প্রবেশ করাবেন। আর তিনি তাঁর অনুগ্রহের মাধ্যমে তাদেরকে সরল পথের দিকে পরিচালিত করবেন। (৪. আন নিসা : ১৭৫)
- ব্যাখ্যা