(১৬৩) নিশ্চয় আমি আপনার কাছে ওহী প্রেরণ করেছি, যেমন আমি নূহের ও তাঁর পরবর্তী নবীদের প্রতি ওহী প্রেরণ করেছিলাম। আর আমি ওহী প্রেরণ করেছিলাম ইব্রাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব, অন্যান্য গোত্র, ঈসা, আইয়ুব, ইউনুস, হারূন ও সুলায়মানের প্রতি। আর আমি দাউদকে যবূর গ্রন্থ দিয়েছিলাম। (৪. আন নিসা : ১৬৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৬৪) আর সেইসব রসূলদের প্রতি আমি ওহী প্রেরণ করেছিলাম, যাঁদের বিষয়ে ইতিপূর্বে আপনার কাছে বর্ণনা করেছি। আর সেইসব রসূলদের প্রতি আমি ওহী প্রেরণ করেছিলাম, যাঁদের বিষয়ে আমি আপনার কাছে ইতিপূর্বে বর্ণনা করিনি। আর আল্লাহ মূসার সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছিলেন। (৪. আন নিসা : ১৬৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৬৫) রসূলদেরকে সুসংবাদ দাতা রূপে ও সাবধানকারী রূপে আমি প্রেরণ করেছিলাম, যেনো রসূলদের পরে আল্লাহর প্রতি মানুষের কোনো অজুহাত না থাকে। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (৪. আন নিসা : ১৬৫)
- ব্যাখ্যা
(১৬৬) অবিশ্বাসীরা কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করুক বা নাই করুক কিন্তু আল্লাহ যে কুরআন আপনার কাছে অবতীর্ণ করেছেন, ঐ কুরআন সম্পর্কে আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, তিনি তাঁর স্বীয় জ্ঞানের মাধ্যমে এ কুরআনকে আপনার কাছে অবতীর্ণ করেছেন আর ফেরেশতারাও অনুরূপ সাক্ষ্য দিচ্ছে। আর এই বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট। (৪. আন নিসা : ১৬৬)
- ব্যাখ্যা
(১৬৭) নিশ্চয় যারা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করে এবং মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে সরিয়ে রাখে, অবশ্যই তারা পথ হারিয়ে সুদূর বিপথে চলে গেছে। (৪. আন নিসা : ১৬৭)
- ব্যাখ্যা
(১৬৮) নিশ্চয় যারা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করে আর মানুষের প্রতি অন্যায় করে, তাদেরকে ক্ষমা করার জন্যে আল্লাহ ইচ্ছুক নন। আর তাদেরকে কোনো সরল পথে পরিচালিত করার জন্যেও আল্লাহ ইচ্ছুক নন, (৪. আন নিসা : ১৬৮)
- ব্যাখ্যা
(১৬৯) তবে কেবল মাত্র দোযখের পথে পরিচালিত করা ছাড়া, তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। আর আল্লাহর পক্ষে এ কাজ করা, সহজ একটি ব্যাপার। (৪. আন নিসা : ১৬৯)
- ব্যাখ্যা
(১৭০) ওহে মানব জাতি! নিশ্চয়ই এই রসূল তোমাদের কাছে তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে সত্যসহ এসেছেন। সুতরাং তোমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করো, তোমাদের জন্যে তা কল্যাণকর হবে। কিন্তু যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করো, তবে তোমরা জেনে রেখো যে, নিশ্চয় নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সব কিছুই আল্লাহর জন্যেই। আর আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (৪. আন নিসা : ১৭০)
- ব্যাখ্যা