সর্বমোট জীবনীঃ ২৪৮টি

সূচিপত্র
Search By:




১৮২) নামঃ শুকরান সালেহ

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ
মৃত্যু তারিখঃ , মৃত্যুস্থানঃ
বয়সঃ

উপাধিঃ সাহাবী


তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খাদেম বা চাকর ছিলেন। বদর যুদ্ধের পরে তাকে রাসুল মুক্ত করে দেন। ইতিহাসে তিনি শুকরান মাওলা বা রাসুলের আযাদকৃত দাস শুকরান নামে প্রসিদ্ধ। শুকরান সালেহ এর মূল নাম সালেহ এবং উপাধি ‘শুকরান’। এভাবে তার নামকরণ হয় শুকরান সালেহ। তার পিতার নাম আদী। শুকরান সালেহ আবদুর রহমান ইবন আউফের হাবশী বংশজাত দাস ছিলেন। পরবর্তীতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের কাজের জন্য তাকে অর্থমূল্যে অথবা আবদুর রহমান থেকে কিনে নেন অথবা উপহার পান।

আরো দেখুন

১৮৩) নামঃ শুজা ইবনে ওয়াহাব

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ
মৃত্যু তারিখঃ ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ, (১০ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ ইয়ামামা
বয়সঃ ৪০ বছর

উপাধিঃ বদরী সাহাবী


তিনি বদর,উহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিশিষ্ট দূত হিসেবে কাজ করেছেন। শুজা ইবনে ওয়াহাব এর আসল নাম নাম শুজা এবং ডাকনাম আবু ওয়াহাব। পিতার নাম ওয়াহাব। ইসলাম পূর্ব যুগে তার বংশ বনী আবদে শামস বংশের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিল।

আরো দেখুন

১৮৪) নামঃ শুরাহবিল ইবনে হাসানা

জন্ম তারিখঃ ৫৮৩ খ্রিষ্টাব্দ, (৩৯ হিজরি পূর্ব), জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৬৩৯ খ্রিষ্টাব্দ, (১৭ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ মিসর
বয়সঃ ৫৭ বছর

উপাধিঃ মুহাজির সাহাবী


কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু আবদিল্লাহ বা আবু আবদির রহমান। পিতা আবদুল্লাহ ইবনুল মুতা, মাতা হাসানা। তবে আবু আমরের মতে হাসানা তার মেয়ের নাম। যাই হোক, শুরাহবীলের পিতা মারা যাওয়ার পর তার মা হাসানা দ্বিতীয়বার সুফইয়ান আনসারীকে বিয়ে করেন। এ কারণে তিনি পিতার পরিবর্তে মাতার নামে পরিচিত হন। এই হাসানার বংশ সম্পর্কে মতভেদ আছে। কেউ বলেছেন কিন্দা গোত্রের, কেউ বলেছেন ‍তামীম গোত্রের, আবার অনেকের মতে বনী জুমাহ গোত্রের। তিনি মক্কায় ইসলামের প্রথম পর্বে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং পরিবারের অন্যদের সাথে হাবশায় হিজরাত করেন। অত:পর সেখান থেকে মদীনায় চলে যান।

আরো দেখুন

১৮৫) নামঃ সাঈদ ইবনে আমির আল জুমাহি

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ , মৃত্যুস্থানঃ মদিনা
বয়সঃ

উপাধিঃ মুহাজির সাহাবী


তিনি উমরের যুগে হিমশের শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাঈদ ইবনে আমির আল জুমাহী এর মূলনাম সাঈদ। তার পিতার নাম আমির এবং মাতার নাম আরওয়া বিনতে আবি মুয়িত।

আরো দেখুন

১৮৬) নামঃ সাঈদ ইবনে যায়িদ

জন্ম তারিখঃ ৫৯৪ খ্রিষ্টাব্দ, (২৮ হিজরি পূর্ব), জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৬৭৩ খ্রিষ্টাব্দ, (৫৩ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ মদিনা
বয়সঃ ৮০ বছর

উপাধিঃ মুহাজির সাহাবী, বদরী সাহাবী, আশারায়ে মুবাশশারাহ


সাঈদ বিন যায়েদ (রা) ছিলেন আশারায়ে মুবাশশারাহর অন্যতম সাহাবী। তিনি ছিলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অন্যতম নিকটতম সাহাবী ও বাল্যকালের পরম বন্ধু। প্রথম পর্যায়ে ইসলামী গ্রহণকারী সাহাবীদের অন্যতম। তাঁর কারণেই কুরাইশ সিংহ উমার (রা) এর মত ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি প্রথম পর্যায়ের মুজাহিদ ছিলেন। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করেও গানীমাত লাভ করেছিলেন। ইয়ারমুকের যুদ্ধে তিনি বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে বিজয়ে ঝাণ্ডা ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জীবদ্দশায় জান্নাতী বলে শুভ সংবাদ দেন। তিনি একাধারে ছিলেন একজন শাসক, সাহসী বীর যোদ্ধা ও গভীর জ্ঞানের অধিকারী।

আরো দেখুন

১৮৭) নামঃ সাওবান ইবনে নাজদাহ

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ ইয়েমেন
মৃত্যু তারিখঃ ৬৭৪ খ্রিষ্টাব্দ, (৫৪ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ হিমশ, মিশর
বয়সঃ

উপাধিঃ সাহাবী


তিনি রাসুল বিশেষ খাদেম ছিলেন। সারা জীবন রাসুলের খেদমতে অতিবাহিত করেছেন । রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মৃত্যুর পর তিনি মদীনার অন্যতম মুজতাহিদ সাহাবী হিসাবে পরিগণিত হন। পুরো নাম সাওবান ইবনে নাজদাহ, ডাক নাম সাওবান পিতার নাম নাজদাহ। তার পিতা আবু আবদিল্লাহ নামেও পরিচিত ছিলো। সাওবান ইয়ামানের বিখ্যাত হিময়ার গোত্রের সন্তান। তিনি জীবনের কোন এক কারণে তিনি দাসে পরিণত হন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে তাকে খরীদ করে মুক্ত করে দেন। মুক্ত হওয়ার পরে তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরিবারের একজন হিসাবে জীবন-যাপন শুরু করেন।

আরো দেখুন

১৮৮) নামঃ সাদ ইবনে উবাদাহ

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ
মৃত্যু তারিখঃ ৭৩৭ খ্রিষ্টাব্দ, (১১৮ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ মদিনা
বয়সঃ

উপাধিঃ সাহাবী, বদরী সাহাবী


সপ্তম শতাব্দীর গোড়ার দিকে মদিনায় খাজরাজ উপগোত্রের সাইদা গোত্রের প্রধান শেখ ছিলেন। পরে তিনি পুরো খাজরাজ গোত্রের প্রধান শেখ হিসাবে এবং পরে সমস্ত আনসারদের প্রধানের স্বীকৃতি লাভ করেন। তিনি ছিলেন ইসলামী নবী মুহাম্মদের বিশিষ্ট সহচর। তিনি সাইদা গোত্রের প্রধান উবাদাহ ইবনে দুলাইমের পুত্র ছিলেন। তাঁর দুটি বোন ছিল মান্দওয়াস এবং লায়লা।

আরো দেখুন

১৮৯) নামঃ সাদ ইবনে খাইসামা

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ মদিনা
মৃত্যু তারিখঃ ২য় হিজরি, মৃত্যুস্থানঃ বদরের প্রান্তর
বয়সঃ

উপাধিঃ আনসারী সাহাবী, বদরী সাহাবী


দ্বিতীয় আকাবায় অংশগ্রহণকারী এবং বদরের যুদ্ধের শহীদদের মধ্যে অন্যতম। হিজরতের সময় মুহাজিরদের যেসব আনসার সাহাবী মেহমানদারী করেছিলেন সাদ ইবনে খাইসামা তাদের অন্যতম। বংশধারা- সাদ ইবনে খাইসামা ইবনে হারেস ইবনে মালিক ইবনে সাআব ইবনুন নুহাত ইবনে কাব ইবনে হারেসা ইবনে গানাম ইবনে সালাম ইবনে ইমরাউল কায়েস ইবনে মালিক ইবনে আউস আল-আনসারী। উপনাম-আবু খাইসাম বা আবু আবদুল্লাহ। তার পিতা খাইসামা সাহাবী ছিলেন। তিনি উহুদ যুদ্ধে শহীদ হয়ে ছিলেন। তাকে আমর বিন আউফের আমির হিসাবে প্রেরণ করা হয়েছিল।

আরো দেখুন

১৯০) নামঃ সাদ ইবনে মুয়াজ

জন্ম তারিখঃ ৫৯০ খ্রিষ্টাব্দ, (৩২ হিজরি পূর্ব), জন্মস্থানঃ মদিনা
মৃত্যু তারিখঃ ৬২৭ খ্রিষ্টাব্দ, (৪ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ মদিনা
বয়সঃ ৩৮ বছর

উপাধিঃ আনসারী সাহাবী, বদরী সাহাবী


তিনি বদর, উহুদ ও খন্দকের যুদ্ধ অংশগ্রহণ করেছিলেন। হিজরতের পূর্বে মদিনাতে তিনি নিজ গোত্র আওসের নেতা ছিলেন। মদিনাবাসীদেরকে ইসলাম শিক্ষা দেয়ার জন্য রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসয়াব ইবনে উমাইর (রা) কে পাঠালে তাঁর হাতে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন।

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহুদী গোত্র বনু কুরায়যাকে অবরোধ করলে তারা সাদের সিদ্ধান্ত মানতে মত দেয়। সাদ (রা) ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থ অনুসারে যুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতা ও চুক্তি ভঙ্গের শাস্তিস্বরূপ বনু কুরায়রার যুদ্ধ উপযোগী সকল পুরুষকে মৃত্যুদন্ড, নারীদেরকে দাসী এবং তাদের সম্পদ ও ভূমি মুসলিমদের মাঝে বণ্টনের সিদ্ধান্ত দেন। এ ঘটনার অল্প কিছুদিন পরেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন। তিনি বনু কুরাইজা গোত্রের শাস্তির সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন ।

আরো দেখুন

১৯১) নামঃ সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস

জন্ম তারিখঃ ৫৯৫ খ্রিষ্টাব্দ, (২৭ হিজরি পূর্ব), জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৬৭৪ খ্রিষ্টাব্দ, (৫৪ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ মদিনা
বয়সঃ ৮০ বছর

উপাধিঃ মুহাজির সাহাবী, আশারায়ে মুবাশশারাহ


১৭ বছর বয়সে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তিনি ১৭ তম ইসলাম গ্রহণকারী ব্যক্তি ছিলেন। ৬৩৬ সালে পারস্য বিজয়ে তার নেতৃত্ব প্রদান ও তার শাসক হিসেবে তিনি অধিক পরিচিত। ৬৪৬ ও ৬৫১ সালে তাকে কূটনৈতিক দায়িত্ব দিয়ে চীন পাঠানো হয়। ধারণা করা হয় যে, নৌ রুটে চীন যাওয়ার পথে তিনি চট্টগ্রাম বন্দরে থেমেছেন এরং বাংলাকে ইসলামের সাথে পরিচয় করানোয় তার অবদান রয়েছে। ধারণা করা হয়, তিনি ৬৪৮ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশের লালমনিরহাটে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, যা স্থানীয়ভাবে আবু আক্কাস মসজিদ নামে পরিচিত। চীনা মুসলিমদের মতে, চীনের ক্যান্টন বন্দরে তার কবর আছে। অবশ্য আরবদের মতে তার কবর আরবে অবস্থিত।

আরো দেখুন

১৯২) নামঃ সাফওয়ান ইবনে উমাইয়া

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৬৬১ খ্রিষ্টাব্দ, (৪০ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ মক্কা
বয়সঃ

উপাধিঃ সাহাবী


তিনি মক্কার কুরাইশ বংশের বনু জুমাহ গোত্রের সদস্য ছিলেন। তার বাবা ছিলেন উমাইয়া ইবনে খালাফ, যিনি ছিলেন কুরাইশ বংশের একজন বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা; এবং তার মাতার নাম ছিল কারিমা বিনতে মামর ইবনে হাবিব।আলী নামে তার একজন চাচাতো ভাই এবং জাবালা ইবনে হাম্বল নামে তার এক খালাতো ভাই ছিল।

আরো দেখুন

১৯৩) নামঃ সাফিয়াহ বিনতে আবদুল মুত্তালিব

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৬৪১ খ্রিষ্টাব্দ, (২০ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ মদিনা
বয়সঃ ৭৩ বছর

উপাধিঃ মুহাজির সাহাবী


রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ও আলি ইবনে আবি তালিব এর ফুপু ছিলেন এবং যুবাইর ইবনুল আওয়ামের মা ছিলেন। তিনি তৎকালীন আরবের শ্রেষ্ঠ কবি ছিলেন। তার বহু ভূয়সী কবিতা ইতিহাসে পাওয়া যায়।
সাফিয়াহর পিতার নাম আবদুল মুত্তালিব এবং মাতার নাম হালাহ বিনতে উহাইব বিন আবদে মনাফের। এই সূত্রে তিনি হযরত হামযা ইবন আবদুল মুত্তালিব (রা) এর সহোদর বোন ছিলেন।

আরো দেখুন

১৯৪) নামঃ সালমান আল-ফারসি

জন্ম তারিখঃ ৫৫৮ খ্রিষ্টাব্দ, (৬৪ হিজরি পূর্ব), জন্মস্থানঃ কাজিরান, ইরান
মৃত্যু তারিখঃ ৬৫৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩৬ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ আল মাদাইন, ইরাক
বয়সঃ ৯৯ বছর

উপাধিঃ সাহাবী


তিনি সাসানিয়ান সাম্রাজ্যে একজন জরথুস্ট্রিয়ান হিসাবে বেড়ে ওঠেন, তারপর খ্রিস্টধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং পরবর্তীতে ইয়াসরিব শহরে, যা পরে মদিনায় পরিণত হয়, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে দেখা করার পরে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হন। অন্যান্য সাহাবীদের সাথে তার পরবর্তী কিছু সাক্ষাতের সময়, তাকে কুনিয়াহ আবু আবদুল্লাহ "আব্দুল্লাহর পিতা" বলে উল্লেখ করেছিলেন। খন্দকের যুদ্ধকালীন মক্কার কুরাইশরা যখন মদীনা আক্রমণ করে, তার পরামর্শে মদিনার চারপাশে একটি পরিখা খনন করা হয়েছিল (একটি সাসানীয় সামরিক কৌশল)। কিছু ঐতিহাসিকের মতে, তিনি ইরাকের আল-মাদাইন-এর গভর্নর হিসাবে নিযুক্ত হন এবং জনপ্রিয় মত অনুসারে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালমানকে তাঁর পরিবারের অংশ হিসাবে বিবেচনা করেছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মৃত্যুর পর তিনি হযরত মুহাম্মদের চাচাতো ভাই আলীর অনুসারী ছিলেন।

আরো দেখুন

১৯৫) নামঃ সালামা আবু হাশিম

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ তেল আবিব
মৃত্যু তারিখঃ , মৃত্যুস্থানঃ
বয়সঃ

উপাধিঃ সাহাবী


জাফার কাছাকাছি সালামা নামক একটি গ্রামের নামে তার নামকরণ করা হয়েছিল। বর্তমানে তেল আবিব এবং জাফার সীমান্তে সালমানাহ রাস্তায় ঐতিহাসিক গ্রামটি রয়েছে।

আরো দেখুন

১৯৬) নামঃ সালামা ইবনে হিশাম

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৬৩৫ খ্রিষ্টাব্দ, (১৪ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ মারজে রোম, সিরিয়া
বয়সঃ

উপাধিঃ সাহাবী


সালামা ইসলামের প্রতিপক্ষ আবু জাহেলের ভাই ছিলেন। সালামা ইবনে হিশাম এর সংক্ষিপ্ত নাম সালামা,ডাকনাম আবু হাশেম। পিতার নাম হিশাম ইবনে মুগিরা এবং মাতার নাম দাবায়া বিনতু আমের। তার মা দাবায়া বিনতু আমের তার পূর্ব বৃদ্ধ স্বামী ইবন জুদয়ানকে তালাক দিয়ে মক্কার বিশিষ্ট যোদ্ধা হিশাম ইবনে মুগীরাকে বিয়ে করেন। এই গর্ভেই সালামা ইবনে হিশাম জন্মগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য তার মা সেই সময়ের বিখ্যাত সুন্দরী ছিল। পরবর্তীকালে দাবায়া ইসলাম গ্রহণ করেন।

আরো দেখুন

১৯৭) নামঃ সালামা ইবনুল আকওয়া

জন্ম তারিখঃ ১৬ হিজরি পূর্ব, জন্মস্থানঃ রাবজা
মৃত্যু তারিখঃ ৬৪ হিজরি, মৃত্যুস্থানঃ মদিনা
বয়সঃ ৮০ বছর

উপাধিঃ মুহাজির সাহাবী


তিনি একজন দক্ষ তীরন্দাজ ছিলেন। তিনি একজন হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবা ছিলেন। সালামা ইবনে আকওয়া এর মূলনাম নাম সিনান। তার পিতার নাম আমর ইবনুল আকওয়া। তার উপনামের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে, আবু মুসলিম, আবু ইয়াস, আবু আমের প্রভৃতি উপনাম ইতিহাসে পাওয়া যায়। তবে পুত্র ইয়াসের নাম অনুসারে আবু ইয়াস ডাক নামটি অধিক প্রসিদ্ধ।

আরো দেখুন

১৯৮) নামঃ সালিম মাওলা ইবনে আবু হুজাইফা

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ পারস্য
মৃত্যু তারিখঃ ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ, (১০ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ ইয়ামামা
বয়সঃ

উপাধিঃ মুহাজির সাহাবী, বদরী সাহাবী


তিনি আবু হুজাইফা ইবনে উতবার একজন মুক্ত দাস ছিলেন এবং তিনি নবীত্ব দাবিকারী মুসাইলামার বিরুদ্ধে প্রেরিত জিহাদে একজন পতাকা বহনকারী হিসেবে অংশ নেন এবং ব্যাপক সাহসিকতা প্রদর্শন করেন। এই যুদ্ধেই তিনি নিহত হন। সালিম মাওলা আবু হুজায়ফা এর মূলনাম সালিম এবং কুনিয়াত (উপনাম) আবু আব্দুল্লাহ। তার পিতার নামের ব্যাপারে মতভেদ আছে, ইবনে মুন্দাহ বলেছেন উবায়েদ ইবনে রাবিয়া। আবার কেও বলেছেন মাকাল। তিনি ছিলেন পারস্য বংশোদ্ভূত, পারস্যের ইসতাখরান নামক অঞ্চল তার পিতৃপুরুষের আবাসভূমি। তিনি ঘটনাক্রমে সুবাইতা বিনতে ইউয়া আল আনসারীর দাস হিসেবে মদিনায় পৌছায়। এবং সুবাইতা সালিমকে নিঃশর্ত মুক্ত করে দিলে তার স্বামী আবু হুজাইফা তাকে ছেলে হিসেবে গ্রহণ করে। এবং তিনি সালিম ইবনে আবু হুজাইফা নামে পরিচিত হন।

আরো দেখুন

১৯৯) নামঃ সুরাকা বিন মালিক

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৬৪৫ খ্রিষ্টাব্দ, (২৪ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ
বয়সঃ

উপাধিঃ সাহাবী


তিনি কুরাইশ গোত্রের লোক ছিলেন। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে তিনি মক্কা থেকে মদীনা হিজরতের পথে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে ও তার সঙ্গী আবু বকরের পিছু নিয়েছিলেন।

আরো দেখুন

২০০) নামঃ সুহাইব রুমি

জন্ম তারিখঃ ৩৫ হিজরি পূর্ব, জন্মস্থানঃ মেসোপটেমিয়া (প্রাচীন গ্রিক)
মৃত্যু তারিখঃ ৩৮ হিজরি, মৃত্যুস্থানঃ মদিনা
বয়সঃ ৭৪ বছর

উপাধিঃ সাহাবী


সুহাইব ইবনে সিনান বলেও পরিচিত, ছিলেন বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের একজন প্রাক্তন দাস। সিনান ইবনে মালিক নামক জনৈক আরব ব্যক্তি ৫৯১ সালে আলউবাল্লাহ শহরে পারসিয়ান সাম্রাজ্যের পক্ষে শাসন পরিচালনা করতেন।শহরটি বর্তমানে বসরার অন্তর্গত এবং ফোরাত নদীর তীরে অবস্থিত ছিল। সুহাইব ছিলেন তার অন্যতম পুত্র। সুহাইবের মা তাকে একদিন একটি গ্রামে নিয়ে যান। সেখানে এসময় বাইজেন্টাইন সৈনিকরা আক্রমণ করে এবং বিপুল সংখ্যক লোককে বন্দী করে নিয়ে যায়। সুহাইব তাদের অন্যতম ছিলেন।

আরো দেখুন

২০১) নামঃ সুহাইল ইবনে আমর

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৬৩৬ খ্রিষ্টাব্দ, (১৪ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ ফিলিস্তিন
বয়সঃ

উপাধিঃ সাহাবী


আবু ইয়াজিদ নামেও পরিচিত। কুরাইশদের প্রধান নেতাদের মধ্যে একজন, যিনি এই গোত্রের খতীব বা বক্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। চতুর ও স্পষ্টভাষী হওয়ার কারণে তার ব্যক্তিগত মতামত নিজস্ব গোত্রে অনেক গুরুত্ব বহন করত। সুহাইল ছিলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুয়াতের সময়কালীন মক্কার একজন সুপরিচিত নেতা ও দক্ষ বক্তা। তিনি সেইসব নেতাদের একজন ছিলেন যারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তায়েফ হতে ফিরে আসার পর নিরাপত্তা দিতে অস্বীকার করেছিল এবং এছাড়াও তিনি হুদাইবিয়ার সন্ধি রচনায় মন্তব্য করেছিলেন। তিনি মত দিয়েছিলেন যে, সন্ধিপত্রে নবী মুহাম্মদ এর নাম "মুহাম্মদ, আল্লাহর রাসূল" (মুহাম্মদ রাসূলাল্লাহ) না লিখে "মুহাম্মদ, আব্দুল্লাহর পুত্র" (মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ) লেখা হোক এর কারণ হিসেবে বলেন যে, কুরাইশ পক্ষ তার রাসূল হওয়ার দাবিকে স্বীকার করে না।

পরবর্তীতে মক্কা বিজয়ের পর তিনি মুসলমান হন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মৃত্যুর পর তিনি মক্কার মুসলিমদের শান্ত করেছিলেন। ইয়ারমুকের যুদ্ধে তিনি মুসলিম পক্ষ থেকে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

আরো দেখুন

২০২) নামঃ সুওয়াইবা আল-আসলামিয়াহ

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৬২৯ খ্রিষ্টাব্দ, (৮ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ
বয়সঃ

উপাধিঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুধ মা


সুওয়াইবা আল আসলআমিয়াহ (সুয়েবাহ বা সুয়াইবা নামেও পরিচিত) একজন সাহাবা এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রথম দুধ মা ছিলেন। সুওয়াইবা নামের অর্থ "আল্লাহর পুরস্কার প্রাপ্য"। তিনি আবু লাহাবের দাসী ছিলেন। তিনি যখন আবু লাহাবকে সংবাদ প্রদান করেন যে তার ভাই আব্দুল্লাহর স্ত্রী মুহাম্মদ নামে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছে তখন আবু লাহাব খুশি হয়ে তাকে মুক্ত করে দেন। আরবীয় সংস্কৃতি অনুযায়ীরসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার মায়ের সাথে প্রথম তিনদিন কাটানোর পরে তাকে দুধ মায়ের কাছে দিয়ে দেওয়া হয়। সুয়েবাহ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তার নিজের ছেলে মাসাহার উভয়কেই দুধ খাওয়াতেন। দুই বছর আগে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পিতামহ হামযা ইবন আবদুল মুত্তালিবকেও তিনি দুগ্ধ পান করিয়েছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হামজার কন্যাকে বলেছিলেন যে তিনি তার দুধ ভাইয়ের কন্যা। অবশেষে, হালিমা কিছু দিন পর কাজটি গ্রহণ করেন এবং প্রায় চার বছর পর্যন্ত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তত্ত্বাবধান করেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন নবুওয়াত প্রাপ্তির ঘোষণা করেছিলেন তখন সুয়েবাহ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তার ছেলে তার আগে মারা যায় এবং তিনি ৭ম হিজরিতে মারা যান।

আরো দেখুন

২০৩) নামঃ সুমামা ইবনে উসাল

জন্ম তারিখঃ ৫৮০ খ্রিষ্টাব্দ, (৪২ হিজরি পূর্ব), জন্মস্থানঃ আল-ইয়ামামা, সৈদি আরব
মৃত্যু তারিখঃ ৬২৯ খ্রিষ্টাব্দ, (৮ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ
বয়সঃ ৫০ বছর

উপাধিঃ সাহাবী


তিনি ছিলেন বনু হানিফার প্রধান এবং আল-ইয়ামামার শাসকদের একজন, যা তাকে প্রাক-কুরআন যুগের সবচেয়ে শক্তিশালী আরব শাসকদের মধ্যে পরিণত করেছিল। ৬২৮ সালে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরব উপদ্বীপ এবং আশেপাশের অঞ্চলের শাসকদের কাছে সুমামা সহ ইসলামের আমন্ত্রণ জানিয়ে আটটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। চিঠিটি পাওয়ার পর, তিনি ক্রোধে গ্রাস হয়েছিলেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হত্যা করার সংকল্প করেছিলেন। তার নকশা অনুসরণে, সুমামা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গীদের একটি দলকে হত্যা করেছিল। কিছুক্ষণ পরেই, সুমামা মক্কায় ওমরাহ করার জন্য আল-ইয়ামামা শহর ত্যাগ করেন।

আরো দেখুন

২০৪) নামঃ সাওদা বিনতে জামআ

জন্ম তারিখঃ ৫৮৯ খ্রিষ্টাব্দ, (৩৩ হিজরি পূর্ব), জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৬৭৪ খ্রিষ্টাব্দ, (৫৪ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ মদিনা
বয়সঃ ৮৬ বছর

উপাধিঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী


সাওদা বিনতে জামার পিতা যামা ইবনে কাস মক্কার কুরাইশ গোত্রের আমির ইবনে লুআই বংশের ছিলেন। তার মাতা আল-সামস্ বিনতে কাস মদিনার বংশের বনু নাজযার। তিনি ইসলামের প্রাথমিক পর্যায়ে যারা আবিসিনিয়ায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশে হিজরত করেছিলেন তিনি তাদের অন্যতম ছিলেন। প্রথমে তিনি আস-সাকরান ইবনে আমরকে বিয়ে করেন। তাদের ছেলে আবদুর রহমান ইবনে সাকরান জালুলা যুদ্ধে নিহত হন।

আরো দেখুন

২০৫) নামঃ হালিমা আস সাদিয়া

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দ, (৮ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ মদিনা
বয়সঃ

উপাধিঃ মুহাজির সাহাবী, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুধ মা


হালিমা বিনতে আবি যুয়ায়েব বা হালিমা সাদিয়া ছিলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুধমা। ৮দিন বয়সে তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, এবং দুই বছরের কিছু অধিক সময় পর্যন্ত তাকে হালিমা তার নিজ বাড়িতে লালন-পালন করে, তার মা আমিনার কাছে ফিরিয়ে দেন। আরব সমাজে তখন এক গোত্রের শিশুকে ভিন্ন গোত্র বাল্যকালে লালন পালনের জন্য পাঠাতো হত যাতে তারা বিশুদ্ধ ও প্রাঞ্জলভাষী হতে পারে। সেই হিসাবে হালিমা ও তার গোত্র আরবের কুরাইশ গোত্রের নিকট গিয়েছিল যাতে কোন সন্তান লালন-পালনের জন্য পাওয়া যায় কিনা।

আরো দেখুন

২০৬) নামঃ হাকিম ইবনে হিযাম

জন্ম তারিখঃ ৬৫ হিজরি পূর্ব, জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৫৪ হিজরি, মৃত্যুস্থানঃ মদিনা
বয়সঃ ১২০ বছর

উপাধিঃ সাহাবী


হাকিম ইবনে হিযাম এর মূলনাম নাম হাকিম ও কুনিয়াত/উপনাম আবু খালিদ। পিতা হিযাম ইবনে খুওয়াইলিদ এবং মাতা যয়নাব মতান্তরে সাফিয়া। উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদীজা বিনতু খুওয়াইলিদ তার ফুফু। তার পিতা হিযাম ফিজার যুদ্ধ মারা যায়, হাকিমও এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

আরো দেখুন

২০৭) নামঃ হাজ্জাজ ইবনে ইলাত

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৬৩৫ খ্রিষ্টাব্দ, (১৪ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ মদিনা
বয়সঃ

উপাধিঃ মুহাজির সাহাবী


তিনি ধনী ব্যক্তি ছিলেন। মক্কা বিজয়ের দিন খালিদ বিন ওয়ালিদের নেতৃত্বে ইসলামের পতাকা বহন করেছিনেল। হাজ্জাজ ইবনে ইলাতের মূলনাম হল হাজ্জাজ। তার ডাকনাম আবু কিলাব মতান্তরে আবু মুহাম্মাদ ও আবু আবদুল্লাহ।তার পিতার নাম ইলাত ইবন খালিদ। বনী সুলাইম গোত্রের সন্তান।

আরো দেখুন

২০৮) নামঃ হাতিব ইবনে আবি বালতায়া

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৩০ হিজরি, মৃত্যুস্থানঃ
বয়সঃ

উপাধিঃ সাহাবী, বদরী সাহাবী


তিনি কুরাইশদের মধ্যে অন্যতম খ্যাতিমান ঘোড় সাওয়ার ও কবি ছিলেন। তিনি তিনটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। হাতিব ইবনে আবি বালতায়া এর মূলনাম নাম হাতিব এবং কুনিয়াত/উপনাম আবু মুহাম্মাদ বা আবু আবদিল্লাহ। তার পিতার নাম আবু বালতায়া ইবনে আমর। তাঁর বংশ পরিচয় ও মক্কায় উপস্থিতির ব্যাপারে ইতিহাসবিদগণের মতভেদ আছে। তবে উল্লেখযোগ্য মতে তার পিতৃ-পুরুষের আদি বাসস্থান ইয়েমেন। বনী আসাদ, অতঃপর যুবাইর ইবনুল আওয়ামের এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে তারা মক্কায় বসবাস করতো। কেউ বলেছেন, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে হুমাইদের দাস ছিলেন। চুক্তির ভিত্তিতে অর্থ পরিশোধ করে দাসত্ব থেকে মুক্তি লাভ করেন।

আরো দেখুন

২০৯) নামঃ হারিস ইবনে হিশাম

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৬৩৫ খ্রিষ্টাব্দ, (১৪ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ সিরিয়া
বয়সঃ

উপাধিঃ সাহাবী


আল-হারিস ইবনে হিশাম ইবনে আল-মুঘিরা ইবনে আবদুল্লাহ বনু মাখজুমের এক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি এবং তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সিরিয়ায় মুসলিম বিজয় অভিযানের সদস্য ছিলেন। আল-হরিস মক্কার বনু মাখজুম গোত্রের বিশিষ্ট প্রাক-ইসলামিক কুরাইশ হিশাম ইবনে আল-মুগিরার ছেলে ছিলেন। হারিসের ভাই ছিলেন আবু জাহল ৬২৪ সালে বদরের যুদ্ধে তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিরোধীদের নেতা ছিল। আল-হরিস বদর যুদ্ধের পর ৬২৭ সালে মদিনার নিকটে উহুদের যুদ্ধেও মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। আল-হরিস ৬২৯/৩০ সালে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মক্কা বিজয়ের সময় ইসলাম গ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে তিনি ৬৩০ সালে হুনাইনের যুদ্ধে আরব মুশরিকদের বিরুদ্ধে মুসলিম সেনাবাহিনী পক্ষে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং সেই যুদ্ধ থেকে তার যুদ্ধে অংশীদার হওয়া শুরু হয়েছিল।

আরো দেখুন

২১০) নামঃ হামযা ইবনে আবদুল মুত্তালিব

জন্ম তারিখঃ ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে, (৫২ হিজরি পূর্ব), জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ, (২ হিজরি), মৃত্যুস্থানঃ উহুদ প্রান্তর
বয়সঃ ৫৫ বছর

উপাধিঃ মুহাজির সাহাবী, বদরী সাহাবী, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চাচা


হামজা ইবনে আবদুল মুত্তালিব ছিলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চাচা ও দুধভাই। তিনি উহুদ যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন। তার ডাকনাম হল আবু উমারা ও আবু ইয়ালা। তার উপ-নামগুলো ছিল, আসাদুল্লাহ (আল্লাহর সিংহ) এবং আসাদ আল-জান্নাহ (জান্নাতের সিংহ)। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মরণোত্তর সায়্যিদুশ-শুহাদা উপাধি দিয়েছিলেন। ইবনে সাদ, আল-ওয়াকিদীর দাবির উপর ভিত্তি করে বলেন যে, হামযা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেয়ে চার বছর বড় ছিলেন। তবে ইবনে সাইয়্যিদ এক্ষেত্রে দ্বিমত পোষণ করেন। যিনি যুক্তি দেন: "যুবায়ের বর্ণনা করেছেন যে, হামজা নবীর চেয়ে চার বছর বড় ছিলেন। তবে এটি সঠিক বলে মনে হচ্ছে না, কারণ নির্ভরযোগ্য হাদিসে বলা হয়েছে, থুওয়াইবা হামজা ও নবী উভয়কেই একইসাথে লালন-পালন করেছিলেন"। বনে সাইয়্যিদ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে, হামজা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেয়ে মাত্র দুই বছর বড় ছিলেন, যদিও তিনি পুরোপরি নিশ্চিত ছিলেন না, তাই তিনি বলেন, "একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন"।

আরো দেখুন

২১১) নামঃ হামনা বিনতে জাহাশ

জন্ম তারিখঃ , জন্মস্থানঃ মক্কা
মৃত্যু তারিখঃ , মৃত্যুস্থানঃ মদিনা
বয়সঃ

উপাধিঃ মুহাজির সাহাবী


হামনা বিনতে জাহাশ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একজন নারী সাহাবা ও নিকটাত্মীয়া ছিলেন। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ফুফাত বোন ও অন্য দিকে শ্যালিকা ছিলেন। তার দুই বোন উম্মে হাবিবা ও জয়নব বিনতে জাহাশকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিবাহ করেছিলেন। হামনা বিনতে জাহাশ উমাইমা বিনতে আবদুল মুত্তালিবের কন্যা ছিলেন। তার বিখ্যাত পরিবারের সদস্য হলঃ

আবদুল্লাহ ইবনে জাহাশ - তার ভাই ছিলেন
উম্মে হাবিবা বিনতে জাহাশ- তার বোন ছিলেন
জয়নব বিনতে জাহাশ - তার বোন ছিলেন ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী।

এবং প্রখ্যাত সাহাবী মুসআব ইবন উমাইর তার প্রথম স্বামী ছিলেন। তার স্বামী মক্কার বিত্তবান পরিবারের এক সুদর্শন যুবক ছিলেন।

আরো দেখুন