
إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لاَ يُمْنَعُ فَضْلُ الْمَاءِ لِيُمْنَعَ بِهِ فَضْلُ الْكَلإِ
আবূ হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: প্রয়োজনের বেশি ঘাস উত্পাদনে বাধা দেয়ার জন্য প্রয়োজনের বেশি পানি সরবরাহে বাধা দেয়া যাবে না। [১৩৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৯১) [সহিহ বুখারী : ৬৯৬২]
[[১৩৯] অর্থাৎ এক ব্যক্তির একটি নিজস্ব কূপ রয়েছে। কূপটির চারপাশে রয়েছে সকলের জন্য উন্মুক্ত ঘাস। লোকটি চাচ্ছে যে, এই ঘাসগুলো যেন শুধু তারই হয়ে যায়। কিন্তু যেহেতু চারণভূমির ঘাস সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই সে লোকদের সেখানে চতুস্পদ জন্তু চরাতে নিষেধ করতেও পারছে না। ফলে সে তার কূপের পানি সংগ্রহ থেকে লোকদের নিষেধ করে। তখন লোকজন যেখানে পানি রয়েছে সেই চারণভূমির দিকে ঝুঁকে পড়ে। অবশেষে কূপপার্শ্ববর্তী চারণভূমির ঘাস তার জন্যই নির্ধারিত হয়ে যায়। অতিরিক্ত পানি থেকে নিষেধ করার আসল উদ্দেশ্যই হচ্ছে ঐ চারণভূমির ঘাস থেকে নিষেধ করা। সুতরাং এই কৌশল ও ছলচাতুরীর অবৈধতা প্রমাণের জন্যই ইমাম বুখারী হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। (ফাতহুল বারী)]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস