
(۱۲۴۵۲) حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ وَحَمَّادٍ ؛ فِی الرَّجُلِ یَحْلِفُ عَلَی الشَّیْئِ یَتَعَمَّدُہُ ، قَالَ حَمَّادٌ : لَیْسَ لِہَذَا کَفَّارَۃٌ ، وَقَالَ : الْحَکَمُ : الْکَفَّارَۃُ خَیْرٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12452) হজরত শুবা বলেন , কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কিছুর শপথ করলে হযরত হামদ বলেন , এর কোনো কাফ্ফারা নেই এবং হজরত বলেন , কাফফারা দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۵۳) حدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الْحَجَّاجِ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ فِی الرَّجُلِ یَحْلِفُ عَلَی الشَّیْئِ عِنْدَہُ ، وَلاَ یَدْرِی ثم یدری أَنَّہُ عِنْدَہُ ، قَالَ : یُکَفِّرُ یَمِینَہُ ، قَالَ : وَقَالَ عَطَائٌ وَالْحَکَمُ فِی التی لاَ تُکَفَّرُ : کَفِّرْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12453) হজরত ইব্রাহিম বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি তার কাছে এমন কিছুর শপথ করে যা সে জানে না, তাহলে সে জানবে যে এটি তার পাস , তিনি বলেন তাকে ইয়ামিনের কাফফারা দিতে হবে এবং হযরত আতা ও হযরত হাকাম এ সম্পর্কে বলেন । কাফফারা না দিলে তাকে কাফফারা দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۵۴) حدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : الأَیْمَانُ أَرْبَعَۃٌ ، فَیَمِینَانِ یُکَفَّرَانِ وَیَمِینَانِ لاَ یُکَفَّرَانِ: وَاللَّہِ لاَ أفْعَلُ وَاللَّہِ لأَفْعَلَنَّ ، قَالَ : فَہُمَا تُکَفَّرَانِ ، وَاللہِ مَا فَعَلْتُہُ وَاللہِ لَقَدْ فَعَلْتُ ، فَلاَ تُکَفَّرَانِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12454 ) হজরত ইব্রাহিম ( আ . ) বলেন , ঈমানের চারটি শপথ আছে , দুটি শপথের কাফফারা আছে এবং দুটির কোনো কাফফারা নেই , আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি , আমি উভয়েরই কাফফারা দেব আমি আল্লাহর নামে শপথ করিনি , এবং আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি , তাদের জন্য আমার কোনো প্রায়শ্চিত্ত নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۵۵) حدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، وَوَکِیعٌ ، عَنِ الْعُمَرِیِّ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : الْقَسَمُ یَمِینٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12455) হজরত ইবনে উমর (রা ) বলেন , শপথ হল মীন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۵۶) حدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْکَرِیمِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : الْقَسَمُ یَمِینٌ ، ثُمَّ قَرَأَ : { وَأَقْسَمُوا بِاللَّہِ جَہْدَ أَیْمَانِہِمْ }۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৪৫৬) হযরত মুজাহিদ বলেন , বাইয়াত হল ইয়ামিন , অতঃপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করলেন , { ওয়াকসামুয়া বিল্লাহি জাহাদ আয়ে মানিহম } ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۵۷) حدَّثَنَا جَرِیرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِیدِ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : أَقْسَمْت یَمِینٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৪৫৭ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , আমি বাইয়াত করলাম । হ্যাঁ এই নাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۵۸) حدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ حَرْبٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ أَبِی الْبَخْتَرِیِّ ، قَالَ : أَقْسَمَ رَجُلٌ أَنْ لاَ یَشْرَبَ مِنْ لَبَنِ شَاۃِ امْرَأَتِہِ ، قَالَ عَبْدُ اللہِ : أَطْیَبُ لِنَفْسِہِ أَنْ یُکَفِّرَ یَمِینَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12458) হজরত আবু আল বাখত্রী ( রা .) বলেন , এক ব্যক্তি শপথ করল যে সে বিভির ছাগলের দুধ পান করবে না , হজরত আবদুল্লাহ (রা. ) বললেন : তার আত্মা আমি পছন্দ করি । তা হলো তার কাফফারা দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۵۹) حدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ فِی رَجُلٍ أَقْسَمَ عَلَی رَجُلٍ فَأَحْنَثَہُ ، قَالَ : أَحَبُّ إلَیَّ أَنْ یُکَفِّرَ یَمِینَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12459) হজরত ইব্রাহিম বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি কারো কাছ থেকে শপথ নেয় এবং তারপর সেই শপথ ভঙ্গ করে, তাহলে আমি তাকে তার শপথের কাফফারা দিতে পছন্দ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۶۰) حدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ عَوْفٍ ، عَنْ أَبِی الْمِنْہَالِ ، أَنَّ رَجُلاً أَقْسَمَ عَلَی رَجُلٍ فَأَحْنَثَہُ ، قَالَ أَبُو العَالیۃ : کَفِر یَمیِنک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12460) হজরত আবু আল-মানহাল বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি কারো কাছে শপথ করে এবং তাকে ঘৃণা করে, হজরত আবু আল আলিয়া (রা.) বলেন , তাকে তার শপথের জন্য কাফফারা দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۶۱) حدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنِ الحَسَن قَال : کَان لاَ یَری عَلَیہ کَفَّارَۃٌ إِذَا أَقْسَمَ عَلَی غَیرہ فَأَحْنَثَہُ قَالَ : إلاَّ أَنْ یُقْسِمَ ہُوَ ، فَإِذَا أَقْسَمَ ہُوَ فَحَنِثَ فَعَلَیْہِ الْکَفَّارَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12461) হজরত হাসান বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কারো নামে শপথ করে এবং তারপর সে শপথ ভঙ্গ করে , তখন তার কাফফারা দেওয়া উচিত নয় , তবে সে নিজের নামে শপথ করে, তারপর যখন সে শপথ করে এবং বিনয়ী হয়, তখন তার জন্য কাফফারা রয়েছে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۶۲) حدَّثَنَا یَحْیَی ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ أَبِی غَنِیَّۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : الْقَسَمُ یَمِینٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12462 ) হযরত আদেশ করেন যে , বাইয়াত হল মীন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۶۳) حدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ شَرِیکٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : الْقَسَمُ یَمِینٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12463) হজরত ইবনে আব্বাস (রা ) বলেন , শপথ হল মীন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۶۴) حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ بَکْرٍ ، قَالَ : إذَا أَقْسَمَ الرَّجُلُ عَلَی الرَّجُلِ فَأَحْنَثَہُ فَالإِثْم عَلَی الَّذِی أَحْنَثَہُ ، لأَنَّہُ إنَّمَا أَقْسَمَ عَلَیْہِ ثقۃً بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12464) হজরত বকর (রা.) বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি কারো কাছে বায়আত করে তারপর তাকে হানাস করায় , তাহলে গুনাহ তার ওপর বর্তাবে যে হানাস করবে , কারণ যখন সে তার ওপর কওম করল তখন সে তার ওপর ভরসা করল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۶۵) حدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، وَعُبَیْدُ اللہِ ، عَنْ شَیْبَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَلْقَمَۃَ ، قَالَ : الْقَسَمُ یَمِینٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12465) হযরত আল কামাহ বলেন , শপথ হল মীন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۶۶) حدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ مُہَاجِرٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا قَالَ الرَّجُلُ : أَقْسَمْت عَلَیْک ، فَلَیْسَ بِشَیْئٍ ، فَإذَا قَالَ : أُقْسِمُ عَلَیْکَ بِاللَّہِ ، فَہِیَ کَفَّارَۃُ یَمِینٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12466) হজরত ইব্রাহিম বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি বলে, আমি তোমার কাছে শপথ করছি , তাতে তার কোনো দোষ নেই , এবং যখন সে বলে , আমি তোমাকে আল্লাহর নামে শপথ করছি , তাহলে এটাই তার প্রায়শ্চিত্ত
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۶۷) حدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : سَمِعْتُہُ یَقُولُ : لاَ یَکُونُ الْقَسَمُ یَمِینًا حَتَّی یَقُولَ : أُقْسِمُ بِاللَّہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12467 ) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , আমি হজরত আত্তায়ি ( রা . ) - এর কাছে শুনেছি যে , তিনি বলেন , হ্যাঁ , আমি আল্লাহর নামে শপথ করছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۶۸) حدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا قَالَ الرَّجُلُ : أَقْسَمْت ، أَوْ أشہد ، وَلَمْ یَقُلْ : بِاللَّہِ ، فَلَیْسَ بِشَیْئٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৪৬৮) হজরত হাসান বলেন , কোনো ব্যক্তি যখন বলে , ‘ আমি শপথ করছি ’ বা ‘ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি ’ এবং আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে না, তখন তার কোনো দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۶۹) حدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : إذَا قَالَ : الرَّجُلُ أَقْسَمْت ، أَوْ أَشْہَدُ أو أَحْلِفُ ، فَلَیْسَ بِیَمِینٍ حَتَّی یَقُولَ : بِاللَّہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৪৬৯ ) হজরত জাহরি বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি বলে , আমি শপথ করি বা আমি সাক্ষী দিই বা আমি শপথ করি , তখন পর্যন্ত আল্লাহর নাম না থাকলে তা সত্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۷۰) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْمَاعِیل ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، وَعَنْ رَجُلٍ ، عَنِ ابْنِ الْحَنَفِیَّۃِ ، قَالاَ : إذَا قَالَ الرَّجُلُ : أَقْسَمْت فَلَیْسَ بِیَمِینٍ حَتَّی یَقُولَ : بِاللَّہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12470) হজরত ইবনুল হানাফিয়া (রহ.) বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি বলে , আমি শপথ করে বলছি , আল্লাহর নাম ছাড়া সে ঈমানদার নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۷۱) حدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ إبْرَاہِیمَ التَّیْمِیِّ ، قَالَ : إذَا قَالَ الرَّجُلُ : لِلَّہِ عَلَیَّ، أَوْ عَلَیہ حَجَّۃٌ فَسَوَائٌ ، وَإذَا قَالَ : لِلَّہِ عَلَیَّ نَذْرٌ ، أَوْ عَلَیہ نَذْرٌ فَسَوَائٌ ، وَإذَا قَالَ : أَقْسَمْت بِاللَّہِ ، أَوْ أُقْسِمُ سَوَائٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12471) হজরত ইব্রাহিম আল - তাইমী বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি বলে যে, আমার ওপর আল্লাহর শপথ বা হজ আমার ওপর ফরজ , উভয়ই সমান , এবং যখন সে বলে যে , যদি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমার ওপর কোনো মানত করা হয় বা আমার উপর মানত করলে উভয়েই সমান এবং যখন তারা বলে , আমি আল্লাহর নামে শপথ করেছি । আমি যদি আল্লাহর নামে শপথ করি , তাহলে তা সমতুল্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۷۲) حدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ قَالَ : سَوَائٌ عَلَی الرَّجُلِ أَنْ یَقُولَ : أُقْسِمُ ، أَوْ أُقْسِمُ بِاللَّہِ عَلَیَّ حَجَّۃٌ ، أَوْ َعلَیَّ حَجَّۃٌ لِِلَّہِ ، أَوْ عَلَیَّ نَذْرٌ ، أَوْ عَلَیَّ نَذْرٌ لِلَّہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12472 ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , কোনো ব্যক্তির জন্য কসম করে বলা সমান । সে যেন বলে: আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি যে , হজ আমার ওপর এবং হজ আমার ওপর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য অথবা মানত আমার ওপর অথবা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমার ওপর মান্নত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۷۳) حدَّثَنَا أَبُو أسَامَۃُ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ فِی الرَّجُلِ یَقُولُ : عَلَیَّ الْمَشْیُ إلَی الْکَعْبَۃِ ، قَالَ : ہَذَا نَذْرٌ فَلیَمْشِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12473) হজরত নাফি বলেন, এক ব্যক্তি আমাকে বললেন , আমি কাবা শরীফের দিকে মন ভরে কোন দিকে হাঁটব ? হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর ( রা.) বলেন । এটি একটি ব্রত , তাই তাকে আন্তরিকভাবে পান করতে দিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۷۴) حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ ، عَنْ محمد بْنِ ہِلاَلٍ سَمِعَ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ یَقُولُ : مَنْ قَالَ عَلَیَّ الْمَشْیُ إلَی الْکَعْبَۃِ ، فَلَیْسَ بِشَیْئٍ إلاَّ أَنْ یَقُولَ : عَلَیَّ نَذْرُ مَشْیٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12474) হজরত মুহাম্মদ বিন হিলাল বলেন , আমি হজরত সাঈদ বিন আল- মুসাইব (রা.) থেকে শুনেছি যে , তিনি বলেন , যে ব্যক্তি বলে যে, আমার জন্য আমার অন্তর দিয়ে কাবার দিকে গমন করা আবশ্যক , তবে সে এমনটি না বলা পর্যন্ত কিছুই নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۷۵) حدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، قَالَ : جَعَلَ رَجُلٌ مِنَّا عَلَیْہِ الْمَشْیَ إلَی بَیْتِ اللہِ فِی شَیْئٍ فَأَتَی الْقَاسِمَ فَسَأَلَہُ عَنْ ذَلِکَ ، فَقَالَ : یَمْشِی إلَی الْبَیْتِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12475) হজরত হিশাম বিন আরওয়া বলেন , আমাদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি আমাকে বললেন , ‘ আমি কোন পথে মন খুলে কাবার দিকে যাব ? ’ তারপর তিনি হযরত কাসিমকে জিজ্ঞেস করলেন ? তিনি বললেন , তিনি আল্লাহর ঘরে যাবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۷۶) حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ مِغْوَلٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَطَائً ، عَنْ رَجُلٍ ، قَالَ : لِلَّہِ عَلَیَّ یَمِینٌ ، قَالَ : یُکَفِّرُہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12476) হযরত মালেক বিন মুগল বলেন যে , আমি হযরত আত্তায়ি থেকে জানতে পারলাম যে , এক ব্যক্তি আমাকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একথা বলেছে । এটা কি ? আপনি বলেছিলেন যে তিনি এর জন্য অর্থ প্রদান করবেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۷۷) حدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ نَافِعٍ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ عُمَرَ إذَا حَلَفَ أَطْعَمَ مُدًّا وَإِنْ وَکَّد أَعْتَقَ ، قَالَ: فَقُلْت لِنَافِعٍ : مَا التَّوْکِیدُ ؟ قَالَ : یُرَدِّدُ الْیَمِینَ فِی الشَّیْئِ الْوَاحِدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12477) হজরত নাফি বলেন, হজরত ইবনে উমর ( রা . ) যখন বাইয়াত করতেন, তখন তা খুলতেন এবং যদি তিনি তা নিশ্চিত করতেন , তাহলে তিনি ক্রীতদাসদের মুক্ত করে দিতেন । আপনি বলেছেন , বারবার শপথ করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۷۸) حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ہِشَامٌ الدَستَوائی ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا قَالَ الرَّجُلُ لِلرَّجُلِ وَلَہُ عَلَیْہِ مَالٌ : إِنْ لَمْ تَقْضِنِی یَوْمَ کَذَا وَکَذَا فَہُوَ عَلَیْک صَدَقَۃٌ ، فَلَیْسَ بِشَیْئٍ ، وَإن قَالَ : وَإِنْ لَمْ تُعْطِنِی إلَی یَوْمِ کَذَا وَکَذَا فَہُوَ فِی الْمَسَاکِینِ صَدَقَۃٌ ، فَہُوَ کَمَا قَالَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12478) হজরত ইব্রাহীম (রহঃ) বলেন , যখন কোন ব্যক্তি অপরকে বলে, তার সম্পদ ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব, যদি আপনি অমুক দিনে আমাকে পরিশোধ না করেন, তবে এটি আপনার উপর সদকা , যাতে কিছু না হয় । , এবং যদি সে বলে যে তুমি যদি আমাকে অমুক অমুক দিন দান না করো, এটা গরীবদের জন্য দান , তাহলে সে যেমন বলেছিল তেমনি হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۷۹) حدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ مَنْصُورِ بن عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ أُمِّہِ ، أَنَّہَا سَأَلَتْ عَائِشَۃَ رضی اللَّہُ عَنْہُا مَا یُکَفِّرُ قَوْلَ الإِنْسَانِ : کُلُّ مَالِی فِی سَبِیلِ اللہِ ، أَوْ فِی رتَاجِ الْکَعْبَۃِ ، فَقَالَتْ : یُکَفِّرُہَا مَا یُکَفِّرُ الْیَمِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12479) হজরত মনসুর ইবনে আবদ আল-রহমান বলেন , মরিয়মের মা হজরত আয়েশা ( রা . ) থেকে জানতে পারলেন যে , একজন ব্যক্তির ‘ মীরা ’ বলার কাফফারা কী ? কাবার দরজার জন্য ? উম্মে আয়েশা ( রাঃ) বললেনঃ তিনি এর কাফফারা দেবেন, যা শপথের কাফফারা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۸۰) حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ووَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ ہُبَیْرَۃَ یُحَدِّثُ الْحَکَمَ بْنَ عُتَیْبَۃَ مُنْذُ ثَلاَثِینَ سَنَۃً، قَالَ إنَّ امْرَأَۃً مِنَّا جَعَلَتْ دَارَہَا ہَدِیَّۃً فَأَمَرَہَا ابْنُ عَبَّاسٍ تُہْدِی ثَمَنَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12480) হজরত হুকাম ইবনে আতি আরও বলেন , আমাদের মধ্যে একজন মহিলা ছিল যে তার বাড়িটি দিয়েছিল , তাই হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) তাকে এর মূল্য পরিশোধ করার নির্দেশ দেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۸۱) حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِی الرَّجُلِ یُہْدِی دَارَہُ إلَی بَیْتِ اللہِ ، قَالَ : یَبِیعُہَا وَیَبْعَثُ ثَمَنَہَا إلَی مَکَّۃَ ، أَوْ یَنْطَلِقُ یَتَصَدَّقُ بِہِ بِمَکَّۃَ ، أَوْ یَشْتَرِی ذَبَائِحَ فَیَذْبَحُہَا بِمَکَّۃَ ، وَیَتَصَدَّقُ بِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12481 ) হজরত আত্তায়ি থেকে বর্ণিত যে , এক ব্যক্তি বায়ত আল্লাহর জন্য তার বাড়ি দান করেছিলেন , তিনি বলেছিলেন যে এই বাড়িটি বিক্রি করে তাকে তার পক্ষ থেকে মক্কায় পাঠানো হয়েছিল। সে নিজে তা গ্রহণ করবে এবং তার অর্থ মক্কায় সদকা করবে অথবা তার কাছ থেকে পশু কিনে মক্কায় যবেহ করবে এবং তার গোশত সদকা করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস