
(۱۲۳۹۲) حدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ ہِشَامٍ
থেকে বর্ণিতঃ
(12392) হযরত হিশাম (রাঃ) থেকেও একইভাবে বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৩৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۳۹۳) وابْنُ إدْرِیسَ، عَنْ ہِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، وعَنْ اللَیْثٍ، عَنْ طَاوُوسٍ، قَالَ: لاَ تُجْزِئُ أُمُّ الْوَلَدِ فِی الظِّہَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12393) হযরত তাউস বলেন , জাহরের কাফফারায় ছেলেকে মুক্ত করাই যথেষ্ট হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৩৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۳۹۴) حدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : لاَ تُجْزِئُ أُمُّ الْوَلَدِ فِی الْکَفَّارَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12394) হযরত ইমাম জাহরি বলেন , অবিশ্বাসীদের মুক্ত করার জন্য এটি যথেষ্ট হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৩৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۳۹۵) حدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لاَ تُجْزِئُ أُمُّ الْوَلَدِ فِی الظِّہَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12395) হযরত হাসান বলেন , মা - ছেলেকে মুক্ত করাই যথেষ্ট নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৩৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۳۹۶) حدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ لاَ یَرَی عِتْقَ أُمِّ الْوَلَدِ فِی شَیْئٍ مِنَ الْکَفَّارَاتِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12396) হজরত ইয়াবিনাস বলেন , হজরত হাসান তপস্যায় পুত্রকে মুক্ত করা ঠিক মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৩৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۳۹۷) حدَّثَنَا أَبُو قطَن ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ فِی أُمِّ الْوَلَدِ فِی کَفَّارَۃِ الظِّہَارِ ، قَالَ : لاَ تُجْزِئہ ، وَقَالَ : الْحَکَمُ: غَیْرُہَا أَحَبُّ إلَیَّ مِنْہَا ، وَأَرْجُو۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12397) হজরত হামদ বলেন , কাফফারা হিসেবে জাহারের ছেলেকে মুক্ত করাই যথেষ্ট নয় এবং হযরত আদেশ দেন যে , আমার কাছ থেকে অন্য কোনো ক্রীতদাসকে মুক্ত করা যাবে না ( এবং আমি তাই আশা করি )
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৩৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۳۹۸) حدَّثَنَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ وَالشَّعْبِیِّ ، قَالاَ : لاَ تُجْزِئُ أُمُّ الْوَلَدِ مِنَ الرَّقَبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12398) হজরত ইব্রাহিম ও হজরত শাবি বলেন, একটি ক্রীতদাস বা পুত্রকে মুক্ত করা যথেষ্ট হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৩৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۳۹۹) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : تُجْزِئُ أُمُّ الْوَلَدِ مِنَ الرَّقَبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(99 123) এছাড়াও হযরত আলী থেকে এই মৃত্যু .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৩৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۰۰) حدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَیُّوبَ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، عَنْ مَیْمُونٍ ، أَنَّ رَجُلاً کَانَ عَلَیْہِ نَسَمَۃٌ فَأَرَادَ أَنْ یُعْتِقَ وَلَدَ مُکَاتَبَۃٍ لَہُمْ ، فَقَالَ : لاَ أَعْتِقْ غَیْرَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12400) হজরত জাফর বিন বুরকান থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি যিনি একজন ক্রীতদাস মুক্ত করার দায়িত্বে ছিলেন , তিনি তার সহপাঠীর ছেলেকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন । হজরত মায়মুন বললেন , তাকে ছাড়া অন্য কোনো ক্রীতদাসকে মুক্ত করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৩৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۰۱) حدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ أَبِی حَنِیفَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ یُجْزِئُ فِی ألظِّہَارِ ، وَلاَ التَّحْرِیرِ ، وَلاَ الْقَتْلِ وَلَدُ مُکَاتَبَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12401) হজরত ইব্রাহীম (আ . ) বলেন , জহরের ছেলেকে মুক্ত করা , দাস - দাসী এবং হত্যার প্রায়শ্চিত্ত করাই যথেষ্ট হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۰۲) حدَّثَنَا ہُشَیْمُ بْنُ بَشِیرٍ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، وَمُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، وَحَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، أَنَّہُمْ قَالُوا : فِیمَنْ أَصَابَ جَنِینًا : إنَّ عَلَیْہِ عِتْقَ رَقَبَۃٍ مَعَ الْغُرَّۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12402) হজরত ইব্রাহিম , হজরত হাজ্জাজ ও হজরত আত্তাই বলেন , যে জিনদের পতন ঘটিয়েছে , তার ওপর ক্রীতদাস মুক্ত করা এবং মুক্তিপণ প্রদান করা ওয়াজিব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۰۳) غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَۃَ، عَنِ الْحَکَمِ، قَالَ: سَمِعْتُہُ یَقُولُ: إذَا ضُرِبَتِ الْمَرْأَۃُ وَأَلْقَتْ جَنِینًا، قَالَ: صَاحِبُہُ یُعْتِقُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12403) হজরত শুবা বলেন , আমি হজরত হাকামের কাছে শুনেছি যে, একজন মহিলাকে হত্যা করতে হবে যার কারণে সে একটি মৃত সন্তান প্রসব করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۰۴) حدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، وَوَکِیعٌ ، عَنْ عُمَر بْنِ ذَرٍّ ، عَنْ مُجَاہِدٍ : أَنَّ رَجُلاً مَسَحَ بَطْنَ امْرَأَۃٍ ، فَأَلْقَتْ جَنِینًا ، فَأَمَرَہُ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أَنْ یُعْتِقَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১২৪০৪) হজরত মুজাহিদ বলেন , কোনো ব্যক্তি কোনো নারীর পেট স্পর্শ করলে তার মৃত সন্তানের জন্ম হয় , হজরত উমর (রা.) আদেশ দেন । এই দাসকে মুক্ত করা হোক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۰۵) عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی رَجُلٍ عَلَیْہِ إطْعَامُ مَسَاکِینَ فِی کَفَّارَۃِ الظِّہَارِ فَأَطْعَمَ عَشَرَۃً، ثُمَّ أَرَادَ أَنْ یُعِیدَ عَلَیْہِمْ حَتَّی یَسْتَکْمِلَ ، قَالَ : لاَ ، حَتَّی یُطْعِمَ سِتِّینَ مِسْکِینًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৪০৫) হজরত হিশাম বলেন , হজরত হাসান (রা. ) থেকে অবতীর্ণ হয়েছে যে , কাফফারা জাহরে ষাটজন মিসকিনকে খাওয়ানো ব্যক্তির দায়িত্ব , সে দশজনকে খাওয়ায় এবং আবার দশজনকে খাওয়ায় যাতে ষাটটি পূর্ণ হয় । এটা কি ঠিক ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۰۶) حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ یَعْقُوبَ ، عَنْ قَیْسٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ بِنَحْوِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12406) হযরত শাবী (রাঃ ) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۰۷) حدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ سَمِعَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عُمَرَ وہو یَقُولُ : وَأَبِی وَأَبِی ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّ اللَّہَ یَنْہَاکُمْ أَنْ تَحْلِفُوا بِآبَائِکُمْ ، فَقَالَ : عُمَرُ : وَاللَّہِ لاَ حَلَفْت بِہَا لاَ ذَاکِرًا ، وَلاَ آثِرًا۔ (بخاری ۶۶۴۷۔ مسلم ۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(12407) হজরত সেলিম তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , মহানবী ( সা . ) শুনেছেন যে , হজরত উমর ( রা . ) তার পিতার নামে শপথ করছেন , তিনি ( সা . ) রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : নিশ্চয়ই আল্লাহতায়ালা তোমাদের সকলকে তোমাদের পূর্বপুরুষদের শপথ করা থেকে বিরত রেখেছেন , তিনি তাঁর বাপ - দাদাদের শপথ ভার দিয়ে বা ভুলে যাননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۰۸) حدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ أُمَیَّۃَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : أَدْرَکَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عُمَرَ فِی بَعْضِ أَسْفَارِہِ وَہُوَ یَقُولُ : وَأَبِی ، وَأَبِی ، فَقَالَ : إنَّ اللَّہَ یَنْہَاکُمْ أَنْ تَحْلِفُوا بِآبَائِکُمْ ، مَنْ حَلَفَ فَلْیَحْلِفْ بِاللَّہِ ، أَوْ لِیَسْکُتْ۔ (ابوداؤد ۳۲۴۴۔ ترمذی ۱۵۳۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( 12408 ) হজরত ইবনে উমর ( রা . ) বলেন , তাঁর এক সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত ওমরকে তাঁর পিতার নামে শপথ করতে দেখেন : আল্লাহ তোমাকে তোমার বাপ - দাদার কসম খেতে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۰۹) عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَحْلِفُوا بِآبَائِکُمْ ، وَلاَ بِالطَّوَاغِیتِ۔ (مسلم ۶۔ احمد ۵/۶۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(12409) হজরত আবদ আল-রহমান বিন সামরা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তোমরা তোমাদের পূর্বপুরুষ ও শয়তানদের কসম খাও না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۱۰) حدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : حَدَّثْت قَوْمًا حَدِیثًا ، فَقُلْت : لاَ وَأَبِی ، فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ خَلْفِی : لاَ تَحْلِفُوا بِآبَائِکُمْ ، قَالَ : فَالْتَفَتُّ ، فَإِذَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : لَوْ أَنَّ أَحَدَکُمْ حَلَفَ بِالْمَسِیحِ لَہَلَکَ ، وَالْمَسِیحُ خَیْرٌ مِنْ آبَائِکُمْ۔ (عبدالرزاق ۱۵۹۲۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(12410) হজরত উমর (রা.) বলেন , আমি কোনো জাতির সঙ্গে কথা বলিনি , তারপর আমি বললাম , না , আমি আমার পিতার নামে শপথ করছি , আর একজন ব্যক্তি আমার পিতার নামে শপথ করছে । তিনি ষষ্ঠকে বললেন : তোমার পূর্বপুরুষের কসম করো না, আমি যখন তার দিকে ফিরে গেলাম , তখন দেখলাম , তিনি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তি হযরত মাসীহ ( রাঃ ) -এর কসম করে । ধ্বংস হও , যদিও হযরত মসীহ তোমার পূর্বপুরুষদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ ও শ্রেষ্ঠ ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۱۱) حدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ طَلْحَۃَ ، عَنْ أَسْبَاطِ بْنِ نَصْرٍ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، عَنْ عُمَرَ ، أَنَّہُ قَالَ : حلَفْت بِأَبِی ، فَإِذَا رَجُلٌ مِنْ خَلْفِی یَقُولُ : لاَ تَحْلِفُوا بِآبَائِکُمْ ، فَالْتَفَتُّ فَإِذَا ہُوَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔ (احمد ۱۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৪১১ ) হজরত ওমর (রা.) বলেন , আমি আমার পিতার বায়আত করলাম , আমার পেছনে এক ব্যক্তি বললেন, তোমরা তোমাদের বাপ -দাদার বাইয়াত করো না , আমি যখন মুখ ফিরিয়ে নিলাম, তখন তিনি ছিলেন মহানবী ( সা . ) .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۱۲) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَیْدَۃَ ، قَالَ : کُنَّا مَعَ ابن عُمَرَ فِی حَلْقَۃٍ ، فَسَمِعَ رَجُلاً یَقُول : لاَ ، وَأَبِی ، فَرَمَاہُ بِالْحَصَی ، وَقَالَ : إِنَّہَا کَانَتْ یَمِین عمر ، فَنَہَاہ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَنْہَا، وَقَالَ : إِنَّہَا شِرْکٌ۔ (احمد ۲/۵۸۔ طحاوی ۸۲۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(12412) হজরত সাদ ইবনে উবাইদাহ বলেন , আমরা হজরত ইবনে উমর (রা.) -এর সাথে এক বৈঠকে ছিলাম , তিনি এক ব্যক্তিকে তার পিতার নামে শপথ করতে শুনেছেন এবং বললেন এটা ছিল হযরত ওমর ( রাঃ ) এর শপথ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۱۳) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ مَیْسَرَۃَ ، عَنِ الحسن بْنِ مُحَمَّدٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لیس منا مَنْ حَلَفَ بِغَیْر اللہِ ، أو قَالَ بِغَیْر الإسلام۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12413 ) হজরত হাসান ইবনে মুহাম্মাদ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : আমরা তারা যারা শপথ করি আল্লাহ বা ইসলাম থেকে নয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۱۴) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ وَبَرۃَ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : لأَنْ أَحْلِفَ بِاللَّہِ کَاذِبًا أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أَحْلِفَ بِغَیْرِہِ وَأَنَا صَادِقٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12414) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , আমি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে শপথ করার চেয়ে আল্লাহর নামে মিথ্যা শপথ করা পছন্দ করি এবং আমি সত্যবাদী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۱۵) حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : مَرَّ عُمَرُ بِالزُّبَیْرِ وَہُوَ یَقُولُ : لاَ وَالْکَعْبَۃِ ، فَرَفَعَ عَلَیْہِ الدِّرَّۃَ ، وَقَالَ : الْکَعْبَۃُ لاَ أُمَّ لَکَ تُطْعِمُک وَتَسْقِیک؟۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12415) হজরত হাসান বলেন , হজরত ওমর যখন কাবার শপথ করছিলেন তখন হজরত যুবাইর (রা.) এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন , হজরত উমর (রা.) তার ওপর হাত তুলে বললেন , কাবা ! তোমার মা হও না , সে তোমাকে খাওয়ায় এবং পান করায়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۱۶) حدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ کَعْبٌ : إنَّکُمْ تُشْرِکُونَ ، قَالُوا : وَکَیْفَ یَا أَبَا إِسْحَاقَ ؟ قَالَ : یَحْلِف الرَّجُلُ لاَ وَأَبِی ، لاَ وَأَبِیک ، لاَ لَعَمْرِی ، لاَ وَحَیَاتِکَ ، لاَ وَحُرْمَۃِ الْمَسْجِدِ ، لاَ وَالإِسْلاَمِ ، وَأَشْبَاہِہِ مِنَ الْقَوْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12416) হযরত কাব বললেন, তোমরা যে শিরক কর তাতে কোনো সন্দেহ নেই , লোকেরা বলল, হে আবু ইসহাক! কিভাবে ? তিনি বললেনঃ লোকেরা আমার পিতার শপথ , আপনার পিতার শপথ , আমার জীবন এবং ওমরের শপথ , আপনার জীবনের শপথ । ইসলামের শপথ এবং এর অনুরূপ অন্যান্য শপথ ( এ সবই শিরক ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۱۷) حدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لَقَدْ أَدْرَکْت النَّاسَ ، وَلَوْ أَنَّ رَجُلاً رَکِبَ رَاحِلَتَہُ لاَنْضَاہَا قَبْل أَنْ یَسْمَعَ رَجُلاً یَحْلِفُ بِغَیْرِ اللہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12417 ) হজরত হাসান বলেন , আমি লোকদের দেখতে পেলাম যে , তাদের মধ্যে কেউ ঘোড়ায় চড়লে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করার আগেই তা করতেন ( আল্লাহর নামে শপথ করাকে ওই লোকেরা এত ভয় পেত ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۱۸) حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنِ الحسن ، قَالَ : لاَ تَحْلِفُوا بِآبَائِکُمْ ، وَلاَ بِالطَّوَاغِیتِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12418) হযরত হাসান বলেন, তোমরা তোমাদের পূর্বপুরুষ ও তাগুতের নামে শপথ করো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۱۹) حدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ أَبِی عَوَانَۃَ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ ہِشَامٍ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُخَیْمِرَۃَ ، قَالَ : مَا أُبَالِی حَلَفْت بِحَیَاۃِ رَجُلٍ ، أَوْ بِالصَّلیبِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12419 ) হযরত কাসিম বিন মুখীমুরা বলেন , আমি কোন ব্যক্তির জীবনের শপথ করি বা ক্রুশের উপর শপথ করি তাতে আমার কিছু যায় আসে না , ( উভয়ের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۲۰) حدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یَقُولَ : لاَ وَحَیَاتِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12420) হজরত ইব্রাহিম (আ.) এই বিষয়টিকে অপছন্দ করতেন যে, একজন ব্যক্তি জীবনের শপথ গ্রহণ করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۴۲۱) حدَّثَنَا کَثِیرُ بْنُ ہِشَامٍ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، عَنْ مَیْمُونٍ ، قَالَ : سَمِعْتُہُ یَقُولُ : إنَّ اللَّہَ تَعَالَی یُقْسِمُ بِمَا شَائَ مِنْ خَلْقِہِ ، وَلَیْسَ لأَحَدٍ أَنْ یُقْسِمَ إلاَّ بِاللَّہِ ، وَمَنْ أَقْسَمَ باللہ فَلاَ یَکْذِبُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12421 ) হজরত মায়মুন বলেন , নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তাঁর সৃষ্টিকুলের মধ্যে যা ইচ্ছা বিভক্ত করেছেন এবং কোনো ব্যক্তির জন্য এটা জায়েয নয় যে সে আল্লাহর নামে শপথ করে এবং যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে শপথ করে সে যেন মিথ্যা শপথ না করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৪২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস