
(۱۲۶۶۲) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ الْکَرِیمِ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إذَا قَالَ : ہُوَ یُہْدِی ابْنَہُ ، فَکَبْشٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12662) হজরত আত্তাই বলেন, কেউ যখন বলে যে সে তার ছেলেকে উপহার দেবে , তখন সে তার পরিবর্তে উপহার দেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۶۳) حدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إِنْ قَالَ : ہُوَ یُہْدِی ابْنَہُ فَکَبْشٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12663) এটি হজরত ইব্রাহিম (আ. ) থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۶۴) حدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا قَالَ : ہُوَ یُہْدِیہِ حَافِیًا رَاجِلاً ، قَالَ : یُحِجُّہُ ، وَیَمْشِی ہُوَ حَافِیًا ، وَلاَ یَرْکَبُ وَلَکِنْ یَحْمِلُ الَّذِی حَلَفَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12664) হজরত ইব্রাহীম বলেন , তিনি যখন বলেন যে, তিনি তাকে নগ্ন এবং ভগ্ন হৃদয় নিয়ে হজ করবেন , তখন তিনি খালি পায়ে এবং ভগ্ন হৃদয় নিয়ে হাঁটবেন এবং ঘোড়ায় চড়বেন না কিন্তু যার আছে শপথ অশ্বারোহণ করা হবে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۶۵) حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، وَوَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ عَلِیٍّ ؛ فِی الرَّجُلِ یَقُولُ لِلرَّجُلِ أَنَا أُہْدِیک ، وَقَالَ وَکِیعٌ : قَالَ لاِبْنِہِ ، قَالَ : یُہْدِی دِیَتَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12665) হজরত আলী (রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে, এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে বলেন , আমি তোমাকে একটি পুত্র দান করব এবং হযরত ওয়াকিয়া বলেন , যখন সে তার পুত্রকে বলবে , তখন সে এই কুরবানী করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۶۶) عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یُحِجُّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12666) হজরত ইব্রাহীম বলেন , তিনি হজ করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۶۷) حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، عَنْ أَشعَث ، عَنْ حَمَّاد ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : عَلَیْہِ أَنْ یُحِجَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12667) হজরত ইব্রাহিম বলেন , তাকে হজ করানো তার জন্য আবশ্যক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۶۸) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ أُمَیَّۃَ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ حَاضِرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَابْنِ عُمَرَ، قَالاَ : یُہْدِی جَزُورًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12668) হজরত ইবনে আব্বাস ও হজরত ইবনে ওমর বলেন, তিনি একটি উট কুরবানী করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۶۹) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : یُہْدِی کَبْشًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12669) হজরত মাসরূক বলেন , তিনি একটি উপহার দেবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۷۰) حدَّثَنَا عَبَّادٌ ، عَنْ سُفْیَانَ بْنِ حُسَیْنٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْحَسَنَ ، وَابْنَ سِیرِینَ ، عَنْ رَجُلٍ ظَاہَرَ مِنَ امْرَأَتِہِ ، وَلَمْ یُکَفِّرْ وتَہَاوَن بِذَلِکَ ، قَالاَ : تَسْتَعْدِی عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12670 ) হজরত সুফীন ইবনে হুসাইন বলেন , আমি হজরত হাসান ও হজরত ইবনে সিরিন থেকে জানতে পেরেছি যে , একজন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করেছে । এটা করে এবং কাফফারা আদায় করে না এবং এতে অলসতা করে ? ভদ্রলোক উভয়েই বললেনঃ ওই মহিলা তার বিরুদ্ধে দাবী করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۷۱) حدَّثَنَا الضَّحَّاکُ بْنُ مَخْلَدٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنِ ابْنِ طَاوُوس ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : إذَا قَالَ الْمُظَاہِرُ : لاَ حَاجَۃَ لِی بِہَا لَمْ یُتْرَکْ حَتَّی یُطَلِّقَ ، أَوْ یُکَفِّرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12671) হজরত তাউস তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, যে ব্যক্তি চেহারা দেখায় সে যখন বলে যে, আমার তার কোন প্রয়োজন বা প্রয়োজন নেই , তখন সে তালাক না দিলে মুক্তি পাবে না কাফফারা দিবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۷۲) حدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ فِی امْرَأَۃٍ جَعَلَتْ عَلَی نَفْسِہَا أوْ نَذَرَتْ أَنْ تصَلِّیَ فِی خَمْسِینَ مَسْجِدًا وَأَنْ تَصَدَّقَ مِنْ خَمْسِینَ بَیْتًا وَأَنْ تَصَدَّقَ بِہِ ، فَأَمَرَہَا أَنْ لاَ تَصَدَّقَ فَإِنَّہَا مَعْصِیَۃٌ تُکَفِّرُ یَمِینَہَا وَتُصَلِّی فِی خَمْسِینَ مَسْجِدًا لأَنَّ الصَّلاَۃَ مِنْ طَاعَۃِ اللہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12672) হজরত ইব্রাহীম ( রা . ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে , এক মহিলা মানত করেছিল যে, সে পঞ্চাশটি মসজিদে সালাত আদায় করবে এবং পঞ্চাশটি ঘর থেকে সদকা আদায় করবে এবং তাকে সদকা না করার নির্দেশ দিয়েছিল এটি একটি গুনাহ , তাকে তার নিজের ধরণের কাফফারা দিতে হবে এবং পঞ্চাশটি মসজিদে নামায পড়তে হবে , কারণ নামায এক প্রকার আনুগত্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۷۳) حدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی امْرَأَۃٍ نَذَرَتْ عَلَیْہَا أَنْ تُصَلِّیَ إلَی کُلِّ سَارِیَۃٍ مِنْ سِوَارِی مَسْجِدِ الْبَصْرَۃِ ، قَالَ : تُصَلِّی بِعَدَدِ سِوَارِی الْمَسْجِدِ فِی مَقَامٍ وَاحِدٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12673) হজরত হাসান (রা.) থেকে বর্ণিত যে, কোনো মহিলা যদি মানত করে যে, সে বসরায় মসজিদের প্রতিটি স্তম্ভে নামাজ পড়বে , তাহলে সে যেন ওই স্থানে দাঁড়িয়ে মসজিদের স্তম্ভের মতো নামাজ আদায় করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۷۴) حدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ أَبِی الْبَخْتَرِیِّ ، عَنِ مُرَّۃَ ، قَالَ : دَخَلْت الْمَسْجِدَ وَأَنَا أُحَدِّثُ نَفْسِی أَنْ أُصَلِّیَ عِنْدَ کُلِّ أُسْطُوَانَۃٍ رَکْعَتَیْنِ ، وَرَجُلٌ یَرْمُقُنِی لاَ أَشْعُرُ بِہِ ، فَلَمَّا جَلَسْت نَظَرْت فَإِذَا عَبْدُ اللہِ جَالِسًا ، فَأَتَیْتُہُ فَجَلَسْت إلَیْہِ ، فَإِذَا الرَّجُلُ الَّذِی یَرْمُقُنِی عِنْدَہُ ، قَالَ : وَلاَ یَشْعُرُ بِمَکَانِی قَالَ: یَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، إنَّ رَجُلاً دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَجَعَلَ یُصَلِّی عِنْدَ کُلِّ أُسْطُوَانَۃٍ رَکْعَتَیْنِ ، فَقَالَ : لَوْ عَلِمَ ، أَنَّ اللَّہَ عِنْدَ الأُسْطُوَانَۃٍ لَمْ یَتَحَوَّلْ حَتَّی یَقْضِیَ صَلاَتَہُ ، قَالَ : فَتَرَکْت بَقِیَّۃَ مَا أَرَدْت أَنْ أُصَلِّیَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12674 ) হজরত মারাহ বলেন , আমি মসজিদে প্রবেশ করলাম এবং মনে মনে বলছিলাম প্রতিটি স্তম্ভের কাছে দুই রাকাত নামায পড়ব , তিনি আমার দিকে তির্যক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন , আমি তাকে চিনলাম না , যখন আমি বসলাম হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ তিশরীফ বলেন , আমি তাদের কাছে এসে বসলাম , তখন ঐ ব্যক্তি আমার দিকে তাকাচ্ছিল , সে তাদের সাথে ছিল এবং সে আমার স্থান চিনতে পারেনি , সে বলল , হে আবু আবদ আল রহমান ! এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে বলল, আমি প্রতিটি স্তম্ভের কাছে দুই রাকাত নামায পড়ব , তিনি বললেন , যদি সে জানে যে আল্লাহ ইতিমধ্যেই স্তম্ভের কাছে আছেন । তাই সে নামায শেষ না করা পর্যন্ত সেখান থেকে বের হবে না । হযরত মুরাহ বলেন , আমি যা পড়ার পরিকল্পনা করেছিলাম তা পরিত্যাগ করলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۷۵) حدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ أَعْتَقَ وَلَدَ الزِّنَا وَأُمَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12675) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর আল - জিনির পুত্র ও তার মাকে মুক্ত করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۷۶) حدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عن عُبَیْدُ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ أَعْتَقَ وَلَدَ زِنَا وَأُمَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12676) হযরত নাফি (রাঃ) থেকেও একইভাবে বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۷۷) أبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : کَانَ لاَ یَرَی بِعِتْقِ وَلَدِ الزِّنَا بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12677) হজরত ইবনে আউন বলেন , হজরত মুহাম্মদ আল- জিনির পুত্রকে মুক্ত করতে কোনো সমস্যা আছে বলে মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۷۸) وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ ابْنِ طَاوُوس ، عَنْ أَبِیہِ فِی عِتْقِ وَلَدِ الزِّنَا ، قَالَ لَہُ : مَا احْتَسَبَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12678) হজরত তাউস তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , আল - জানির পুত্রকে মুক্ত করার বিষয়ে তিনি বলেন , তাকে মুক্ত করাতে কোনো দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۷۹) حدَّثَنَا أَسْبَاطٌ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، قَالَ : سُئِلَ عَطَائٌ عَنْ عِتْقِ وَلَدِ الزِّنَا أَعْتِقُہُ ؟ قَالَ : نَعَمْ عِتْقُہُ حَسَنٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12679) হজরত আবদ আল মালিক বলেন, হযরত আতাইয়ের কাছ থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে যে আল - জানির পুত্রকে মুক্ত করা যেতে পারে । আপনি বললেনঃ হ্যাঁ , তাকে মুক্ত করাই ভালো।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۸۰) حدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی حَرِیزٍ ، عَنْ مَرْیَمَ بِنْتِ أَبِی یَزِیدَ ، عَنْ أُمِّ نُجَیْدٍ ، أَنَّہَا سَأَلَتْ أَبَا أُمَامَۃَ ، عَنْ وَلَدِ الزِّنَا تُعْتِقُہُ ، قَالَ : ہُوَ کَالدِّرْہَمِ الزَّائِفِ ، تَصَدَّقِی بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12680) হজরত উম্মে নাজিদ (রা.) থেকে বর্ণিত যে , তিনি হজরত আবু ইমামাহ ( রা.) - এর কাছ থেকে আল- জিনার পুত্রকে মুক্ত করার বিষয়ে জানতে পেরেছিলেন । আপনি বলেছেন , এটি একটি হারানো দিরহামের মত । এটি দিয়ে দান করুন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۸۱) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ثَوْرِ الشَّامِیِّ ، عَنْ عُمَر بن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدٍ ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إلَی ابْنِ عَبَّاسٍ ، فَقَالَ : إنَّ لِی غُلاَمَیْنِ ، أَحَدُہُمَا رَشْدَۃٌ وَالآخَرُ غِیَّۃٌ وَإِنِّی أُرِیدُ أَنْ أُعْتِقَ أَحَدَہُمَا ، فَأَیُّہُمَا تَرَی أَنْ أُعْتِقَ ؟ قَالَ : انظر أَکْثَرُہُمَا ثَمَنًا فوجدوا ولد وَلَدَ الزِّنا أکثرہما ثمنا فأمرہم بہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৬৮১ ) হজরত উমর ইবনে আবদুল রহমান ইবনে সাদ থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি হজরত ইবনে আব্বাস (রা. ) - এর কাছে এসে জানতে পারলেন যে , আমার কাছে দুজন ক্রীতদাস রয়েছে , তার সম্পর্কের নাম আল- জিনি এবং আমি একজনকে মুক্ত করতে চাই আমার ক্রীতদাসগণ, তোমরা কি মনে কর আমি কোনটিকে মুক্ত করব ? আপনি বলেছিলেন , যে মূল্যবান তাকে মুক্ত করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۸۲) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ فِرَاسٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : أَعْتِقْ أَکْثَرَہُمَا ثَمَنًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৬৮২ ) হজরত শাবি বলেন , এ দুয়ের মধ্যে যে বেশি মূল্যবান তাকে মুক্ত করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۸۳) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ حدَّثَنَا ہِشَامٌ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، أَنَّہَا سُئِلَتْ ، عَنْ وَلَدِ الزِّنَا ، فَقَالَتْ ، لَیْسَ عَلَیْہِ مِنْ خَطِیئَۃِ أَبَوَیْہِ شَیْئٌ ، {لاَ تَزِرُ وَازِرَۃٌ وِزْرَ أُخْرَی}۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12683 ) হজরত হিশাম তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , হজরত আয়েশাকে আল - জানির পুত্রকে মুক্ত করার কথা জানানো হয়েছিল । তিনি বললেন যে তার পিতামাতার গুনাহ তার উপর নয় , তারপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করলেন :
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۸۴) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عِیسَی الْخَبَّاطُ ، قَالَ : سَمِعْتُ الشَّعْبِیَّ یَقُولُ : وَلَدُ الزِّنَا خَیْرُ الثَّلاَثَۃِ ، إنَّمَا ہذا شَیْئٌ قَالَہُ کَعْبٌ ہُوَ شَرُّ الثَّلاَثَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12684 ) হজরত ঈসা আল - খুবাত বলেন , আমি হজরত শাবি ( রা . ) - এর কাছে শুনেছি যে , তিনি বলেছেন যে , আল - জিনিয়ার পুত্র প্রকৃতপক্ষে সর্বোত্তম । হজরত কা’ব এই কথাই বলছেন এটি আরও খারাপ
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۸۵) حدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، أَنَّ عُمَرَ ، قَالَ : لأَنْ أَحْمِلَ عَلَی نَعْلَیْنِ فِی سَبِیلِ اللہِ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أُعْتِقَ وَلَدَ زِنًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12685) হজরত ওমর (রা.) বলেন , আমি আল্লাহর রাস্তায় দুই জুতা দিয়ে সাহায্য করতে পছন্দ করি , আল - জিনার ছেলেকে মুক্ত করার চেয়েও বেশি পছন্দ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۸۶) حدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَزِیدَ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ ، لأَنْ أَتَصَدَّقَ بِثَلاَثَۃِ نَوَیَاتٍ ، أَوْ أُمَتِّعَ بِسَوْطٍ فِی سَبِیلِ اللہِ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أُعْتِقَ وَلَدَ الزِّنَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12686 ) হযরত আয়েশা ( রাঃ ) বললেনঃ আমি দুটি দানা দান বা আল্লাহর রাস্তায় এক টুকরো আবর্জনা দিতে পছন্দ করি । আমাকে আল - জিন মুক্ত করতে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۸۷) حدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ أَعْتَقَ الْعَبَّاسُ بَعْضَ رَقِیقِہِ فِی مَرَضِہِ ، فَرَدَّ ابْنُ عَبَّاسٍ مِنْہُمَا اثْنَیْنِ کَانُوا یَرَوْنَ أَنَّہُمَا أَوْلاَدُ زِنًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12687 ) হজরত মুজাহিদ বলেন , হজরত আব্বাস (রা.) তার অসুস্থতার সময় কয়েকজন ক্রীতদাসকে মুক্ত করেছিলেন , তারপর তাদের দুজনকে হজরত ইবনে আব্বাস ফেরত দিয়েছিলেন যে তারা উভয়েই আল - যীনের পুত্র ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۸۸) حدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، أَنَّ عَمْرَو بْنَ الْعَاصِ أَعْتَقَ رَقِیقَہُ فِی مَرَضِہِ ، فَرَدَّ عَبْدُ اللہِ بْنُ عَمْرٍو مِنْہُمْ سِتَّۃً کَانُوا یَرَوْنَ أَنَّہُمَا أَوْلاَدُ الزِّنَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12688) হজরত মুজাহিদ থেকে বর্ণিত যে, হজরত আমর ইবনে আস মারজে তাঁর ক্রীতদাসদের মুক্ত করেছিলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর তাদের কাছ থেকে ছয়টি ক্রীতদাস ফিরিয়ে দিয়েছিলেন , তিনি মনে করেছিলেন যে তারা আল - জানিমের সন্তান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۸۹) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنِ ابْنِ الْحَنَفِیَّۃِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، أَنَّہُ کَرِہَ عِتْقَ وَلَدِ الزِّنَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12689) হজরত ইবনে আল-হানাফিয়া বলেন যে, আল-জিনীর পুত্র হযরত আলী মুক্তি অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۹۰) حدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی ہِلاَلٍ ، عَنْ أُسَّقٍ ، قَالَ : کُنْتُ مَمْلُوکًا لِعُمَرَ ، فَکَانَ یَعْرِضُ عَلَیْہِ الإِسْلاَمَ وَیَقُولُ : {لاَ إکْرَاہَ فِی الدِّینِ} فَلَمَّا حُضِرَ أَعْتَقَہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12690) হজরত এসক বলেন , আমি হজরত ওমর (রা. ) - এর গোলাম ছিলাম , তিনি তাঁর কাছে ইসলামের পরিচয় দেন এবং বলেন যে , আমি দ্বীনে প্রবেশের ব্যাপারে কঠোর নই , তখন তিনি উপস্থিত হলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۹۱) حدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ عُبَیْدَۃَ ، عَنْ عَامِرٍ ، أَنَّ عُمَرَ أَعْتَقَ یَہُودِیًّا ، أَوْ نَصْرَانِیًّا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৬৯১ ) হজরত আমীর বলেন , হজরত ওমর রা ইয়া নাসরানি গোলাম আজাদ কিয়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস