
(۱۲۶۰۲) ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ أَبِی حَنِیفَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا قَتَلَ الْقَوْمُ الرَّجُلَ فَعَلَی کُلِّ وَاحِدٍ مِنْہُمُ التَّحْرِیرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12602) হজরত ইব্রাহিম বলেন , যখন কোনো জাতি কোনো ব্যক্তিকে (ভুলবশত ) হত্যা করে , তখন তাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব হলো তাদের দাস-দাসীদের মুক্ত করা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۰۳) حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللہِ الأَسَدِیُّ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ بُرْدٍ أَبِی الْعَلاَئِ ، عَنْ مَکْحُولٍ فِی الْقَوْمِ یَقْتُلُونَ الرَّجُلَ ، قَالَ : عَلَی کُلِّ رَجُلٍ مِنْہُمْ کَفَّارَۃٌ ، وَعَلَیْہِمْ جَمِیعًا الدِّیَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12603) হজরত মাখুল বলেন , কোনো জাতি কোনো ব্যক্তিকে হত্যা করলে তাদের প্রত্যেকের জন্য কাফফারা রয়েছে এবং তাদের সবার জন্য একটি দায়আত রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۰۴) حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ الْعَبْدِیُّ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ الْحَسَنِ ، عَنِ ابْنِ مَعْقِلٍ ، قَالَ : کَانَ عَلَی عَائِشَۃَ رَقَبَۃٌ ، أَوْ نَسَمَۃٌ تُعْتِقُہَا مِنْ وَلَدِ إسْمَاعِیلَ ، قَالَ : فَقَدِمَ بسَبْی مِنَ الْیَمَنِ ، قَالَ مِسْعَرٌ : أَرَاہُ مِنْ قَبِیلَۃٍ، یُقَالُ لَہَا : خَوْلاَنُ ، قَالَ : فَنَہَاہَا أَنْ تُعْتِقَ مِنْہُمْ ، قَالَ : فَقَدِمَ بسَبْی مِنْ مُضَرَ ، أَرَاہُ ، قَالَ : مِنْ بَنِی الْعَنْبَرِ ، فَأَمَرَہَا أَنْ تُعْتِقَ مِنْہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12604 ) হজরত ইবনে মুআকাল বলেন , হজরত আয়েশা ( রা . ) ইসমাইলের বংশধরদের মধ্য থেকে একজন ক্রীতদাসকে মুক্ত করতে গিয়েছিলেন , কিছু বন্দী ইয়েমেন থেকে এসেছিল , তারা খুলান গোত্রের ছিল । তিনি বনু আনবার থেকে ছিলেন , তারপর তিনি আপনাকে তাদের থেকে তাকে মুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۰۵) حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، عَنْ زَکَرِیَّا بْنِ أَبِی زَائِدَۃَ ، قَالَ : سُئِلَ عَامِرٌ ، عَنْ رَجُلٍ جَعَلَ عَلَیْہِ مُحَرَّرِینَ مِنْ وَلَدِ إسْمَاعِیلَ إِنْ دَخَلَ بَیْتَ فُلاَنٍ ، فَدَخَلَہُ ، قَالَ : لَیْسَ لَہَا کَفَّارَۃٌ ، قَالَ : الرَّجُلُ : فإنِّی لاَ أَجِدُہُمَا قَالَ : فصُمْ أَرْبَعَۃَ أَشْہُرٍ مُتَتَابِعَاتٍ ، عَنْ کُلِّ رَقَبَۃٍ شَہْرَیْنِ لَعَلَّہُ أَنْ یُکَفِّرَ شَیْئًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12605) হজরত আমীর থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি মানত করেছিল যে, সে যদি অমুকের বাড়িতে প্রবেশ করে, তাহলে সে ইসমাঈলের বংশধরদের মধ্য থেকে দুজন ক্রীতদাসকে মুক্ত করবে , অতঃপর সে কি তার ঘরে প্রবেশ করেছিল ? আপনি বলেছেন যে এর কোন কাফফারা নেই এই ব্যক্তি বলল যে সে উভয়ের সহ্য করতে পারবে না .এর বিনিময়ে দুই মাস রোজা রাখলে হয়তো কিছু কাফফারা হয়ে যাবে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۰۶) حدَّثَنَا أبُو مُعَاوِیَۃَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِی ظَبْیَانَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: الْحِینُ قَدْ یَکُونُ غَدْوَۃً وَعَشِیَّۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12606) হজরত ইবনে আব্বাস বলেন যে সময় কখনও কখনও সকাল এবং সন্ধ্যায় প্রয়োগ করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۰۷) حدَّثَنَا أبُو الأَحْوَص، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ رَجُلٍ مِنْہُمْ ، قَالَ: سَأَلْتُ ابْنَ عبَّاسٍ، قُلْتُ: إنِّی حَلَفْت أن لاَ أُکَلِّمَ رَجُلاً حِینًا ، قَالَ : فَقَرَأَ ابْنُ عَبَّاسٍ : {تُؤْتِی أُکُلَہَا کُلَّ حِینٍ بِإِذْنِ رَبِّہَا} ، قَالَ : الْحِینُ سَنَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12607 ) হজরত আতা বিন আল - সায়েব আমার থেকে এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি হজরত ইবনে আব্বাস থেকে জানতে পেরেছি যে , আমি শপথ নিয়েছি যে , আমি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলব না । তিনি পবিত্র কোরআনের আয়াত { তাওত - ই - ই -উক-লহা-কুল-হ- ই - নি - নি-বি-জন - ই - রাবিহা} তেলাওয়াত করলেন এবং বললেন : হাই - নি শব্দটি বোঝায়। এক বছর পর্যন্ত
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۰۸) حدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ دَاوُدَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : الْحِینُ سِتَّۃُ أَشْہُرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12608) হযরত ইকরামা বলেন , আল - হাইন অর্থ ছয় মাস ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۰۹) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ إبْرَاہِیمَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : الْحِینُ سِتَّۃُ أَشْہُرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12609) হযরত ইকরামা বলেন , আল - হাইন অর্থ ছয় মাস ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۱۰) حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ وَسَأَلَہُ رَجُلٌ ، فَقَالَ : إنِّی حَلَفْت عَلَی امْرَأَتِی أَنْ لاَ تَدْخُلَ علی أَہْلِہَا حِینًا ، فَقَالَ : الْحِینُ مَا بَیْنَ أَنْ تَطْلُعَ النَّخْلُ إلَی أَنْ تُثْمِرَ ، وَمَا بَیْنَ أَنْ تُثْمِرَ إلَی أَنْ تُطْلعَ ، فَقَالَ لَہُ سَعِیدٌ : {ضَرَبَ اللَّہُ مَثَلاً کَلِمَۃً} إلَی قَوْلِہِ : {تُؤْتِی أُکُلَہَا کُلَّ حِینٍ بِإِذْنِ رَبِّہَا}۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12610 ) হজরত আবদ আল - রহমান বিন হারমালা বলেন , এক ব্যক্তি হজরত সাঈদ বিন আল - মুসাইব ( রা . ) - কে জিজ্ঞেস করলেন যে , আমি তার স্ত্রীকে বিয়ে করব না বলে শপথ নিয়েছি ? তিনি বলেন, আল - হাইন বলতে খেজুরের আবির্ভাবের মধ্যবর্তী সময়কে বোঝায় এবং হজরত সাঈদ ( রাঃ ) তাকে বললেন : এটি আল্লাহ একটি শব্দের মতো থেকে তুত পর্যন্ত পাঠ কর । আই-ই- উক্লহা-কুল-হি- নি - বি-জেন-ই-রাবিহা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۱۱) حدَّثَنَا غنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْحَکَمَ وَحَمَّادًا عَنْ رَجُلٍ حَلَفَ أَنْ لاَ یُکَلِّمَ رَجُلاً حِینًا ، فَقَالاَ : الْحِینُ سَنَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12611) হজরত শুবা বলেন , আমি হজরত হাকাম ও হজরত হামাদের কাছ থেকে জানতে পারলাম যে, এক ব্যক্তি শপথ নিয়েছেন যে , তিনি এই ব্যক্তির সঙ্গে বেশিক্ষণ কথা বলবেন না আপনি বলেছেন আল - হাইন মানে এই বছর .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۱۲) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ طَارِق ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : الْحِینُ سِتَّۃُ أَشْہُرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12612 ) হযরত সাঈদ বিন আল - মুসাইব বলেন , আল - হাইন অর্থ ছয় মাস ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۱۳) حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ مَیْسَرَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ: الْحِینُ شَہْرَانِ ، إن النَّخْلَۃَ تُطْعِمُ السَّنَۃَ کُلَّہَا إلاَّ شَہْرَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12613 ) হজরত সাঈদ বিন আল - মুসাইব বলেন , আল - হাইন অর্থ দুই মাস , সন্দেহাতীতভাবে , দুই মাস ছাড়া সারা বছর খেজুর দেখা যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۱۴) حدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ عَمْرٍو ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ مُہَاجِرٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : الْحِینُ سِتَّۃُ أَشْہُرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12614) হযরত ইকরামা বলেন , আল - হাইন অর্থ ছয় মাস ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۱۵) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ بْنِ عَمَّارٍ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ شُمَیْخٍ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ، قَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا اجْتَہَدَ فِی الْیَمِینِ ، قَالَ : لاَ وَالَّذِی نَفْسُ أَبِی الْقَاسِمِ بِیَدِہِ۔ (ابوداؤد ۳۲۵۹۔ احمد ۳/۴۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(12615) হজরত আবু সাঈদ আল - খুদরি ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শপথের ওপর জোর দিতেন, তখন বলতেন , না , শপথ এই ব্যক্তির । যার দখলে আবুল কাসিম ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর জীবন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۱۶) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مُوسَی بْنِ عُقْبَۃَ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : کَانَتْ یَمِینُ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الّتِی یَحْلِفُ عَلَیْہَا : لاَ وَمُقَلِّبِ الْقُلُوبِ۔ (بخاری ۷۳۹۱۔ ابوداؤد ۳۲۵۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(12616) হজরত ইবনে ওমর (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর যে শপথের ওপর তিনি শপথ করতেন , তা ছিল : এমন ব্যক্তির শপথ নয় যে অন্তরকে ঘুরিয়ে দেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۱۷) حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ ہِلاَلٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : کَانَتْ یَمِینُ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ وَأَسْتَغْفِرُ اللَّہَ۔ (ابوداؤد ۳۲۶۰۔ احمد ۲/۲۸۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( 12617) আবু হুরায়রা ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শপথ ছিলঃ না , আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۱۸) حدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کُنْتُ جَالِسًا مَعَ ابْنِ مَسْعُودٍ فَوْقَ بَیْتِہِ ، فَوَجَبَتِ الشَّمْسُ ، فَقَالَ عَبْدُ اللہِ : ہَذَا وَالَّذِی لاَ إلَہَ غَیْرُہُ حِینَ أَفْطَرَ الصَّائِمُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12618) হজরত আবদ আল - রহমান বিন আসওয়াদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি হজরত ইবনে মাসউদ (রা.)- এর সাথে ঘরের ছাদে বসে ছিলাম , যখন সূর্য অস্তমিত হতে শুরু করল, তখন হজরত আবদুল্লাহ (রা. ) বললেন : আমি সেই ব্যক্তির শপথ করছি , যাকে ছাড়া নেই ঈশ্বর এই সময় রোজাদার তার ইফতার করে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۱۹) حدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ أَبِی الْمِنْہَالِ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : کَانَ عَلِیٌّ رضی اللَّہُ عَنْہُ یَخْطُبُ ، فَقَالَ : لاَ وَالَّذِی فَلَقَ الْحَبَّۃَ وَبَرَأَ النَّسَمَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12619) হজরত ইবাদ ইবনে আবদুল্লাহ বলেন যে, হজরত আলী একটি খুতবা দিচ্ছিলেন , তিনি বললেন : না , সেই সত্তার কসম যিনি শস্য বিভক্ত করেছেন এবং জীবের জন্ম দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۲۰) حدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ یَحْیَی بْنِ جَعْدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا ہُرَیْرَۃَ یَقُولُ : لاَ وَرَبِّ ہَذِہِ الْکَعْبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12620) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর বলেন , আমি হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে শুনেছি যে , তিনি বলেন , আমি এই কাবার প্রতিপালকের শপথ করছি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۲۱) حدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ زِیَادِ الْحَارِثِیِّ ، قَالَ : قَالَ رَجُلٌ لأَبِی ہُرَیْرَۃَ : أَنْتَ الَّذِی تَنْہَی عَنْ صَوْمِ یَوْمِ الْجُمُعَۃِ ؟ فَقَالَ : لاَ وَرَبِّ ہَذِہِ الْحُرْمَۃِ ، أَوْ ہَذِہِ الْبِنْیَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12621) হজরত জায়েদ আল - হারিতী বলেন , এক ব্যক্তি হজরত আবু হারি রহ. থেকে জানতে পারলেন যে , তিনিই জুমার দিনে রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন । তিনি বললেনঃ না , এই হারামের প্রভুর , না এই কাবার রবের কসম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۲۲) حدَّثَنَا حفْصٌ وَأَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، أَنَّہُ قَالَ : وَالَّذِی لاَ إلَہَ غَیْرُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12622) হজরত আবদ আল - রহমান বিন ইয়াযিদ বলেন , হজরত আবদুল্লাহ এভাবে শপথ করতেন : আমি সেই সত্তার শপথ করছি , যিনি ছাড়া আর কোনো মাবুদ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

۱۲۶۲۳) حدَّثَنَا أبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ خَیْثَمَۃَ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، أَنَّ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ فِی شَیْئٍ حَلَفْت عَلَیْہِ: لاَ وَالَّذِی آمَنَ بِہِ الْمُؤْمِنُونَ وَکَفَرَ بِہِ الْکَافِرُونَ۔ (ابن سعد ۸۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( 12623 ) হজরত মাসরুক বলেন , হজরত আয়েশা (রা.) যখন কোনো বিষয়ে শপথ নিতেন , তখন তিনি বলতেন , না অস্বীকার করা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۲۴) حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُصْعَبٍ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ ہِلاَلِ بْنِ أَبِی مَیْمُونَۃَ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ یَسَارٍ ، عَنْ رِفَاعَۃَ الْجُہَنِیِّ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا حَلَف ، قَالَ : وَالَّذِی نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِیَدِہِ۔ (احمد ۱۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(12624) হজরত রাফাআহ আল-জাহনী (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শপথ নিতেন , তখন বলতেন : সেই সত্তার শপথ যার হাতে মুহাম্মদের জীবন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۲۵) حدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَۃَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی أَبُو الزُّبَیْرِ ، أَنَّہُ سَمِعَ سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ قَالَ : قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : إِنْ فَائَ کَفَّرَ ، وَإِنْ لَمْ یَفْعَلْ فَہِیَ وَاحِدَۃٌ وَہِیَ أَحَقُّ بِنَفْسِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12625) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, স্বামী যদি স্ত্রীর কাছে যায় তাহলে তাকে কাফফারা দিতে হবে এবং যদি সে না যায় তবে সে একা , তার নিজের জীবনের ওপর তার বেশি হক আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۲۶) حدَّثَنَا أبُو دَاوُد الطَّیَالِسِیُّ ، عَنْ ہَارُونَ بْنِ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ جُبَیْرٍ ، أَنَّ زَیَادًا أَبْصَرَ أَبَا مُوسَی کَئِیبًا ، فَقَالَ لَہُ : مَا لَکَ ؟ فَذَکَرَ أَنَّہُ آلَی مِنِ امْرَأَتِہِ ، فَأَمَرَہُ أَنْ یُکَفِّرَ ، فَفَعَلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12626 ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জাবির বলেন , যায়েদ হজরত আবু মূসা (রা.)- কে ভগ্ন হৃদয় দিয়েছিলেন , তিনি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন কী হয়েছে ? উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন , আপনি তাকে কাফফারা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন , তাই তিনি তা করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۲۷) حدَّثَنَا غنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن أَبِی الشَّعْثَائِ ، عَنْ عَلْقَمَۃَ ، وَأَصْحَابُ عَبْدِ اللہِ ، أَنَّہُمْ قَالُوا : ؛ فِی الرَّجُلِ إذَا آلَی مِنِ امْرَأَتِہِ ، ثُمَّ أَتَاہَا قَبْلَ أَنْ تَبَرَّ یَمِینَہُ ، قَالَ : یُکَفِّرُ یَمِینَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12627) হজরত আল-কামাহ ও হজরত আবদুল্লাহ (রা.) সাহাবী হিসেবে বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে বায়আত পূর্ণ করার পূর্বে তার কাছে আসে , তখন সে তার শপথের কাফফারা আদায় করবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۲۸) حدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن أَبِی الشَّعْثَائِ ، عَنْ عَلْقَمَۃَ ، قَالَ : إذَا فَائَ المُولَی کَفَّرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12628) হযরত আল-কামা বলেন , যে ব্যক্তি এই আইন করবে সে যখন তার স্ত্রীর কাছে যাবে , তখন সে কাফফারা আদায় করবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۲۹) حدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِیرِینَ، قَالَ: إذَا آلَی الرَّجُلُ مِنِ امْرَأَتِہِ، ثُمَّ فَائَ فَعَلَیْہِ الْکَفَّارَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12629) হজরত মুহাম্মদ বিন সিরীন বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীর অবাধ্য হয়ে তার কাছে যায় , তখন তার জন্য প্রায়শ্চিত্ত রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۳۰) حدَّثَنَا أبُو دَاوُد ، عَنْ زَمْعَۃَ ، عَنِ ابْنِ طَاوُوس ، عَنْ أَبِیہِ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی عَلَیْہِ الْکَفَّارَۃَ فِی یَمِینِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12630) হজরত তাউস তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তার উপর শপথ করাকে কাফফারা মনে করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۳۱) ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ أنہ کَانَ یَقُولُ : فَیؤُہُ کَفَّارَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12631) হজরত হাসান বলেন , এটি সম্পূর্ণ করা (ফিরে আসা) কাফফারা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস