
(۱۲۵۴۲) حدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنْ أَبِی الْبَخْتَرِیِّ ، قَالَ : لاَ یَقُلْ أَحَدُکُمْ بِأَبِی رَبی، فَإِنَّہُ لاَ یَفْدِیہِ بِشَیْئٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12542) হজরত আবুল বাখতারি বলেন , কেউ যেন না বলে যে, আমার পিতাকে আমার প্রভুর কাছে কোরবানি করা হোক । কারণ সে আল্লাহর কাছে কিছু কুরবানী করতে পারে না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۴۳) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ مُبَارَکٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو فِی رَجُلٍ نَذَرَ أَنْ یَزُمَّ أَنْفَہُ ، قَالَ : یُکَفِّرُ عَنْ یَمِینِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12543 ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে , যদি কোনো ব্যক্তি মানত করে যে সে তার নাকের ছিদ্র ( নিকেলের মতো ) করবে , তাহলে তিনি বলেন : এ ধরনের কাফফারা দাও।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۴۴) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی جَمْرَۃَ الضُّبَعِیِّ ، أَنَّ رَجُلاً مِنْ بَنِی سُلَیْمٍ نَذَرَ أَنْ یَزُمَّ أَنْفَہُ ، فَقَالَ : ابْنُ عَبَّاسٍ ، النَّذْرُ نَذْرَانِ ، فَمَا کَانَ لِلَّہِ فَفِیہِ الْوَفَائُ ، وَمَا کَانَ لِلشَّیْطَانِ فَفِیہِ الْکَفَّارَۃُ ، أَطْلِقْ زِمَامَک وَکَفِّرْ یَمِینَک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12544) হজরত আবু জুমরাহ বলেন , বনী সালিমের এক ব্যক্তি মানত করেছিল যে সে তার নাকের ছিদ্র করবে , হজরত ইবনে আব্বাস নযর ( রা . ) বলেন : মানত দুই প্রকার , সুতরাং একটি আল্লাহর জন্য হবে পরিপূর্ণ , এবং যে শয়তানের জন্য কাফফারা হবে , আপনার লাগাম শিথিল করুন এবং আপনার ধরনের কাফফারা প্রদান করুন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۴۵) حدَّثَنَا أبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ غِیَاثٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ جَابِرَ بْنَ زَیْدٍ ، عَنْ رَجُلٍ نَذَرَ أَنْ یَجْعَلَ فِی أَنْفِہِ حَلَقَۃً مِنْ ذَہَبٍ ؟ قَالَ : لاَ یَزَالُ عَاصِیًا مَا دَامَتْ عَلَیْہِ ، فَمُرْہُ فَلْیُکَفِّرْ یَمِینَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৫৪৫) হজরত উসমান ইবনে গিয়াছ বলেন , আমি হজরত জাবির ইবনে যায়েদ ( রা . ) থেকে জানতে পারলাম যে , এক ব্যক্তি আমার গায়ে সোনার আংটি পরিয়ে দেবে , তিনি বললেন , যতক্ষণ সে থাকবে ততক্ষণ সে থাকবে একজন পাপী হতে থাকুন, তাই তাকে তার শপথ অনুযায়ী প্রায়শ্চিত্ত করতে আদেশ করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۴۶) حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ سَوَّارٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی الرَّجُلِ یَجْعَلُ عَلَی أَنْفِہِ أَنْ یَزُمَّہَا وَیَحُجَّ مَاشِیًا ، قَالَ : قدْ نَہَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَنِ الْمُثْلَۃِ ، انْزِعْ ہَذَا وَحُجَّ رَاکِبًا وَانْحَرْ بَدَنَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৫৪৬) হজরত হাসান ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , এক ব্যক্তি মানত করেছিল যে , সে তার নাক ছিদ্র করবে এবং পিতা হজ করবে , তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) আল্লাহ তা‘আলা মাসলা করতে নিষেধ করেছেন , তাই তা খুলে ফেল এবং তাতে চড়ে হজ কর এবং একটি উট কুরবানী কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۴۷) حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ؟ قَالَ : لاَ زِمَامَ ، وَلاَ خِزَامَ ، وَلاَ نِیَاحَۃَ ، یَعْنِی فِی الإِسْلاَمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12547) হজরত তাউস বলেন, ইসলামে নিকেল পরানো , চুলের আংটি তৈরি করা এবং শোক করা বৈধ নয় , (খুজামা বলেন , উটের নাকের ছিদ্রে চুলের আংটি ঢোকানো হয় এবং তার লাগাম দেওয়া হয় । এর সাথে বাঁধা আছে ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۴۸) حدَّثَنَا أبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، وَابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ زَحْرٍ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ الرُّعَیْنِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مَالِکٍ ، عَنْ عُقْبَۃَ بْنِ عَامِرٍ الْجُہَنِیِّ ، قَالَ : نَذَرَتْ أُخْتِی أَنْ تَمْشِیَ حَافِیَۃً إلَی بَیْتِ اللہِ غَیْرَ مُخْتَمِرَۃٍ ، فَسَأَلَتُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : مُرْ أُخْتَکَ فَلْتَخْتَمِرْ وَلْتَرْکَبْ وَلْتَصُمْ ثَلاَثَۃَ أَیَّامٍ۔ (بخاری ۱۸۶۶۔ مسلم ۱۲۶۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( 12548 ) হজরত উকবা ইবনে আমীর বলেন , মারিয়াম ( রা . ) এর বোন শপথ নিয়েছিলেন যে , তিনি খালি পায়ে এবং পর্দা না করে আল্লাহর ঘরে যাবেন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তোমার বোনকে চাদর ঢেকে তিন দিন রোযা রাখার নির্দেশ দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۴۹) حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حُمَیْدٌ ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ رَأَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَجُلاً یُہَادَی بَیْنَ ابْنَیْہِ ، فَقَالَ : مَا ہَذَا ؟ فَقَالُوا : نَذَرَ أَنْ یَمْشِیَ إلَی بَیْتِ اللہِ ، فَقَالَ : إنَّ اللَّہَ لَغَنِیٌّ ، عَنْ تَعْذِیبِ ہَذَا نَفْسَہُ ، ثُمَّ أَمَرَہُ فَرَکِبَ۔ (بخاری ۱۸۶۵۔ مسلم ۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(12549) হজরত আনাস ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) এক ব্যক্তিকে তার দুই সন্তানের মাঝে হাঁটতে দেখে জিজ্ঞেস করলেন , এটা কী ? তিনি বললেন , তিনি শপথ নিয়েছেন যে , তিনি মনেপ্রাণে আল্লাহর ঘরে যাবেন । এর অর্থ এই যে , এই ব্যক্তি নিজেকে কষ্ট দিতে হবে । অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাদেরকে নির্দেশ দিলেন, ফলে তারা আরোহণ করল।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۵۰) حدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، وَعَنْ مَالِکِ بْنِ أَنَسٍ ، عَنْ عُرْوَۃَ بْنِ أُذَیْنَۃَ ، قَالَ عُبَیْدُ اللہِ جَدّتَہُ ، وَقَالَ : مَالِکٌ : إنَّ أُمَّہُ جَعَلَتْ عَلَیْہَا الْمَشْیَ فَمَشَتْ حَتَّی انْتَہَتْ إلَی السُّقْیَا ، ثُمَّ عَجَزَتْ فَمَا مَشَتْ ، فَسَأَلْت ابْنَ عُمَرَ ، فَقَالَ : مُرُوہَا أَنْ تَعُودَ مِنَ الْعَامِ الْمُقْبِلِ فَتَمْشِیَ مِنْ حَیْثُ عَجَزَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12550 ) হজরত উরওয়া ইবনে আযী ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , হজরত উবায়দ আল্লাহ বলেছেন যে তিনি তাঁর দাদী এবং হযরত মালেক বলেছেন যে তিনি তাঁর মা ছিলেন , অতঃপর তিনি হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছলেন পানি , সে আর হাঁটতে পারছে না , আমি হজরত ইবনে ওমর (রা. ) থেকে জানতে পারলাম ? আপনি বললেন, তাকে পরের বছর আবার আসার নির্দেশ দিন এবং যেখান থেকে সে হাঁটতে পারছে না , সেখান থেকে আবার হেঁটে যেতে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۵۱) حدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ أَبِی خَالِدٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، أَنَّہُ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ نَذَرَ أَنْ یَمْشِیَ إلَی الْکَعْبَۃِ ، فَمَشَی نِصْفَ الطَّرِیقِ وَرَکِبَ نِصْفَہُ قَالَ : فَقَالَ عامر : قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : یَرْکَبُ مَا مَشَی وَیَمْشِی مَا رَکِبَ مِنْ قَابِلٍ ، وَیُہْدِی بَدَنَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12551) হজরত শাবিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , এক ব্যক্তি পায়ে হেঁটে কাবা যাওয়ার মানত করেছে , তাই সে অর্ধেক পথ পায়ে হেঁটে আর অর্ধেক ঘোড়ায় চড়ে গেছে । তিনি বলেন , হজরত আমীর থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন : আগামী বছরে যতটা সম্ভব আরোহণ কর এবং যতটা সওয়ার হয়েছ ততটুকু সওয়ার হও এবং তাকে একটি উট (কুরবানী ) দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۵۲) حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : من قَالَ عَلَیْہِ الْمَشْیُ إِنْ شَائَ رَکِبَ وَأَہْدَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12552) হযরত আলী (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি বলে যে সে আমার উপর দিয়ে হেঁটে যেতে চায় , সে যদি চায়, সে যেন আরোহণ করে (একটি উট ) পেশ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۵۳) حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، وَأَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ عَلِیٍّ ؛ فِی الرَّجُلِ یَجْعَلُ عَلَیْہِ الْمَشْیَ إلَی بَیْتِ اللہِ ، قَالَ عَبْدُ الرَّحِیمِ : یَرْکَبُ وَیُہْرِیقُ دَمًا ، وَقَالَ : أَبُو خَالِدٍ : یُہْدِی بَدَنَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12553) হযরত আলী ( রাঃ ) থেকে জানা গেল যে , এক ব্যক্তি মানত করেছে যে , তার অন্তর বায়তে আল্লাহর কাছে যাবে । হজরত আবদ আল-রহিম বর্ণনাকারীর কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আরোহণ করতে হবে এবং রক্তপাত (কুরবানী ) করতে হবে এবং আবু খালিদ বর্ণনাকারীকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি একটি উট কুরবানী করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۵۴) حدَّثَنَا یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنِ الأَجْلَحِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَعِیدٍ الْبَجَلِیِّ ، قَالَ : کُنْتُ تَحْتَ مِنْبَرِ ابْنِ الزُّبَیْرِ وَہُوَ عَلَیْہِ ، فَجَائَ رَجُلٌ ، وَقَالَ : یَا أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ إنِّی نَذَرْت أَنْ أَحُجَّ مَاشِیًا ، حَتَّی إذَا کَانَ کَذَا وَکَذَا ومَشَیْت خَشِیت أَنْ یَفُوتَنِی الْحَجُّ ، رَکِبْت ، قَالَ : لاَ خَطَأَ عَلَیْک ، ارْجِعْ عَامَ قَابِلٍ فَامْشِ مَا رَکِبْت وَارْکَبْ مَا مَشَیْت۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12554) হজরত আমর ইবনে সাঈদ আল - বাজলী বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়ের ( রা . ) মিম্বরের ওপর ছিলেন এবং আমি মিম্বরের ( সামনে ) নিচে বসে ছিলাম , এক ব্যক্তি এসে বলল , হে ঈমানদার নেতা ! মন দিয়ে হজ করার শপথ নিয়েছিলাম , তখন আমি ভয় পেয়েছিলাম যে আমার হজ নষ্ট হয়ে যাবে । তুমি বলেছিলে , তোমার কোনো ভুল নেই , পরের বছর ফিরে আসো, মন দিয়ে চড়ো আর যতটা চড়েছ ততটা চড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۵۵) حدَّثَنَا أبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی رَجُلٍ نَذَرَ أَنْ یَحُجَّ مَاشِیًا ، قَالَ : یَمْشِی ، فَإِنَ انْقَطَعَ رَکِبَ وَأَہْدَی بَدَنَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৫৫৫ ) হজরত হাসান ( রা . ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, এক ব্যক্তি মানত করেছিল যে, সে যদি হাঁটবে , তাহলে সে সওয়ার হবে এবং উট তাকে নেতৃত্ব দেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۵۶) حدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، عَنْ مُوسَی بْنِ عُبَیْدَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ الْقَاسِمَ وَسُئِلَ عَنْ رَجُلٍ حَلَفَ أَنْ یَمْشِیَ إلَی الْبَیْتِ ، فَمَشَی ، فَعَیِیَ فَرَکِبَ ، قَالَ : إذَا کَانَ قَابِلٌ فَلْیَمْشِ مَا رَکِبَ وَلیَرْکَبْ مَا مَشَی ، قَالَ : وَسَمِعْت یَزِیدَ بْنَ عَبْدِ اللہِ بْنِ قُسَیْطٍ یَقُولُ : یَرْکَبُ وَیُہْدِی بَدَنَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12556) হজরত মূসা ইবনে উবায়দা (রা ) বলেন , আমি হযরত কাসিম (রাঃ) থেকে শুনেছি যে , এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন যে , তিনি বাইত আল্লাহর কাছে যাবেন , অতঃপর যখন ক্লান্ত হয়ে পড়লেন , তখন তিনি বললেনঃ পরের বছর যখন আসবে , সে যতটা চড়েছে ততটা চড়ুক আর যে চড়বে তাকে চড়তে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۵۷) حدَّثَنَا عَبِیدَۃُ بْنُ حُمَیْدٍ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ فِی رَجُلٍ یَکُونُ عَلَیْہِ مَشْیٌ إلَی الْبَیْتِ ، فَیَمْشِی ، ثُمَّ یُعَیِّی ، قَالَ : یَرْکَبُ ، فَإِذَا کَانَ قَابِلٌ رَکِبَ مَا مَشَی ، وَمَشَی مَا رَکِبَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12557) হজরত ইব্রাহীম (রা. ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, এক ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞেস করলেন যে, তিনি আল্লাহর ঘরে যাওয়ার শপথ নিয়েছিলেন , অতঃপর যখন তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়লেন , তখন তিনি আরোহণ করলেন , তিনি বললেন : পরের বছর যখন আসবে , তত বেশি । তিনি যেমন চড়েছেন, তাকে তার হৃদয় দিয়ে হাঁটতে দিন , এবং যে তার হৃদয় দিয়ে হেঁটেছে তাকে চড়তে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۵۸) حدَّثَنَا أبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ فِی الرَّجُلِ یَقُولُ عَلَیَّ الْمَشْیُ إلَی الْکَعْبَۃِ ، قَالَ : ہَذَا نَذْرٌ ، فَلْیَمْشِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12558 ) হজরত ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে , এক ব্যক্তি আমাকে বলেন, কাবার দিকে কোন দিকে হাঁটতে হবে , তিনি বললেন । এটা একটা ব্রত , সে মন চায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۵۹) حدَّثَنَا حمَّادُ بْنُ خَالِدٍ الْخَیَّاطُ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ ہِلاَلٍ سَمِعَ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ یَقُولُ : مَنْ قَالَ عَلَیَّ الْمَشْیُ إلَی بَیْتِ اللہِ ، فَلَیْسَ بِشَیْئٍ إلاَّ أَنْ یَقُولَ : عَلَیَّ نَذْرُ مَشْیٍ إلَی الْکَعْبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12559) হজরত মুহাম্মদ বিন হিলাল বলেন , আমি হজরত সাঈদ বিন আল-মুসাইব (রা.) থেকে শুনেছি যে , তিনি বলেন , যে ব্যক্তি আমাকে আল্লাহর ঘরের দিকে খোলা মনে হেঁটে যেতে বলে , তাহলে সে এ কথা না বলা পর্যন্ত কিছুই নয় আমার জন্য মন দিয়ে কাবার দিকে হেঁটে যাওয়ার শপথ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۶۰) حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، قَالَ : جَعَلَ رَجُلٌ مِنَّا عَلَیْہِ الْمَشْیَ إلَی الْبَیْتِ فی شَیء فَأَتَی الْقَاسِمَ فَسَأَلَہُ عَنْ ذَلِکَ ، فَقَالَ : یَمْشِی إلَی الْبَیْتِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12560) হজরত হিশাম বিন আরওয়া বলেন, আমাদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বলল , ‘ আমাকে কিছু কাজের জন্য আল্লাহর ঘরের দিকে যেতে হবে । ’ অতঃপর তিনি হযরত কাসিম (রহ.)- এর কাছে এলেন এবং তিনি আপনার কাছ থেকে জানতে পারলেন , তিনি বললেন : তাকে যেতে হবে আল্লাহর ঘরের দিকে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۶۱) حدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ یَزِیدَ أبی إبْرَاہِیمَ التَّیْمِیِّ ، قَالَ : إذَا قَالَ الرَّجُلُ : لِلَّہِ عَلَیَّ ، أَوْ عَلَیْہِ حَجَّۃٌ فَسَوَائٌ ، وَإذَا قَالَ : لِلَّہِ عَلَیَّ نَذْرٌ ، أو عَلَیَّ للہ ، فَسَوَائٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12561 ) হযরত ইয়াযীদ আবি ইবরাহীম মুলতাইমী বলেন , যখন কোন ব্যক্তি বলে যে , এটা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বা আমার উপর হজ করা হবে , তখন উভয়ই সমান এবং যখন সে বলে , ‘ হ্যাঁ ’ আমার উপর একটি মানত বা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এটি আমার উপর, তাহলে এ দুটি সমান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۶۲) حدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَیُّوبَ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ زَیْدٍ ، قَالَ : جَائَ رَجُلاَنِ إلَی الْقَاسِمِ فَسَأَلاَہُ وَأَنَا أَسْمَعُ ، عَنْ رَجُلٍ جَعَلَ عَلَیْہِ الْمَشْیَ إلَی بَیْتِ اللہِ ، قَالَ : فَقَالَ الْقَاسِمُ : أَنَذْرٌ ؟ قَالَ : لاَ قَالَ : فَلْیُکَفِّرْ یَمِینَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12562) হজরত উমর বিন যায়দ বলেন , দুই ব্যক্তি হজরত কাসিম ( রা . ) - এর কাছে এলেন এবং তিনি প্রশ্নটি শুনছিলেন , তাদের একজন বললেন , বায়ত আল্লাহ আমার ওপর আছে কি না ? তিনি বললেন না , আপনি বললেনঃ তাহলে তার কাফফারা দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۶۳) حدَّثَنَا حفص ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، عَنْ عُمَرَ رضی اللَّہُ عَنْہُ ، قَالَ : نَذَرْت نَذْرًا فِی الْجَاہِلِیَّۃِ ، ثُمَّ أَسْلَمْت ، فَسَأَلْت النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَنِی أَنْ أُوفِی نَذْرِی۔ (بخاری ۲۰۴۲۔ ابوداؤد ۳۳۱۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( 12563 ) হজরত উমর ( রা . ) বলেন , আমি জাহিলিয়াতের যুগে মানত করেছিলাম এবং তারপর আমি মুসলমান হয়েছিলাম । তার উপর হতে পারে ) ? আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাকে আমার মানত পূর্ণ করার নির্দেশ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۶۴) حدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ قَالَ : کُلُّ یَمِینٍ حلف بہا ہی للہ برۃ یوفی بہا فی الإسلام۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৫৬৪ ) হজরত তাউস বলেন , যে শপথ করা হয় তা আল্লাহর জন্য একটি উত্তম ও কল্যাণকর কাজ , তাই ইসলামে তা পূরণ করতে হবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۶۵) حدَّثَنَا حَفْص ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوس فِی رَجُلٍ نَذَرَ فِی الْجَاہِلِیَّۃِ ، ثُمَّ أَسْلَمَ ، قَالَ : یُوفِی بنذْرِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৫৬৫ ) হজরত তাউস থেকে বর্ণিত হয়েছে যে , এক ব্যক্তি জাহিলিয়াতে মানত করে মুসলমান হয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۶۶) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الْہُذَلِیِّ ، أَنَّ امْرَأَۃً نَذَرَتْ أَنْ تُسْرج فِی بَیْعَۃٍ وَہِیَ نَصْرَانِیَّۃٌ ، فَأَسْلَمَتْ فَأَرَادَتْ أَنْ تُوْفِیَ بنذْرِہَا ، قَالَ الْحَسَنُ وَقَتَادَۃُ : تُسْرج فِی مَسَاجِدِ الْمُسْلِمِینَ ، وَقَالَ ابْنُ سِیرِینَ : لَیْسَ عَلَیْہَا شَیْئٌ ، فَعَرَضْت أَقَاوِیلَہُمْ عَلَی الشَّعْبِیِّ ، فَقَالَ : أَصَابَ الأَصَمُّ وَأَخْطَأَ صَاحِبَاکَ ، ہَدَمَ الإِسْلاَمُ مَا کَانَ قَبْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12566 ) হযরত আল-হাযলী বলেন , একজন খ্রিস্টান মহিলা মানত করেছিলেন যে তিনি কোন কোয়ার্টারে একটি প্রদীপ জ্বালাবেন , তারপর তিনি মুসলমান হয়ে গেলেন, তারপর তিনি তার মানত পূর্ণ করলেন হযরত হাসান এবং হযরত কাতাদাহ বললেন যে তিনি প্রদীপ জ্বালাবেন মুসলমানদের মসজিদে বাতি জ্বালানো হয় এবং হযরত ইবনে সীরীন বলেন যে , তিনি কোন কিছুর জন্য দায়ী নন , হযরত আল - হাযলী বলেন যে , আমি হযরত শাবির সামনে তার বক্তব্য বর্ণনা করেছিলাম এবং তিনি বলেন : উচ্চ শ্রোতা ( ইবনে সীরীন ) সঠিক । তিনি বলেছেন এবং আপনার সঙ্গীরা অন্যায় করেছে , ইসলাম পূর্বের জিনিসগুলিকে ধ্বংস করে দেয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۶۷) حدَّثَنَا غنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُرَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَنَّہُ نَہَی عَنِ النَّذْرِ ، وَقَالَ : أَنَّہُ لاَ یَأْتِی بِخَیْرٍ ، وَإِنَّمَا یُسْتَخْرَجُ بِہِ مِنَ الْبَخِیلِ۔ (بخاری ۶۶۰۸۔ مسلم ۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(12567) হজরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানত করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন : এটি ভাল এবং নিশ্চিতভাবে আসে না সে কৃপণের কাছ থেকে কিছু নেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۶۸) حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ جَدِّہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إیَّاکُمْ وَالنَّذْرَ ، فَإِنَّ اللَّہَ لاَ یُنْعِمُ نِعْمَۃً عَلَی الرُّشَا ، وَإِنَّمَا ہُوَ شَیْئٌ یُسْتَخْرَجُ بِہِ مِنَ الْبَخِیلِ۔ (بخاری ۶۶۹۴۔ ابوداؤد ۳۲۸۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( 12568 ) আবু হুরায়রা ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মানত থেকে সাবধান , নিশ্চয়ই আল্লাহ ঘুষ দানকারীকে বরকত দেন না এটি কৃপণ থেকে কিছু আহরণের উৎস ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۶۹) حدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، أَنَّہُ قَالَ : لاَ أَنْذِرُ نَذْرًا أَبَدًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12569 ) হজরত আবু হারি বলেন , আমি কখনো মানত গ্রহণ করব না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۷۰) حدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا قَتَلَ الْمُسْلِمُ الذِّمِّیَّ فَلَیْسَ عَلَیْہِ کَفَّارَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12570) হজরত হাসান বলেন , কোনো মুসলমান যখন কোনো জিম্মিকে হত্যা করে , তখন তার কোনো কাফফারা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۵۷۱) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عن قیس ، عَنِ الشَّعْبِیِّ فِی الْمُسْلِمِ یَقْتُلُ الذِّمِّیَّ خَطَأً ، قَالَ : کَفَّارَتُہُمَا سَوَائٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12571) হজরত শাবি বলেন , কোনো মুসলমান ভুলবশত কোনো যিম্মীকে হত্যা করলে উভয়ের কাফফারা সমান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৫৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস