(৯) হায়েজ [হাদিসের সীমা (২৯৪ - ৩৩৩), সর্বমোট হাদিসঃ ৪১টি]

৬/২০. অধ্যায়ঃ [মোট হাদিসঃ ১টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৩টি]


হায়েযকালীন সালাতের কাযা নেই।


জাবির ইব্‌ন ‘আবদুল্লাহ্‌ ও আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, ( স্ত্রীলোক হায়েযকালীন সময়ে) সালাত ছেড়ে দেবে।



326 OK

(৩২১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، قَالَ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، قَالَ حَدَّثَتْنِي مُعَاذَةُ، أَنَّ امْرَأَةً، قَالَتْ لِعَائِشَةَ أَتَجْزِي إِحْدَانَا صَلاَتَهَا إِذَا طَهُرَتْ فَقَالَتْ أَحَرُورِيَّةٌ أَنْتِ كُنَّا نَحِيضُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَلاَ يَأْمُرُنَا بِهِ‏.‏ أَوْ قَالَتْ فَلاَ نَفْعَلُهُ‏.‏


মু’আযাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

জনৈকা মহিলা ‘আয়িশা (রাঃ) কে বললেনঃ হায়েযকালীন কাযা সালাত পবিত্র হওয়ার পর আদায় করলে আমাদের জন্য চলবে কি-না? ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ তুমি কি হারূরিয়্যাহ? (খারিজীদের একদল) [১] আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়ে ঋতুবতী হতাম কিন্তু তিনি আমাদের সালাত কাযার নির্দেশ দিতেন না। অথবা তিনি [‘আয়িশা (রাঃ)] বলেনঃ আমরা তা কাযা করতাম না।

(মুসলিম ৩/১৫, হাঃ ৩৩৫, আহমাদ ২৪৭১৪) (আ.প্র. ৩১০, ই.ফা. ৩১৫) [সহিহ বুখারী : ৩২১]


[[১] খারিজীদের একটি দল যারা ঋতুবতীর জন্য সালাতের কাযা ওয়াজিব মনে করত। (আইনী, ৩খ ৩০০ পৃ.)]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস