
(۱۲۱۶۵) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ وَہْبٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَسَنَۃَ ، قَالَ : کُنت أَنَا وَعَمْرُو بْنُ الْعَاصِ جَالِسَیْنِ ، فَخَرَجَ عَلَیْنَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَمَعَہُ دَرَقَۃٌ ، أَوْ شَبَہُہَا ، فَاسْتَتَرَ بِہَا ، ثُمَّ بَالَ وَہُوَ جَالِسٌ ، فَقُلْنَا : تَبُول یَا رَسُولَ اللہِ کَمَا تَبُولُ الْمَرْأَۃُ ، قَالَ : فَجَائَنَا ، فَقَالَ : أَوَمَا عَلِمْتُمْ مَا أَصَابَ صَاحِبَ بَنِی إسْرَائِیلَ ، کَانَ الرَّجُلُ مِنْہُمْ إذَا أَصَابَہُ الشَّیئُ مِنَ الْبَوْلِ قَرَضَہُ بِالْمِقْرَاضِ فَنَہَاہُمْ عَنْ ذَلِکَ فَعُذِّبَ فِی قَبْرِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12165) হজরত আবদ আল-রহমান ইবনে হাসনা বলেন , আমি এবং হজরত আমর ইবনে আল-আস বসে ছিলাম , মহানবী ( সা . ) আমাদের সঙ্গে দেখা করতে আসলেন , তিনি ( সা . ) রসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর একটি চামড়ার ঢাল বা অনুরূপ কিছু ছিল , তিনি ( রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) তা সরিয়ে নিলেন এবং উপশমের জন্য বসলেন । আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) নারীর মত মলত্যাগ করেছেন ! তিনি ( রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ) আমাদের কাছে এসে বললেনঃ তোমরা কি জান না ইসরাঈলের লোকদের কি হচ্ছে ? কারো কাপড়ে এক ফোঁটা প্রস্রাব পড়লে সে কাঁচি দিয়ে কেটে ফেলত , তাই বন্ধ করলে তাকে কবরে শাস্তি দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۶۶) حدَّثَنَا عَبِیدَۃُ بْنُ حُمَیْدٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ سَعْدٍ ، أَنَّہُ قَالَ لِبَنِیہِ أی بَنِیَّ تَعَوَّذُوا بِاللَّہِ بِکَلِمَاتٍ کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَتَعَوَّذُ بِہِنَّ ۔۔۔ ، فَذَکَرَ عَذَابَ الْقَبْرِ۔ (بخاری ۶۳۷۴۔ ترمذی ۳۵۶۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( 12166 ) হজরত মুসআব ইবনে সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত যে, হজরত সাদ (রা.) তার ছেলেকে বললেন , হে বৎস ! মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে শব্দের দ্বারা আশ্রয় প্রার্থনা করতেন , এ কথার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করুন, তারপর তিনি কবরের আযাবের কথা উল্লেখ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۶۷) حدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْر ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ سَعْدٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، مِثْلَہُ۔ (بخاری ۶۳۷۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(12167) হজরত মুসআব ইবনে সাদ (রা.) থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۶۸) حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَیْدٍ ، حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ کَیْسَانَ ، عَنْ أَبِی حَازِمٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : مَرَّ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَلَی قَبْرٍ فَوَقَفَ عَلَیْہِ ، فَقَالَ : ائْتُونِی بِجَرِیدَتَیْنِ ، فَجَعَلَ إحْدَاہُمَا عِنْدَ رَأْسِہِ ، وَالأُخْرَی عِنْدَ رِجْلَیْہِ ، فَقِیلَ لَہُ : یَا رَسُولَ اللہِ أَیَنْفَعُہُ ذَلِکَ ؟ فَقَالَ : لَعَلَّہُ یُخَفِّفُ عَنْہُ بَعْضَ عَذَابِ الْقَبْرِ مَا فِیہِ نُدُوَّۃٌ۔ (احمد ۲/۴۴۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(12168) হজরত আবু হুরায়রা ( রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন , তখন তিনি তার পাশে দাঁড়ালেন এবং বললেন , আমার কাছে দুটি খেজুর আছে। তারপর কিছু লাঠি নিয়ে এসো । আপনি ( রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ) খেজুর গাছের একটি লাঠি তাঁর মাথার কাছে এবং অন্যটি তাঁর পায়ের কাছে রাখলেন এবং বললেন , ইয়া রাসূলাল্লাহ ! এটা কি তার উপকারে আসবে ? তিনি ( রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ যতক্ষণ তাদের মধ্যে তরল থাকবে ততক্ষণ তাদের থেকে কবরের আযাব কিছুটা কম হবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۶۹) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَسْوَد بْنِ شَیْبَانَ ، قَالَ : حدَّثَنِی بَحْرُ بْنُ مَرَّارٍ ، عَنْ جَدِّہِ أَبِی بَکْرَۃَ ، قَالَ : کُنْتُ أَمْشِی مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَمَرَّ عَلَی قَبْرَیْنِ ، فَقَالَ : إنَّہُمَا لَیُعَذَّبَانِ مَنْ یَأْتِینِی بِجَرِیدَۃٍ ؟ فَاسْتَبَقْتُ أَنَا وَرَجُلٌ فَأَتَیْنَا بِہَا ، قَالَ : فَشَقَّہَا مِنْ رَأْسِہَا ، فَغَرَسَ عَلَی ہَذَا وَاحِدَۃً ، وَعَلَی ہَذَا وَاحِدَۃً ، وَقَالَ : لَعَلَّہ یُخَفَّفُ عَنْہُمَا مَا بَقِیَ فِیہِمَا مِنْ بُلُولَتِہِمَا شَیْئٌ ، إن یُعَذَّبَانِ لفِی الْغِیبَۃِ وَالْبَوْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12169) হজরত বাহর বিন মারার তার দাদা হজরত আবু বকরা ( রা . ) থেকে বর্ণনা করেন , তিনি বলেন , তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) দু’টি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তারা উভয়েই শাস্তি ভোগ করছে আল্লাহর রহমতে ) কাঠটি তার প্রান্ত থেকে ছিঁড়ে ভাগ করে ফেললেন এবং একটি কবরের উপর এবং অন্যটি কবরের উপর রাখলেন এবং বললেন : যতক্ষণ এই গাছগুলি থাকবে , সম্ভবত কারণএতে তাদের শাস্তি কমে যাবে ( মূর্তিপূজা ও প্রস্রাবের ফোঁটা না এড়ানোর কারণে ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۷۰) حدَّثَنَا سُلَیْمَانُ بْنُ حَرْبٍ ، حدَّثَنَا أَبُو سَلَمَۃَ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ بَہْدَلَۃَ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ أَبِی جَبِیرَۃَ ، عَنْ یَعْلَی بْنِ سِیَابَۃَ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مَرَّ بِقَبْرٍ یُعَذَّبُ صَاحِبُہُ ، فَقَالَ : إنَّ صَاحِبَ ہَذَا الْقَبْرِ یُعَذَّبُ فِی غَیْرِ کَبِیرٍ ، ثُمَّ دَعَا بِجَرِیدَۃٍ فَوَضَعَہَا عَلَی قَبْرِہِ ، ثُمَّ قَالَ : لَعَلَّہُ یُخَفِّفُ عَنْہُ مَا کَانَتْ رَطْبَۃً۔ (مسندہ ۵۹۵۔ احمد ۴/۱۷۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(12170 ) হযরত আলী বিন সি আবা ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন একজনের কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন , যাকে আযাব দেয়া হচ্ছিল কোন মহৎ কাজের জন্য কবরে আযাব দেয়া হচ্ছে না , তখন আপনি ( রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) তার কাছে কিছু খেজুরের কাঠ চাইলেন এবং বললেন : সম্ভবত এর কারণেই তার শাস্তি তালগাছ যতদিন থাকবে ততদিন কমে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۷۱) حدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : مَرَّ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِقَبْرَیْنِ ، فَقَالَ : إنَّہُمَا لَیُعَذَّبَانِ وَمَا یُعَذَّبَانِ فِی کَبِیرٍ أَمَّا أَحَدُہُمَا ، فَکَانَ لاَ یَسْتَتِرُ مِنَ الْبَوْلِ، وَأَمَّا الآخَرُ ، فَکَانَ یَمْشِی بِالنَّمِیمَۃِ ، ثُمَّ أَخَذَ جَرِیدَۃً رَطْبَۃً فَشَقَّہَا نِصْفَیْنِ ، ثُمَّ غَرَسَ فِی کُلِّ قَبْرٍ وَاحِدَۃً ، فَقَالُوا : یَا رَسُولَ اللہِ لِمَ فَعَلْت ہَذَا ؟ قَالَ : لَعَلَّہُ أن یُخَفِّفُ عَنْہُمَا مَا لَمْ یَیْبَسَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12171) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ ( সা . ) দুটি কবরের পাশ দিয়ে গেলেন এবং বললেন , তাদের উভয়কেই শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, আর এর কারণ কী ? আযাব হচ্ছিল না , তাদের একজন নিঃশ্বাসের ফোঁটা থেকে রেহাই পায়নি এবং অন্যজন পেটুক , তখন আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) খেজুরের একটি ডাল ছিঁড়ে প্রতিটির উপর ঢেলে দিলেন তাদের কবরে সাহাবীগণ বললেন , হে আল্লাহ । রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ! আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কেন এমন করলেন ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ যতক্ষণ তারা নীরব থাকবে ততক্ষণ হয়তো তাদের শাস্তি লাঘব করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۷۲) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، سَمِعْتُ مُجَاہِدًا یُحَدِّثُ عَنْ طَاوُوسٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِمِثْلِہِ ، إِلاَّ أَنَّ وَکِیعًا ، قَالَ : فَدَعَا بِعَسِیبٍ رَطْبٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12172) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা. ) থেকে বর্ণিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۷۳) حدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ زِرٍّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : إذَا أُدْخِلَ الرَّجُلُ قَبْرَہُ ، فَإِنْ کَانَ مِنْ أَہْلِ السَّعَادَۃِ ثَبَّتَہُ اللَّہُ بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فَیُسْأَلُ مَا أَنْتَ فَیَقُولُ أَنَا عَبْدُ اللہِ حَیًّا وَمَیِّتًا وَأَشْہَدُ أَنْ لاَ إلَہَ إِلاَّ اللَّہُ وَأَشْہَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُہُ وَرَسُولُہُ ، قَالَ فَیُقَالُ کَذَلِکَ کُنْت ، قَالَ فَیُوَسَّعُ عَلَیْہِ قَبْرُہُ مَا شَائَ اللَّہُ وَیُفْتَحُ لَہُ بَابٌ إلَی الْجَنَّۃِ وَیُدْخَلُ عَلَیْہِ مِنْ رَوْحُہَا وَرِیحُہَا حَتَّی یُبْعَثَ ، وَأَمَّا الآخَرُ فَیُؤْتَی فِی قَبْرِہِ فَیُقَالُ لَہُ مَا أَنْتَ ثَلاَثُ مَرَّاتٍ فَیَقُولُ لاَ أَدْرِی فَیُقَال لَہُ لاَ دَرَیْت ثَلاَثَ مَرَّاتٍ ، ثُمَّ یُضَیَّقُ عَلَیْہِ قَبْرُہُ حَتَّی تَخْتَلِفَ أَضْلاَعُہُ ، أَوْ تَمَاسَّ وَتُرْسَلُ عَلَیْہِ حَیَّاتٌ مِنْ جَانِبِ الْقَبْرِ فَتَنْہَشُہُ وَتَأْکُلُہُ کُلَّمَا جَزِعَ وَصَاحَ قُمِعَ بِقِمَاعٍ مِنْ حَدِیدٍ ، أَوْ مِنْ نَارٍ وَیُفْتَحُ لَہُ بَابٌ إلَی النَّارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12173) হজরত আবদুল্লাহ (রা.) বলেন , যখন কোনো ব্যক্তিকে কবরে নামানো হয় , সে যদি উত্তম লোকদের অন্তর্ভুক্ত হয় , তাহলে আল্লাহ তায়ালা তার অন্তরকে প্রশ্ন ও উত্তরের জন্য মজবুত করে দেন , যদি জিজ্ঞেস করা হয়, তাহলে কে ? তিনি বলেন, আমি জীবিত অবস্থায় এবং মৃত্যু অবস্থায় আল্লাহর বান্দা এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং হযরত মুহাম্মদ ( সা. ) বলেছেন যে, আল্লাহর রাসূল ( সা . ) এবং আল্লাহর রহমত ) এমনই ছিল , অতঃপর তাঁর কবরকে আল্লাহ তায়ালা যতটা ইচ্ছা প্রশস্ত করে দেন এবং তার জন্য জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং জান্নাতের সুগন্ধি ও বাতাস তাতে প্রবেশ করানো হয় , যতক্ষণ না তা পুনরায় উত্থিত হয় । আর একজনকে কবরে নিয়ে আসা হলে জানা যায় সে কে ? তিনবার প্রশ্ন করা হবে , সে বলবে আমি জানি না , তাকে বলা হবে যে সে জানে না , তাকে তিনবার জিজ্ঞাসা করা হবে , তারপর তার উপর কবর এমনভাবে সংকীর্ণ করা হবে যে তার দেহ এবং পাঁজর মিলবে , এবং তাকে কামড়ানোর জন্য কবরের পাশ থেকে অনেক সাপ ছেড়ে দেওয়া হবে এবং যখনই সে চিৎকার করবে , তখনই তাকে লোহার আগুন দিয়ে আঘাত করা হবে এবং তার জন্য জাহান্নামের একটি দরজা খুলে দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۷۴) حدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَیْدَۃَ ، عَنِ الْبَرَائِ بْنِ عَازِبٍ {یُثَبِّتُ اللَّہُ الَّذِینَ آمَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فِی الْحَیَاۃِ الدُّنْیَا} ، قَالَ : التَّثْبِیتُ فِی الْحَیَاۃِ الدُّنْیَا إذَا جَائَ الْمَلَکَانِ إلَی الرَّجُلِ فِی الْقَبْرِ فَقَالاَ لَہُ : مَنْ رَبُّک ؟ فَقَالَ : رَبِّی اللَّہُ ، قَالاَ : وَمَا دِینُک ؟ قَالَ : دِینِی الإِسْلاَمُ قَالاَ : وَمَنْ نَبِیُّک ؟ قَالَ نَبِیِّی مُحَمَّدٌ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَذَلِکَ التَّثْبِیتُ فِی الْحَیَاۃِ الدُّنْیَا۔ (بخاری ۱۳۶۹۔ ابوداؤد ۴۷۱۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(12174) হজরত বারা বিন আজিব বলেন যে, পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে { ইয়ু থাবিতু আল্লাহু থা ইয়ি না আমানুয়া বি কওল-ই-থাবিত-ফী-ই-ইল-হা-ইয়া- ওয়া - তা - ইল - দুন - ইয়া- a } m i m dun ya ki zindagi y m এখানে স্থিরতা বলতে বোঝায় যখন কবরে একজন ব্যক্তির কাছে দুজন ফেরেশতা আসে , তখন তারা তাকে বলে , তোমার রব কে ? তিনি বলেন , আমার রব আল্লাহ । সে বলে ইসলাম আমার ধর্ম , তারা জিজ্ঞেস করে তোমার নবী কে ? তিনি বলেন , আমি হযরত মুহাম্মদ ( সা . ) । দুনিয়ার জীবন অটল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۷۵) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ السُّدِّیِّ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ رَفَعَہُ ، قَالَ : إِنَّہُ لَیَسْمَعُ خَفْقَ نِعَالِہِمْ إذَا وَلَّوْا مُدْبِرِینَ۔ (ابن حبان ۳۱۱۸۔ بزار ۸۷۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(12175) হজরত আবু হারি রাহ. - এর সূত্রে বর্ণিত আছে যে , মৃতকে দাফন করার পর লোকেরা যখন মুখ ফিরিয়ে নেয় , তখন তিনি তাদের জুতার আওয়াজ শুনতে পান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۷۶) حدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، حدَّثَنَا سُفْیَانَ ، عَنِ الأَسْوَد بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ نُبَیْحٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا سَعِیدٍ یَقُولُ مَا مِنْ جِنَازَۃٍ إِلاَّ تُنَاشِدُ حَمَلَتَہَا إِنْ کَانَتْ مُؤْمِنَۃً وَاللَّہُ عَنْہَا رَاضٍ قَالَتْ أَسْرِعُوا بِی وَإِنْ کَانَتْ کَافِرَۃً وَاللَّہُ عَنْہَا سَاخِطٌ قَالَتْ رُدُّونِی فَمَا شَیْئٌ إِلاَّ یَسْمَعُہُ إِلاَّ الثَّقَلَیْنِ وَلَوْ سَمِعَہُ الإِنْسَان جَزِعَ وَخَرِع۔ (عبدالرزاق ۶۲۵۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(12176) হজরত নাবীহ বলেন , আমি হজরত আবু সাঈদ (রা.) -এর কাছে শুনেছি যে , তিনি বলেন , কোনো জানাজা এমন নয় , কিন্তু তিনি তার বহনকারীকে বলেন (দাবি) যদি সে ঈমানদার হয় এবং আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন , তাহলে আমাকে দ্রুত নিয়ে যান এবং যদি তিনি বলেন । একজন কাফের এবং আল্লাহ তার প্রতি অসন্তুষ্ট হন, তখন তিনি বলেন, আমাকে ফিরিয়ে নাও , জ্বীন ও মানুষ ছাড়া তার কণ্ঠস্বর সুন্নাত । যদি একজন ব্যক্তি একটি কণ্ঠস্বর শুনতে পায়, সে চিৎকার করবে এবং দুর্বল ও দুর্বল হয়ে পড়বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۷۷) حدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ یَعْلَی بْنِ عَطَائٍ ، عَنْ تَمِیمٍ ، عَنْ غَیْلاَنَ بْنِ سَلَمَۃَ ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إلَی أَبِی الدَّرْدَائِ وَہُوَ مَرِیضٌ ، فَقَالَ : یَا أَبَا الدَّرْدَائِ إنَّک قَدْ أَصْبَحْتَ عَلَی جَنَاحِ فِرَاقِ الدُّنْیَا ، فَمُرْنِی بِأَمْرٍ یَنْفَعُنِی اللَّہُ بِہِ ، وَأَذْکُرُک بِہِ ، قَالَ : إنَّک مِنْ أُمَّۃٍ مُعَافَاۃٍ ، فَأَقِمِ الصَّلاَۃَ ، وَأَدِّ زَکَاۃَ مَالِکِ ، إِنْ کَانَ لَکَ ، وَصُمْ رَمَضَانَ وَاجْتَنِبِ الْفَوَاحِشَ ، ثُمَّ أَبْشِرْ ، قَالَ : ثُمَّ أَعَادَ الرَّجُلُ عَلَی أَبِی الدَّرْدَائِ ، فَقَالَ لَہُ مِثْلَ ذَلِکَ ، قَالَ شُعْبَۃُ : وَأَحْسَبُہُ أَعَادَ عَلَیْہِ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ ، وَرَدَّ عَلَیْہِ أَبُو الدَّرْدَائِ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ ، فَنَفَضَ الرَّجُلُ رِدَائَہُ ، وَقَالَ : {إنَّ الَّذِینَ یَکْتُمُونَ مَا أَنْزَلْنَا مِنَ الْبَیِّنَاتِ وَالْہُدَی مِنْ بَعْدِ مَا بَیَّنَّاہُ لِلنَّاسِ فِی الْکِتَابِ} إلَی قَوْلِہِ {وَیَلْعَنَہُمَ اللاَّعِنْونَ} فَقَالَ أَبُو الدَّرْدَائِ : عَلَیَّ الرَّجُلَ ، فَجَائَ فَقَالَ أَبُو الدَّرْدَائِ : مَا قُلْتَ ، قَالَ : کُنْتُ رَجُلاً مُعَلَّمًا عِنْدَکَ مِنَ الْعِلْمِ مَا لَیْسَ عِنْدِی ، فَأَرَدْت أَنْ تُحَدِّثَنِی بِمَا یَنْفَعُنِی اللَّہُ بِہِ ، فَلَمْ تَرُدَّ عَلَیَّ إِلاَّ قَوْلاً وَاحِدًا ، فَقَالَ لہ أَبُو الدَّرْدَائِ : اجْلِسْ ، ثُمَّ اعْقِلْ مَا أَقُولُ ، أَیْنَ أَنْتَ مِنْ یَوْمٍ لَیْسَ لَکَ مِنَ الأَرْضِ إِلاَّ عَرْضُ ذِرَاعَیْنِ فِی طُولِ أَرْبَعَۃِ أَذْرُعٍ ، أَقَبْلَ بِکَ أَہْلُک الَّذِینَ کَانُوا لاَ یُحِبُّونَ فِرَاقَک ، وَجُلَسَاؤُک ، وَإِخْوَانُک فَأَتْقَنوا عَلَیْک البُنْیَان ، ثُمَّ أَکْثَرُوا عَلَیْک التُّرَابَ ، ثُمَّ تَرَکُوک لِمَتَلِّکَ ذَلِکَ ، ثُمَّ جَائَک مَلَکَانِ أَسْوَدَانِ أَزْرَقَانِ جَعْدَانِ ، اسْمَاہُمَا مُنْکَرٌ وَنَکِیرٌ فَأَجْلَسَاک ، ثُمَّ سَأَلاَک مَا أَنْتَ أَمْ عَلَی مَاذَا کُنْت ؟ أم مَاذَا تَقُولُ فِی ہَذَا، فَإِنْ قُلْتَ: وَاللَّہِ مَا أَدْرِی ، سَمِعْتُ النَّاسَ قَالُوا قَوْلاً ، فَقُلْتُ ، فَقَد وَاللَّہِ رَدِیتَ ، وخَزِیتَ، وَہَوِیتَ ، وَإِنْ قُلْتَ : مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللہِ ، أَنْزَلَ اللَّہُ عَلَیْہِ کِتَابَہُ ، فآمَنْتُ بِہِ ، وَبِمَا جَائَ بِہِ ، فَقَدْ وَاللَّہِ نَجَوْتَ ، وَہُدِیتَ ، وَلَمْ تَسْتَطِعْ ذَلِکَ إِلاَّ بِتَثْبِیتٍ مِنَ اللہِ ، مَعَ مَا تَرَی مِنَ الشِّدَّۃِ وَالْخَوْفِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12177) হজরত তামিম বিন গাইলান বিন সালামা বলেন , এক ব্যক্তি হজরত আবু আল দারদাই- এর কাছে আসলেন এবং তিনি বললেন , হে আবু আল - দারদাই ! সত্যই , আমি পৃথিবী থেকে বিচ্ছেদের পাশে আছি ( বিচ্ছেদ কাছাকাছি ) । তিনি বলেছিলেন, সুস্থ জাতি আমার কাছ থেকে । নামায কায়েম করো , তোমার সম্পদে যাকাত থাকলে তা দাও , রমজানের রোজা রাখো, খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকো । রে লির কাছে সুসংবাদ আছে । এই লোকটি তখন একই প্রশ্নটি পুনরাবৃত্তি করে এবং তিনি তাকে একই উত্তর দেনশ্লোক ইয়া কাতমুউন মা আনজালনা মিন্না আলবা ইয়ি নাত ওয়ালহুদা মিন বাবি নাহু লিলান্নাস ফী ইয়া আল-কিতাব } থেকে { وَ لَنُمُ اللَعْنْنَ } [ আলব [কুরা ১৫৯ ] হযরত আবু আল - দারদাই বললেন, এই ব্যক্তিকে আমার কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যাও । চলো ! তখন তিনি তাকে বললেনঃ তুমি কি বললে ? তিনি বললেন, আপনি শিক্ষক, আপনার কাছে সেই জ্ঞান আছে যা আমার কাছে নেই । আমি আপনার কাছে এসেছি এই উদ্দেশ্য নিয়ে যে আপনি আমাকে সেই পনির শেখান । আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যা আমাকে লাভ দেবেন আমি তাই করব , কিন্তু আপনি রেখেছিলেন । আমাকে বারবার শুধু এই জিনিসটা বলছে । হযরত আবু আল - দারদাই তাকে বললেন , আমার পাশে বসুন এবং আমি যা বলি তা গ্রহণ করুন । সে দিন কোথায় ( সাঁতার কাটবে ) যেদিন দুই গজ চওড়া ও চার গজ লম্বা ছাড়া আর কিছুই থাকবে না , আর আপনি বিমুখ হয়ে যাবেন যারা আপনার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চান না , আপনার প্রতিবেশী ও তোমার ভাইয়েরা তোমার ওপর ভবনকে শক্তিশালী করবে । তারপর তারা আপনার উপর প্রচুর পরিমাণে ময়লা নিক্ষেপ করবে , তারপর তারা আপনাকে ধ্বংস হতে ছেড়ে দেবে , তারপরে দুটি কালো ফেরেশতা আপনার কাছে আসবে , যাদের পরনে হলুদ কাপড় এবং কোঁকড়ানো স্বর্ণকেশী নামটি অস্বীকার করা হয়েছে । দুজনেই তোর পাশে বসে তোকে প্রশ্ন করবে , তাইলে কি হয় ? এটা কার উপর ছিল ? তাহলে এই ব্যক্তি সম্পর্কে তিনি কি বলেন ? আপনি যদি বলেন , ঈশ্বরের কসম , আমি জানি না আমি লোকেদের কথা বলতে শুনেছি .আর যদি আপনি বলেন , মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আল্লাহর রাসুল এবং আল্লাহ তাঁর উপর কিতাব নাযিল করেছেন এবং এই কিতাবের উপর এবং তিনি যা নিয়ে এসেছেন , তবে আপনি যদি বিশ্বাস করেন তাহলে আল্লাহর কসম , আপনি পরিত্রাণ এবং নির্দেশনা পেয়েছেন , এবং আপনি তীব্রতা এবং ভয়ের কারণে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন না, তবে ঈশ্বর আপনার হৃদয়কে আশীর্বাদ করুন যদি আপনি এটিকে শক্তিশালী করেন তবে আপনি এটি দিতে পারেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۷۸) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ ابْنِ الأَصْبَہَانِیِّ ، عَنْ أَبِی حَازِمٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : أَطْفَالُ الْمُسْلِمِینَ فِی جَبَلٍ بَیْنَ إبْرَاہِیمَ وَسَارَۃَ یَکْفُلُونَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12178) হজরত আবু হুরায়রা ( রা.) থেকে বর্ণিত যে, মুসলমানদের সন্তানরা হজরত ইবরাহীম ও হজরত সারার সঙ্গে এক পাহাড়ে থাকবে এবং তাদের দেখভাল করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۷۹) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَدِیِّ بْنِ ثَابِتٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ الْبَرَائَ یَقُولُ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَمَّا مَاتَ إبْرَاہِیمُ ، قَالَ : أَمَا إنَّ لَہُ مُرْضِعًا فِی الْجَنَّۃِ۔ (احمد ۴/۳۰۰۔ ابن سعد ۱۳۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(12179) হজরত বারাই ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, হজরত ইবরাহীম ( রা . ) যখন মহানবী ( সা . ) - এর হাতে ইন্তেকাল করেন , তখন রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেন : নিশ্চয়ই জান্নাত তার জন্য নির্ধারিত । একটি স্তন্যপায়ী হিসাবে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۸۰) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّ لَہُ مُرْضِعًا فِی الْجَنَّۃِ تُتِمُّ بَقِیَّۃَ رَضَاعَتِہِ۔ (عبدالرزاق ۱۴۰۱۳۔ احمد ۴/۲۹۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( 12180 ) হজরত শাবি ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , মহানবী ( সা . ) বলেছেন , তার জন্য জান্নাতে একজন সেবিকা নিযুক্ত করা হয়েছে যে তাকে খাওয়াবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۸۱) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، أَنَّ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ صلی علیہ وَہُوَ ابْنُ سِتَّۃَ عَشَرَ شَہْرًا۔ (ابوداؤد ۳۱۸۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( 12181) হজরত আমীর বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মেয়ের জানাজা আদায় করেছিলেন , সে সময় তার বয়স ছিল ষোল মাস ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۸۲) حدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ رَبِیعٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ لَمْ یَکُنْ لاَ یَرَی بَأْسًا بِرَشِّ الْمَائِ عَلَی الْقَبْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12182) হজরত রাবী বলেন , হজরত হাসান কবরে পানি ছিটাতে কোনো সমস্যা আছে বলে মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۸۳) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِرَشِّ الْمَائِ عَلَی الْقَبْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12183) হজরত আবু জাফর ( রা . ) বলেন , কবরে পানি ছিটাতে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۸۴) حدَّثَنَا حَرَمِیُّ بْنُ عُمَارَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ بَکْرٍ ، قَالَ : کُنْتُ فِی جِنَازَۃٍ وَمَعَنَا زِیَادُ بْنُ جُبَیْرِ بْنُ حَیَّۃَ ، فَلَمَّا سَوَّوُا الْقَبْرَ صُبَّ عَلَیْہِ الْمَائَ ، فَذَہَبَ رَجُلٌ یَمَسُّہُ وَیُصْلِحُہُ ، فَقَالَ : زِیَادٌ یُکْرَہُ أَنْ تَمَسَّ الأَیْدِی الْقَبْرَ بَعْدَ مَا یُرَشُّ عَلَیْہِ الْمَائُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12184 ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে বকর বলেন যে , হযরত যায়েদ ইবনে জাবির ইবনে হায়াহ যখন কবরটি সমতল করা হয়েছিল , তখন তিনি সেখানে পানি ঢেলে কবর স্পর্শ করতে লাগলেন বলেছেন , কবরে পানি ঢালার পর হাত দিয়ে স্পর্শ করা নিষেধ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۸۵) حدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الْمِنْہَالِ ، عَنْ زَاذَانَ : عَنِ الْبَرَائِ ، قَالَ : خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی جِنَازَۃِ رَجُلٍ مِنَ الأَنْصَارِ ، فَانْتَہَیْنَا إلَی الْقَبْرِ وَلَمَّا یُلْحَدْ ، فَجَلَسَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَجَلَسْنَا حَوْلَہُ کَأَنَّمَا عَلَی رُؤُوسِنَا الطَّیْرُ ، وَفِی یَدِہِ عُودٌ یَنْکُتُ بِہِ ، فَرَفَعَ رَأْسَہُ ، فَقَالَ : اسْتَعِیذُوا بِاللَّہِ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ ، أَوْ مَرَّتَیْنِ ، ثُمَّ قَالَ : إنَّ الْعَبْدَ الْمُؤْمِنَ إذَا کَانَ فِی انْقِطَاعٍ مِنَ الدُّنْیَا وَإِقْبَالٍ مِنَ الآخِرَۃِ نَزَلَ إلَیْہِ مِنَ السَّمَائِ مَلاَئِکَۃٌ بِیضُ الْوُجُوہِ ، کَأَنَّ وُجُوہَہُمُ الشَّمْسُ ، حَتَّی یَجْلِسُونَ مِنْہُ مَدَّ الْبَصَرِ ، مَعَہُمْ کَفَنٌ مِنْ أَکْفَانِ الْجَنَّۃِ ، وَحَنُوطٌ مِنْ حَنُوطِ الْجَنَّۃِ ، ثُمَّ یَجِیئُ مَلَکُ الْمَوْتِ فَیَقْعُدُ عِنْدَ رَأْسِہِ فَیَقُولُ : أَیَّتُہَا النَّفْسُ الطَّیِّبَۃُ اخْرُجِی إلَی مَغْفِرَۃٍ مِنَ اللہِ وَرِضْوَانٍ ، فَتَخْرُجُ تَسِیلُ کَمَا تَسِیلُ الْقَطْرَۃُ مِنْ فِی السِّقَائِ فَیَأخذہا ، فَإِذَا أَخَذُوہَا لَمْ یَدَعُوہَا فِی یَدِہِ طَرْفَۃَ عَیْنٍ حَتَّی یَأْخُذُوہَا فَیَجْعَلُوہَا فِی ذَلِکَ الْکَفَنِ ، وَذَلِکَ الْحَنُوطِ ، فَیَخْرُجُ مِنْہَا کَأَطْیَبِ نَفْخَۃِ مِسْکٍ وُجِدَتْ عَلَی وَجْہِ الأَرْضِ ، فَیَصْعَدُونَ بِہَا فَلاَ یَمُرُّونَ بِہَا عَلَی مَلَکٍ مِنَ الْمَلاَئِکَۃِ إِلاَّ قَالُوا : مَا ہَذَا الرُّوحُ الطَّیِّبُ ؟ فَیَقُولُونَ: ہَذَا فُلاَنُ بْنُ فُلاَنٍ بِأَحْسَنِ أَسْمَائِہِ الَّتِی کَانَ یُسَمَّی بِہَا فِی الدُّنْیَا ، حَتَّی یَنْتَہُوا بِہَا إلَی السَّمَائِ الدُّنْیَا ، فَیَسْتَفْتِحُ فَیُفْتَحُ لَہُمْ ، فَیَسْتَقْبِلُہُ مِنْ کُلِّ سَمَائٍ مُقَرَّبُوہَا إلَی السَّمَائِ الَّتِی تَلِیہَا ، حَتَّی یَنْتَہِیَ بِہِ إلَی السَّمَائِ السَّابِعَۃِ ، قَالَ: فَیَقُولُ اللَّہُ تعالی اکْتُبُوا کِتَابَ عَبْدِی فِی عِلِّیِّینَ فِی السَّمَائِ الرَّابِعَۃِ، وَأَعِیدُوہُ إلَی الأَرْضِ، فَإِنِّی مِنْہَا خَلَقْتُہُمْ ، وَفِیہَا أُعِیدُہُمْ ، وَمِنْہَا أُخْرِجُہُمْ تَارَۃً أُخْرَی ، فَیُعَادُ رُوحُہُ فِی جَسَدِہِ ، وَیَأْتِیہِ مَلَکَانِ فَیُجْلِسَانِہِ فَیَقُولاَنِ لَہُ : مَنْ رَبُّک ؟ فَیَقُولُ : رَبِّی اللَّہُ فَیَقُولاَنِ لَہُ : مَا دِینُک ؟ فَیَقُولُ دِینِی الإِسْلاَمُ ، فَیَقُولاَنِ لَہُ : مَا ہَذَا الرَّجُلُ الَّذِی بُعِثَ فِیکُمْ ؟ فَیَقُولُ : ہُوَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : فَیَقُولاَنِ : مَا عَمَلُک بہ ؟ فَیَقُولُ : قَرَأْت کِتَابَ اللہِ وَآمَنْت بِہِ وَصَدَقْت بِہِ ، فَیُنَادِی مُنَادٍ مِنَ السَّمَائِ أَنْ صَدَقَ عَبْدِی فَأَفْرِشُوہُ مِنَ الْجَنَّۃِ ، وَأَلْبِسُوہُ مِنَ الْجَنَّۃِ ، وَافْتَحُوا لَہُ بَابًا إلَی الْجَنَّۃِ ، فَیَأْتِیہِ مِنْ طِیبِہَا وَرَوْحِہَا ، وَیُفْسَحُ لَہُ فِی قَبْرِہِ مَدَّ بَصَرِہِ ، وَیَأْتِیہِ رَجُلٌ حَسَنُ الْوَجْہِ ، حَسَنُ الثِّیَابِ ، طَیِّبُ الرِّیحِ ، فَیَقُولُ : أَبْشِرْ بِالَّذِی یَسُرُّک ، ہَذَا یَوْمُک الَّذِی کُنْت تُوعَدُ ، فَیَقُولُ : وَمَنْ أَنْتَ ؟ فَوَجْہُک الْوَجْہُ یَجِیئُ بِالْخَیْرِ ، فَیَقُولُ : أَنَا عَمَلُک الصَّالِحُ ، فَیَقُولُ : رَبِّ أَقِمِ السَّاعَۃَ ، رَبِّ أَقِمِ السَّاعَۃَ ، حَتَّی أَرْجِعَ إلَی أَہْلِی وَمَالِی ، وَإِنَّ الْعَبْدَ الْکَافِرَ إذَا کَانَ فِی انْقِطَاعٍ مِنَ الدُّنْیَا ، وَإِقْبَالٍ مِنَ الآخِرَۃِ ، نَزَلَ إلَیْہِ مِنَ السَّمَائِ مَلاَئِکَۃٌ سُودُ الْوُجُوہِ ، مَعَہُمَ الْمُسُوحُ ، حَتَّی یَجْلِسُونَ مِنْہُ مَدَّ الْبَصَرِ ، قَالَ : ثُمَّ یَجِیئُ مَلَکُ الْمَوْتِ ، حَتَّی یَجْلِسَ عِنْدَ رَأْسِہِ ، فَیَقُولُ : یَا أَیَّتُہَا النَّفْسُ الْخَبِیثَۃُ ، اخْرُجِی إلَی سَخَطِ اللہِ وَغَضَبِہِ ، قَالَ : فَتَفْرَّقُ فِی جَسَدِہِ ، قَالَ : فَتَخْرُجُ تُقَطَّعُ مَعَہَا الْعُرُوقُ وَالْعَصَبُ ، کَمَا تُنْزَعُ السَّفُّودَ مِنَ الصُّوفِ الْمَبْلُولِ ، فَیَأْخُذُوہَا فَإِذَا أَخَذُوہَا لَمْ یَدَعُوہَا فِی یَدِہِ طَرْفَۃَ عَیْنٍ حَتَّی یَأْخُذُوہَا فَیَجْعَلُوہَا فِی تِلْکَ الْمُسُوحِ ، فَیَخْرُجُ مِنْہَا کَأَنْتَنِ جِیفَۃٍ وُجِدَتْ عَلَی ظَہْرِ الأَرْضِ ، فَیَصْعَدُونَ بِہَا ، فَلاَ یَمُرُّونَ بِہَا عَلَی مَلَکٍ مِنَ الْمَلاَئِکَۃِ إِلاَّ قَالُوا : مَا ہَذَا الرُّوحُ الْخَبِیثُ ؟ فَیَقُولُونَ : فُلاَنُ بْنُ فُلاَنٍ ، بِأَقْبَحِ أَسْمَائِہِ الَّتِی کَانَ یُسَمَّی بِہَا فِی الدُّنْیَا حَتَّی یُنْتَہی بِہَا إلَی السَّمَائِ الدُّنْیَا ، فَیَسْتَفْتِحُونَ فَلاَ یُفْتَحُ لَہُ ، ثُمَّ قَرَأَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : {لاَ تُفَتَّحُ لَہُمْ أَبْوَابُ السَّمَائِ وَلاَ یَدْخُلُونَ الْجَنَّۃَ حَتَّی یَلِجَ الْجَمَلُ فِی سَمِّ الْخِیَاطِ} قَالَ : فَیَقُولُ اللَّہُ عَزَّ وَجَلَّ : اکْتُبُوا کِتَابَ عَبْدِی فِی سِجِّینٍ فِی الأَرْضِ السُّفْلَی ، وَأَعِیدُوہُ إلَی الأَرْضِ ، فَإِنِّی مِنْہَا خَلَقْتُہُمْ وَفِیہَا أُعِیدُہُمْ ، وَمِنْہَا أُخْرِجُہُمْ تَارَۃً أُخْرَی ، قَالَ : فَیُطْرَحُ رُوحُہُ طَرْحًا ، قَالَ : ثُمَّ قَرَأَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : {وَمَنْ یُشْرِکْ بِاَللَّہِ فَکَأَنَّمَا خَرَّ مِنَ السَّمَائِ فَتَخْطَفُہُ الطَّیْرُ أَوْ تَہْوِی بِہِ الرِّیحُ فِی مَکَان سَحِیقٍ} قَالَ : فَیُعَادُ رُوحُہُ فِی جَسَدِہِ ، وَیَأْتِیہِ مَلَکَانِ ، فَیُجْلِسَانِہِ فَیَقُولاَنِ لَہُ : مَنْ رَبُّک ؟ فَیَقُولُ : ہَاہَا لاَ أَدْرِی ، وَیَقُولاَنِ : لَہُ وَمَا دِینُک ، فَیَقُولُ : ہَاہَا لاَ أَدْرِی ، قَالَ : فَیُنَادِی مُنَادٍ مِنَ السَّمَائِ ، أفْرِشُوا لَہُ مِنَ النَّارِ ، وَأَلْبِسُوہُ مِنَ النَّارِ ، وَافْتَحُوا لَہُ بَابًا إلَی النَّارِ ، قَالَ : فَیَأْتِیہِ مِنْ حَرِّہَا وَسَمُومِہَا ، وَیُضَیَّقُ عَلَیْہِ قَبْرُہُ حَتَّی تَخْتَلِفَ فیہ أَضْلاَعُہُ ، وَیَأْتِیہِ رَجُلٌ قَبِیحُ الْوَجْہِ ، وَقَبِیحُ الثِّیَابِ ، مُنْتِنُ الرِّیحِ ، فَیَقُولُ : أَبْشِرْ بِالَّذِی یَسُوؤُک ، ہَذَا یَوْمُک الَّذِی کُنْت تُوعَدُ ، فَیَقُولُ : مَنْ أَنْتَ فَوَجْہُک الْوَجْہُ الَّذِی یَجِیئُ بِالشَّرِّ ؟ فَیَقُولُ : أَنَا عَمَلُک الْخَبِیثُ ، فَیَقُولُ : رَبِّ لاَ تُقِمِ السَّاعَۃَ ، رَبِّ لاَ تُقِمِ السَّاعَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12185 ) হজরত বারাই বলেন , আমরা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর আনসারীর জানাযায় গিয়েছিলাম যখন আমরা কবরে পৌছালাম এবং এখন পর্যন্ত তা না হলে মহানবী ( সা . ) তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) উপস্থিত হলেন এবং আমরাও তাঁর ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর চারপাশে এমনভাবে বসলাম যেভাবে আমাদের মাথায় পাখিরা বসে আছে । তাঁর ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) হাতে একটি লাঠি ছিল যা দিয়ে তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) মাটি কাটছিলেন এবং বললেন , হে লোক সকল ! কবরের আযাব থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাও ! তিনি এটি নয়বার পুনরাবৃত্তি করলেন এবং তারপর বললেন , যখন একজন মুমিনের দুনিয়ার সাথে তার সম্পর্ক শেষ করে আখেরাতের দিকে ফিরে যাওয়ার সময় আসে , তখন আকাশ থেকে সাদা মুখের ফেরেশতারা অবতরণ করেন । আসার সময় তাদের চেহারাগুলি মনে হয় । সূর্য হ্যাঁ , যতক্ষণ না তারা তার চোখের সামনে (পাশে) জান্নাতের কাফন ও জান্নাতের সুগন্ধি নিয়ে বসে থাকে , তখন মৃত্যুজগত এসে তার মাথার পাশে বসে থাকে এবং সে বলে , হে পবিত্র আত্মা ! যখন আমার থেকে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ক্ষমা বের হয় , তখন সেই আত্মা এমনভাবে প্রবাহিত হয় যেভাবে পানির ফোঁটা কস্তুরী থেকে বের হয় , তখন সে তা ধরে ফেলে , এক পলকের জন্যও তা ছাড়ে না চোখ , যতক্ষণ না সে একে কাফন ও সুগন্ধির মধ্যে রাখে , তা থেকে মুক্ত হয় কস্তুরীর সুগন্ধি যা পৃথিবীতে পাওয়া যায়অতঃপর সেই ফেরেশতারা এই শুদ্ধ আত্মা নিয়ে আকাশের দিকে আরোহণ করেন এবং তারা যে ফেরেশতাদের দল পাশ দিয়ে যায় তারা বলে : কে এই শুদ্ধ আত্মা ? তারা তাই বলে তাকে একটি ভাল নাম দিয়ে ডাকে , যেটি পৃথিবীতে তার ভাল এবং সুন্দর নাম ছিল , যতক্ষণ না তারা আসমান ও জমিনে পৌঁছায় , তখন তারা যখন দরজা খুলে দেয় , তাদের জন্য দরজা খোলা হয় এবং প্রতিটি স্বর্গের ঘনিষ্ঠ ফেরেশতারা তাদের স্বাগত জানায় । হ্যাঁ , সাতজন তাকে আকাশে নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত । তিনি ( রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ অতঃপর আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ আমার বান্দার কিতাবটি চতুর্থ আসমানে লিখুন এবং তা পৃথিবীতে স্থাপন করুন , আমি তাদের থেকে সৃষ্টি করেছি এবং আমি ফিরে আসবতাদের , এবং আমি তাদের ( কিয়ামতের দিন ) আবার বের করে আনবঅতঃপর তার রূহ তার দেহে প্রত্যাবর্তন করা হয় , দুইজন ফেরেশতা তার কাছে এসে তার পাশে বসে তাকে জিজ্ঞেস করে তোমার প্রভু কে ? সে বলে, আল্লাহ আমার রব , অতঃপর তারা তাকে জিজ্ঞেস করে , তোমার রব কে ? সে বলে যে আমার ধর্ম ইসলাম এবং তারপর তারা তাকে জিজ্ঞাসা করে কে এই ব্যক্তি যাকে আপনার কাছে পাঠানো হয়েছিল ? তিনি বলেন , তিনি আল্লাহর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) । তিনি বলেন, আপনি এটা সম্পর্কে কি জানেন ? সে বলবে , আমি আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করেছি , তাতে ঈমান এনেছি এবং সত্যায়ন করেছি । অতঃপর আকাশ থেকে একজন রসূল ডাকবেন যে , আমার বান্দা সত্য বলেছে, তার জন্য বেহেশত থেকে একটি বিছানা বিছিয়ে দাও এবং তাকে বেহেশতের কাপড় পরিয়ে দাও এবং তার জন্য জান্নাতের দরজা খুলে দাও , তারপর জান্নাতের সুগন্ধি এবং বাতাস তার কাছে আসবে এবং তার কবর সীমা পর্যন্ত প্রশস্ত করা হবে , এবং তার কাছে সুন্দর চেহারা, সুন্দর পোশাক এবং সুন্দর সুগন্ধযুক্ত একজন ব্যক্তি আসবেন তিনি বলবেন যে এই নিয়ামতগুলির সুসংবাদ রয়েছে যা আপনাকে খুশি করবে । . এই যে দিন তোমাকে ওয়াদা করা হয়েছিল , সেই ব্যক্তি জিজ্ঞেস করবে কে ? সে তার মুখের দিকে সদয় দৃষ্টি দিয়ে বলবে , আমি তোমার আমল ।একটি জাতি প্রতিষ্ঠা করুন ! হে প্রভু ! একটি ধার্মিক জাতি প্রতিষ্ঠা কর যাতে আমি আমার পরিবার ও সম্পদে ফিরে যেতে পারি । আর যখন দুনিয়ার সাথে কাফেরের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায় এবং আখিরাতে যাওয়ার সময় আসে, তখন আকাশ থেকে তার কাছে কালো মুখের ফেরেশতা আসে , তাদের সাথে পুরানো কম্বল নিয়ে বসে থাকে , তখন মালিক আলামুত আসে এবং তার মাথার পাশে বসে বলে, হে শুভ আত্মা ! তার থেকে আল্লাহর অসন্তুষ্টি ও ক্রোধ বেরিয়ে এলো , সে বললো, আত্মা তার শরীর থেকে এমনভাবে বের হয়ে যায় যে তার পেশী ও শিরা কেটে যায় । তারপর সে ভেজা কাপড় থেকে শিখকে টেনে বের করে , তারপর তাকে ধরে এবং চোখ পিটপিট করে । সে তাকে ধরে ফেলে .কোন কারনে ওরা ছেড়ে দেয় না , কম্বল দিলেও সেখান থেকে মৃতদেহের গন্ধ বের হয় , গন্ধের মতোপৃথিবীর .এটি এন- এ পাওয়া যায় । তারপর সেই ফেরেশতারা তার আত্মা নিয়ে আকাশের দিকে আরোহণ করে যখন তারা ফেরেশতাদের একটি দলের পাশ দিয়ে যায় , তারা এটি আবিষ্কার করে । এটা কার আত্মা ? তারা বলে যে অমুক অমুক অমুক এবং তাকে সেই বদনামে ডাকা যা দিয়ে তাকে দুনিয়াতে ডাকা হয় যতক্ষণ না তাকে স্বর্গে ও পৃথিবীতে নিয়ে যাওয়া হয় তখন ফেরেশতারা দরজা খুলে দেয় তার জন্য খোলা হয়নি । অতঃপর মহানবী ( সাঃ ) এই আয়াতটি পাঠ করলেনঃ [ আল - আরাফ 40 ] অতঃপর মহান আল্লাহ বলেন , আমার বান্দার কিতাব লিখে দাও , যে পৃথিবীর তলদেশে আছে । এবং আমি তাকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে দিলাম , নিশ্চয়ই আমি তাকে সৃষ্টি করেছি ।তাকে , এবং আমি তাকে তার কাছে ফিরিয়ে দেব , এবং তারপরে আবার ) আমি এটি থেকে বের করে নেব । তারপর তার আত্মাকে বের করে দেওয়া হয় অতঃপর মহানবী ( সা . ) তিনি তিলাওয়াত করলেন : {এবং আল্লাহর সাথে শরীক করা থেকে , এটি আসমান থেকে ছিল না, তাই এটি আসমান থেকে তুলে নেওয়া হয়েছিল এবং এটি সঠিক জায়গায় রয়েছে } [ আল - হাজ্জ 31] তারপর তিনি বললেন , তার আত্মা এটি তার দেহ তার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং দুইজন ফেরেশতা তার কাছে এসে বসে এবং তাকে বলে , তোমার প্রভু কে ? সে বলে হে হে আমি জানি না , তারা তাকে জিজ্ঞেস করে কোনটা তোমার । তিনি বলেন, আমি জানি না , তখন আকাশ থেকে তাকে ডাকে , তার জন্য জাহান্নাম থেকে একটি বিছানা বিছিয়ে দাও , এবং তাকে জাহান্নামের কাপড় পরিয়ে দাও, এবং তার জন্য জাহান্নামের দরজা খুলে দাও , তারপর তাপ এবং তার কাছে জাহান্নামের দুর্গন্ধ আসে এবং তার কবর তার উপর আঁটসাঁট করে রাখা হয় যতক্ষণ না তার পাঁজর না থাকে আমি এখানে প্রবেশ করব , অতঃপর একটি খারাপ আকৃতি , খারাপ পোশাক এবং দুর্গন্ধযুক্ত ব্যক্তি আসবে এবং আপনাকে সুসংবাদ বলবে । বেদনাদায়ক কষ্ট । এই যে দিন তোমাকে ওয়াদা করা হয়েছিল , সে জিজ্ঞেস করবে কে ? সে তার দিকে মন্দ মুখ করে বলবে, আমি তোমার খারাপ কাজ , তারপর সে বলবে, হে প্রভু, কাফের! বলো না , হে আমার রব ! বিচারের দিন মানবেন না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۸۶) حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، حدَّثَنَا الأَعْمَشُ حدَّثَنَا الْمِنْہَالُ ، عَنْ زَاذَانَ ، عَنِ الْبَرَائِ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِنَحْوِہِ وَزَادَ فِیہِ : وَالسِّجِّینُ تَحْتَ الأَرْضِ السُّفْلَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12186) হযরত বারী ( রা . ) থেকে অনুরূপভাবে বর্ণিত হয়েছে , এতে এ বিষয়টির সংযোজন রয়েছে যে , সাজিন হচ্ছে নিম্ন পৃথিবীর তলদেশ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۸۷) حدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ شَقِیقٍ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، قَالَ تَخْرُجُ نَفْسُ الْمُؤْمِنِ وَہِیَ أَطْیَبُ رِیحًا مِنَ الْمِسْکِ ، قَالَ فَتَصْعَدُ بِہَا الْمَلاَئِکَۃُ الَّذِینَ یَتَوَفَّوْنَہَا فَتَلْقَاہُمْ مَلاَئِکَۃٌ دُونَ الْمَائِ فَیَقُولُونَ مَنْ ہَذَا مَعَکُمْ فَیَقُولُونَ فُلاَنُ بْنُ فُلاَنٍ وَیَذْکُرُونَہُ بِأَحْسَنِ عَمَلِہِ فَیَقُولُونَ حَیَّاکُمُ اللَّہُ وَحَیَّا مَنْ مَعَکُمْ ، قَالَ فَتُفْتَحُ لَہُ أَبْوَابُ السَّمَائِ ، قَالَ فَیُشْرِقُ وَجْہُہُ ، قَالَ فَیَأْتِی الرَّبَّ وَلِوَجْہِہِ بُرْہَانٌ مِثْلُ الشَّمْسِ ، قَالَ وَأَمَّا الآخَرُ فَتَخْرُجُ نَفْسُہُ وَہِیَ أَنْتَنُ مِنَ الْجِیفَۃِ فَیَصْعَدُ بِہَا الَّذِینَ یَتَوَفَّوْنَہَا ، قَالَ فَتَلْقَاہُمَ مَلاَئِکَۃُ دُونَ السَّمَائِ فَیَقُولُونَ مَنْ ہَذَا مَعَکُمْ فَیَقُولُونَ ہَذَا فُلاَنٌ وَیَذْکُرُونَہُ بِأَسْوَإِ عَمَلِہِ ، قَالَ فَیَقُولُونَ رُدُّوہُ فَمَا ظَلَمَہُ اللَّہُ شَیْئًا وَقَرَأَ أَبُو مُوسَی ، (وَلاَ یَدْخُلُونَ الْجَنَّۃَ حَتَّی یَلِجَ الْجَمَلُ فِی سَمِّ الْخِیَاطِ)۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12187) হজরত আবু মুসা (রা.) বলেন , একজন মুমিনের রূহ কবজ করা হয় , তা কস্তুরীর উত্তম সুগন্ধে থাকে , তারপর যে ফেরেশতারা তার রূহ কবজ করেন , তারা তা গ্রহণ করেন এবং আকাশের দিকে আরোহণ করেন , তারপর তারা আকাশের নিচে ফেরেশতাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন , তারা জানেত চাইল . তোমার সাথে কে ? তারা অমুক ব্যক্তিকে উত্তর দেবে , তার নেক আমলের কথা উল্লেখ করবে , সেই ফেরেশতারা বলবে: আল্লাহ তোমাকে জীবিত রাখুক এবং তোমার সাথে যারা আছে , তার জন্য আকাশের দরজাগুলো খুলে দেয়া হবে আলোকিত হবে, অতঃপর তার রব আসবেন এবং তার মুখমন্ডল সূর্যের মত আলোকিত হবে , তারপর তিনি বলবেন :: অপর ব্যক্তির (কাফের) আত্মা বের করা হবে , এটি একটি মৃতদেহের মতো গন্ধ পাবে , অতঃপর ফেরেশতারা যারা নিয়ে গেল । তার আত্মা তার সাথে আরোহণ করবে , তারা নীচে মালাইকার সাথে দেখা করবে এবং তারা জিজ্ঞাসা করবে তোমার সাথে কে ? তারা এমনভাবে উত্তর দেবে এবং তার খারাপ কাজের কথাও উল্লেখ করবে , ফেরেশতারা বলবেন , তাকে ফিরিয়ে দাও তখন আল্লাহ তায়ালা তার উপর কোন যুলুম করেননি আমি ইয়া লিজ আল-জামাল ফী ওয়া সামি আল -খ ওয়াই আত }।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۸۸) حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : إنَّ الْمَیِّتَ لَیَسْمَعَ خَفْقَ نِعَالِہِمْ حِینَ یُوَلُّونَ عَنْہُ مُدْبِرِینَ ، فَإِنْ کَانَ مُؤْمِنًا کَانَتِ الصَّلاَۃُ عِنْدَ رَأْسِہِ وَکَانَتِ الزَّکَاۃُ عَنْ یَمِینِہِ وَکَانَ الصِّیَامُ عَنْ یَسَارِہِ وَکَانَ فِعْلُ الْخَیْرَاتِ مِنَ الصَّدَقَۃِ وَالصِّلَۃِ وَالْمَعْرُوفِ وَالإِحْسَانِ إلَی النَّاسِ عِنْدَ رِجْلَیْہِ فَیَؤتَی مِنْ قِبَلِ رَأْسِہِ فَتَقُولُ الصَّلاَۃُ مَا قِبَلِی مَدْخَلٌ وَیَأْتِی عَنْ یَمِینِہِ فَتَقُولُ الزَّکَاۃُ مَا قِبَلِی مَدْخَلٌ وَیَأْتِی عَنْ یَسَارِہِ فَیَقُولُ الصِّیَامُ مَا قِبَلِی مَدْخَل وَیَأْتِی مِنْ قِبَلِ رِجْلَیْہِ فَیَقُولُ فِعْلُ الْخَیْرِ مِنَ الصَّدَقَۃِ وَالصِّلَۃِ وَالْمَعْرُوفِ وَالإِحْسَانِ إلَی النَّاسِ مَا قِبَلِی مَدْخَلٌ ، قَالَ فَیُقَالُ لَہُ اجْلِسْ فَیَجْلِس قَدْ مُثِّلَتْ لَہُ الشَّمْسُ تَدَانَتْ لِلْغُرُوبِ فَیُقَالُ لَہُ أَخْبِرْنَا عَنْ مَا نَسْأَلُک عَنْہُ فَیَقُولُ دَعَوْنِی حَتَّی أُصَلِّیَ فَیُقَالُ لَہُ إنَّک سَتَفْعَلُ فَأَخْبِرْنَا عَمَّا نَسْأَلُک فَیَقُولُ وَعَمَّ تَسْأَلُونِی فَیَقُولُونَ أَرَأَیْت ہَذَا الرَّجُلَ الَّذِی کَانَ فِیکُمْ مَا تَقُولُ فِیہِ وَمَا تَشْہَدُ بِہِ عَلَیْہِ ، قَالَ فَیَقُولُ مُحَمَّدٌ فَیُقَالُ لَہُ نَعَمْ فَیَقُولُ أَشْہَدُ ، أَنَّہُ رَسُولُ اللہِ وَأَنَّہُ جَائَ بِالْبَیِّنَاتِ مِنْ عِنْدِ اللہِ فَصَدَّقْنَاہُ فَیُقَالُ لَہُ عَلَی ذَلِکَ حَیِیتَ وَعَلَی ذَلِکَ مُتَّ وَعَلَی ذَلِکَ تُبْعَثُ إِنْ شَائَ اللَّہُ تَعَالَی ، ثُمَّ یُفْسَحُ لَہُ فِی قَبْرِہِ سَبْعُونَ ذِرَاعًا وَیُنَوَّرُ لَہُ فِیہِ ، ثُمَّ یُفْتَحُ لَہُ بَابٌ إلَی الْجَنَّۃِ فَیُقَالُ لَہُ انْظُرْ إلَی مَا أَعَدَّ اللَّہُ لَکَ فِیہَا فَیَزْدَادُ غِبْطَۃً وَسُرُورًا ، ثُمَّ یُفْتَحُ لَہُ بَابٌ إلَی النَّارِ ، فَیُقَالُ لَہُ : ذَلِکَ مَقْعَدُک وَمَا أَعَدَّ اللَّہُ لَکَ فِیہَا لَو عَصَیتہ فَیَزْدَادُ غِبْطَۃً وَسُرُورًا ثُمَّ یُجْعَلُ نَسَمَۃً فی النَّسْمِ الطَّیِّبِ وَہِیَ طَیْرٌ خُضْرٌ تَعَلَّقَ بِشَجَرِ الْجَنَّۃِ وَیُعَادُ الْجِسْمُ إلَی مَا بُدِأَ مِنْہُ مِنَ التُّرَابِ فَذَلِکَ قَوْلُ اللہِ تَعَالَی : {یُثَبِّتُ اللَّہُ الَّذِینَ آمَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فِی الْحَیَاۃِ الدُّنْیَا ، وَفِی الآخِرَۃِ} قَالَ مُحَمَّدٌ ، قَالَ عُمَرُ بْنُ الْحَکَمِ بْنِ ثَوْبَانَ : ثُمَّ یُقَالُ لَہُ نَمْ فَیَنَامُ نَوْمَۃَ الْعَرُوسِ لاَ یُوقِظُہُ إِلاَّ أَحَبُّ أَہْلِہِ إلَیْہِ ، حَتَّی یَبْعَثَہُ اللَّہُ عَزَّ وَجَلَّ ، قَالَ مُحَمَّدٌ ، قَالَ أَبُو سَلَمَۃَ ، قَالَ أَبُو ہُرَیْرَۃَ ، وَإِنْ کَانَ کَافِرًا فَیؤْتَی مِنْ قِبَلِ رَأْسِہِ ، فَلاَ یُوجَدُ لَہُ شَیْئٌ ، ثُمَّ یَأْتِی عَنْ یَمِینِہِ فَلاَ یُوجَدُ لَہُ شَیْئٌ ، ثُمَّ یَأْتِی عَنْ شِمَالِہِ فَلاَ یُوجَدُ لَہُ شَیْئٌ ، ثُمَّ یَأْتِی مِنْ قِبَلِ رِجْلَیْہِ فَلاَ یُوجَدُ لَہُ شَیْئٌ ، فَیُقَالُ لَہُ : اجْلِسْ فَیَجْلِسُ فَزِعًا مَرْعُوبًا ، فَیُقَالُ لَہُ : أَخْبِرْنَا عَمَّا نَسْأَلُک عَنْہُ ؟ فَیَقُولُ : وَعَمَّ تَسْأَلُونِی ؟ فَیُقَالُ : أَرَأَیْت ہَذَا الرَّجُلَ الَّذِی کَانَ فِیکُمْ مَاذَا تَقُولُ فِیہِ وَمَاذَا تَشْہَدُ بِہِ عَلَیْہِ ، قَالَ : فَیَقُولُ : أَیُّ رَجُلٍ ؟ قَالَ : فَیُقَالُ الَّذِی فِیکُمْ فَلاَ یَہْتَدِی لاِسْمِہِ فَیُقَالُ : مُحَمَّدٌ فَیَقُولُ : لاَ أَدْرِی سَمِعْت النَّاسَ یَقُولُونَ قَوْلاً فَقُلْت کَمَا قَالُوا : فَیُقَالُ عَلَی ذَلِکَ حَیِیتَ ، وَعَلَی ذَلِکَ مُتَّ ، وَعَلَی ذَلِکَ تَبْعَثُ إِنْ شَائَ اللَّہُ ، ثُمَّ یُفْتَحُ لَہُ بَابٌ إلَی النَّارِ ، فَیُقَالُ لَہُ ذَلِکَ مَقْعَدُک وَمَا أَعَدَّ اللَّہُ لَکَ فِیہَا ، فَیَزْدَادُ حَسْرَۃً وَثُبُورًا ، ثُمَّ یُفْتَحُ لَہُ بَابٌ إلَی الجَنَّۃَ فَیُقَالُ لَہُ ذَلِکَ مَقْعَدُک مِنْہَا فَیَزْدَاد حَسْرَۃً وَثُبُورًا ، ثُمَّ یُضَیَّقُ عَلَیْہِ قَبْرُہُ حَتَّی تَخْتَلِفَ أَضْلاَعُہُ ، وَہِیَ الْمَعِیشَۃُ الضَّنْکُ الَّتِی قَالَ اللَّہُ تَعَالَی : {فَإِنَّ لَہُ مَعِیشَۃً ضَنْکًا وَنَحْشُرُہُ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ أَعْمَی}۔ (عبدالرزاق ۶۷۰۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( 12188 ) হজরত আবু হারি রহ. বলেন , নিঃসন্দেহে মৃত ব্যক্তি যখন তাকে দাফন করে ফিরে আসে তখন জুতার আওয়াজ শুনতে পায়, তাহলে সে যদি মুমিন হয় , তাহলে তার মাথার কাছে যাকাত এবং রোজা রয়েছে তার বাম দিকে এবং তার নেক আমল , দান, রহমত , মানুষের প্রতি তার পায়ের পাতায় , তাহলে সেই শাস্তি যদি মাথার পাশ থেকে আসে, তাহলে আমি নামায বলব , প্রবেশের কোনো উপায় নেই আমার দিক থেকে যদি ধাত্রীর পাশ থেকে আসে , তাহলে বলবো , ডান দিক থেকে প্রবেশের কোনো উপায় নেই , যদি সে তার বাম দিক থেকে আসে , তাহলে রোজাদার বলবে , কোনো উপায় নেই । আমার দিক থেকে প্রবেশ কর , তখন সে তার পায়ের দিক থেকে আসবে, তাই তার নেক আমলকে দান, করুণা ও দয়া বলা হবে , আমাদের দিক থেকে প্রবেশের কোনো উপায় নেই । তখন তাকে বলা হবে , বস , সে বসবে যদি সে যায় তবে তার মনে হবে সূর্য অস্ত যাচ্ছে, ফেরেশতারা তাকে বলবে আমরা তোমাকে যা জিজ্ঞাসা করব তার উত্তর দিতে , সে বলবে আমাকে ছেড়ে দাও যাতে আমি এভাবে প্রার্থনা করতে দাও , তাকে বলা হবে, নিশ্চয় তুমি ইতিমধ্যে নামাজ পড়েছেন , বলুন আমরা আপনাকে কী জিজ্ঞাসা করব , তিনি বলবেন, আপনি আমাকে কী প্রশ্ন করছেন ? তিনি কী বলবেন এবং যাকে তিনি দেখেন যাকে আপনার কাছে পাঠানো হয়েছে তার সম্পর্কে তিনি কী বলেন ? এবং আমি তার সম্পর্কে কি সাক্ষ্য দেব ? তিনি মুহাম্মাদ ( সাঃ ) কে জিজ্ঞাসা করবেন ? তাকে বলা হবে: হ্যাঁ, তারপর সে বলবে: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে , তিনি আল্লাহর রাসুল এবং তিনি আমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট দলীল নিয়ে এসেছিলেন , তাই আমরা তাকে গ্রহণ করলাম , হ্যাঁ , ফেরেশতারা তাকে ডাকবে এর উপর আপনি জীবিত ছিলেন , আপনি এর উপর মারা গেছেন , এবং আপনি আবার এর উপর পুনরুত্থিত হবেন , খোদা ইচ্ছা । অতঃপর তার কবরকে সত্তর গজ লম্বা করা হবে এবং তার জন্য আলো তৈরি করা হবে , তারপর তার জন্য বেহেশতের দরজা খুলে দেয়া হবে । এবং তাকে বলা হবে , দেখ মহান আল্লাহ তোমাকে কি ওয়াদা দিয়েছেন , তার প্রভুত্ব এবং সুখ বাড়বে , তারপর তার জন্য জাহান্নামের দরজা খুলে দেওয়া হবে এবং তাকে বলা হবে , আল্লাহ তোমাকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা - ই তোমার বাসস্থান হত । জান্নাত । আর তার মৃতদেহ সেই মাটিতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে যেখান থেকে তার জন্ম হয়েছে এবং এ সম্পর্কে আল্লাহর বাণী : ইয়া আল - হা ইয়া ওয়া ِِ الدُّنْ ইয়া وَ فِي الْاخرَةِ } । মুহাম্মদ রাবী বলেন , হজরত উমর ইবনে হকম ইবনে সাওবান বলেছেন : তখন তাকে বলা হবে যে, সে কনের মতো আরামে ঘুমায় এবং তার স্বামীর উপস্থিতি ছাড়া তাকে জাগায় না , হ্যাঁ , ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তায়ালা তাকে ( উম্মতের দিনে ) উঠাবেন । মুহাম্মাদ রাবী বলেন , হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন : যদি সে কাফের হয় , তাহলে তাকে তার মাথার ওপর নিয়ে আসা হবে , তার জন্য শাস্তির কিছু পাওয়া যাবে না এবং তার জন্য কিছু পাওয়া যাবে না তার বাম দিকে আনা হবে , তারপর তার জন্য কিছু পাওয়া যাবে না , তারপর তার পায়ের দিকে আনা হবে এবং তার জন্য কিছুই পাওয়া যাবে না , তাকে বলা হবে, বসুন , সে ভীত হয়ে বসবে । , তাকে বলা হবে আমরা তাকে উত্তর দাও , সে বলবে তুমি আমাকে কি জিজ্ঞেস করছ ? তাকে বলা হবে , তোমার সাথে যে ব্যক্তি ছিল সে সম্পর্কে তুমি কি বল ? এবং এর সাক্ষ্য কি ? তিনি জিজ্ঞাসা করবেন কোন ব্যক্তি? তোমাদের মধ্যে যে ছিল তাকে ডাকা হবে, তাকে তার নাম দ্বারা পরিচালিত করা হবে না , তাকে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলা হবে , তারপর সে আমাকে বলবে , আমি জানি না লোকেদের কাছ থেকে শুনেছি, তাই আমিও তাই বললাম , বলা হবে আপনি এর উপর বেঁচে ছিলেন, আপনি এর উপর মারা গেছেন , কিন্তু দুবার , আল্লাহ ইচ্ছা, তাকে উপরে উঠানো হবে তার জন্য জাহান্নামের দরজা খুলে দেয়া হবে এবং তাকে বলা হবে , এটা তোমার আবাস , যার প্রতিশ্রুতি আল্লাহ তোমার জন্য রেখেছেন , তার দুঃখ ও মৃত্যু বৃদ্ধি পাবে , তারপর তার জন্য জান্নাতের দিকে একটি দরজা খুলে দেয়া হবে । এবং বলা হবে যে, সে তোমার আবাসস্থল ( যদি সে ভালো কাজ করত বা বিশ্বাস করত ) তাহলে তার দুঃখ ও ধ্বংস বৃদ্ধি পাবে , তারপর তার কবর তার উপর সংকীর্ণ হয়ে যাবে যতক্ষণ না তার পাঁজর অন্য জায়গায় আমি তোমার সাথে মিলিত হব । আর এটাই তার সংকীর্ণ জীবন , যা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন : .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۸۹) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حدَّثَنَا ہِشَامٌ الدَّسْتَوَائِیُّ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ السَّرَّاجِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ سَمِعَ رَجُلاً فِی جِنَازَۃٍ یَقُولُ : ارْفَعُوا عَلَی اسْمِ اللہِ ، فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ : لاَ تَقُولُوا ارْفَعُوا عَلَی اسْمِ اللہِ فَإِنَّ اسْمَ اللہِ عَلَی کُلِّ شَیْئٍ ، وَقُولُوا : ارْفَعُوا بِسْمِ اللہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12189) হজরত নাফি বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) জানাজার সময় এক ব্যক্তিকে বলতে শুনেছেন : আল্লাহর নামে তাকে তুলে নাও , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন । বলো না , আল্লাহর নামে উঠাও কারণ আল্লাহর নাম সব কিছুর উপরে , বরং বল, আল্লাহর নাম নিয়ে উঠো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۹۰) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سُلَیْمَانَ التَّیْمِیِّ ، عَنْ بَکْرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ الْمُزَنِیّ ، قَالَ : إذَا حَمَلْت السَّرِیرَ فَقُلْ : بِسْمِ اللہِ وَسَبِّحْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12190) হজরত বকর ইবনে আবদুল্লাহ আল-মুজানি বলেন , যখন তুমি বিছানা উঠাবে তখন বিসমিল্লাহ পাঠ করবে এবং তাসবিহ পাঠ করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۹۱) حدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ، عَنْ أَبِیہِ، عَنْ بَکْرِ بْنِ عَبْدِاللہِ قَالَ إذَا حَمَلَ، فَقَالَ: بِسْمِ اللہِ وَسَبَّحَ مَا حَمَلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12191) হজরত বকর ইবনে আবদুল্লাহ বলেন , আপনি যখন জানাজার খাট উঠান , তখন বিসমিল্লাহ পাঠ করুন এবং আল্লাহর প্রশংসা করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۹۲) حدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ الْقَطَّانُ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مُوسَی بْنِ أَبِی عَائِشَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُتْبَۃَ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، وَابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّ أَبَا بَکْرٍ قَبَّلَ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَعْدَ مَوْتِہِ۔ (بخاری ۵۷۱۱۔ ترمذی ۳۹۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(12192) হজরত আয়েশা ও হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বলেন , হজরত আবু বকর সাদিক ( রা . ) মৃত্যুর পর রাসূলুল্লাহ ( সা. ) - কে চুম্বন করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۹۳) حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ قَالَتْ : قَبَّّلَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عُثْمَانَ بْنَ مَظْعُونٍ وَہُوَ مَیِّتٌ فَرَأَیْت دُمُوعَہُ تَسِیلُ عَلَی خَدَّیْہِ۔ (ترمذی۹۸۹۔ ابوداؤد۳۱۵۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(12193) হজরত আয়েশা (রা.) বলেন যে , মহানবী ( সা . ) হজরত উসমান ইবনে মাযূন ( রা . ) - কে তাঁর মৃত্যুর পর চুম্বন করেছিলেন , আমি তাঁকে ( সা . ) দেখেছি, তাঁর অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছিল ধন্য মুখ
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۱۹۴) حدَّثَنَا مَرْحُومُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِیزِ ، عَنْ أَبِی عِمْرَانَ الْجَوْنِیِّ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ بَابَنُوسَ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، أَنَّ أَبَا بَکْرٍ قَبَّلَ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَعْدَ مَوْتِہِ۔ (ابن سعد ۲۶۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( 12194 ) হজরত আয়েশা (রা.) বলেন , হজরত আবু বকর সাদিক ( রা . ) মৃত্যুর পর রাসূলুল্লাহ ( সা. ) - কে চুম্বন করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২১৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস