
(۱۱۹۸۵) حدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الزِّبْرِقَانِ السَّرَّاجِ ، قَالَ : صَلَّی أَبُو وَائِلٍ عَلَی امْرَأَۃٍ مَاتَتْ فَقُلْت لَہُ : إِنَّہَا تُرَہَّقُ ، فَقَالَ : أی بُنَیَّ صَلِّ عَلَی مَنْ صَلَّی إلَی الْقِبْلَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 11985 ) হজরত জুবারকান আল - সাররাজ বলেন যে, হজরত আবু ওয়াইল একজন মহিলার জানাযার নামাযের ইমামতি করেছিলেন । তারা তার জানাযার নামায পড়েছেন যিনি কেবলার দিকে মুখ করে সালাত আদায় করেছিলেন ( তিনি একজন মুসলিম ছিলেন ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۸۶) حدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَد ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : صَلِّ عَلَی مَنْ صَلَّی إلَی قبلتک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11986) হজরত আত্তাই বলেন , যে ব্যক্তি তার কেবলার দিকে মুখ করে নামায পড়বে ( সে যাই হোক না কেন ) তার জানাজায় অংশ নেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۸۷) حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : مَا أَعْلَمُ ، أَنَّ أَحَدًا مِنْ أَہْلِ الْعِلْمِ ، وَلاَ التَّابِعِینَ ترَکَ الصَّلاَۃَ عَلَی أَحَدٍ مِنْ أَہْلِ الْقِبْلَۃِ تَأَثُمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11987) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , আমি জানি না যে , জ্ঞানী ও অনুসারীদের মধ্যে কেউ কিবলাবাসীর জানাযার নামায ত্যাগ করেছে এই ভেবে যে সে গুনাহগার ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۸۸) حدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ عَاصِمٍ ، قَالَ : قُلْتُ لِلْحَسَنِ إنَّ لِی جَارًا مِنَ الْخَوَارِجِ مَاتَ أَأَشْہَدُ جِنَازَتَہُ ؟ قَالَ أَخَرَجَ عَلَی الْمُسْلِمِینَ ؟ قَالَ : قُلْتُ لاَ قَالَ فَاشْہَدْ جِنَازَتَہُ فَإِنَّ الْعَمَلَ أَمْلَکُ بِہِ مِنَ الرَّأْیِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 11988 ) হজরত আসিম বলেন , আমি হজরত হাসানের কাছ থেকে জানতে পেরেছি যে , তিনি পাড়ার বাইরে ইন্তেকাল করেছেন এবং আমি কি তার জানাজায় অংশগ্রহণ করব ? মুসলমানরা বের হলে তিনি কি করতেন বলুন তো ? আমি বললাম না , আপনি বলেছেন : আপনি তার জানাজায় যান , মতামতের চেয়ে কর্ম গুরুত্বপূর্ণ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۸۹) حدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سُمْرَۃَ ، أَنَّ رَجُلاً مِنْ أَصْحَابِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَصَابَتْہُ جِرَاحَۃٌ فَآلَمَتْہُ بِہِ فَدَبَّ إلَی قرْنٍ لَہُ فِی سَیْفِہِ فَأَخَذَ مِشْقَصًا فَقَتَلَ بِہِ نَفْسَہُ فَلَمْ یُصَلِّ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَلَیْہِ ، وَذَکَرَ شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ ، قَالَ : إنَّمَا أَدَعُ الصَّلاَۃَ عَلَیْہِ أَدَبًا لَہُ۔ (مسلم ۱۰۷۔ ابوداؤد ۳۱۷۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(11989) হজরত জাবির ইবনে সামরাহ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সাহাবায়ে কেরাম আমার কাছ থেকে এক ব্যক্তিকে আহত করেছিলেন , যা তাকে ভীষণ কষ্ট দিয়েছিল , অতঃপর সে তার বাড়িতে গিয়ে আত্মহত্যা করে তরবারির ধার ও তার ফল , তাই নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জানাযার নামায পড়াননি । হজরত আবু জাফর (রা) বলেন , আমি তার জানাজা ছেড়ে দিয়েছিলাম তার কাছ থেকে সাহিত্য পাওয়ার জন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۹۰) حدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ عِمْرَانَ ، قَالَ : سَأَلْتُ إبْرَاہِیمَ النَّخَعِیّ عَنْ إنْسَانٍ قَتَلَ نَفْسَہُ أَیُصَلَّی عَلَیْہِ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، إنَّمَا الصَّلاَۃُ سُنَّـۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 11990 ) হজরত ইমরান বলেন , আমি হজরত ইব্রাহিম মু নাখাইয়ের কাছ থেকে জানতে পারলাম যে , এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে এবং সে তার জানাজা আদায় করেছে .আপনি কি যাবেন ? আপনি বলেছেন হ্যাঁ , জানাজা পড়া সুন্নত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۹۱) حدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ أصحَابِہ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ فِی السَّبِیِّ یُسْبَی مِنْ أَرْضِ الْعَدُو ، وَقَالَ : إذَا أَقَرَّ بِالتَّوْحِیدِ وَبِالشَّہَادَتَیْنِ صُلِّیَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 11991 ) হজরত ইবরাহীম ( আ . ) থেকে অবতীর্ণ হয় যে , শত্রুর দেশ থেকে বন্দী হওয়া বন্দীর হুকুম কী ? তিনি বলেন , যদি তিনি একেশ্বরবাদ ও শাহাদাত স্বীকার করেন , তাহলে তার জানাজা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۹۲) حدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنِ الْعَلاَئِ ، عَنْ خَیْثَمَۃَ ، قَالَ : إذْ صَلَّی مَرَّۃً صُلِّیَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১১৯৯২ ) হযরত খায়সামা বলেন , তিনি একবার নামায আদায় করলে তার জানাযার নামায পড়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۹۳) حدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا قَالَ : لاَ إلَہَ إِلاَّ اللَّہُ صُلِّیَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 11993) হজরত হাসান বলেন , যখন সে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করবে, তখন তার জানাজা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۹۴) حدَّثَنَا شَرِیکٌ، عَنْ عَبْدِاللہِ بْنِ عِیسَی، عَنْ عَبْدِاللہِ بْنِ جبْر، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ، قَالَ: کَانَ شَابٌّ یَہُودِیٌّ یَخْدُمُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَمَرِضَ فَأَتَاہُ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَعُودُہُ ، فَقَالَ : أَتَشْہَدُ أَنْ لاَ إلَہَ إِلاَّ اللَّہُ ، وَأَنِّی رَسُولُ اللہِ ، قَالَ : فَجَعَلَ یَنْظُرُ إلَی أَبِیہِ ، فَقَالَ : قُلْ کَمَا یَقُولُ لَکَ مُحَمَّدٌ ، فَقَالَ : ثُمَّ مَاتَ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : صَلُّوا عَلَی صَاحِبِکُمْ۔(حاکم ۳۶۳۔ بخاری ۵۶۵۲۔ احمد ۳/۲۶۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(11994) হযরত আনাস বিন মালিক বলেন যে A.K এক ইহুদী যুবক ছিল যে নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর খেদমত করত । তিনি তিশরীফকে ডেকে বললেনঃ তুমি কি সাক্ষ্য দিচ্ছ যে , আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং আমিই রাসূল ? আল্লাহর ? তিনি তার পিতার দিকে তাকালেন এবং তার পিতা বললেন , মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যেভাবে ইন্তেকাল করেছেন সেভাবে বল , তিনি ( রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) বলেছেন , তোমার সাথে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۹۵) حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سَہْلٍ السَّرَّاجِ ، قَالَ : سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ سِیرِینَ سُئِلَ عَنْ قَوْمٍ أَقْبَلُوا بِسَبْیٍ فَکَانُوا إِذَا أَمَرُوہُمْ أَنْ یُصَلُّوا صَلُّوا ، وَإِذَا لَمْ یَأْمُرُوہُمْ لَمْ یُصَلُّوا فَمَاتَ رَجُلٌ مِنْہُمْ ، فَقَالَ : تَبَیَّنَ لَکُمْ أَنَّہُ مِنْ أَصْحَابِ الْجَحِیمِ فَقَالُوا : لاَ مَا تَبَیَّنَ لَنَا ، قَالَ : اغْسِلُوہُ وَکَفِّنُوہُ وَحَنِّطُوہُ وَصَلُّوا عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 11995) হজরত সাহল ইবনে সিরাজ বলেন , মুহাম্মদ ইবনে সিরীনকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, কিছু লোককে তারী হিসেবে আনা হয়েছিল । তাদের শর্তে বলুন, তাদের নামায পড়তে বলা হলে তারা নামায পড়বে, যদি না বলা হয় তাহলে তারা নামায পড়বে না । তাদের মধ্যে একজন মারা গেছেন , কিন্তু তার জানাজা হবে কি ?তিনি বললেনঃ তোমার কাছে কি মনে হয়েছে এটা জাহান্নাম ? তাই তিনি কোন উত্তর দিলেন না, তাই তিনি বললেন , তাকে গোসল করিয়ে দাও , কাফন পরিয়ে দাও, সুগন্ধি লাগাও এবং তার জানাজা আদায় করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۹۶) حدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِیَادٍ ، عَنْ أَبِی عَبْدِ اللہِ الشقْرِیِّ ، قَالَ : قَالَ رَجُلٌ عِنْدَ الشَّعْبِیِّ إنِّی أَجْلِبُ الرَّقِیقَ فَیَمُوتُ بَعْضُہُمْ أَفَأُصَلِّی عَلَیْہِ ، فَقَالَ : إِنْ صَلَّی فَصَلِّ عَلَیْہِ ، وَإِنْ لَمْ یُصَلِّ فَلاَ تُصَلِّ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11996) হজরত আ. এক ব্যক্তি হজরত শাবি (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন , আমি ক্রীতদাস সংগ্রহ করি এবং তাদের মধ্যে কেউ মারা গেলে কি আমি তার জানাজা আদায় করব ? তিনি বললেনঃ যদি সে নামায পড়ে তবে তার জানাযা আদায় করবে, অন্যথায় তা পড়বে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۹۷) حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ أبی خَالِدٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : إذَا تَشَہَّدَ الْکَافِرُ وَہُوَ فِی السَّوقِ صُلِّیَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11997) হজরত জাহরি বলেন , যদি কোনো কাফের নিজাম রাষ্ট্রে শাহাদাত স্বীকার করে , তাহলে তার জানাজা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۹۸) حدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَصْبَہَانِی ، قَالَ : أَتَانِی أَبُو صَالِحٍ یُعَزِّینِی ، عَنِ ابْنٍ لِی ، فَأَخَذَ یُحَدِّثُ عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، وَأَبِی ہُرَیْرَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قُلْنَ لَہُ النِّسَائُ اجْعَلْ لَنَا یَوْمًا کَمَا جَعَلْتہ لِلرِّجَالِ ، قَالَ : فَجَائَ إلَی النِّسَائِ فَوَعَظَہُنَّ وَعَلَّمَہُنَّ وَأَمَرَہُنَّ ، وَقَالَ لَہُنَّ : مَا مِنِ امْرَأَۃٍ تَدْفِنُ ثَلاَثَۃَ فَرَطٍ إِلاَّ کَانُوا لَہَا حِجَابًا مِنَ النَّارِ ، قَالَ : فَقَالَتِ امْرَأَۃٌ : یَا رَسُول اللہ قَدَّمْتُ اثْنَیْنِ قَالَ : ثَلاَثَۃً ، ثم قَالَ : وَاثْنَیْنِ وَاثْنَیْنِ ، قَالَ أَبُو ہُرَیْرَۃَ : مَنْ لَمْ یَبْلُغِ الْحِنْثَ۔ (بخاری ۱۰۲۔ مسلم ۱۵۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( 11998 ) হজরত আবদ আল - রহমান বিন আল - আসবানী বলেন যে, হজরত আবু সালেহ আমার ছেলের সাথে সমবেদনা জানাতে আমার কাছে এসেছিলেন এবং তিনি হজরত আবু সাঈদ এবং হজরত আবু হুরায়রা (রা. ) থেকে বর্ণিত , একদা মহিলারা রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - কে জিজ্ঞাসা করলেন ? ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাকে একদিন হত্যা করতে । : এমন কোন মহিলা নেই যার তিনটি নবজাতক সন্তানকে দাফন করা হয়েছে , তবে সে জাহান্নামের আগুন থেকে পর্দা হয়ে যাবে একজন মহিলা জমা দিয়েছেন আল্লাহর রাসূল ! আমার দুই সন্তান আছে , তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন , তখন তিনি বললেন ( হ্যাঁ ) দুই সন্তানকে বুঝানো হয়েছেএখনও অপ্রাপ্তবয়স্ক .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۹۹) حدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ یَرْفَعُہُ ، قَالَ : مَنْ قدَّمَ ثَلاَثَۃً مِنْ وَلَدِہِ لَنْ یَلِجَ النَّارَ إِلاَّ تَحِلَّۃَ الْقَسَمِ۔ (بخاری ۱۲۵۱۔ مسلم ۲۰۲۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(99 119) হযরত আবু হারি ইন্তেকাল করেছেন এবং তাঁর তিন সন্তান মারা গেছেন , আগুন তাকে স্পর্শ করবে না , তবে খুব হালকা এবং সহজে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۰۰) حدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ طَلْقِ بْنِ مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ أَبِی زُرْعَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : أَتَتِ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ امْرَأَۃٌ بِصَبِیٍّ ، فَقَالَتْ : یَا رَسُولَ اللہِ ، ادْعُ اللَّہَ لَہُ فَلَقَدْ دَفَنْتُ ثَلاَثَۃً ، قَالَ : دَفَنْتِ ثَلاَثَۃً ؟ قَالَتْ : نَعَمْ ، قَالَ : لَقَدِ احْتَظَرْت بِحِظَارٍ شَدِیدٍ مِنَ النَّارِ۔ (بخاری ۱۴۷۔ مسلم ۱۵۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( 12000 ) হযরত আবু হারি ( রাঃ ) ইন্তেকাল করেছেন । হে আল্লাহর রাসূল ! এই শিশুটির জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন ( আল্লাহ তার আয়ু দীর্ঘ করুন ) । ইয়া : তিন সন্তানকে কি দাফন করা হয়েছে ? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ , আপনি ( রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য ( কিয়ামতের দিন ) আগুনের তীব্রতা বাধাগ্রস্ত হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۰۱) حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِی ہِنْدٍ ، حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ قَیْسٍ ، قَالَ : کُنْتُ عِنْدَ أَبِی بُرْدَۃَ ذَاتَ لَیْلَۃٍ فَدَخَلَ عَلَیْنَا الْحَارِثُ بْنُ أُقَیْشٍ فَحدَّثَنَا الْحَارِثُ لَیْلَتئذٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ: مَا مِنَ مُسْلِمَیْنِ یَمُوتُ لَہُمَا أَرْبَعَۃُ أَفْرَاطٍ إِلاَّ أَدْخَلَہُمَا اللَّہُ الْجَنَّۃَ ، قَالُوا: یَا رَسُولَ اللہِ وَثَلاَثَۃٌ، قَالَ : وَثَلاَثَۃٌ قَالُوا : یَا رَسُولَ اللہِ وَاثْنَانِ ، قَالَ : وَاثْنَانِ۔ (ابن ماجہ ۴۳۲۳۔ احمد ۴/۲۱۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( 12001) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে কায়েস বলেন , আমি এক রাতে হজরত আবু বারদা (রা.) -এর কাছে বসা ছিলাম , হজরত হারিস ইবনে আকিশ ( রা .) আমাদের কাছে এলেন এবং সেই রাতে আমরা হাদিস বি. তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : যদি একজন মুসলিম স্বামী এবং তার স্ত্রীর চারটি ছোট সন্তান মারা যায় তবে আল্লাহ তাদের উভয়কে জান্নাতে প্রবেশ করাব , সাহাবীগণ বললেন হে আল্লাহর রাসূল ! কি বাচ্চারা ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেন , সাহাবীগণ বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল ! দুই বাচ্চা? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন এবং উভয়ই । [ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২০০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۰۲) حدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ قَیْسٍ ، عَنْ أَبِی رَمْلَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ، أَنَّہُ قَالَ: أَوْجَبَ ذُو الثَّلاَثَۃِ قَالُوا: وَذُو الاِثْنَیْنِ یَا رَسُولَ اللہِ ، قَالَ: وَذُو الاِثْنَیْنِ۔ (ابن ماجہ ۱۶۰۹۔ احمد ۵/۲۳۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(12002) হজরত মুআয ইবনে জাবাল ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তিনটি ছোট বাচ্চা নিয়ে মৃত্যুবরণকারীদের জন্য জান্নাত ওয়াজিব । হে আল্লাহর রাসূল ! যাদের দুই সন্তান আছে তাদের উপর? আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যাদের দুই সন্তান আছে তাদের জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২০০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۰۳) حدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، حدَّثَنَا الْقَاسِمُ ، عَنْ أَبِی أُمَامَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ مُؤْمِنَیْنِ یَمُوتُ لَہُمَا ثَلاَثَۃٌ مِنَ الأَوْلاَدِ لَمْ یَبْلُغُوا الْحِنْثَ إِلاَّ أَدْخَلَہُمَا اللَّہُ الْجَنَّۃَ بِفَضْلِ رَحْمَتِہِ إیَّاہُمْ۔ (احمد ۴/۳۸۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(12003) হজরত আবু ইমামাহ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, মহানবী ( সা . ) বলেছেন : আল্লাহর রহমতে যাদের তিনজন নাবালক সন্তান মারা গেছে তাদের প্রতি আল্লাহ রহম করুন তাদেরকে ( বাবা -মা ) জান্নাতে প্রবেশ করান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২০০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۰۴) حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، حدَّثَنَا عُثْمَانَ بْنُ حَکِیمٍ ، عَنْ عَمْرِو الأَنْصَارِیِّ ، عَنْ أُمِّ سُلَیْمٍ ابنۃ مِلْحَانَ وَہِیَ أُمُّ أَنَسٍ ، أَنَّہَا سَمِعْت النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُول : مَا مِنْ مُسْلِمَیْنِ یَمُوتُ لَہُمَا ثَلاَثَۃٌ مِنْ أَوْلاَدٍ لَمْ یَبْلُغُوا الْحِنْثَ إِلاَّ أَدْخَلَہُمَا اللَّہُ الْجَنَّۃَ بِفَضْلِ رَحْمَتِہِ۔ (احمد ۶/۳۷۶۔ طبرانی ۳۰۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(১২০০৪) হজরত উম্মে সালিম ( রা . ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সা . )- কে বলতে শুনেছি : মুসলিম পিতা -মাতার তিনজন নাবালক সন্তান মারা গেছে , আল্লাহ তায়ালা তাঁর রহমতে তাদের মধ্যে প্রবেশ করবেন পিতামাতা ) জান্নাতে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২০০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۰۵) حدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ مُوسَی الْجُہَنِیِّ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ قَالَتْ : مَنْ قَدَّمَ ثَلاَثَۃً مِنْ وَلَدِہِ صَابِرًا مُحْتَسِبًا حَجَبُوہُ بِإِذْنِ اللہِ مِنَ النَّارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১২০০৫) হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন , যে ব্যক্তি ধৈর্য্য ধারণ করে সওয়াবের আশায় মারা যায় , তার জন্য আল্লাহর হুকুমে হিজাব হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২০০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۰۶) حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، أَخْبَرَنَا ہِشَامُ بْنُ حَسَّانَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : حدَّثَنِی صَعْصَعَۃُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ ، قَالَ : لَقِیت أَبَا ذَرٍّ فَقُلْت : حَدِّثْنِی حَدِیثًا سَمِعْتَہُ مِنْ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : مَا مِنْ مُسْلِمَیْنِ یَمُوتُ لَہُمَا ثَلاَثَۃٌ مِنْ أَوْلاَدِہِمَا لَمْ یَبْلُغُوا حِنْثًا إِلاَّ أَدْخَلَہُمَا اللَّہُ الْجَنَّۃَ بِفَضْلِ رَحْمَتِہِ۔ (نسائی ۲۰۰۲۔ احمد ۵/۱۵۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(12006) হজরত আবু যার (রা) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে বলতে শুনেছি যে, যারা মুসলিম পিতা-মাতার তিনজন নাবালক সন্তান মারা গেছে , আল্লাহ তায়ালার রহমতে , তিনি তাদের ( বাবা -মাকে ) জান্নাতে প্রবেশ করাবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২০০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۰۷) حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، أَخْبَرَنَا الْعَوَّامُ بْنُ حَوْشَبٍ ، قَالَ : حدَّثَنِی أَبُو مُحَمَّدٍ مَوْلَی عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَیُّمَا مُسْلِمَیْنِ مَضَی لَہُمَا مِنْ أَوْلاَدِہِمَا ثَلاَثَۃٌ لَمْ یَبْلُغُوا حِنْثًا إِلاَّ أَدْخَلَہُمَا اللَّہُ الْجَنَّۃَ ، فَقَالَ أَبُو ذَرٍّ مَضَی لِی اثْنَانِ یَا رَسُولَ اللہِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : وَاثْنَانِ ، فَقَالَ أَبُو الْمُنْذِرِ سَیِّدُ الْقُرَّائِ مَضَی لِی وَاحِدٌ یَا رَسُولَ اللہِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : ووَاحِدٌ وَذَلِکَ فِی الصَّدْمَۃِ الأُولَی۔(ترمذی ۱۰۶۱۔ احمد ۱/۴۲۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(12007) হজরত আবদুল্লাহ ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, মহানবী ( সা . ) বলেছেন : যাদের মুসলিম পিতা-মাতার তিনজন নাবালক সন্তান মারা যায় , আল্লাহ তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, হজরত আবু যার ( রা .) বলেন আমি হে আল্লাহর রাসূল ! আমার দুই সন্তান মারা গেছে, তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেন এবং আমার দুই সন্তান ( জান্নাত ওয়াজিব ) হযরত আবু আল - মন্দির ( রাঃ) বলেন । হে আল্লাহর রাসূল ! মীরায়ের সন্তান মারা গেছে , তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলতেন , “ আমি দুঃখিত এবং ( এটা তখন ) ধৈর্য্য যখন ক্লেশের শুরুতে থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২০০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۰۸) حدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ قُرَّۃَ ، عَنْ أَبِیہِ : أَنَّ رَجُلاً کَانَ یَأْتِی النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَمَعَہُ ابْنٌ لَہُ ، فَقَالَ لَہُ : رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَتُحِبُّہُ ؟ قَالَ : أَحَبَّک اللَّہُ کَمَا أحِبُّہُ ، قَالَ فَفَقَدَہُ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : مَا فَعَلَ ابْنُک ، فَقَالَ : أَشَعَرْتَ أَنَّہُ تُوُفِّیَ ، فَقَالَ لَہُ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَمَا یَسُرُّک ، أَنَّہُ لاَ تَأْتِی بَابًا مِنْ أَبْوَابِ الْجَنَّۃِ تَسْتَفْتِحُہُ إِلاَّ جَائَ یَسْعَی حَتَّی یََفْتحَہُ لَکَ ، فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ أَلَہُ خَاصَّۃً أَمْ لِلنَّاسِ عَامَّۃً ؟ قَالَ : لَکُمْ عَامَّۃً۔ (نسائی ۱۹۹۷۔ احمد ۳/۴۳۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( 12008 ) হজরত মুআবিয়া ইবনে কুরা (রা) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) -এর খেদমতে এসেছিলেন এবং তার ছোট ছেলে তার সাথে ছিল , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) তাকে বললেন , সে কি ভালোবাসে ? তার? তিনি বললেনঃ আল্লাহ যেন আপনাকে ভালোবাসেন যেমন আপনি তাকে ভালোবাসেন , তারপর ( কিছুদিন পর) আপনি (রাসূল ( সাঃ ) এই শিশুটিকে হারিয়ে যাওয়া দেখতে পেলেন এবং বললেনঃ আপনার ছেলের কি হয়েছে ? তারপর বললেন , তুমি কি তার মৃত্যুর ঘোষণা দিয়েছ ? তখন মহানবী ( সাঃ ) তাকে বললেনঃ তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে , তুমি জান্নাতের একটি দরজায় তার সাথে খেলতে এসেছ , কিন্তু তোমার ছেলে দৌড়ে এসে দরজা খুলে দিল ? তোমার জন্য স্বর্গের দরজা ? এই ব্যক্তি জমা দিয়েছেন হে আল্লাহর রাসূল ! এটি কি শুধুমাত্র মারের জন্য বিশেষ নাকি মানুষের জন্য সাধারণ ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন , এটা তোমাদের সকলের জন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২০০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۰۹) حدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ الْمِقْدَامِ ، حدَّثَنَا مِنْدَلٌ ، حدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الْحَکَمِ ، عَنْ أَسْمَائَ بِنْتِ عَابِسٍ ، عَنْ أَبِیہَا ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّ السِّقْطَ لَیُرَاغِمُ رَبَّہُ إن أدْخِلَ أَبَوَاہُ النَّارَ حَتَّی یُقَالَ أَیُّہَا السِّقْطُ الْمُرَاغِمُ رَبَّہُ اربفَعْ فَإِنِّی أَدْخَلْت أَبَوَیْک الْجَنَّۃَ ، قَالَ : فَیَجُرُّہُمَا بِسَرَرِہِ ، حَتَّی یُدْخِلَہُمَا الْجَنَّۃَ۔ (ابن ماجہ ۱۶۰۸۔ بزار ۸۱۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(12009) বর্ণিত আছে যে , হজরত আলী করমুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : জিনরা তার রবের কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করবে যে তার পিতা-মাতাকে জাহান্নামে প্রবেশ করানো হবে , যতক্ষণ না তাকে বলা হবে, হে শিশুরা! তোমার রবের কাছে আশ্রয় চাও , থাকো আমি তোমার পিতা - মাতাকে জান্নাতে প্রবেশ করালাম এবং বললামঃ সেই সন্তান তাদের উভয়কে ( বাবা - মা ) নাভি কাটার স্থান থেকে টেনে নিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২০০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۱۰) حدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، حَدَّثَنا یَزِیدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِکِ النَّوْفَلِیُّ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ رُومَانَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَسِقْط أُقَدِّمُہُ بَیْنَ یَدَیَّ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ فَارِسٍ أَخْلُفُہُ خَلْفِی۔ (ابن ماجہ ۱۶۰۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(12010) হজরত আবু হুরায়রা ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, মহানবী ( সা . ) বলেছেন : ছোট শিশুটিকে আমার সামনে দাঁড় করানো হোক , আমি তাকে বেশি পছন্দ করি এই বলে যে সে একজন নাইট হয়ে গেল জিহাদের ময়দানে ) এবং আমার পেছনে এলো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২০০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۱۱) حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ حَسَّانَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : حَدَّثَتْنِی امْرَأَۃٌ کَانَتْ تَأْتِینَا یُقَالُ لَہَا مَاوِیَۃٌ ، أَنَّہَا دَخَلَتْ عَلَی عُبَیْدِ اللہِ بْنِ مَعْمَرٍ ، وَعِنْدَہُ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَحَدَّثَ ذَلِکَ الرَّجُلُ عُبَیْدَ اللہِ بْنَ مَعْمَرٍ : عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَنَّ امْرَأَۃً أَتَتْہُ بِصَبِیٍّ لَہَا ، فَقَالَتْ : یَا رَسُولَ اللہِ ادْعُ أَنْ یُبْقِیَہُ فَقَدْ مَضَی لِی ثَلاَثَۃٌ ، فَقَالَ : لَہَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَمُنْذُ أَسْلَمْتِ قَالَتْ نَعَمْ ، قَالَ : جُنَّۃٌ حَصِینَۃٌ مِنَ النَّارِ ، إِلاَّ أَنَّہُ قَالَ لَہَا : أَمُنْذُ أَسْلَمْت ثَلاَثَۃٌ جُنَّۃٌ حَصِینَۃٌ مِنَ النَّارِ قَالَتْ : فَقَالَ لی عُبَیْدُ اللہِ : یَا مَاوِِیَۃُ تَعَالَی فَاسْمَعِی ہَذَا الْحَدِیثَ ، قَالَتْ : فسَمِعْتُہُ ، ثُمَّ خَرَجَتْ مِنْ عِنْدِ عُبَیْدِ اللہِ فَأَتَتْنَا ، وَحَدَّثَتْنَا بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12011 ) হজরত মুহাম্মাদ বিন সিরীন বলেন , আমাদের কাছে একজন মহিলা এসে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন , যার নাম ছিল মাওয়্যা , তিনি বলেন , আমি হজরত উবায়দুল্লাহ ইবনে মুয়াম্মার (রা . ) - এর খেদমতে হাজির হয়েছিলাম এবং সেখানে কিছু সাহাবী রাসূলুল্লাহ ( সা. )-এর খেদমতে উপস্থিত ছিলেন । এবং তাঁর সাথে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয় । তার জন্য দোয়া করুন যে আল্লাহ তায়ালা তাকে জীবিত রাখবেন , নিঃসন্দেহে আমার তিন সন্তান মারা গেছে , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন : তুমি কবে থেকে মুসলমান হয়েছ ?তিনি বললেন , হ্যাঁ , তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ সে তোমাদের জন্য আগুন থেকে ঢাল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২০১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۱۲) حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُحَارِبِیُّ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إذَا دُفِنَ الرَّجُلُ وَالْمَرْأَۃُ فِی قَبْرٍ قُدِّمَ الرَّجُلُ أمام الْمَرْأَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 12012) হজরত আত্তাই বলেন , যদি একজন পুরুষ ও একজন নারীকে একই কবরে দাফন করা হয় , তাহলে পুরুষকে নারীর ওপর প্রাধান্য দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২০১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۱۳) حدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، وَعَطَائٍ ؛ فِی الرَّجُلِ وَالْمَرْأَۃِ یُدْفَنَانِ فِی الْقَبْرِ قَالاَ : یُقَدَّمُ الرَّجُلُ أَمَامَ الْمَرْأَۃِ فِی الْقَبْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12013) হযরত মুজাহিদ ও হযরত আত্তায়ি বলেন , যদি একজন পুরুষ ও একজন মহিলাকে একই কবরে দাফন করা হয় , তাহলে পুরুষকে নারীর উপর প্রাধান্য দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২০১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۰۱۴) حدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، أَنَّ عَلِیًّا کَانَ إذَا صَلَّی عَلَی جَنَائِزِ رِجَالٍ وَنِسَائٍ جَعَلَ الرِّجَالَ مِمَّا یَلُونَہُ وَالنِّسَائَ مِمَّا یَلِی الْقِبْلَۃَ ، وَإِذَا دَفَنَہُمْ قَدَّمَ الرَّجُلَ وَأَخَّرَ النِّسَائَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(12014) হযরত আবু ইসহাক (রাঃ) বলেন যে, হযরত আলী করমুল্লাহ যখন নারী ও পুরুষের জানাযা একসাথে করতেন, তখন তিনি পুরুষদেরকে ইমামের কাছে এবং মহিলাদেরকে কেবলার কাছে রাখতেন । এবং যখন তিনি তাদের কবর দিতেন, তিনি প্রথমে পুরুষদের এবং পরে মহিলাদের বসাতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২০১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস