
(۱۱۸۹۵) حدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ سَالِمِ أَبِی عَبْدِ اللہِ الْبَرَّادُ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ یَقُولُ لأَنْ أَطَأَ عَلَی جَمْرَۃٍ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أَطَأَ عَلَی قَبْر رَجُلٍ مُسْلِمٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1895) হজরত সেলিম আবি আবদুল্লাহ আল - বরদ বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, আমাকে কয়লার ওপর দিয়ে হাঁটতে দাও যাতে সেগুলো নিভে যায় । এটা আমি একজন মুসলমানের কবর পদদলিত করার চেয়ে বেশি পছন্দ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৮৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۸۹۶) حدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ لَیْثِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ یَزِیدَ ، أَنَّ أَبَا الْخَیْرِ أَخْبَرَہُ ، أَنَّ عُقْبَۃَ بْنَ عَامِرٍ ، قَالَ : لأَنْ أَطَأَ عَلَی جَمْرَۃٍ ، أَوْ عَلَی حَدِّ سَیْفٍ حَتَّی تُخْتَطَفَ رِجْلَیَّ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أَمْشِیَ عَلَی قَبْرِ رَجُلٍ مُسْلِمٍ وَمَا أُبَالِی أَفِی الْقُبُورِ قَضَیْت حَاجَتِی أَمْ فِی السُّوقِ بَیْنَ ظَہْرَانِیہِ وَالنَّاسُ یَنْظُرُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1896 ) হজরত উকবা ইবনে আমীর বলেন , আমার পা পুড়ে না যাওয়া পর্যন্ত আমি আগুনের অঙ্গারে বা তরবারির ধারে হাঁটব । এটা আমি একজন মুসলিমের কবরে হাঁটার চেয়ে বেশি পছন্দ করি । এটা আমার কাছের কবরস্থানে এবং বাজারের লোকেদের মধ্যে মলত্যাগ করার মতোই যখন লোকেরা দেখছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৮৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۸۹۷) حدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ وَمُحَمَّدٍ أَنَّہُمَا کَانَ یَکْرَہَانِ الْقُعُودَ عَلَیْہَا وَالْمَشْیَ عَلَیْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1897) হজরত হাসান ও হজরত মুহাম্মদ কবরের ওপর দাঁড়ানো এবং তাদের ওপর দিয়ে হাঁটা অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৮৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۸۹۸) حدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُدَیْرٍ ، عَنْ أَبِی الْعَلاَئِ بْنِ الشِّخِّیرِ ، قَالَ : فُلاَن ، تَمْشُونَ عَلَی قُبُورِکُمْ ؟ قُلْتُ : نَعَمْ ، قَالَ : کَیْفَ تُمْطَرُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1898) হজরত ইমরান ইবনে হুদাইর বলেন যে, হজরত আল-আলা ইবনে আল-শাখীর বললেন , তাহলে তুমি তোমার কবরের ওপর দিয়ে ( হাঁটতে ) যাচ্ছ ? আমি বললাম হ্যাঁ . তিনি বললেনঃ তাহলে তোমার উপর বৃষ্টি কিভাবে হয় ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৮৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۸۹۹) حدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِی یَحْیَی ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کُنْتُ أَتْبَعُ أَبَا ہُرَیْرَۃَ فِی الْجَنَائِزِ ، فَکَانَ یَتقَصَّی الْقُبُورَ ، قَالَ : لأَنْ یَجْلِسَ أَحَدُکُمْ عَلَی جَمْرَۃٍ فَتُحْرِقَ ثِیَابَہُ ، ثُمَّ قَمِیصَہُ ، ثُمَّ إزَارَہُ حَتَّی تَخْلُصَ إلَی جِلْدِہِ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ یَجْلِسَ عَلَی قَبْرٍ۔ (مسلم ۹۶۔ ابوداؤد ۳۲۲۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৯ ১১৮) হজরত মুহাম্মদ বিন আবি রহ ইয়াহইয়া তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি একটি জানাযার সাথে হযরত আবু হারি রাহ.- এর অনুসরণ করছিলাম , তিনি কবর থেকে অনেক দূরে ছিলেন, (যেন কোন কবরের উপর পা না দেন ) এবং তিনি বললেনঃ যদি তোমাদের কেউ কবরের উপর বসে থাকে আগুনে তার জামাকাপড় , শার্ট ও ট্রাউজার পুড়ে যায় যতক্ষণ না আগুন শরীরে পৌঁছায় যেন কেউ কবরে বসে আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৮৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۰۰) حدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ الْقُعُودَ عَلَی الْقُبُورِ أَوْ یُمْشی عَلَیْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11900) হযরত বারদ বলেন , হযরত মাখুল কবরের উপর বসা এবং তাদের উপর দিয়ে যাওয়া অপছন্দ করতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৮৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۰۱) حدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ أَبِی الزُّبَیْرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : نَہَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ یُقْعَدَ عَلَیْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11901) হজরত জাবির ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ ( সা . ) কবরে বসতে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۰۲) حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ فُضَیْلٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : لاَ یُحْدَثُ وَسَطَ مَقْبَرَۃٍ ، وَلاَ یَبُولُ فِیہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১১৯০২ ) হযরত মুজাহিদ বলেন , কবরের মধ্যে মলত্যাগ করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۰۳) حدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ لَیْثِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ یَزِیدَ ، أَنَّ أَبَا الْخَیْرِ أَخْبَرَہُ ، أَنَّ عُقْبَۃَ بْنَ عَامِرٍ ، قَالَ : مَا أُبَالِی فِی الْقُبُورِ قَضَیْت حَاجَتِی ، أَوْ فِی السُّوقِ وَالنَّاسُ یَنْظُرُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১১৯০৩ ) হজরত উকবা ইবনে আমির বলেন , আমি কবরের মধ্যে মলত্যাগ করি না বাজারে এবং লোকেরা আমাকে দেখে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۰۴) حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ أَبِی سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَبِی عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ زَاذَانَ ، قَالَ : کَانَ عَلِیٌّ إذَا دَخَلَ الْمَقَابِرَ ، قَالَ : السَّلاَمُ عَلَی مَنْ فِی ہَذِہِ الدِّیَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِینَ وَالْمُسْلِمِینَ أَنْتُمْ لَنَا فَرَطٌ وَنَحْنُ لَکُمْ تَبَعٌ ، وَإِنَّا بِکُمْ لَلاَحِقُونَ ، فَإِنَّا لِلَّہِ وَإِنَّا إلَیْہِ رَاجِعُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11904) হজরত জাজান বলেন , হজরত আলী করম আল্লাহ যখন কোনো কবরস্থানে প্রবেশ করতেন, তখন তিনি এই দুআ পাঠ করতেন । এই স্থানের মুমিন ও মুসলমানদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক, আপনি প্রথমে চলে গেছেন, আমরা আপনার পরে আসব এবং আপনার সাথে দেখা করব । আমরা সবাই আল্লাহর এবং তাঁর কাছেই আমাদের ফিরে যেতে হবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۰۵) حدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الأَجْلَحِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شَرِیکٍ ، عَنْ جُنْدُبٍ الأَزْدِیِّ ، قَالَ خَرَجْنَا مَعَ سَلْمَانَ إلَی الحیرۃ حَتَّی إذَا انْتَہَیْنَا إلَی الْقُبُورِ الْتَفَتَ عَنْ یَمِینِہِ ، فَقَالَ : السَّلاَمُ عَلَیْکُمْ یَا أَہْلَ الدِّیَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِینَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ، أَنْتُمْ لَنَا فَرَطٌ وَنَحْنُ لَکُمْ تَبَعٌ ، وَإِنَّا عَلَی آثَارِکُمْ وَارِدُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11905) হযরত জুনদাব আল আজদী বলেন , আমি হজরত সালমানের সাথে হায় রাহকিতে গেলাম এবং যখন আমরা কবরস্থানে পৌঁছলাম, তখন তিনি তার ডান দিকে মুখ ফিরিয়ে দোয়া পাঠ করলেন : এ স্থানের ঈমানদার নারী - পুরুষ ! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক , আপনি আগে চলে গেলেন, আমরা পরে আসব এবং আপনার পদাঙ্ক অনুসরণ করব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۰۶) حدَّثَنَا جَرِیرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِیدِ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنْ خَیْثَمَۃَ وَالْمُسَیَّبِ ، وَعَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ أَنَّہُمْ کَانُوا یُسَلِّمُونَ عَلَی الْقُبُورِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 11906) হযরত মুজাহিদ বলেন , তারা (সাহাবীগণ) কবরে সালাম দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۰۷) حدَّثَنَا سَہْلُ بْنُ یُوسُفَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : لاَ أَعْلَمُ بَأْسًا أَنْ یَأْتِیَ الرَّجُلُ الْقَبْرَ فَیُسَلِّمُ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 11907) হজরত মুহাম্মদ বলেন, কেউ যদি কবরে এসে সালাম দেয় তাতে তার কোনো দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۰۸) حدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، عَنْ زُہَیْرٍ ، عَنْ مُوسَی بْنِ عُقْبَۃَ ، أَنَّہُ رَأَی سَالِمَ بْنِ عَبْدِ اللہِ لاَ یَمُرُّ بِلَیْلٍ ، وَلاَ نَہَارٍ بِقَبْرٍ إِلاَّ سَلَّمَ عَلَیْہِ وَنَحْنُ مُسَافِرُونَ مَعَہُ یَقُولُ السَّلاَمُ عَلَیْکُمْ فَقُلْت لَہُ فِی ذَلِکَ فَأَخْبَرَنِیہِ ، عَنْ أَبِیہِ ، أَنَّہُ کَانَ یَصْنَعُ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11908) হজরত মূসা ইবনে উকবা বলেন , আমি হজরত সালাম ইবনে আবদুল্লাহকে দেখেছি , যখনই তিনি কোনো কবরের পাশ দিয়ে যেতেন , তখনই তাকে সালাম দিতেন এবং আমরা সফরে আপনার সঙ্গে বলতেন , সালাম আপনি . তাই সে আমাকে বললো তার বাবা এভাবেই করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۰۹) حدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ ہِشَامٍ ، حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَلْقَمَۃَ بْنِ مَرْثَدٍ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ بُرَیْدَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُعَلِّمُہُمْ إذَا خَرَجُوا إلَی الْمَقَابِرِ ، فَکَانَ قَائِلُہُمْ یَقُولُ : السَّلاَمُ عَلَیْکُمْ یَا أَہْلَ الدِّیَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِینَ وَالْمُسْلِمِینَ ، وَإِنَّا إِنْ شَائَ اللَّہُ بِکُمْ لَلاَحِقُونَ ، أَنْتُمْ لَنَا فَرَطٌ ، وَنَحْنُ لَکُمْ تَبَعٌ ، وَنَسْأَلُ اللَّہَ لَنَا وَلَکُمُ الْعَافِیَۃَ۔ (ابوداؤد ۳۲۳۰۔ احمد ۳۵۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( 11909 ) হজরত সুলাইমান বিন বারিদাহ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরামকে শিক্ষা দিতেন যে , যখন তিনি কবরস্থানে যেতেন তখন বলুন : এ স্থানের মুমিন ও মুসলমানগণ ! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক , আল্লাহ চাইলে আমরা আপনার সাথে দেখা করতে যাচ্ছি আপনি আগে গিয়েছিলেন , আমরা পরে আসব
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۱۰) حدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنْ قُرَّۃَ ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ أبِیہِ ، أَنَّہُ کَانَ یَرْجِعُ مِنْ ضَیْعَتِہِ فَیَمُرُّ بِقُبُورِ الشُّہَدَائِ فَیَقُولُ : السَّلاَمُ عَلَیْکُمْ وَإِنَّا بِکُمْ لَلاَحِقُونَ ، ثُمَّ یَقُولُ لأَصْحَابِہِ : أَلاَ تُسَلِّمُونَ عَلَی الشُّہَدَائِ فَیَرُدُّونَ عَلَیْکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11910) হজরত আমীর বিন সাদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি জিয়া (গ্রাম) থেকে ফিরে এসে শহীদদের কবরের পাশ দিয়ে গেলেন এবং বললেন। তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক , আমরা তোমাদের সাথে থাকব না , অতঃপর তিনি সাহাবীদের বললেনঃ তোমরা কি শহীদদের সালাম করনি যাতে তারা তোমাদের ডাকে সাড়া দেয় ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۱۱) حدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ الْحَسَنِ الْجَارِی ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَعْدٍ الْجَارِی ، قَالَ : قَالَ لِی أَبُو ہُرَیْرَۃَ یَا عَبْدَ اللہِ إذَا مَرَرْت بِالْقُبُورِ قَدْ کُنْت تَعْرِفُہُمْ فَقُلْ : السَّلاَمُ عَلَیْکُمْ أَصْحَابَ الْقُبُورِ ، وَإِذَا مَرَرْت بِالْقُبُورِ لاَ تَعْرِفُہُمْ فَقُلْ : السَّلاَمُ عَلَی الْمُسْلِمِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11911) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সাদ আল-জারি বলেন , হজরত আবু হারি রাহ. আমাকে বললেন , হে আবদুল্লাহ! যখন তুমি এমন কোন কবরের পাশ দিয়ে যাও যাকে তুমি চেনা, বল : সালাম বর্ষিত হোক কবরের সাথীদের উপর , আর যখন তুমি এমন কোন কবরের পাশ দিয়ে যাও যাকে তুমি চেনো না । বলুনঃ মুসলমানদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۱۲) حدَّثَنَا ہَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حدَّثَنَا الْحَکَمُ بْنُ فَصِیل ، عَنْ یَعْلَی بْنِ عَطَائٍ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنْ أَبِی مُوَیْہِبَۃَ مَوْلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : أُمِرَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ یَخْرُجَ إلَی الْبَقِیعِ فَیُصَلِّیَ عَلَیْہِمْ ، أَوْ یُسَلِّمَ عَلَیْہِمْ۔ (احمد ۳/۴۸۹۔ دارمی ۷۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(11912) হজরত আবু মুয়া হিবা , যিনি মহানবী ( সা. ) - এর একজন দাস ছিলেন , বলেন যে , মহানবী ( সা . ) - কে জান্নাতুল বাক - এ গিয়ে দোয়া করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল । মৃত অথবা তাদের উপর সালাম পাঠ করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۱۳) حدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، أَنَّہُ سُئِلَ عَنِ التَّسْلِیمِ عَلَی الْقُبُورِ ، فَقَالَ : مَا کَانَ مِنْ صَنِیعِہِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11913) হজরত হামদ বলেন যে, তিনি হজরত ইবরাহীমের কাছ থেকে কবরে সালাম দেওয়ার বিষয়ে জানতে পেরেছিলেন ? তিনি বললেনঃ এটা তাদের ( সাহাবায়ে কেরাম ) পথ নয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۱۴) حدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ ، قَالَ : سُئِلَ ہِشَامُ أَکَانَ عُرْوَۃُ یَأْتِی قَبْرَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَیُسَلِّمُ عَلَیْہِ ؟ قَالَ : لاَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11914) হজরত খালিদ বিন হারিস বলেন , হজরত হিশাম (রা.) - কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, হজরত উরওয়া রাসুলুল্লাহ ( সা . )- এর বরকতময় কবরে এসে সালাম পেশ করতেন কি না ? তুমি বললে না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۱۵) حدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ کَانَ إذَا أَرَادَ أَنْ یَخْرُجَ دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَصَلَّی ، ثُمَّ أَتَی قَبْرَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : السَّلاَمُ عَلَیْکَ یَا رَسُولَ اللہِ السَّلاَمُ عَلَیْکَ یَا أَبَا بَکْرٍ السَّلاَمُ عَلَیْک یَا أَبَتَاہُ ، ثُمَّ یکون وَجْہَہُ وَکَانَ إذَا قَدِمَ مِنْ سَفَرٍ أَتَی المسجد فَفَعَلَ ذَلِکَ قَبْلَ أَنْ یَدْخُلَ مَنْزِلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11915) হজরত নাফি বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা . ) যখন মসজিদে নববীতে প্রবেশ করতেন , তখন তিনি নামায পড়তেন , তারপর তিনি নবীজির কবরে এসে সালাম দিতেন : তোমার উপর শান্তি হোক হে আল্লাহর রাসূল সা আবা বকর ইয়া আব্বাতাহ তারপরে অন্যান্য কাজের দিকে মনোনিবেশ করবে, একইভাবে যখন আপনি কোনও অতিথিকে ভ্রমণ থেকে নিয়ে আসেন , আপনি ঘরে প্রবেশের আগে এটি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۱۶) حدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ ثُمَامَۃَ بْنِ شُفَیٍّ ، قَالَ : خَرَجْنَا غُزَاۃً فِی زَمَانِ مُعَاوِیَۃَ إلَی ہَذَا الدَّرْبِ وَعَلَیْنَا فَضَالَۃُ بْنُ عُبَیْدٍ ، قَالَ فَتُوُفِّیَ ابْنُ عَمٍّ لِی یُقَالُ لَہُ نَافِعٌ فَقَامَ مَعَنَا فَضَالَۃُ عَلَی حُفْرَتِہِ ، فَلَمَّا دَفَنَّاہُ ، قَالَ : خَفِّفُوا عَنْ حُفْرَتِہِ فَإِنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَأْمُرُ بِتَسْوِیَۃِ الْقُبُورِ۔ (احمد ۶/۱۸۔ بیہقی ۴۱۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(১১৯১৬) হজরত সামামা ইবনে শাফী বলেন যে, আমরা হযরত মুয়াবিয়ার শাসনামলে গাযওয়ার (যুদ্ধের) জন্য এ শহর ত্যাগ করেছিলাম , হযরত ফজলা ইবনে উবায়েদ আমাদের সাথে ছিলেন চাচার পুত্র হযরত নাফি ( রা . ) ইন্তেকাল করেন, তখন হযরত ফজলাহ তার কবরে আমাদের সাথে দাঁড়িয়েছিলেন আমরা তাকে দাফন করি , তিনি বললেন , তার কবরকে আলোকিত ও সমতল করা , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবর সমতল করার নির্দেশ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۱۷) حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، أَخْبَرَنَا سُلَیْمَانُ بْنُ کَثِیرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شُرَحْبِیلَ ، أَنَّ عُثْمَانَ خَرَجَ فَأَمَرَ بِتَسْوِیَۃِ الْقُبُورِ فَسُوِّیَتْ إِلاَّ قَبْرَ أُمِّ عَمْرٍو ، ابْنَۃ عُثْمَانَ ، فَقَالَ : مَا ہَذَا الْقَبْرُ فَقَالُوا : قَبْرُ أُمِّ عَمْرٍو فَأَمَرَ بِہِ فَسُوِّیَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11917) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে শাহরাবিল বলেন , হজরত উসমান বের হয়ে কবর সমতল করার নির্দেশ দিলেন : আমরা উম্মে আমর বিনতে উসমানের কবর ব্যতীত সব কবরকে সমতল করেছিলাম তিনি জিজ্ঞেস করলেন এটা কার কবর ? লোকেরা বলল এটা উম্মে আমরুকের কবর , তিনি এটাকেও সমান করার নির্দেশ দিলেন , তাই সেটাও সমান করা হলো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۱۸) حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنِ ابْنِ أَشْوَعَ، عَنْ حَنَشٍ الْکِنَانِیِّ، قَالَ: دَخَلَ عَلَی عَلِیٍّ صَاحِبَ شُرَطِہِ ، فَقَالَ : انْطَلِقْ فَلاَ تَدَعْ زُخْرُفًا إِلاَّ أَلْقَیْتَہُ ، وَلاَ قَبْرًا إِلاَّ سَوَّیْتَہُ ، ثُمَّ دَعَاہُ ، فَقَالَ : ہَلْ تَدْرِی إلَی أَیْنَ بَعَثْتُک بَعَثْتُک إلَی مَا بَعَثَنِی عَلَیْہِ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔ (ابوداؤد ۳۲۱۰۔ احمد ۱/۱۴۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(11918) হজরত হানশ আল কানানী বলেন , একজন সৈনিক হযরত আলীর কাছে আসলেন , তিনি তাকে বললেন , যাও , কোনো জিনিসপত্র না রেখে সেগুলো নিয়ে যাও , আর কোনো কবর না রেখে , আপনি তাকে ডেকে বললেন , আপনি কি জানেন তোমার জন্য পাঠিয়েছি ? যে কাজের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে পাঠিয়েছিলেন , আমাকে সেই কাজের জন্য পাঠানো হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۱۹) حدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی فَزَارَۃَ ، عَنْ مَوْلًی لاِبْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : قَالَ لِی ابْنُ عَبَّاسٍ إذَا رَأَیْت الْقَوْمَ قَدْ دَفَنُوا مَیِّتًا فَأَحْدَثُوا فِی قَبْرِہِ مَا لَیْسَ فِی قُبُورِ الْمُسْلِمِینَ فَسَوِّہِ بِقُبُورِ الْمُسْلِمِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11919) হজরত ইবনে আব্বাসের গোলাম বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) আমাকে বললেন , যখন তুমি এমন লোকদের দেখবে যারা মৃতকে দাফন করেছে এবং মুসলমানদের জন্য এমন একটি কবর তৈরি করেছে , যদি তা কবরের মতো না হয় এটা মুসলমানদের কবরের সমান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۲۰) حدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُدَیْرٍ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، قَالَ : تَسْوِیَۃُ الْقُبُورِ مِنَ السُّنَّۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11920) হযরত আবু মাজালজ বলেন , কবর সমতল করা সুন্নত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۲۱) حدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُدَیْرٍ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11921) হজরত আবু মাজাল (রা. ) থেকে বর্ণিত
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۲۲) حدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : قَالَ رَجُلٌ لِلشَّعْبِیِّ رَجُلٌ دَفَنَ مَیِّتًا فَسُوِّیَ قَبْرُہُ بِالأَرْضِ ، فَقَالَ : أَتَیْتُ عَلَی قُبُورِ شُہَدَائِ أُحُدٍ فَإِذَا ہِیَ مُشَخَّصَۃٌ مِنَ الأَرْضِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11922) হজরত মনসুর ইবনে আবদ - আল - রহমান বলেন , এক ব্যক্তি হযরত ইমাম শাবি ( রহ . ) - কে জিজ্ঞেস করলেন যে , এক ব্যক্তি তার মৃতদেহকে মাটিতে দাফন করেছে ( এটা কি সঠিক ? ) আপনি বললেন , আমি উহুদের কবর দেখেছি মাটির উপরে উত্থিত হয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۲۳) حدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : سُئِلَ مُحَمَّدُ بْنُ سِیرِینَ ہَلْ تُطَیَّنُ الْقُبُورُ ؟ فَقَالَ : لاَ أَعْلَمُ بِہِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 11923 ) হজরত ইবনে আউন বলেন , হজরত মুহাম্মদ ইবনে সিরিনকে কবর ঢেকে রাখার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল । আপনি বলেছেন , আমি এতে দোষের কিছু দেখছি না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۹۲۴) حدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ تَطْیِینَ الْقُبُورِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11924) হজরত ইয়াভিনাস বলেন , হজরত হাসান কবর ঢেকে দেওয়াকে অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৯২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস