(৮) ( 12271 ) মুতামার ইবনে সুল ই মান এর কর্তৃত্বে , একজন ব্যক্তির কর্তৃত্বে , আল নুমান আল জুন্দি , ইবনে তাউসের কর্তৃত্বে , তার পিতার কর্তৃত্বে আপনি পান করবেন সমাধির কূপ [হাদিসের সীমা (১০৯০৫-১২২৭১), সর্বমোট হাদিসঃ ১৩৬৭টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৬৭৭টি]



11594 OK

(১১৫৯৪)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۹۵) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لاَ یَتَیَمَّمُ ، وَلاَ یُصَلِّی إِلاَّ عَلَی طُہْرٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(11595) হজরত হাসান বলেন, অজু না করলে তার তায়্যিম পড়া বা জানাজার নামাজ পড়া উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11595 OK

(১১৫৯৫)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۹۶) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِی الرَّجُلِ یَحْضُرُ الْجِنَازَۃَ فَیَخَافُ أَنْ تَفُوتَہُ الصَّلاَۃُ عَلَیْہَا ، قَالَ : لاَ یَتَیَمَّمُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11596 ) হযরত আত্তাই ( রহঃ) এমন এক ব্যক্তিকে দেখতে পেলেন ( যার অযু নেই ) এবং জানাযার নামায পড়ে মৃত্যু নিয়ে চিন্তিত ( সে কি তিমাম করতে পারবে ? ) তিনি বললেন : না , তার এটা করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11596 OK

(১১৫৯৬)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۹۷) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : یَتَیَمَّمُ وَیُصَلِّی عَلَیْہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(11597) হজরত হাসান বলেন , তাকে তায়াম করতে হবে এবং জানাজার নামাজ পড়তে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11597 OK

(১১৫৯৭)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۹۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ أَبِی خَالِدٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ فِی الرَّجُلِ یَحْضُرُ الْجِنَازَۃَ وَہُوَ عَلَی غَیْرِ وُضُوئٍ ، قَالَ : یُصَلِّی عَلَیْہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11598 ) হজরত ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ বলেন , হজরত শাবি (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে : যদি কোনো জানাজায় অংশ নেওয়া হয় এবং কোনো ব্যক্তি ওযু না করে (তার কী করা উচিত ? ) তিনি বললেন : তার জানাযার সালাত আদায় করা উচিত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11598 OK

(১১৫৯৮)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۹۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إِسمَاعِیل وَمُطِیعٌ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : یُصَلِّی عَلَیْہَا زَادَ فِیہِ مُطِیعٌ لَیْسَ فِیہِ رُکُوعٌ ، وَلاَ سُجُودٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৯ ১১৫ ) হজরত শাবি বলেন , জানাজা আদায় করতে হবে , হজরত মুতয়ী আরও বলেছেন , এতে রুকু - সিজদা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11599 OK

(১১৫৯৯)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۰۰) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ لَمْ یَکُنْ یَقْضِی مَا فَاتَہُ مِنَ التَّکْبِیرِ عَلَی الْجِنَازَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(11600) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর ( রা . ) বলেন , জানাজা পড়ার পর যারা মারা গেছেন তাদের কাযা তিনি আদায় করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11600 OK

(১১৬০০)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۰۱) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا فَاتَتْک تَکْبِیرَۃٌ ، أَوْ تَکْبِیرَتَانِ عَلَی الْجِنَازَۃِ فَبَادِرْ فَکَبِّرْ مَا فَاتَکَ قَبْلَ أَنْ تُرْفَعَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11601) হজরত ইব্রাহীম বলেন , যখন জানাজার নামায পড়া হয় এবং দুটি তাকবীর চলে যায় , তখন তাকে উঠার আগে দ্রুত এই তাকবীরগুলো বলতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11601 OK

(১১৬০১)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۰۲) حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ مَسْعَدَۃَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنْ قَارِظِ بْنِ شَیْبَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ یَبْنِی عَلَی مَا فَاتَہُ مِنَ التَّکْبِیرِ عَلَی الْجِنَازَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11602 ) হজরত সাঈদ বিন আল - মুসাইয়্যিব বলেন , তিনি যারা ইন্তেকাল করেছেন তাদের পক্ষ থেকে জানাজা আদায় করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11602 OK

(১১৬০২)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۰۳) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : یُکَبِّرُ مَا أَدْرَکَ وَیَقْضِی مَا سَبَقَہُ ، وَقَالَ الْحَسَنُ : یُکَبِّرُ مَا أَدْرَکَ ، وَلاَ یَقْضِی مَا سَبَقَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11603 ) হজরত মুহাম্মদ বলেছেন যে যতগুলো তাকবীর সে পাবে তাকে দিতে হবে এবং যারা উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের বিচার করতে হবে । আর হজরত হাসান বলেন, যাদের পাওয়া যায় তাদের বলা উচিত যে, যারা এখানে রেখে গেছেন তাদের বিচার করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11603 OK

(১১৬০৩)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۰۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، وَعَطَائٍ قَالاَ : لاَ تَقْضِی مَا فَاتَکَ مِنَ التَّکْبِیرِ عَلَی الْجِنَازَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(11604) হযরত শাবী ও হযরত আত্তাই বলেন , যারা তাকবীর রাতে মারা যায় তাদের কোন কাযা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11604 OK

(১১৬০৪)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۰۵) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : یَقْضِی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(11605) হযরত হামদ নিম্নরূপ বিচার করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11605 OK

(১১৬০৫)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۰۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، قَالَ : یُکَبِّرُ مَا أَدْرَکَ ، وَلاَ یَقْضِی مَا فَاتَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(11606 ) হজরত কাতাদাহ বলেন , যত তাকবীর পাওয়া যায় , তার উচিত সেগুলি বলা এবং যারা মারা গেছে তাদের উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11606 OK

(১১৬০৬)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۰۷) حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللہِ بْنِ الزُّبَیْرِ ، عَنْ مُبَارَکٍ ، عَنْ یَعْقُوبَ ، عَنْ مَطَرٍ ، عَنْ حُمَیْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : یَقْضِی مَا فَاتَہُ مِنَ التَّکْبِیرِ عَلَی الْجِنَازَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11607 ) হজরত হামেদ বিন আবদ আল - রহমান বলেন , যতগুলো তাকবীর মারা গেছে তার জানাজার নামাজ আদায় করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬০৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11607 OK

(১১৬০৭)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۰۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : إذَا انْتَہَی الرَّجُلُ إلَی الْجِنَازَۃِ وَقَدْ سُبِقَ بِبَعْضِ التَّکْبِیرِ لَمْ یُکَبِّرْ حَتَّی یُکَبِّرَ الإِمَامُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১১৬০৮) হজরত হারিছ বলেন , ইমাম কিছু তাকবীর বললে যখন কোনো ব্যক্তি জানাযার নামাযে উপস্থিত হয় , তখন সে যেন সাথে সাথে তাকবীর না বলে বরং ইমামের তাকবীর বলার অপেক্ষায় থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬০৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11608 OK

(১১৬০৮)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۰۹) حَدَّثَنَا مُعَاذٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ؛ فِی الرَّجُلِ یَنْتَہِی إلَی الْجِنَازَۃِ وَہُمْ یُصَلُّونَ عَلَیْہَا، قَالَ: یَدْخُلُ مَعَہُمْ بِتَکْبِیرَۃٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(11609) হজরত হাসান বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি জানাজার নামাজের জন্য আসে এবং লোকেরা জানাজার নামাজ আদায় করে, তবে সে তাকবীর ( ইমামের তাকবীর ) বলে তাদের সাথে যোগ দেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬০৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11609 OK

(১১৬০৯)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۱۰) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَجْہَرُ بِالتَّسْلِیمِ عَلَی الْجِنَازَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১১৬১০) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) জানাযার নামাযের সালাম উচ্চস্বরে বলেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11610 OK

(১১৬১০)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۱۱) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ کَانَ إذَا صَلَّی عَلَی الْجِنَازَۃِ رَفَعَ یَدَیْہِ فَکَبَّرَ ، فَإِذَا فَرَغَ سَلَّمَ عَلَی یَمِینِہِ وَاحِدَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11611) হজরত নাফী বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর যখন জানাজা পড়তেন , তখন রিফা - দ্বীন বলার সময় তাকবীর বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11611 OK

(১১৬১১)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۱۲) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عُمَیْرِ بْنِ سَعید ، قَالَ : صَلَّی عَلِیٌّ عَلَی یَزِیدَ بْنِ الْمُکَفِّفِ فَکَبَّرَ عَلَیْہِ أَرْبَعًا ، وَسَلَّمَ تَسْلِیمَۃً خَفِیَّۃً عَنْ یَمِینِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11612 ) হজরত উমাইর বিন সাঈদ বলেন , হযরত আলী ( রা . ) হযরত ইয়াজিদ বিন আল - মুকাফের জানাজা আদায় করেছিলেন এবং রাতে চারটি তাক্বীব পাঠ করেছিলেন , আমি কেবল তাকে সালাম দিলাম সঠিক পক্ষ .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬১১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11612 OK

(১১৬১২)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۱۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ وَالْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ الْمُہَاجِرِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّہُ کَانَ یُسَلِّمُ عَلَی الْجِنَازَۃِ تَسْلِیمَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১১৬১৩) হজরত মুজাহিদ বলেন , হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ( রা.) জানাজার সময় তাকে সালাম দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11613 OK

(১১৬১৩)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۱۴) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، قَالَ : صَلَّیْت خَلْفَہُ عَلَی جِنَازَۃٍ ، فَسَلَّمَ عَنْ یَمِینِہِ حِینَ فَرَغَ السَّلاَمُ عَلَیْکُمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১১৬১৪ ) হজরত আবু ইসহাক বলেন , আমি হজরত হারিস (রা.) - এর পেছনে জানাজা আদায় করলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11614 OK

(১১৬১৪)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۱۵) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، أَنَّہُ کَانَ یُسَلِّمُ عَلَی الْجِنَازَۃِ تَسْلِیمَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11615) হজরত আমিশ বলেন , হজরত ইব্রাহিম (আ . ) জানাজার নামাজের সময় তাকে সালাম দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11615 OK

(১১৬১৫)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۱۶) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ، عَنْ عَبْدِالْمَلِکِ بْنِ إیَاسٍ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، قَالَ: تَسْلیم السَّہو وَالْجِنَازَۃِ وَاحِد۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11616 ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , সেজদা ও জানাজার নামাজ হলো সালাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11616 OK

(১১৬১৬)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۱۷) حَدَّثَنَا حَفْصُ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ، عَنْ عَبْدِالْمَلِکِ بْنِ إیَاسٍ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، قَالَ: سَلِّم عَلَی الْجِنَازَۃِ تَسْلِیمَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11617 ) হজরত ইব্রাহীম (আ . ) বলেন , জানার নামাজে শুধু তাকেই সালাম দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11617 OK

(১১৬১৭)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۱۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہَمَّام عَنْ ہِلاَلِ بن مَزیدٍ ، قَالَ : صَلَّیْت خَلْفَ جَابِرِ بْنِ زَیْدٍ فَسَلَّمَ تَسْلِیمَۃً أَوَّلُہَا عَنْ یَمِینِہِ ، وَآخِرُہَا عَنْ یسارہ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১১৬১৮) হজরত হিলাল ইবনে মাজিদ বলেন , আমি হজরত জাবির ইবনে যায়েদ ( রা . ) - এর পেছনে জানাজার নামাজ পড়লাম , তিনি প্রথমে ডান দিকে সালাম দিলেন , তারপর দ্বিতীয় সালাম বাম দিকে ফিরলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11618 OK

(১১৬১৮)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۱۹) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : صَلَّی ابْنُ سِیرِینَ فَسَلَّمَ تَسْلِیمَۃً فَأَسْمَعَ عَلَی الْجِنَازَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11619) হজরত মুতামার বিন সুলাইমান তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , হজরত ইবনে সিরীন জানাজার ইমামতি করলেন এবং একবার উচ্চস্বরে তাকে সালাম দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11619 OK

(১১৬১৯)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۲۰) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ أَبِی الْعَنْبَسِ ، عَنْ أَبِیہِ ، أَنَّہُ قَالَ : صَلَّیْت خَلْفَ أَبِی ہُرَیْرَۃَ عَلَی جِنَازَۃٍ فَکَبَّرَ عَلَیْہَا أَرْبَعًا ، وَسَلَّمَ عَنْ یَمِینِہِ تَسْلِیمَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11620 ) হজরত আবুল আম্বিস তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) - এর পেছনে জানাজার নামাজ পড়লাম এবং তিনি তাতে চারটি তাকবির পাঠ করলেন এবং তাকে সালাম দেওয়ার জন্য ডান দিকে ফিরলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11620 OK

(১১৬২০)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۲۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ وَالْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ حَیَّانَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، أَنَّہُ کَانَ یُسَلِّمُ عَلَی الْجِنَازَۃِ تَسْلِیمَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11621) হজরত মনসুর ইবনে হাইন বলেন যে , হযরত সাঈদ ইবনে জুবের জানাযার সময় তাকে সালাম দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11621 OK

(১১৬২১)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۲۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : یُسَلِّمُ تَسْلِیمَۃً تِلْقَائَ وَجْہِہِ ، وَیَرُدُّ مَنْ خَلْفَ الإِمَامِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11622 ) হজরত হাসান বলেন , মৃত ব্যক্তির মুখের দিকে একটি সালাম দিতে হবে এবং মুক্তাদাকেও সালামের পুনরাবৃত্তি করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11622 OK

(১১৬২২)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۲۳) حَدَّثَنَا عَبْدُاللہِ بْنُ نُمَیْرٍ، عَنْ حُرَیْثٍ، قَالَ: رَأَیْتُ عَامِرًا صَلَّی عَلَی جِنَازَۃٍ فَسَلَّمَ عَنْ یَمِینِہِ، وَعَنْ شِمَالِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11623 ) হজরত হারিছ বলেন , আমি হযরত আমীরকে জানাজার নামাজ পড়তে দেখেছি এবং তিনি তাকে ডান ও বাম দিক থেকে সালাম দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



11623 OK

(১১৬২৩)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۲۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، عَنْ قُطْبَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ یَحْیَی ، أَنَّہُ کَانَ إذَا صَلَّی عَلَی جِنَازَۃٍ سَلَّمَ تَسْلِیمَۃً وَاحِدَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 11624) হজরত আমিশ বলেন , হজরত ইয়াহিয়া যখন জানাজার নামাজ পড়তেন , তখন তাকে সালাম দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস