
(۱۱۳۲۵) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ عن أبیہ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ کَانَ إذَا مَاتَ لَہُ مَیِّتٌ تحَیَّنَ غَفَلَۃَ النَّاسِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11325) হজরত আসিম ইবনে মুহাম্মদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) মানুষের অবহেলার জন্য অপেক্ষা করতেন যখন কেউ মারা যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۲۶) حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِیُّ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ خَیْثَمَۃَ ، عَنْ سُوَیْد بْنِ غَفَلَۃَ ، قَالَ : إذَا أَنَا مِتّ فَلاَ تُؤْذِنُوا بِی أَحَدًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 11326 ) হজরত সুওয়ায়েদ বিন গাফলা বলেন , আমি যখন মারা যাব তখন আমার কথা কাউকে জানাবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۲۷) حَدَّثَنَا ہَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنْ أَبِی التَّیَّاحِ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ الشِّخِّیرِ ، عَنْ مُطَرِّفٍ أَخِیہِ ، أَنَّہُ قَالَ : لاَ تُؤْذِنُوا لِجِنَازَتِی أَحَدًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১১৩২৭ ) হযরত মুতরফ বলেন , আমার জানাযার কথা কাউকে জানাবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۲۸) حَدَّثَنَا ہَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنْ أَبِی حَمْزَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : لاَ تُؤْذِنُوا بِجِنَازَتِی أَہْلَ مَسْجِدِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11328) হজরত আবু জুমরাহ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , তিনি যেন আমার মসজিদের লোকদের আমার জানাযার খবর না দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۲۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عُثْمَانَ بْنُ حَکِیمٍ ، عَنْ خَارِجَۃَ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ عَمِّہِ یَزِیدَ بْنِ ثَابِتٍ ، وَکَانَ أَکْبَرَ مِنْ زَیْدٍ ، قَالَ : خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَلَمَّا وَرَدْنَا الْبَقِیعَ إذَا ہُوَ بِقَبْرٍ جَدِیدٍ ، فَسَأَلَ عَنْہُ فَقَالُوا : فُلاَنَۃُ فَعَرَفَہَا ، قَالَ : فَقَالَ : أَفَلاَ آذَنْتُمُونِی بِہَا ؟ قَالُوا : کُنْت قَائِلاً فَکَرِہْنَا أَنْ نُؤْذِنَک ، فَقَالَ : لاَ تَفْعَلُوا ، لاَ أَعْرِفَنَّ مَا مَاتَ مِنْکُمْ مَیِّتٌ بَیْنَ أَظْہُرِکُمْ إِلاَّ آذَنْتُمُونِی بِہِ فَإِنَّ صَلاَتِی عَلَیْہِ لَہُ رَحْمَۃٌ۔ (بخاری ۴۲۔ احمد ۴/۳۸۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(11329) হজরত আল-খাজা বিন যায়দ, তার চাচা হজরত ইয়াজিদ বিন সাবিত থেকে বর্ণনা করেন , যিনি হজরত যায়েদের চেয়ে বড় ছিলেন , তিনি বলেন যে একদিন আমরা জান্নাতে এসে রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর সাথে দেখা করব সেখানে একটি নতুন কবর ছিল , তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তা জানতে পারলেন : লোকে বলে যে এটি অমুক মহিলার কবর । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাকে চিনতে পারলেন এবং বললেনঃ তুমি আমাকে তার সম্পর্কে অবগত করলে না কেন ? লোকেরা বলল যে আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) নিজেই বলেছেন , তাই আমরা আপনাকে জানাতে চাইনি । আপনি ( সা . ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্য থেকে কেউ মারা গেলে তা ঘোষণা করো না , বরং আমাকে তা জানিয়ে দাও । প্রকৃতপক্ষে , মীরা তার জন্য রহমতের উৎস ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۳۰) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یُؤْذِنَ الرَّجُلُ حَمِیمَہُ وَصَدِیقَہُ بِالْجِنَازَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11330) হজরত ইবনে আউন বলেন, হজরত মুহাম্মদ মনে করেন না যে একজন ব্যক্তি তার আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের জানাজা সম্পর্কে অবহিত করায় দোষের কিছু আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۳۱) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُرْوَۃَ ، أَنَّ أَبَا ہُرَیْرَۃَ کَانَ یُؤْذِنُ بِالْجِنَازَۃِ فَیَمُرُّ بِالْمَسْجِدِ فَیَقُولُ عَبْدُ اللہِ دُعِیَ فَأَجَابَ ، أَوْ أَمَۃُ اللہِ دُعِیَتْ فَأَجَابَتْ ، فَلاَ یَقُومُ مَعَہَا إِلاَّ الْقَلِیلُ مِنْہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১১৩৩১) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আরওয়া (রা.) থেকে বর্ণিত যে, হজরত আবু হুরায়রা ( রা.) - কে একটি জানাজায় ডাকা হয়েছিল , তখন তিনি মসজিদের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং বলছিলেন যে , আল্লাহর বান্দাকে ডাকা হয়েছে । ঈশ্বরের হ্যান্ডমেডেনকে ডাকা হয়েছিল , তাই সে গ্রহণ করেছিল , তাই তাদের মধ্যে খুব কমই তার সাথে দাঁড়াতে পারত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۳۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ أَبِی حَیَّانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کَانَ عَمْرُو بْنُ مَیْمُونٍ صِدِّیقًا لِلرَّبِیعِ بْنِ خُثَیْمٍ ، فَلَمَّا ثَقُلَ ، قَالَ عَمْرٌو لأُمِّ وَلَدِ الرَّبِیعِ بْنِ خُثَیْمٍ أَعْلِمِینِی إذَا مَاتَ ، فَقَالَتْ : إِنَّہُ قَالَ : إذَا أَنَا مِتُّ فَلاَ تُشْعِرِی بِی أَحَدًا ، وَسُلُّونِی إلَی رَبِّی سَلاً ، قَالَ فَبَاتَ عَمْرٌو عَلَی دَکَاکِینِ بَنِی ثَوْرٍ حَتَّی أَصْبَحَ فَشَہِدَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 11332) হজরত আবু হাইয়ীন তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, হজরত আমর ইবনে মায়মুন হজরত রাবিয়া ইবনে খাইথামের বন্ধু ছিলেন , তার পর হজরত আমর ইবনে মায়মুন তার মা ও ছেলেকে বললেন , সে মারা যায় , আমাকে খবর দিও না । তিনি দাবী করেন যে , হযরত রাবিয়া বলেছেন , আমি মারা গেলে আমার কথা কাউকে জানাবেন না এবং আমাকে গোপনে দাফন করবেন না । বর্ণনাকারী বলেন , হযরত আমর বিন মায়মূন বিন থাওরের মঞ্চে রাত কাটিয়েছেন । হ্যাঁ , সকাল পর্যন্ত, তারপর তারা তার কাছে এলো।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۳۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ یَزِیدَ ، عَنْ ہِشَامٍ الدَّسْتَوَائِیِّ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یُؤْذِنَ بِالْمَیِّتِ صَدِیقَہُ ، وَقَالَ : إنَّمَا کَانُوا یَکْرَہُونَ نَعْیًا کَنَعْیِ الْجَاہِلِیَّۃِ ، أَنْعِی فُلاَنًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11333) হজরত হাম্মাদ থেকে বর্ণিত আছে যে , হজরত ইব্রাহিম মৃত্যুর পর মৃত ব্যক্তির বন্ধুকে জানাতে কোনো সমস্যা আছে বলে মনে করতেন না । তিনি বলতেন যে, যারা জাহিলিয়াতের পদ্ধতিতে তথ্য প্রদান করে তাদেরকে নবীর সাহাবীগণ অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۳۴) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ أَبِی خَالِدٍ ، عَنِ النُّعْمَانِ ، قَالَ : کَانَ عَلِیٌّ إذَا دُعِیَ إلَی جِنَازَۃٍ ، قَالَ : إنَّا لَقَائِمُونَ وَمَا یُصَلِّی عَلَی الْمَرْئِ إِلاَّ عَمَلُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(13134) হজরত নুমান থেকে বর্ণিত আছে যে, হযরত আলী করমুল্লাহ রবিয়্যাহ ( রা.) - কে যখন জানাজায় ডাকা হতো , তখন তিনি বলতেন , নিশ্চয়ই আমরা দাঁড়াতে যাচ্ছি এবং কোনো ব্যক্তির ওপর নামায পড়া উচিত নয় , কিন্তু তার কর্মের কারণে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۳۵) حَدَّثَنَا سَعِیدُ بْنُ یَحْیَی الْحِمْیَرِیُّ ، عَنْ سُفْیَانَ بْنِ حُسَیْنٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ أَبِی أُمَامَۃَ بْنِ سَہْلٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَعُودُ فُقَرَائَ أَہْلِ الْمَدِینَۃِ وَیَشْہَدُ جَنَائِزَہُمْ إذَا مَاتُوا ، قَالَ : فَتُوُفِّـیَتِ امْرَأَۃٌ مِنْ أَہْلِ الْعَوَالِی ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا حَضَرَتْ فَآذِنُونِی بِہَا ، قَالَ فَأَتَوْہُ لِیُؤْذِنُوہُ فَوَجَدُوہُ نَائِمًا وَقَدْ ذَہَبَ مِنَ اللَّیْلِ فَکَرِہُوا أَنْ یُوقِظُوہُ وَتَخَوَّفُوا عَلَیْہِ ظُلْمَۃَ اللَّیْلِ وَہَوَامَّ الأَرْضِ ، فَلَمَّا أَصْبَحَ سَأَلَ عَنْہَا فَقَالُوا : یَا رَسُولَ اللہِ أَتَیْنَاک لِنُؤْذِنَک بِہَا فَوَجَدْنَاک نَائِمًا فَکَرِہْنَا أَنْ نُوقِظَک وَتَخَوَّفْنَا عَلَیْک ظُلْمَۃَ اللَّیْلِ وَہَوَامَّ الأَرْضِ ، قَالَ : فَدَفَنَّاہَا ، قَالَ : فَمَشَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إلَی قَبْرِہَا فَصَلَّی عَلَیْہَا وَکَبَّرَ أَرْبَعًا۔ (حاکم ۴۶۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(11335) হজরত আবু উমামা ইবনে সাহল তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আহলে মদীনার গরীব লোকদের কাছে যেতেন এবং তাদের জানাজায় অংশ নিতেন । আহলে আওয়ালিমের একজন মহিলা , যিনি মারা গেছেন , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : যখন তার মৃত্যু আসবে তখন আমাকে খবর দিও না । লোকেরা যখন তাদের খবর দেওয়ার জন্য তাঁর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসল , তখন তারা তাঁকে বিশ্রামরত অবস্থায় দেখতে পেল এবং সেই সময় রাতের কিছু অংশ পেরিয়ে গেছে। পোকামাকড়ের কারণে তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ঘুম থেকে জেগে উঠতে অপছন্দ করতেন । যখন সকাল হল তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই মহিলার কথা জানতে পারলেনঃ লোকেরা বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আমরা আপনাকে জানাতে এসেছি , কিন্তু যখন আমরা আপনাকে ঘুমন্ত দেখতে পেলাম , আমরা আপনাকে জাগানো উপযুক্ত মনে করিনি , এবং তিনি আমাদের ভয় দেখিয়েছিলেন এজন্য আমরা তাকে কবর দিয়েছি । রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ( এ কথা শুনে ) আমাদের সাথে গেলেন এবং এই মহিলার কবর যিয়ারত করলেন এবং তার উপর সালাত আদায় করলেন এবং চারটি তাকবীর পাঠ করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۳۶) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : رَأَیْتُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَأَبَا بَکْرٍ وَعُمَرَ یَمْشُونَ أَمَامَ الْجِنَازَۃِ۔ (ابوداؤد ۳۱۷۱۔ ترمذی ۱۰۰۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(১১৩৩৬) হজরত সেলিম তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) , হজরত আবু বকর সাদিক (রা.) ও হজরত উমর ( রা .)- কে জানাযার সামনে দিয়ে হেঁটেছিলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۳۷) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ سَالِمٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابن عُمَرَ یَمْشِی أَمَامَ الْجِنَازَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১১৩৩৭) হজরত সেলিম বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.)- কে জানাজার সামনে দিয়ে হাঁটতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۳۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ عَدِیِّ بْنِ ثَابِتٍ ، عَنْ أَبِی حَازِم ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبَا ہُرَیْرَۃَ وَالْحَسَنَ بْنَ عَلِیٍّ یَمْشِیَانِ أَمَامَ الْجِنَازَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১১৩৩৮) হজরত আবু হাযিম বলেন , আমি হজরত আবু হারি রাহ. ও হযরত হাসানকে জানাজার সামনে হাঁটতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۳۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنْ صَالِحٍ مَوْلَی التَّوْأَمَۃِ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبَا ہُرَیْرَۃَ وَأَبَا قَتَادَۃَ ، وَابْنَ عُمَرَ وَأَبَا أُسَیْدَ یَمْشُونَ أَمَامَ الْجِنَازَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11339) হজরত সালেহ বলেন , আমি হজরত আবু হুরায়রা , হজরত আবু কাতাদা , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর এবং হজরত আবু আসেদ (রা.) কে জানাজার সামনে হাঁটতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۴۰) حَدَّثَنَا جَرِیرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِیْدِ ، عَنْ سُہَیْلِ بْنِ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کَانَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَمْشُونَ أَمَامَ الْجِنَازَۃِ حَتَّی إذَا تَبَاعَدُوا عَنْہَا قَامُوا یَنْتَظِرُونَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11340) হজরত আবু সালেহ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, সাহাবায়ে কেরাম জানাযার আগে হেঁটে যেতেন, অতঃপর যখন তারা অনেকদূর এগিয়ে যেতেন, তখন সেখানে দাঁড়িয়ে জানাযার জন্য অপেক্ষা করতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۴۱) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَلْقَمَۃَ وَالأَسود یَمْشِیَانِ أَمَامَ الْجِنَازَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১১৩৪১ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , আমি হজরত আলকামা ও হাজরে আসওয়াদকে জানাজার সামনে হাঁটতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۴۲) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ سَالِمًا وَالْقَاسِمَ یَمْشِیَانِ أَمَامَ الْجِنَازَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১১৩৪২) হজরত ইবনে আউন বলেন , আমি হযরত সেলিম ও হযরত কাসিমকে জানাজার সামনে হাঁটতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۴۳) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنِ الْمَشْیِ أَمَامَ الْجِنَازَۃِ ، فَقَالَ : لاَ أَعْلَمُ بِہِ بَأْسًا ، قَالَ : وَکَانَ الْقَاسِمُ وَسَالِمٌ یَفْعَلاَنِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11343) হজরত ইবনে আউন বলেন যে আমি হজরত মুহাম্মদের কাছ থেকে জানাযার আগে হাঁটার বিষয়ে জানতে পেরেছি । আপনি যদি বলেন , তাহলে আমার মনে হয় এতে কোনো দোষ নেই এবং হযরত কাসেম ও হযরত সেলিম ( রা.) এটা করতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۴۴) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، عَنْ أَنَسٍ فِی الْجِنَازَۃِ أَنْتُمْ مُشَیِّعُونَ لَہَا تَمْشُونَ أَمَامَہَا وَخَلْفَہَا، وَعَنْ یَمِینِہَا وَعَنْ شِمَالِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11344) হযরত আনাস (রাঃ) বলেনঃ তোমরা লোকেরা তার সাহায্যকারী, তার সামনে, তার পিছনে , ডানে ও বামে চল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۴۵) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا أَبُو مَالِکٍ ، عَنْ أَبِی حَازِمٍ ، قَالَ مَشَیْتُ مَعَ الْحَسَنِ بْنِ عَلِیٍّ ، وَأَبِی ہُرَیْرَۃَ ، وَابْنِ الزُّبَیْرِ أَمَامَ الْجِنَازَۃِ۔ (بیہقی ۲۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(11345) হজরত আবু হাযিম বলেন , আমি হজরত হাসান ইবনে আলী , হজরত আবু হারি রাহ. এবং হজরত ইবনে যুবাইর (রা.) এর সাথে জানাযার আগে গেলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۴۶) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عَوْفٍ ، عَنْ أَبِی الْمِنْہَالِ ، عَنْ أَبِی الْعَالِیَۃِ ، قَالَ : خَلْفَہَا قَرِیبٌ وَأَمَامَہَا قَرِیبٌ ، وَعَنْ یَسَارِہَا قَرِیبٌ ، وَعَنْ یَمِینِہَا قَرِیبٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১১৩৪৬ ) হজরত আবুল আলাইহি বলেন , যে জানাজার পেছনে হাঁটে সে কাছে , যে সামনে হাঁটে সে কাছে , যে ডানদিকে হাঁটে সে কাছে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۴۷) حَدَّثَنَا أَبُوخَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ عُمَرَ وَعُبَیْدَ بْنَ عُمَیْرٍ یَمْشِیَانِ أَمَامَ الْجِنَازَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১১৩৪৭) হজরত আত্তাই বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর ও হজরত উবাইদ ইবনে উমাইর ( রা.) - কে জানাজার সামনে হাঁটতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۴۸) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنِ الْعَقَّارِ بْنِ الْمُغِیرَۃِ ، قَالَ : کُنْتُ أَمْشِی خَلْفَ الْجِنَازَۃِ ، فَجَائَ أَبُو ہُرَیْرَۃَ فَوَضَعَ فَقَارِی بَیْنَ إصْبَعَیْہِ ، ثُمَّ دَفَعَنِی حَتَّی تَقَدَّمْت أَمَامَ الْجِنَازَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১১৩৪৮ ) হযরত আকর বিন মুগী রহঃ বলেন , আমি জানাযার পিছনে হাঁটছিলাম । হজরত আবু হারি রহঃ তিশরীফ ফ্লে এবং মরিয়মের পিঠের হাড়ের মাঝে আঙ্গুল রেখে আমাকে ধাক্কা দিলেন । হ্যাঁ , যতক্ষণ না আমি জানাজায় পৌঁছি .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۴۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ وَعَبد الرَّحمَّان بن مَہْدِی ، عَنْ سُفْیانَ ، عَنْ عِمْرانَ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ سُوَیْدِ بْنِ غَفْلَۃٍ قَالَ : اَلْمَلَائِکَۃُ یَمْشُوْنَ خَلْفَ الْجِنَازَۃِ۔ (عبدالرزاق ۶۲۶۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( 11349) হযরত সুওয়ায়েদ বিন গাফলা বলেন , ফেরেশতারা জানাযার অনুসরণ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۵۰) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ ثَوْرٍ ، عَنْ عَامِرِ بْنِ جشیب وَغَیْرِہِ مِنْ أَہْلِ الشَّامِ قَالُوا : قَالَ أَبُو الدَّرْدَائِ : إن مِنْ تَمَامِ أَجْرِ الْجِنَازَۃِ أَنْ یُشَیِّعَہَا مِنْ أَہْلِہَا وَالْمَشْیُ خَلْفَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 11350 ) হজরত আবু আল - দারদাই বলেন , জানাজার পূর্ণ সওয়াব হলো তার পরিবারকে জানাজা এবং তাকে অনুসরণ করা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۵۱) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عُمَارَۃَ ، قَالَ : قَالَ ابْنُ مَعْمَرٍ فِی جِنَازَۃِ أَبِی مَیْسَرَۃَ : امْشُوا خَلْفَ جِنَازَۃِ أَبِی مَیْسَرَۃَ ، فَإِنَّہُ کَانَ مشَّائً خَلْفَ الْجَنَائِزِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(11351) হজরত আমরা বলেন , হজরত আবু মুয়াম্মার ( রা . ) বলেন যে , আমরা আবূ মাইসারার জানাযার অনুসরণ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۵۲) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبَا قِلاَبَۃَ غَیْرَ مَرَّۃٍ یَجْعَلُ الْجَنَائِزَ عَنْ یَمِینِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 11352) হজরত সুলাইমান তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , আমি হজরত আবু কালাবাকে বহুবার দেখেছি যে তিনি তার মায়েদের জানাজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۵۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی زِیَادٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنِ ابْنِ أَبْزَی ، قَالَ : کُنْتُ فِی جِنَازَۃٍ ، وَأَبُو بَکْرٍ ، وَعُمَرُ أَمَامَہَا وَعَلِیٌّ یَمْشِی خَلْفَہَا ، قَالَ فَجِئْت إلَی عَلِیٍّ فَقُلْت لَہُ الْمَشْیُ خَلْفَہَا أَفْضَلُ ، أَوِ الْمَشْیُ أَمَامَہَا ، فَإِنِّی أَرَاک تَمْشِی خَلْفَہَا ، وَہَذَانِ یَمْشِیَانِ أَمَامَہَا ، قَالَ : فَقَالَ لِی : لَقَدْ عَلِمَا أَنَّ الْمَشْیَ خَلْفَہَا أَفْضَلُ مِنْ أَمَامِہَا ، مِثْلَ صَلاَۃِ الْجَمَاعَۃِ عَلَی الْفَذِّ ، وَلَکِنَّہُمَا یَسِیرَانِ مُیَسِّرَانِ یُحِبَّانِ أَنْ یُیَسِّرَا عَلَی النَّاسِ۔ (احمد ۱/۹۷۔ طحاوی ۴۸۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(11353) হজরত ইবনে আল-বাযী বলেন , আমি জানাজায় ছিলাম , হজরত আবু বকর সাদিক ও হজরত উমর (রা.) এই জানাজার সামনে ছিলেন এবং হযরত আলী পেছনে হাঁটছিলেন । আমি হযরত আলীর খেদমতে উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম জানাযার পিছনে হেঁটে যাওয়া ভালো নাকি সামনে । কারণ আমি দেখছি আপনি পিছনে হাঁটছেন আর এই দুই ভদ্রলোক এগিয়ে যাচ্ছেন । হযরত আলী ( রাঃ ) বললেনঃ জানাযার আগে চলার চেয়ে পিছনে হেঁটে যাওয়া উত্তম । তারা মানুষের সাথে সহজ হতে পছন্দ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۳۵۴) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَحْیَی الْجَابِرِ ، عَنْ أَبِی مَاجِدٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ ، عَنِ السَّیْرِ بِالْجِنَازَۃِ، قَالَ : السَّیْرُ مَا دُونَ الْخَبَبِ ، الْجِنَازَۃُ مَتْبُوعَۃٌ ، وَلاَ تَتْبَعُ ، لَیْسَ مَعَہَا مَنْ یَقْدُمُہَا۔ (مسندہ ۳۵۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(11354) হজরত আবু মজিদ বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) - এর জানাজা সম্পর্কে জানতে পারলাম । আপনি বলেছেন যে একটি মৃদু চালচলন থেকে একটু কম হাঁটা আবশ্যক , এবং জানাজা এটির অধীন নয় ( অর্থাৎ লোকেরা এটির পিছনে হেঁটে চলে ) এবং যারা জানাজায় এগিয়ে আছে তারা তার সাথে নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৩৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস