
حدثنا أبو بکر بن أبی شیبۃ قال: (۱۰۹۰۵) حدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ التَّیْمِیِّ ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ سُوَیْد ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : دَخَلْت عَلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَہُوَ یُوعَکُ ، قَالَ فَمَسِسْتُہُ فَقُلْت : یَا رَسُولَ اللہِ إنَّک لَتُوعَکُ وَعْکًا شَدِیدًا ، فَقَالَ : أَجَلْ إنِّی أُوعَکُ کَمَا یُوعَکُ رَجُلاَنِ مِنْکُمْ قَال : قُلْتُ : لأَنَّ لَکَ أَجْرَیْن ؟ فَقَالَ : نَعَمْ وَالَّذِی نَفْسِی بِیَدِہِ مَا عَلَی الأَرْضِ مُسْلِمٌ یُصِیبُہُ أَذًی فَمَا سِوَاہُ إِلاَّ حَطَّ اللَّہُ بِہِ عَنْہُ خَطَایَاہُ کَمَا تَحُطُّ الشَّجَرَۃُ وَرَقَہَا۔ (بخاری ۵۶۴۷۔ مسلم ۱۹۹۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(10905) হজরত আবদুল্লাহ (রা.) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর খেদমতে উপস্থিত হলাম এবং এ সময় তিনি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর জ্বর স্পর্শ করলেন তারপর বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! তোমার খুব জ্বর । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন , হ্যাঁ , তোমাদের কাছ থেকে আমাকে দু’জনের সমান জ্বর দেওয়া হয়েছে । আমি বললাম কারণ আপনার জন্য দুটি পুরস্কার রয়েছে । তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ হ্যাঁ ! সেই সত্তার কসম , যার হাতে আমার জীবন , পৃথিবীতে এমন কোন মুসলমান নেই যার উপর কোন বিপদ আসে ( বদলে ) মহান আল্লাহ , তার পাপের জন্য গাছগুলো তাদের পাতা ঝরায়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۰۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ الأَسْوَد ، عَنْ عَائِشَۃَ قَالَتْ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یُصِیبُ الْمُؤْمِنَ شَوْکَۃٌ فَمَا فَوْقَہَا إِلاَّ رَفَعَہُ اللَّہُ بِہَا دَرَجَۃً أَوْ حَطَّ بِہَا عَنْہُ سَیِّئَۃً۔ (مسلم ۱۹۹۱۔ ترمذی ۹۶۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(10906) হজরত আয়েশা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , মহানবী ( সা . ) বলেছেন , কোনো মুসলমানের কাঁটায় খুব বেশি কষ্ট হয় না , তবে এর কারণে আল্লাহ তায়ালা তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন । এ কারণে তার একটি গুনাহ মাফ হয়ে যায়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۰۷) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ بْنِ جَابِرٍ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ الأَشْعَرِیِّ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنْ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَنَّہُ عَادَ مَرِیضًا وَمَعَہُ أَبُو ہُرَیْرَۃَ مِنْ وَعَکٍ کَانَ بِہِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَبْشِرْ إنَّ اللَّہَ یَقُولُ : ہِیَ نَارِی أُسَلِّطُہَا عَلَی عَبْدِی الْمُؤْمِنِ فِی الدُّنْیَا لِیَکُونَ حَظَّہُ مِنَ النَّارِ فِی الآخِرَۃِ۔ (ترمذی ۲۰۸۸۔ احمد ۲/۴۴۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10907 ) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গেলেন । হজরত আবু হুরায়রা (রা. ) তাঁর সঙ্গে ছিলেন এবং তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন : একটি সুসংবাদ রয়েছে , আল্লাহ তায়ালা বলেন : এটি ( আগুন ) একটি মারাত্মক আগুন যা আমি দুনিয়াতে বিশ্বাসী আমি এটা চাপিয়ে দিচ্ছি যাতে পরকালের আগুনের পরিবর্তে আমি এর অংশ হতে পারি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۰۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ ابْنِ مُحَیْصِنٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَیْسِ بْنِ مَخْرَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : لَمَّا نَزَلَتْ ہَذِہِ الآیَۃُ : {مَنْ یَعْمَلْ سُوئًا یُجْزَ بِہِ} شَقَّ عَلَی الْمُسْلِمِینَ وَبَلَغَ مِنْہُمْ وَشَکَوْا ذَلِکَ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : قَارِّبُوا وَسَدِّدُوا وَکُلُّ مَا أُصِیبَ بِہِ الْمُسْلِمُ کَفَّارَۃٌ حَتَّی النَّکْبَۃُ یُنْکَبُہَا وَالشَّوْکَۃُ یُشَاکُہَا۔ (مسلم ۱۹۹۳۔ ترمذی ۳۰۳۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10908) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , যখন পবিত্র কোরআনের আয়াত নাজিল হয় , তখন মুসলমানদের অনেক কষ্ট হয় এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ কষ্ট পায় তিনি মহানবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে এসে অভিযোগ করলেন , মাঝখানে থাকুন এবং ( পথে ) সঠিক থাকুন । প্রতিটি দুঃখ - কষ্টই একজন মুসলমানের জন্য প্রায়শ্চিত্ত , এমনকি তাকে কাঁটা দিলেও তার প্রায়শ্চিত্ত হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۰۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَلْقَمَۃَ بْنِ مَرْثَدٍ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُخَیْمِرَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَا مِنْ أَحَدٍ مِنَ الْمُسْلِمِینَ یُبْتَلَی بِبَلاَئٍ فِی جَسَدِہِ إِلاَّ أَمَرَ اللَّہُ الْحَفَظَۃَ، فَقَالَ : اکْتُبُوا لِعَبْدِی مَا کَانَ یَعْمَلُ وَہُوَ صَحِیحٌ مَا دَامَ مَشْدُودًا فِی وَثَاقِی۔ (احمد ۲/۱۵۹۔ دارمی ۲۷۷۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(10909 ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , মহানবী ( সা . ) বলেছেন : আল্লাহ ব্যতীত কোনো মুসলমানের ওপর কোনো বিপদ আসে না অতঃপর মহান আল্লাহ বলেনঃ আমার বান্দার জন্য লিখে দাও যে সে যখন সঠিক ছিল ( এবং অসুস্থতার কারণে এখন তা করতে পারছে না ) যতক্ষণ মরিয়ম আবদ্ধ থাকবেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۱۰) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنِ الْعَوَّامِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ السَّکْسَکِیِّ ، عَنْ أَبِی بُرْدَۃَ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ مَرِضَ ، أَوْ سَافَرَ کَتَبَ اللَّہُ لَہُ مَا کَانَ یَعْمَلُ صَحِیحًا مُقِیمًا۔ (بخاری ۲۹۹۶۔ ابوداؤد ۳۰۸۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10910 ) হজরত আবু মুসা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , মহানবী ( সা . ) বলেছেন : যে ব্যক্তি অসুস্থ সে সফর করবে না , সে সেসব আমল লিখে রাখে যা সে সুস্থ অবস্থায় করত বাসস্থান (যেটা তিনি অসুস্থতার কারণে এখন করতে পারছেন না ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۱۱) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ الْوَلِیدِ بْنِ کَثِیرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بن عَطَائٍ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ یَسَارٍ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، وَأَبِی ہُرَیْرَۃَ أَنَّہُمَا سَمِعَا رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : مَا یُصِیبُ الْمُؤْمِنَ مِنْ وَصَبٍ ، وَلاَ نَصَبٍ ، وَلاَ سَقَمٍ ، وَلاَ حَزَنٍ حَتَّی الْہَمِّ یَہُمُّہُ إِلاَّ کَفَّرَ اللَّہُ عَنْہُ مِنْ خَطَایَاہُ۔ (بخاری ۵۶۴۲۔ مسلم ۱۹۹۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(10911) হজরত আবু সাঈদ ও হজরত আবু হারি ( রা .) বলেন , আমরা রাসুলুল্লাহ ( সা . )- কে বলতে শুনেছি : যে ব্যক্তি কোনো মুসলমানকে হত্যা করে , পরিশ্রম , দীর্ঘ অসুস্থতা , দুঃখ ও দুঃখ আসে , আল্লাহ তার কাফফারা দেন । পাপ
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۱۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ ، عَنْ وَاصِلٍ ، عَنْ بَشَّارِ بْنِ أَبِی سَیْفٍ ، عَنِ الْوَلِیدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ عِیَاضِ بْنِ غُطَیْفٍ ، قَالَ : دَخَلْنَا عَلَی أَبِی عُبَیْدَۃَ بْنِ الْجَرَّاحِ نَعُودُہُ فَإِذَا وَجْہُہُ مِمَّا یَلِی الْجِدَارَ وَامْرَأَتُہُ قَاعِدَۃٌ عِنْدَ رَأْسِہِ قُلْتُ : کَیْفَ بَاتَ أَبُو عُبَیْدَۃَ قَالَتْ بَاتَ بِأَجْرٍ فَأَقْبَلَ عَلَیْنَا بِوَجْہِہِ ، فَقَالَ : إنِّی لَمْ أَبِتْ بِأَجْرٍ , وَمَنِ ابْتَلاَہُ اللَّہُ بِبَلاَئٍ فِی جَسَدِہِ فَہُوَ لَہُ حِطَّۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৯১২ ) হজরত আইয়াজ ইবনে গাতিফ বলেন , আমরা হজরত আবু উবাইদা ইবনে জাররাহ ( রা . ) - এর কাছে এসেছিলাম , তখন আমরা তার মুখ একটি দেয়াল দিয়ে ঢেকে রেখেছিলাম এবং আপনার স্ত্রী আপনার মাথার কাছে বসে ছিলেন । আমি হযরত আবু উবাইদা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম তিনি কোথায় রাত্রি কাটিয়েছেন ? পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে , তারা ক্লান্ত অবস্থায় রাত কাটিয়েছেন । হজরত আবু উবাইদা ( রা ) আমাদের দিকে ফিরে বললেন , আমি সওয়াব অর্জনের জন্য রাত কাটাইনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۱۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا جَرِیرُ بْنُ حَازِمٍ سَمِعَہُ ، مِنْ بَشَّارِ بْنِ أَبِی سَیْفٍ ، عَنِ الْوَلِیدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ عِیَاضِ بْنِ غُطَیْفُ رَفَعَہُ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مِثْلُہُ۔ (احمد ۱۹۵۔ بخاری ۹۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(১০৯১৩ ) হযরত আয়াজ বিন আতিফ ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۱۴) حَدَّثَنَا یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ طَلْحَۃَ بْنِ یَحْیَی ، عَنْ أَبِی بُرْدَۃَ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : مَا مِنْ شَیْئٍ یُصِیبُ الْمُؤْمِنَ فِی جَسَدِہِ یُؤْذِیہِ إِلاَّ کُفِّرَ بِہِ عَنْہُ مِنْ سَیِّئَاتِہِ۔ (طبرانی ۸۴۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(10914) হজরত মুয়াবিয়া ( রা. ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন যে , আমি মহানবী ( সা . ) - কে বলতে শুনেছি : কোনো মুসলমানের ওপর যা কিছু ঘটে এবং তার শরীরকে আল্লাহ তায়ালা তার গুনাহের কাফফারা দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۱۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُوسَی بْنِ عُبَیْدَۃَ ، عَنْ عَلْقَمَۃَ بْنِ مَرْثَدٍ ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : ذُکِرَتِ الْحُمَّی عِنْدَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَسَبَّہَا رَجُلٌ ، فَقَالَ لَہُ : لاَ تَسُبَّہَا فَإِنَّہَا تَنْقِی الذُّنُوبَ کَمَا تَنْقِی النَّارُ خَبَثَ الْحَدِیدِ۔ (ابن ماجہ ۳۴۶۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(10915) হজরত আবু হুরায়রা ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সামনে জ্বরের কথা বলা হলে এক ব্যক্তি তাঁকে লানত করল তাঁকে বললেনঃ জ্বরকে অভিশাপ দিও না এটি আগুন এবং লোহার অপবিত্রতা থেকে পাপকে পরিষ্কার করে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۱۶) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنْ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : لاَ یَزَالُ الْبَلاَئُ بِالْمُؤْمِنِ وَالْمُؤْمِنَۃِ حَتَّی یَلْقَی اللَّہَ وَمَا عَلَیْہِ مِنْ خَطِیئَۃٍ۔ (حاکم ۳۴۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(10916) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , মহানবী ( সা . ) বলেছেন : একজন মুসলিম পুরুষ বা মুসলিম নারীর প্রতিনিয়ত সমস্যা থাকে যতক্ষণ না আল্লাহ তায়ালা তার ভুলগুলো ধ্বংস করেন ( পাপ ) .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۱۷) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ یَسَارٍ یُبْلِغُ بِہِ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ: إذَا مَرِضَ الْعَبْدُ، قَالَ اللَّہُ لِلْکِرَامِ الْکَاتِبِینَ اکْتُبُوا لِعَبْدِی مِثْلَ الَّذِی کَانَ یَعْمَلُ حَتَّی أَقْبَضَہُ، أَوْ أُعَافِیَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10917) হজরত আতা ইবনে ইয়াসার ( রা.) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যখন কোনো মুমিন অসুস্থ হয়ে পড়ে , তখন মহান আল্লাহ হুকুম করেন , আমার বান্দার জন্যে সে যা করত , সেরূপ লিখে দাও । তিনি সুস্থ ছিলেন , যতক্ষণ না আমি তাকে নিজের কাছে ডেকে আনছি এবং দয়া করে আমাকে শান্তি দিন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۱۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عُمَارَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ مَوْہَبٍ ، قَالَ انْطَلَقْت مَعَ سَلْمَانَ إلَی صَدِیقٍ لَہُ یَعُودُہُ مِنْ کِنْدَۃَ ، فَقَالَ : إنَّ الْمُؤْمِنَ یُصِیبُہُ اللَّہُ بِالْبَلاَئِ ، ثُمَّ یُعَافِیہِ فَیَکُونُ کَفَّارَۃً لِسَیِّئَاتِہِ وَیُسْتَعْتَبُ فِیمَا بَقِیَ وَإِنَّ الْفَاجِرَ یُصِیبُہُ اللَّہُ بِالْبَلاَئِ ، ثُمَّ یُعَافِیہِ فَیَکُونُ کَالْبَعِیرِ عَقَلَہُ أَہْلُہُ لاَ یَدْرِی لِمَ عَقَلُوہُ ، ثُمَّ أَرْسَلُوہُ فَلاَ یَدْرِی لِمَ أَرْسَلُوہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 10918 ) হজরত সাঈদ বিন মোহাব বলেন যে, আমি হজরত সালমানের সাথে তার বন্ধুর সাথে দেখা করতে কান্দায় গিয়েছিলাম । আল্লাহ তা নিয়ে আসেন এবং তারপর সরিয়ে দেন, তারপর এটি তার পাপের কাফফারা হয়ে যায় এবং যা অবশিষ্ট থাকে তাতে তিনি সন্তুষ্ট হন । এটা . আর যখন আল্লাহ তায়ালা পাপী ও পাপীকে কোন কষ্ট দেন । অতঃপর সে তাকে শান্তি দেয় , অতঃপর সে উটের মত হয়ে যায় যার মালিক তার উরু এবং কব্জি বেঁধে রাখে যাতে সে হাঁটতে পারে না , এবং সে জানে না কেন তাকে বেঁধে রেখে দেওয়া হয় , কেন সে জানে না তিনি বাকি ছিল .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۱۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ فُضَیْلِ بْنِ غَزْوَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ زَاذَانَ ، قَالَ : قَالَ سَلْمَانُ إذَا مَرِضَ الْعَبْدُ ، قَالَ الْمَلَکُ یَا رَبِّ ابْتَلَیْت عَبْدَک بِکَذَا قَالَ : فَیَقُولُ مَا دَامَ فِی وِثَاقِی فاکْتُبُوا لَہُ مِثْلَ عَمَلِہِ الَّذِی کَانَ یَعْمَلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10919) হজরত সালমান (রা.) থেকে বর্ণিত যে, কোনো ( মুমিন) বান্দা অসুস্থ হলে ফেরেশতা বলেন, হে প্রভু! আপনার অমুক বান্দা যদি কোনো রোগে আক্রান্ত হয় , তাহলে মহান আল্লাহ বলেন : যতক্ষণ সে আমার অঙ্গীকারের অধীন থাকবে ততক্ষণ তার জন্য এই কর্মের উদাহরণ লিখতে থাক , যা হল ( তিনি সুস্থ থাকতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۲۰) حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ سَعْدٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عُرْوَۃَ بْنَ رُوَیْمٍ یَذْکُرُ عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ مُعَاذٍ ، قَالَ : إذَا ابْتَلَی اللَّہُ الْعَبْدَ بِالسَّقَمِ ، قَالَ لِصَاحِبِ الشِّمَالِ ارْفَعْ ، وَقَالَ لِصَاحِبِ الْیَمِینِ اکْتُبْ لِعَبْدِی مَا کَانَ یَعْمَلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10920) হজরত মুআয (রা.) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহ তায়ালা যখন তাঁর বান্দাকে অসুস্থতার পরীক্ষা করেন , তখন তিনি বাম কাঁধের ফেরেশতাকে কলম তুলতে বলেন এবং (লেখা বন্ধ করতে) ফেরেশতা বাম কাঁধে রাখেন । তিনি বলেন , আমার বান্দার জন্য সে যা করত তা লিখে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۲۱) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ یُحَدِّثُ عَنْ عَائِشَۃَ قَالَتْ : سَمِعْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : مَا مِنْ مُسْلِمٍ یُشَاکُ بِشَوْکَۃٍ فَمَا فَوْقَہَا إِلاَّ رَفَعَہُ اللَّہُ بِہَا دَرَجَۃً وَحَطَّ عَنْہُ بِہَا خَطِیئَۃً۔ (بخاری ۵۶۴۰۔ مسلم ۱۹۹۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10921) হজরত আয়েশা ( রাঃ ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে বলতে শুনেছিঃ এমন কোন মুমিন নেই যে কাঁটা বিঁধেছে , যদি এর চেয়ে বড় কিছু হয় , তবে তার পরিবর্তে আল্লাহ তা’য়ালা তা’আলা রহ আলা তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন এবং তার গুনাহ মাফ করেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۲۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إیَاسِ بْنِ أَبِی تَمِیمَۃَ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : مَا مِنْ وَجَعٍ یُصِیبُنِی أَحَبُّ إلَیَّ مِنَ الْحُمَّی إِنَّہَا تَدْخُلُ فِی کُلِّ مَفْصِلٍ مِنَ ابْنِ آدَمَ , وَإِنَّ اللَّہَ لَیُعْطِی کُلَّ مَفْصِلٍ قِسْطًا مِنَ الأَجْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৯২২ ) হজরত আবু হারি ( রা.) বলেন , আমি জ্বরের চেয়ে আর কোনো ব্যথা পছন্দ করি না , ( কারণ ) নিশ্চয়ই তা আদম সন্তানের প্রতিটি অস্থিসন্ধিতে প্রবেশ করে এবং আল্লাহ তার প্রতিটি অঙ্গকে সওয়াবের অংশ দান করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۲۳) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ سَالِمٍ ، قَالَ رَأَی أَبُو الدَّرْدَائِ یَوْمًا رَجُلاً فَتَعَجَّبَ مِنْ جَلَدِہِ ، فَقَالَ أَبُو الدَّرْدَائِ ہَلْ حُمِمْت قَطُّ ہَلْ صُدِعْت قَطُّ ، فَقَالَ : الرَّجُلُ لاَ فَقَالَ أَبُو الدَّرْدَائِ بُؤْسٌ لِہَذَا یَمُوتُ بِخَطِیئَتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৯২৩ ) হজরত সালিম থেকে বর্ণিত যে , একদিন হজরত আবু দারদাই এক ব্যক্তিকে দেখে তার স্বাস্থ্য ও শক্তি দেখে আশ্চর্য হয়ে গেলেন ? আপনার কি কখনো কোন সমস্যা হয়েছে ( মাথা ব্যাথা ছাড়া ) ? তিনি বলেন , না . তুমি বলেছিলে এটা তার জন্য খারাপ , সে তার পাপের সাথে মারা যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۲۴) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ بَعْضِ أَصْحَابِہِ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ رَبِیعِ بْنِ عُمَیْلَۃَ ، عَنْ عَمَّارٍ ، قَالَ : کَانَ عِنْدَہُ أَعْرَابِیٌّ فَذَکَرُوا الْوَجَعَ ، فَقَالَ : عَمَّارٌ ہَلِ اشْتَکَیْت قَطُّ ، فَقَالَ : لاَ فَقَالَ : عَمَّارٌ مَا أَنْتَ مِنَّا ، أَوْ لَسْت مِنَّا مَا مِنْ عَبْدٍ یُبْتَلَی إِلاَّ حُطَّ عَنْہُ خَطَایَاہُ کَمَا تَحُطُّ الشَّجَرَۃُ وَرَقَہَا , وَإِنَّ الْکَافِرَ یُبْتَلَی فَمَثَلُہُ کَمَثَلِ الْبَعِیرِ عُقِلَ فَلَمْ یَدْرِ لِمَا عُقِلَ , وَأُطْلِقَ فَلَمْ یَدْرِ لِمَا أُطْلِقَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10924) হজরত রাবিয়া বিন উমিলা থেকে বর্ণিত যে, হজরত আম্মার (রা.) - এর একজন আরব ছিল , লোকেরা তার সামনে ব্যথা ও অসুস্থতার কথা উল্লেখ করেছিল । হযরত আম্মার (রাঃ ) বললেনঃ তুমি কি কখনো অসুস্থতার অভিযোগ করেছ ? সে বলল না . মুমিন সে নয় যে কষ্ট পায় , বরং তার পাপ গাছের পাতার মতো ঝরে পড়ে , আর অবশ্যই কাফের কষ্ট পায় । তার উদাহরণ উটের মতো , যখন তাকে বেঁধে রাখা হয় , তখন তা হয় না । কেন বেঁধে রাখা হয়েছিল জানি , আর যখন ছেড়ে দেওয়া হয় , তখন কেন ফেলে রাখা হয়েছিল জানি না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۲۵) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ عَاصِمٍ ، قَالَ : دَخَلَ أَبُو الْعَالِیَۃِ عَلَی النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ یَعُودُہُ ، قَالَ : کُنَّا نَتَحَدَّثُ مُنْذُ خَمْسِینَ سَنَۃً ، أَنَّہُ مَا مِنْ عَبْدٍ یَمْرَضُ إِلاَّ قَامَ مِنْ مَرَضِہِ کَیَوْمِ وَلَدَتْہُ أُمُّہُ وَکُنَّا نَتَحَدَّثُ مُنْذُ خَمْسِینَ سَنَۃً ، أَنَّہُ مَا مِنْ عَبْدٍ یَمْرَضُ إِلا قَالَ اللَّہُ لِکَاتِبَیْہِ : اکْتُبَا لِعَبْدِی مَا کَانَ یَعْمَلُ فِی صِحَّتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10925) হজরত আসিম থেকে বর্ণিত আছে যে, হজরত আবুল আলিয়া হযরত নাজর ইবনে আনাস ( রা.) - এর খেদমতে তাঁকে দেখতে গেলেন । তিনি বলেন , আমরা পঞ্চাশ বছর ধরে বলে আসছি যে কোনো মুমিন অসুস্থ হয় না , কিন্তু যখন সে সুস্থ হয়ে জেগে ওঠে , তখন সে যা পান করেছিল তা থেকে সে জেগে ওঠে । এটা ছিল দায়েশের দিন এবং আমরা পঞ্চাশ বছর ধরে ঐতিহ্যের ব্যাখ্যা দিয়ে আসছি । , কোন মুমিন অসুস্থ হতো না , কিন্তু মহান আল্লাহ হুকুমদাতাদেরকে বলেনঃ আমার বান্দার জন্য সে সুস্থ থাকাকালীন কি কাজ করতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۲۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عُمَارَۃَ ، عَنْ أَبِی عَمَّار ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُرَحْبِیلَ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ إنَّ الْوَجَعَ لاَ یُکْتَبُ بِہِ الأَجْرُ وَلَکِنْ تُکَفَّرُ بِہِ الْخَطَایَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10926) হজরত আমর ইবনে শাহরাবীল ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, হজরত আবদুল্লাহ বলেন , কষ্টের কারণে সওয়াব লেখা হয় না , বরং তা গুনাহের কাফফারা হয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۲۷) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ أَبِی قَیْسٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : قَالَ أَبُو الدَّرْدَائِ مَا یَسُرُّنِی بِلَیْلَۃٍ أَمْرَضُہَا حُمْرُ النَّعَمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10927) হজরত আবু আল-দারদাই বলেন, যে রাতে আমি অসুস্থ থাকি , আমি লাল উটের মতো ( সাক্ষাত ) খুশি হই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۲۸) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، قَالَ : إذَا مَرِضَ الرَّجُلُ عَلَی عَمَلٍ صَالِحٍ جَرَی لَہُ مَا کَانَ یَعْمَلُ فِی صِحَّتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10928) হজরত আবু কালাবা বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি কোনো খারাপ কাজের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ে , তখন সে সুস্থ থাকাকালীন যে কর্ম করত তার সওয়াব সে পায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۲۹) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنِ الْحَکَمِ بْنِ أَبَانَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : إذَا مَرِضَ الرَّجُلُ رُفِعَ لَہُ کُلَّ یَوْمٍ مَا کَانَ یَعْمَلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10929) হজরত ইকরামা (রা.) বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি অসুস্থ থাকে , তখন তার আমলগুলো আল্লাহর কাছে সমুন্নত হয় , যা সে সুস্থ থাকাকালীন করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۳۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ الْمُغِیرَۃِ ، عَنْ ثَابِتِ ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ یَسَارٍ ، قَالَ : إذَا مَرِضَ العبد کُتِبَ لَہُ أَحْسَنُ مَا کَانَ یَعْمَلُ فِی صِحَّتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10930) হজরত মুসলিম বনী সার থেকে বর্ণিত যে, যখন কোনো বান্দা অসুস্থ হয় , তখন তার জন্য সে সুস্থ থাকাকালীন যা করত তার চেয়ে একটি নেকী লেখা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۳۱) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ حَجَّاجِ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : قَالَ عَلِیُّ بْنُ الْحُسَیْنِ إذَا لَمْ یَمْرَضِ الْجَسَدُ أَشِرَ ، وَلاَ خَیْرَ فِی جَسَدٍ مَا یَأْشَر۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৯৩১ ) হজরত আলী বিন হুসাইন বলেন , শরীর যখন অসুস্থ থাকে না তখন তা নেয়ামতের অকৃতজ্ঞ হয় এবং অকৃতজ্ঞ এই শরীরে কোনো কল্যাণ থাকে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۳۲) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ یَحْیَی ، عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ عَائِشَۃَ قَالَتْ : مَا شِیکَ امْرُؤٌ بِشَوْکَۃٍ فَمَا فَوْقَہَا إِلاَّ حَطَّ اللَّہُ بِہَا عَنْہُ خَطَایَاہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৯৩২ ) হজরত আয়েশা (রা.) বলেন , কোনো কাঁটা কোনো নারীকে কাঁটে না , কিন্তু এর কারণে আল্লাহ তার গুনাহগুলো দূর করে দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۳۳) حَدَّثَنَا أَبُوبَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِیہِ، قَالَ: قُلْتُ یَا رَسُولَ اللہِ أَیُّ النَّاسِ أَشَدُّ بَلاَئً ، قَالَ : النَّبِیُّونَ ، ثُمَّ الأَمْثَلُ مِنَ النَّاسِ وَمَا یَزَالُ بِالْعَبْدِ الْبَلاَئُ حَتَّی یَلْقَی اللَّہَ وَمَا عَلَیْہِ مِنْ خَطِیئَۃٍ۔ (ترمذی ۲۳۹۸۔ ابن حبان ۲۹۰۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10933 ) হজরত মুসআব ইবনে সাদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন , তিনি বলেন , আমি বললাম , হে আল্লাহর রাসূল ( সা . ) ! কারা আমার থেকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় ?তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ নবীগণের উপর , তারপর তাদের মত যারা আছে এবং বান্দার উপর নিরন্তর কষ্ট থাকবে যতক্ষণ না তারা আল্লাহর আনুগত্য করবে এমন অবস্থায় তার উপর পাপ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۳۴) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ طَلْحَۃَ بْنِ عُمیرۃ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : یَوَدُّ أَہْلُ الْبَلاَئِ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ ، أَنَّ أَجْسَادَہُمْ کَانَتْ فِی الدُّنْیَا تُقْرَضُ بِالْمَقَارِیضِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৩১৩৪ ) হজরত মাসরূক ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , কিয়ামতের দিন ভুক্তভোগীরা কামনা করবে যে , তাদের গোশত ( চামড়া ) কাঁচি দিয়ে কেটে যাবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস