“মায়েরা যেন তাদের সন্তানদের পূর্ণ দু’বছর দুধ পান করায়, সেই পিতার জন্য যে পূর্ণ সময়কাল পর্যন্ত দুধ পান করাতে চায়;... তোমরা যা কর আল্লাহ তা দেখেন”। (সূরা আল-বাকারা ২৩৩)
তিনি আরো ইরশাদ করেনঃ “তাকে গর্ভে ধারণ ও দুধ ছাড়ানোর সময় ত্রিশ মাস”। (সূরা আল-আহক্ব-ফ ১৫)
তিনি আরও বলেনঃ “যদি তোমরা অসুবিধা বোধ কর, তাহলে অপর কোন মহিলা তাকে দুধ পান করার পারে। সচ্ছল ব্যক্তি স্বীয় সাধ্য অনুসারে খরচ করবে... প্রাচুর্য দান করলেন”। (সূরা আত-তালাক ৬-৭)
ইউনুস, যুহ্রী থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ নিষেধ করেছেন কোন মাকে তার সন্তানের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত করা হবে না। আর তা হলো এরূপ যে, মাতা এ কথা বলে বসল, আমি একে দুধ পান করাব না। অথচ মায়ের দুধ শিশুর জন্য উৎকৃষ্ট খাদ্য এবং অন্যান্য মহিলার তুলনায় মাতা সন্তানের জন্য অধিক স্নেহশীলা ও কোমল। কাজেই আল্লাহ পিতার উপর যে দায়িত্ব দিয়েছেন পিতা তা পালনার্থে যথাসাধ্য নিজের পক্ষ থেকে কিছু দেয়ার পরও মাতার জন্য দুধ পান করাতে অস্বীকার করা উচিত হবে না। এমনিভাবে সন্তানের পিতার জন্যও উচিত নয় সে সন্তানের কারণে তার মাতাকে কষ্ট দেয়া অর্থাৎ কষ্টে ফেলার উদ্দেশে শিশুর মাকে দুধ পান করাতে না দিয়ে অন্য মহিলাকে দুধ পান করাতে দেয়া। হ্যাঁ, মাতাপিতা খুশী হয়ে যদি কাউকে ধাত্রী নিযুক্ত করে, তবে তাতে কোন দোষ নেই। তেমনি যদি তারা উভয়ে দুধ ছাড়াতে চায়, তবে তাতেও তাদের কোন দোষ নেই, যদি তা পারস্পরিক সম্মতি ও পরামর্শের ভিত্তিতে হয়ে থাকে। (আরবী) দুধ ছাড়ানো।