
مُوْسَى بْنُ إِسْمَاعِيْلَ حَدَّثَنَا أَبُوْ عَوَانَةَ عَنْ أَبِيْ بِشْرٍ عَنْ سَعِيْدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ إِنَّ الَّذِيْ تَدْعُوْنَهُ الْمُفَصَّلَ هُوَ الْمُحْكَمُ قَالَ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ تُوُفِّيَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا ابْنُ عَشْرِ سِنِيْنَ وَقَدْ قَرَأْتُ الْمُحْكَمَ.
সা‘ঈদ ইব্নু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
যে সকল সূরাকে তোমরা মুফাস্সাল [১৬০] বলো, তা হচ্ছে মুহ্কাম।[১৬১] রাবী বলেন, ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, যখন আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করেন, তখন আমার বয়স দশ বছর এবং আমি ঐ বয়সেই মুহ্কাম আয়াতসমূহ শিখে নিয়েছিলাম।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৬১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬৫) [সহিহ বুখারী : ৫০৩৫]
[[১৬০] সূরা হুজুরাত থেকে সুরাহ নাস পর্যন্ত সূরাসমূহকে মুফাস্সাল বলা হয়। [১৬১] যে সকল আয়াতের ভাষা প্রাঞ্জল এবং অর্থ নির্ধারণের ব্যপারে কোন অসুবিধা হয় না ও সন্দেহের অবকাশ নেই তাকে ‘মুহ্কাম আয়াত’ বলে।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

يَعْقُوْبُ بْنُ إِبْرَاهِيْمَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا أَبُوْ بِشْرٍ عَنْ سَعِيْدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ جَمَعْتُ الْمُحْكَمَ فِيْ عَهْدِ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ لَهُ وَمَا الْمُحْكَمُ قَالَ الْمُفَصَّلُ.
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘মুহকাম সূরাসমূহ আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর জীবদ্দশায় মুখস্থ করেছিলাম। রাবী সা‘ঈদ (রহঃ) বলেন, আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, ‘মুহকাম’ অর্থ কী? তিনি বললেন, মুফাস্সাল।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৬২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬৬) [সহিহ বুখারী : ৫০৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস