(৬৮) তাফসীর [হাদিসের সীমা (৪৪৭৪ - ৪৯৭৭), সর্বমোট হাদিসঃ ৫০৯টি]

৬৫/৪৬/২.অধ্যায়ঃ [মোট হাদিসঃ ২টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৫২টি]


আল্লাহর বাণীঃ


{فَلَمَّا رَأَوْهُ عَارِضًا مُّسْتَقْبِلَ أَوْدِيَتِهِمْ لا قَالُوْا هٰذَا عَارِضٌ مُّمْطِرُنَا ط بَلْ هُوَ مَا اسْتَعْجَلْتُمْ بِهٰط رِيْحٌ فِيْهَا عَذَابٌ أَلِيْمٌ لا} অতঃপর যখন তারা সে আযাবকে মেঘরাশিরূপে তাদের উপত্যকার দিকে অগ্রসর হতে দেখল তখন তারা বললঃ এ তো মেঘ, আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করবে। হূদ বললেনঃ না, বরং এটা তো তা, যা তোমরা তাড়াতাড়ি চেয়েছিলে। এ এক প্রচন্ড ঝড়, এতে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (সূরাহ আল-আহ্ক্বাফ ৪৬/২৪) قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ {عَارِضٌ} السَّحَابُ. ইবনু ‘আববাস (রাঃ) বলেছেন, عَارِضٌ মেঘ।



4886 OK
View Quran

(৪৮২৮)

সহিহ হাদিস


নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এভাবে কখনো হাসতে দেখিনি, যাতে তাঁর কন্ঠনালীর আলাজিভ দেখা যায়। তিনি মুচকি হাসতেন। [৬০৯২] (আ.প্র. ৪৪৬৪ প্রথমাংশ, ই.ফা. ৪৪৬৬ প্রথমাংশ) [সহিহ বুখারী : ৪৮২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4887 OK

(৪৮২৯)

সহিহ হাদিস

قَالَتْ وَكَانَ إِذَا رَأَى غَيْمًا أَوْ رِيْحًا عُرِفَ فِيْ وَجْهِهِ قَالَتْ يَا رَسُوْلَ اللهِ إِنَّ النَّاسَ إِذَا رَأَوْا الْغَيْمَ فَرِحُوْا رَجَاءَ أَنْ يَكُوْنَ فِيْهِ الْمَطَرُ وَأَرَاكَ إِذَا رَأَيْتَهُ عُرِفَ فِيْ وَجْهِكَ الْكَرَاهِيَةُ فَقَالَ يَا عَائِشَةُ مَا يُؤْمِنِّيْ أَنْ يَكُوْنَ فِيْهِ عَذَابٌ عُذِّبَ قَوْمٌ بِالرِّيْحِ وَقَدْ رَأَى قَوْمٌ الْعَذَابَ {فَقَالُوْا هَذَا عَارِضٌ مُمْطِرُنَا}.


‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

যখনই তিনি মেঘ অথবা ঝড়ো হাওয়া দেখতেন, তখনই তাঁর চেহারায় তা পরিলক্ষিত হত। তিনি বললেন, মানুষ যখন মেঘ দেখে তখন বৃষ্টির আশায় আনন্দিত হয়। কিন্তু আপনি যখন মেঘ দেখেন, তখন আমি আপনার চেহারায় আতংকের ছাপ পাই। তিনি বললেন, হে ‘আয়িশাহ! এতে ‘আযাব না থাকার ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই। বাতাস দিয়েই তো এক কওমকে ‘আযাব দেয়া হয়েছে। সে কওম ‘আযাব দেখে বলেছিল, এ তো মেঘ, আমাদেরকে বৃষ্টি দিবে। [৩২০৬] (আ.প্র. ৪৪৬৪, ই.ফা. ৪৪৬৬) [সহিহ বুখারী : ৪৮২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস