
إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ أَبِيْ عُثْمَانَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ عَمْرَو بْنَ الْعَاصِ عَلَى جَيْشِ ذَاتِ السُّلَاسِلِ قَالَ فَأَتَيْتُهُ فَقُلْتُ أَيُّ النَّاسِ أَحَبُّ إِلَيْكَ قَالَ عَائِشَةُ قُلْتُ مِنْ الرِّجَالِ قَالَ أَبُوْهَا قُلْتُ ثُمَّ مَنْ قَالَ عُمَرُ فَعَدَّ رِجَالًا فَسَكَتُّ مَخَافَةَ أَنْ يَجْعَلَنِيْ فِيْ آخِرِهِمْ.
আবূ 'উসমান (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমর ইবনুল আস (রাঃ)- কে (সেনাপতি হিসেবে) যাতুস্ সালাসিল [৮০] বাহিনীর বিরুদ্ধে পাঠিয়েছিলেন। আমর ইবনুল আস বলেনঃ (যুদ্ধ শেষে) আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনার কাছে কোন্ লোকটি অধিকতর প্রিয়? তিনি উত্তর দিলেন, 'আয়িশাহ (রাঃ)। আমি বললাম, পুরুষদের মধ্যে কে? তিনি বললেন, তার ('আয়িশাহ্র) পিতা। আমি বললাম, তারপর কে? তিনি বললেন, 'উমার (রাঃ)। এভাবে তিনি পর পর আরো কয়েকজনের নাম বললেন। আমি চুপ হয়ে গেলাম এ ভয়ে যে, আমাকে না তিনি সকলের শেষে গণ্য করে বসেন। [৩৬৬২] (আ.প্র. ৪০১২, ই.ফা. ৪০১৬) [সহিহ বুখারী : ৪৩৫৮]
[[৮০] অর্থাৎ শিকল যুদ্ধ। শিকল যুদ্ধ বলার কারণ হিসেবে জালালুদ্দীন সুয়ূতী কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছেন। অষ্টম হিজরীর জুমাদাল আখির মাসে সংঘটিত এ যুদ্ধে বিপক্ষ দলের সৈন্যরা জীবনপণ যুদ্ধ করার জন্য এবং যাতে কেউ যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে পলায়ন করতে না পারে সে জন্য পরস্পর পরস্পরকে শিকল দিয়ে সংযুক্ত করে রেখেছিল।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস