(৬৬) আনসারগণের মর্যাদা [হাদিসের সীমা (৩৭৭৬ - ৩৯৪৮), সর্বমোট হাদিসঃ ১৭৩টি]

৬৩/৩২. অধ্যায়ঃ [মোট হাদিসঃ ২টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৯০টি]


জ্বিনদের উল্লেখ।


এবং আল্লাহ্‌র বাণীঃ “আপনি বলুনঃ আমার প্রতি ওয়াহী প্রেরণ করা হয়েছে যে, জ্বিনদের একটি দল মনযোগ সহকারে কুরআন শ্রবণ করেছে।” (আল-জ্বিন ১)



3919 OK
View Quran

(৩৮৫৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنِيْ عُبَيْدُ اللهِ بْنُ سَعِيْدٍ حَدَّثَنَا أَبُوْ أُسَامَةَ حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ عَنْ مَعْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ سَمِعْتُ أَبِيْ قَالَ سَأَلْتُ مَسْرُوقًا مَنْ آذَنَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بِالْجِنِّ لَيْلَةَ اسْتَمَعُوْا الْقُرْآنَ فَقَالَ حَدَّثَنِيْ أَبُوكَ يَعْنِيْ عَبْدَ اللهِ أَنَّهُ آذَنَتْ بِهِمْ شَجَرَةٌ


আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, আমি মাসরূক (রহঃ) - কে জিজ্ঞেস করলাম, যে রাতে জ্বিনরা মনযোগের সঙ্গে কুরআন শ্রবণ করেছিল ঐ রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে তাদের উপস্থিতির খবর কে দিয়েছিল? তিনি বললেন, তোমার পিতা ‘আবদুল্লাহ [ইব্‌নু মাসউদ (রাঃ)] আমাকে বলেছেন যে, একটি গাছ তাদের উপস্থিতির খবর দিয়েছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭৭) [সহিহ বুখারী : ৩৮৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3920 OK

(৩৮৬০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُوْسَى بْنُ إِسْمَاعِيْلَ حَدَّثَنَا عَمْرُوْ بْنُ يَحْيَى بْنِ سَعِيْدٍ قَالَ أَخْبَرَنِيْ جَدِّيْ عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ أَنَّهُ كَانَ يَحْمِلُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِدَاوَةً لِوَضُوئِهِ وَحَاجَتِهِ فَبَيْنَمَا هُوَ يَتْبَعُهُ بِهَا فَقَالَ مَنْ هَذَا فَقَالَ أَنَا أَبُوْ هُرَيْرَةَ فَقَالَ ابْغِنِيْ أَحْجَارًا أَسْتَنْفِضْ بِهَا وَلَا تَأْتِنِيْ بِعَظْمٍ وَلَا بِرَوْثَةٍ فَأَتَيْتُهُ بِأَحْجَارٍ أَحْمِلُهَا فِيْ طَرَفِ ثَوْبِيْ حَتَّى وَضَعْتُهَا إِلَى جَنْبِهِ ثُمَّ انْصَرَفْتُ حَتَّى إِذَا فَرَغَ مَشَيْتُ فَقُلْتُ مَا بَالُ الْعَظْمِ وَالرَّوْثَةِ قَالَ هُمَا مِنْ طَعَامِ الْجِنِّ وَإِنَّهُ أَتَانِيْ وَفْدُ جِنِّ نَصِيْبِيْنَ وَنِعْمَ الْجِنُّ فَسَأَلُونِي الزَّادَ فَدَعَوْتُ اللهَ لَهُمْ أَنْ لَا يَمُرُّوْا بِعَظْمٍ وَلَا بِرَوْثَةٍ إِلَّا وَجَدُوْا عَلَيْهَا طَعَامًا


আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উযু ও ইস্তিন্‌জার ব্যবহারের জন্য পানি ভর্তি একটি পাত্র নিয়ে পিছনে পিছনে যাচ্ছিলেন, হঠাৎ তিনি তাকিয়ে বললেন, কে? আমি বললাম, আমি আবূ হুরায়রা। তিনি বললেন, আমাকে কয়েকটি পাথর তালাশ করে দাও। আমি তা দিয়ে ইস্তিন্‌জা করব। [১] তবে, হাড় এবং গোবর আনবে না। আমি আমার কাপড়ের কিনারায় কয়েকটি পাথর এনে তাঁর কাছে রেখে দিলাম এবং আমি সেখান থেকে কিছুটা দূরে গেলাম। তিনি যখন ইস্তিন্‌জা হতে বেরোলেন, তখন আমি এগিয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, হাড় ও গোবরের ব্যাপার কি? তিনি বললেন, এগুলো জ্বিনের খাবার। আমার কাছে নাসীবীন [২] নামের জায়গা হতে জ্বিনের একটি প্রতিনিধি দল এসেছিল। তারা ভাল জ্বিন ছিল। তারা আমার কাছে খাদ্যদ্রব্যের আবেদন জানাল। তখন আমি আল্লাহ্‌র নিকট দু'আ করলাম যে, যখন কোন হাড্ডি বা গোবর তারা লাভ করে তখন তারা যেন তাতে খাদ্য পায়। [৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৭৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৭৮) [সহিহ বুখারী : ৩৮৬০]


[[১] উক্ত হাদীস হতে জানা যায় যে, পাথর বা তার বিকল্প জিনিস যথা মাটির ঢিলা, টিস্যু ইত্যাদি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা বৈধ। পানি ও পাথর/ঢিলা একত্রে ব্যবহার করা অতি উত্তম। কেননা তাতে বেশী পবিত্রতা অর্জন হয়। তবে পানি ও ঢিলা উভয়টি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও যে কোন একটি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা বৈধ। তবে পানি ও ঢিলার যে কোন একটি ব্যবহার করলে, পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা উত্তম। [২] সিরিয়া ও ইরাকের মধ্যে আল-জাযিরার একটি নগরী। [৩] উক্ত হাদীসের ব্যাখ্যায় ইব্‌নুততীম বলেনঃ আল্লাহ্ হাড্ডি বা গোবরকে জ্বীনদের খাবারে পরিণত করেন। অথবা তা থেকে খাদ্যের স্বাদ গ্রহন করান। (সূত্রঃ ফাতহুল বারী ৭ম খণ্ড ২১৯ পৃষ্ঠা)]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস