ইচ্ছাকৃত হত্যায় নিহত ব্যক্তির কোন্ কোন্ ওয়ারিস হতে কসম নেয়া হবে
আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাস’আলা এই যে, হত্যার কসমে স্ত্রীলোকদের নিকট হতে কসম নেয়া হবে না। যদি নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস শুধু স্ত্রীলোকই হয়, তবে ইচ্ছাকৃত হত্যায় না তাদের কসম করার অধিকার থাকে, না ক্ষমা করার। মালিক (র) বলেন, এক ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা হল, তার উত্তরাধিকারী ওয়ারিসগণ বলল আমরা কসম করে কিসাস নিব। তবে তাদের জন্য ইহা বৈধ হবে।
মালিক (র) বলেন, এমতাবস্থায় যদি নারীগণ ক্ষমা করতে ইচ্ছা করে তবে তাদের এই ইচ্ছা করা বৃথা। মালিক (র) বলেন, এ ব্যাপারে আসাবা ও ওয়ারিসগণ স্ত্রীগণ অপেক্ষা অগ্রগণ্য। কেননা তারা অধিকারী হিসেবে নিহত ব্যক্তির অধিক নিকটবর্তী আর তারা কসম করেছে।
মালিক (র) বলেন, যদি আসাবা বা ওয়ারিসগণ কসম করার পর নিজেরাই ক্ষমা করে দেয় আর স্ত্রীগণ ক্ষমা না করে, তবে স্ত্রীদের কিসাস নেয়ার অধিকার থাকবে। মালিক (র) বলেন, ইচ্ছাকৃত হত্যায় অন্তত দুইজন বাদী হতে কসম নিতেই হবে। তাদের হতে পঞ্চাশ কসম নেওয়ার পর কিসাসের আদেশ দেয়া হবে।
যারকানী বলেন, কিসাস যেরূপ দুইজন সার্ক্ষীর সাক্ষ্য ব্যতীত সাব্যস্ত হয় না, তদ্রুপ কসমের বেলায়ও দুই অথবা তদূর্ধ্ব, বাদী যতক্ষণ পর্যন্ত পঞ্চাশ কসম না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত কিসাসের আদেশ দেয়া হবে না।
মালিক (র) বলেন, যদি কয়েকজন লোক সম্মিলিতভাবে এক ব্যক্তিকে এইভাবে প্রহার করে যে, ঐ ব্যক্তি সকলের আঘাতে তৎক্ষণাৎ মৃত্যুবরণ করে, তা হলে কিসাসে সকলকেই হত্যা করা হবে। যদি কয়েকদিন পর মারা যায়, তবে কসম নিতে হবে। আর কসমের দারুন তাদের মধ্য হতে শুধু এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হবে। কেননা কসমের দ্বারা সর্বদা এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়।