
حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ أَنَّ رَجُلًا اعْتَرَفَ عَلَى نَفْسِهِ بِالزِّنَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَدَعَا لَهُ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِسَوْطٍ فَأُتِيَ بِسَوْطٍ مَكْسُورٍ فَقَالَ فَوْقَ هَذَا فَأُتِيَ بِسَوْطٍ جَدِيدٍ لَمْ تُقْطَعْ ثَمَرَتُهُ فَقَالَ دُونَ هَذَا فَأُتِيَ بِسَوْطٍ قَدْ رُكِبَ بِهِ وَلَانَ فَأَمَرَ بِهِ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجُلِدَ ثُمَّ قَالَ أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ آنَ لَكُمْ أَنْ تَنْتَهُوا عَنْ حُدُودِ اللهِ مَنْ أَصَابَ مِنْ هَذِهِ الْقَاذُورَاتِ شَيْئًا فَلْيَسْتَتِرْ بِسِتْرِ اللهِ فَإِنَّهُ مَنْ يُبْدِي لَنَا صَفْحَتَهُ نُقِمْ عَلَيْهِ كِتَابَ اللهِ
যায়দ ইব্নু আসলাম (র) থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময়ে এক ব্যক্তি ব্যভিচারে লিপ্ত হয়েছে বলে স্বীকার করল। রসূলুল্লাহ্ তার জন্য একটি চাবুক আনতে বলা হলে তাঁর নিকট একটি ভাঙ্গা চাবুক আনা হল। রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এর চাইতে ভাল চাবুক আনতে, তখন একটি নতুন চাবুক আনা হল, যার মাথা এখনও কাটা হয়নি। তিনি বললেন, ইহা হতে নরম একটি লও। অতঃপর এমন একটি চাবুক আনা হল, যা বাহনে ব্যবহার করা হয়েছে, তজ্জন্য নরম হয়ে গিয়েছে। অতঃপর তাঁর আদেশে তাকে বেত্রাঘাত করা হল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এখন সময় এসেছে তোমরা আল্লাহ্র নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করা হতে ফিরে আসবে। যদি কেউ এইরূপ কোন কিছু করে বসে, তবে তাকে আল্লাহর পর্দার আড়ালে লুকিয়ে থাকা উচিত। যে ব্যক্তি স্বীয় পর্দা উন্মোচন করবে, তবে আমরা তার উপর আল্লাহর কিতাবের নির্ধারিত শাস্তি জারি করব। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৫১৯]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ صَفِيَّةَ بِنْتَ أَبِي عُبَيْدٍ أَخْبَرَتْهُ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ أُتِيَ بِرَجُلٍ قَدْ وَقَعَ عَلَى جَارِيَةٍ بِكْرٍ فَأَحْبَلَهَا ثُمَّ اعْتَرَفَ عَلَى نَفْسِهِ بِالزِّنَا وَلَمْ يَكُنْ أَحْصَنَ فَأَمَرَ بِهِ أَبُو بَكْرٍ فَجُلِدَ الْحَدَّ ثُمَّ نُفِيَ إِلَى فَدَكَ قَالَ مَالِك فِي الَّذِي يَعْتَرِفُ عَلَى نَفْسِهِ بِالزِّنَا ثُمَّ يَرْجِعُ عَنْ ذَلِكَ وَيَقُولُ لَمْ أَفْعَلْ وَإِنَّمَا كَانَ ذَلِكَ مِنِّي عَلَى وَجْهِ كَذَا وَكَذَا لِشَيْءٍ يَذْكُرُهُ إِنَّ ذَلِكَ يُقْبَلُ مِنْهُ وَلَا يُقَامُ عَلَيْهِ الْحَدُّ وَذَلِكَ أَنَّ الْحَدَّ الَّذِي هُوَ لِلَّهِ لَا يُؤْخَذُ إِلَّا بِأَحَدِ وَجْهَيْنِ إِمَّا بِبَيِّنَةٍ عَادِلَةٍ تُثْبِتُ عَلَى صَاحِبِهَا وَإِمَّا بِاعْتِرَافٍ يُقِيمُ عَلَيْهِ حَتَّى يُقَامَ عَلَيْهِ الْحَدُّ فَإِنْ أَقَامَ عَلَى اعْتِرَافِهِ أُقِيمَ عَلَيْهِ الْحَدُّ قَالَ مَالِك الَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ أَهْلَ الْعِلْمِ أَنَّهُ لَا نَفْيَ عَلَى الْعَبِيدِ إِذَا زَنَوْا
সফীয় বিনত আবূ উরায়দ (রা) থেকে বর্ণিতঃ
আবূ বাকর (রা)-এর কাছে এক ব্যক্তিকে আনা হল। সে একটি কুমারী বালিকার সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়ে তাকে গর্ভবতী করেছিল। অতঃপর সে ব্যভিচারের কথা স্বীকার করল। সে বিবাহিত ছিল না। আবূ বাকর (রা) তাকে কোড়া লাগাবার আদেশ করলেন। এর পর ঐ লোকটিকে ফদক নামক স্থানে নির্বাসনে পাঠানো হলো। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) বলেন, যদি কোন ব্যক্তি ব্যভিচারের কথা স্বীকার করার পর আবার অস্বীকার করে বলে যে, আমি ব্যভিচার করিনি, তা হলে তা হতে শাস্তি বাতিল হয়ে যাবে। কেননা ব্যভিচারের শাস্তির জন্য হয় চারজন উপযুক্ত সাক্ষী হবে, না হয় তার স্বীকারোক্তি হতে হবে যার উপর সে শাস্তির সময় পর্যন্ত স্থির থাকে।
মালিক (র) বলেন, আমার দেশের উলামার মত হল যে, যদি গোলাম ব্যভিচারে লিপ্ত হয় তবে তাকে দেশান্তরিত করা হবে না। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৫২০]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়