(৬১৯) গোলাম আযাদ করা এবং স্বত্বাধিকার [হাদিসের সীমা (), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫টি]

পরিচ্ছেদঃ ৬ [মোট হাদিসঃ ৪টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৮টি]


পূর্বে যার উপর দাসমুক্তি ওয়াজিব হয়েছে তার জন্য কি ধরনের দাস মুক্ত করা জায়েয তার বর্ণনা




35924 OK

(১৪৬৭)

নির্ণীত নয়

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ هِلَالِ بْنِ أُسَامَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْحَكَمِ أَنَّهُ قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّ جَارِيَةً لِي كَانَتْ تَرْعَى غَنَمًا لِي فَجِئْتُهَا وَقَدْ فُقِدَتْ شَاةٌ مِنْ الْغَنَمِ فَسَأَلْتُهَا عَنْهَا فَقَالَتْ أَكَلَهَا الذِّئْبُ فَأَسِفْتُ عَلَيْهَا وَكُنْتُ مِنْ بَنِي آدَمَ فَلَطَمْتُ وَجْهَهَا وَعَلَيَّ رَقَبَةٌ أَفَأُعْتِقُهَا فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيْنَ اللهُ فَقَالَتْ فِي السَّمَاءِ فَقَالَ مَنْ أَنَا فَقَالَتْ أَنْتَ رَسُولُ اللهِ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْتِقْهَا.


আতা ইব্নু ইয়াসার (র) উমার ইব্নু হাকাম [১] (রা) থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমার এক ক্রীতদাসী আমার ছাগপাল চরাইতেছিল। একদিন আমি তার নিকট গেলাম এবং জানতে পারলাম সে একটি বকরী হারিয়ে ফেলেছে। আমি তাকে বকরীর বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। সে বলল, উহাকে বাঘে খেয়ে ফেলেছে। আমি তার জন্য দুঃখিত হলাম, আর আমি আদম সন্তানের একজন (আমার রাগ হল)। তাই আমি ক্রীতদাসীর মুখের উপর চড় মারলাম। আমার উপর (পূর্বে) একটি দাস বা দাসী আযাদ করা জরুরী ছিল, এখন আমি উহাকে (ক্রীতদাসীকে) আযাদ করব কি? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহাকে (ক্রীতদাসীকে) জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহ্ কোথায়? সে বলল, ঊর্ধ্বলোকে। তিনি (রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেন, আমি কে? সে বলল, আপনি আল্লাহর রসূল। তারপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন একে আযাদ করে দাও। (সহীহ, মুসলিম ৫৩৭) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৬৭]


[[১] মালিক (র) বলেছেন, এটা প্রকৃতপক্ষে হবে মুয়াবিয়া ইবনু হাকাম।]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়



35925 OK

(১৪৬৮)

নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ رَجُلًا مِنْ الْأَنْصَارِ جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِجَارِيَةٍ لَهُ سَوْدَاءَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّ عَلَيَّ رَقَبَةً مُؤْمِنَةً فَإِنْ كُنْتَ تَرَاهَا مُؤْمِنَةً أُعْتِقُهَا فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتَشْهَدِينَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ قَالَتْ نَعَمْ قَالَ أَتَشْهَدِينَ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللهِ قَالَتْ نَعَمْ قَالَ أَتُوقِنِينَ بِالْبَعْثِ بَعْدَ الْمَوْتِ قَالَتْ نَعَمْ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْتِقْهَا


ওবায়দুল্লাহ্ ইব্নু আবদিল্লাহ্ ইব্নু উতবা ইব্নু মাস‘ঊদ (র) থেকে বর্ণিতঃ

আনসারদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তার একটি কৃষ্ণ বর্ণের ক্রীতদাসীকে নিয়ে উপস্থিত হল এবং বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমার উপর একটি ঈমানদার ক্রীতদাসী আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে, আপনি যদি একে ঈমানদার মনে করেন তবে আমি তাকে আযাদ করব। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহাকে (উদ্দেশ্য করে) বললেন, আল্লাহ্ ছাড়া কোন মা‘বুদ নেই- তুমি কি এর সাক্ষ্য দাও? সে বলল, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার বললেন মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল- তুমি এই সাক্ষ্য দাও কি? সে বলল, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় বললেন (মৃত্যুর পর) পুনরুত্থানে তুমি বিশ্বাস কর কি? সে বলল, হ্যাঁ। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি একে আযাদ কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৬৮]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়



35926 OK

(১৪৬৯)

নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ الْمَقْبُرِيِّ أَنَّهُ قَالَ سُئِلَ أَبُو هُرَيْرَةَ عَنْ الرَّجُلِ تَكُونُ عَلَيْهِ رَقَبَةٌ هَلْ يُعْتِقُ فِيهَا ابْنَ زِنًا فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ نَعَمْ ذَلِكَ يُجْزِئُ عَنْهُ.


মাকবুরী (র) থেকে বর্ণিতঃ

আবূ হুরায়রা (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যার উপর দাস বা দাসীর আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে। প্রশ্নটি হল, সে ব্যক্তি জারজ সন্তান আযাদ করতে পারবে কি? আবূ হুরায়রা (রা) বললেন, হ্যাঁ, উহা তার জন্য যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৬৯]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়



35927 OK

(১৪৭০)

নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ الْأَنْصَارِيِّ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ الرَّجُلِ تَكُونُ عَلَيْهِ رَقَبَةٌ هَلْ يَجُوزُ لَهُ أَنْ يُعْتِقَ وَلَدَ زِنًا قَالَ نَعَمْ ذَلِكَ يُجْزِئُ عَنْهُ.


মালিক (র)- থেকে বর্ণিতঃ

ফুযালা ইব্নু উবায়দ আনসারী (রা) হতে, তিনি ছিলেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের একজন। তাঁর নিকট প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যার উপর রাকাবা (গোলাম বা বাঁদী) আযাদ করা ওয়াজিব, তার পক্ষে জারজ সন্তান আযাদ করা জায়েয হবে কি? তিনি বললেন হ্যাঁ, উহা তার পক্ষে যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৭০]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়