
حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ أَيُّمَا وَلِيدَةٍ وَلَدَتْ مِنْ سَيِّدِهَا فَإِنَّهُ لَا يَبِيعُهَا وَلَا يَهَبُهَا وَلَا يُوَرِّثُهَا وَهُوَ يَسْتَمْتِعُ بِهَا فَإِذَا مَاتَ فَهِيَ حُرَّةٌ.
আবদুল্লাহ ইব্নু উমার (রা) থেকে বর্ণিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রা) বলেছেন, যে ক্রীতদাসী তার কর্তার ঔরসে সন্তান জন্মাইয়াছে, সে কর্তা উহাকে বিক্রয় করতে পারবে না, আর পারবে না উহাকে দান করতে, কেউ উহার স্বত্বাধিকারও লাভ করবে না, মনিব তাকে উপভোগ করবে যখন মনিবের মৃত্যু হবে ক্রীতদাসী তখন আযাদ হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৬৫]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَتَتْهُ وَلِيدَةٌ قَدْ ضَرَبَهَا سَيِّدُهَا بِنَارٍ أَوْ أَصَابَهَا بِهَا فَأَعْتَقَهَا قَالَ مَالِك الْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا أَنَّهُ لَا تَجُوزُ عَتَاقَةُ رَجُلٍ وَعَلَيْهِ دَيْنٌ يُحِيطُ بِمَالِهِ وَأَنَّهُ لَا تَجُوزُ عَتَاقَةُ الْغُلَامِ حَتَّى يَحْتَلِمَ أَوْ يَبْلُغَ مَبْلَغَ الْمُحْتَلِمِ وَأَنَّهُ لَا تَجُوزُ عَتَاقَةُ الْمُوَلَّى عَلَيْهِ فِي مَالِهِ وَإِنْ بَلَغَ الْحُلُمَ حَتَّى يَلِيَ مَالَهُ.
মালিক (র)- থেকে বর্ণিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রা)-এর নিকট জনৈকা ক্রীতদাসী এল, যাকে তার মনিব আগুন দ্বারা জখম করেছে অথবা তার শরীরে আগুন লাগিয়েছে। উমার (রা) উহাকে আযাদ করে দিলেন (অর্থাৎ আযাদ করে দেয়ার জন্য কর্তাকে নির্দেশ দিলেন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট সর্ব সম্মত সিদ্ধান্ত এই যে, যে ব্যক্তির উপর ঋণ আছে এবং ঋণ তার সমস্ত মাল ঘিরে রেখেছে সে ব্যক্তির পক্ষে (ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসীকে) আযাদ করা বৈধ নয়। বালক যতক্ষণ বালেগ না হয় অথবা বালেগ পুরুষের সমপর্যায়ে না পৌঁছে, ততক্ষণ তার পক্ষে গোলাম আযাদ করা বৈধ হবে না, যে ব্যক্তির মালের উপর মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত করা হয়েছে (এবং তাকে কার্য পরিচালনা হতে বিরত রাখা হয়েছে) সে বালিগ (সাবালক) হলেও গোলাম আযাদ করতে পারবে না, যাবত সে নিজ সম্পদের পরিচালক না হবে। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৬৬]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়